ভবন নির্মাণের অনুমোদন দেওয়া বিসি কমিটির কাঠামো পুনর্বিন্যাস নিয়ে সভা বৃহস্পতিবার

ভবন নির্মাণের অনুমোদন দেওয়া বিসি কমিটির কাঠামো পুনর্বিন্যাস নিয়ে সভা বৃহস্পতিবার
সিজেডএন ডেস্ক

‘বাংলাদেশ বিল্ডিং রেগুলেটরি কর্তৃপক্ষ আইন, ২০২৬’ বাস্তবায়ন, বিল্ডিং কনস্ট্রাকশন (বিসি) কমিটির কাঠামো পুনর্বিন্যাস, প্রতিনিধি অন্তর্ভুক্তি ও নকশা ভেটিং নিয়ে এক পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিতব্য এ সভায় জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে বিসি কমিটি গঠন, নিরাপদ ভবন নির্মাণের লক্ষ্যে স্ট্রাকচারাল, ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল ও প্লাম্বিং নকশা ভেটিং ফি নির্ধারণ ও আদায়কৃত ফি বন্টনসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করা হবে।
রবিবার (১১ অক্টোবর) গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রশাসন শাখা-৩ থেকে জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। এতে স্বাক্ষর করেন উপসচিব দীপক কুমার রায়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আগামী বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) বেলা ১১টায় বাংলাদেশ সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হবে। এতে সভাপতিত্ব করবেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব।
সভায় গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রস্তাব অনুযায়ী বিএনবিসি-২০২০ এর সাথে সংগতি রেখে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে ১টি জেলা বিসি (বিল্ডিং কনস্ট্রাকশন) কমিটি এবং ২টি সাব-কমিটি (টেকনিক্যাল সাব-কমিটি ও উপজেলা সাব-কমিটি) গঠন বিষয়ে পর্যালোচনা করা হবে। এই কমিটি জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে ভবন নির্মাণ ও নকশা অনুমোদন করে।
এছাড়া জেলা ও উপজেলা বিসি কমিটিতে ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইডিইবি)-এর প্রতিনিধি অন্তর্ভুক্তির লিখিত আবেদন বিবেচনা করা হবে। পাশাপাশি গণপূর্ত অধিদপ্তর কর্তৃক নিরাপদ ভবন নির্মাণের লক্ষ্যে স্ট্রাকচারাল, ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল ও প্লাম্বিং নকশা ভেটিং-এর ফি নির্ধারণ এবং আদায়কৃত ফি বণ্টন (৫০ শতাংশ রাজস্ব, ২০ শতাংশ দাপ্তরিক ব্যয় ও ৩০ শতাংশ সম্মানী) সংক্রান্ত দিক-নির্দেশনা নিয়েও আলোচনা হবে।
প্রসঙ্গত, বিএনবিসি-২০২০ (বাংলাদেশ ন্যাশনাল বিল্ডিং কোড-২০২০) হলো বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ নীতিমালা, যা ভবন নির্মাণ, নকশা এবং সুরক্ষার মান নিশ্চিত করতে প্রণয়ন করা হয়েছে। এটি ১৯৯৩ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়। পরবর্তীতে সময়ের চাহিদা অনুযায়ী সংশোধন করা হয়েছে। এতে ভবনের নকশা, নির্মাণ, ব্যবস্থাপনা এবং রক্ষণাবেক্ষণের প্রতিটি ধাপের জন্য সুনির্দিষ্ট নির্দেশিকা প্রদান করে। এটি আধুনিক নগরায়ণ ও টেকসই উন্নয়নের প্রয়োজন পূরণের পাশাপাশি নিরাপত্তা, পরিবেশ এবং দুর্যোগ প্রতিরোধকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার প্রদান করে।

‘বাংলাদেশ বিল্ডিং রেগুলেটরি কর্তৃপক্ষ আইন, ২০২৬’ বাস্তবায়ন, বিল্ডিং কনস্ট্রাকশন (বিসি) কমিটির কাঠামো পুনর্বিন্যাস, প্রতিনিধি অন্তর্ভুক্তি ও নকশা ভেটিং নিয়ে এক পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিতব্য এ সভায় জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে বিসি কমিটি গঠন, নিরাপদ ভবন নির্মাণের লক্ষ্যে স্ট্রাকচারাল, ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল ও প্লাম্বিং নকশা ভেটিং ফি নির্ধারণ ও আদায়কৃত ফি বন্টনসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করা হবে।
রবিবার (১১ অক্টোবর) গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রশাসন শাখা-৩ থেকে জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। এতে স্বাক্ষর করেন উপসচিব দীপক কুমার রায়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আগামী বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) বেলা ১১টায় বাংলাদেশ সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হবে। এতে সভাপতিত্ব করবেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব।
সভায় গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রস্তাব অনুযায়ী বিএনবিসি-২০২০ এর সাথে সংগতি রেখে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে ১টি জেলা বিসি (বিল্ডিং কনস্ট্রাকশন) কমিটি এবং ২টি সাব-কমিটি (টেকনিক্যাল সাব-কমিটি ও উপজেলা সাব-কমিটি) গঠন বিষয়ে পর্যালোচনা করা হবে। এই কমিটি জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে ভবন নির্মাণ ও নকশা অনুমোদন করে।
এছাড়া জেলা ও উপজেলা বিসি কমিটিতে ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইডিইবি)-এর প্রতিনিধি অন্তর্ভুক্তির লিখিত আবেদন বিবেচনা করা হবে। পাশাপাশি গণপূর্ত অধিদপ্তর কর্তৃক নিরাপদ ভবন নির্মাণের লক্ষ্যে স্ট্রাকচারাল, ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল ও প্লাম্বিং নকশা ভেটিং-এর ফি নির্ধারণ এবং আদায়কৃত ফি বণ্টন (৫০ শতাংশ রাজস্ব, ২০ শতাংশ দাপ্তরিক ব্যয় ও ৩০ শতাংশ সম্মানী) সংক্রান্ত দিক-নির্দেশনা নিয়েও আলোচনা হবে।
প্রসঙ্গত, বিএনবিসি-২০২০ (বাংলাদেশ ন্যাশনাল বিল্ডিং কোড-২০২০) হলো বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ নীতিমালা, যা ভবন নির্মাণ, নকশা এবং সুরক্ষার মান নিশ্চিত করতে প্রণয়ন করা হয়েছে। এটি ১৯৯৩ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়। পরবর্তীতে সময়ের চাহিদা অনুযায়ী সংশোধন করা হয়েছে। এতে ভবনের নকশা, নির্মাণ, ব্যবস্থাপনা এবং রক্ষণাবেক্ষণের প্রতিটি ধাপের জন্য সুনির্দিষ্ট নির্দেশিকা প্রদান করে। এটি আধুনিক নগরায়ণ ও টেকসই উন্নয়নের প্রয়োজন পূরণের পাশাপাশি নিরাপত্তা, পরিবেশ এবং দুর্যোগ প্রতিরোধকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার প্রদান করে।

ভবন নির্মাণের অনুমোদন দেওয়া বিসি কমিটির কাঠামো পুনর্বিন্যাস নিয়ে সভা বৃহস্পতিবার
সিজেডএন ডেস্ক

‘বাংলাদেশ বিল্ডিং রেগুলেটরি কর্তৃপক্ষ আইন, ২০২৬’ বাস্তবায়ন, বিল্ডিং কনস্ট্রাকশন (বিসি) কমিটির কাঠামো পুনর্বিন্যাস, প্রতিনিধি অন্তর্ভুক্তি ও নকশা ভেটিং নিয়ে এক পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিতব্য এ সভায় জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে বিসি কমিটি গঠন, নিরাপদ ভবন নির্মাণের লক্ষ্যে স্ট্রাকচারাল, ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল ও প্লাম্বিং নকশা ভেটিং ফি নির্ধারণ ও আদায়কৃত ফি বন্টনসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করা হবে।
রবিবার (১১ অক্টোবর) গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রশাসন শাখা-৩ থেকে জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। এতে স্বাক্ষর করেন উপসচিব দীপক কুমার রায়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আগামী বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) বেলা ১১টায় বাংলাদেশ সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হবে। এতে সভাপতিত্ব করবেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব।
সভায় গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রস্তাব অনুযায়ী বিএনবিসি-২০২০ এর সাথে সংগতি রেখে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে ১টি জেলা বিসি (বিল্ডিং কনস্ট্রাকশন) কমিটি এবং ২টি সাব-কমিটি (টেকনিক্যাল সাব-কমিটি ও উপজেলা সাব-কমিটি) গঠন বিষয়ে পর্যালোচনা করা হবে। এই কমিটি জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে ভবন নির্মাণ ও নকশা অনুমোদন করে।
এছাড়া জেলা ও উপজেলা বিসি কমিটিতে ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইডিইবি)-এর প্রতিনিধি অন্তর্ভুক্তির লিখিত আবেদন বিবেচনা করা হবে। পাশাপাশি গণপূর্ত অধিদপ্তর কর্তৃক নিরাপদ ভবন নির্মাণের লক্ষ্যে স্ট্রাকচারাল, ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল ও প্লাম্বিং নকশা ভেটিং-এর ফি নির্ধারণ এবং আদায়কৃত ফি বণ্টন (৫০ শতাংশ রাজস্ব, ২০ শতাংশ দাপ্তরিক ব্যয় ও ৩০ শতাংশ সম্মানী) সংক্রান্ত দিক-নির্দেশনা নিয়েও আলোচনা হবে।
প্রসঙ্গত, বিএনবিসি-২০২০ (বাংলাদেশ ন্যাশনাল বিল্ডিং কোড-২০২০) হলো বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ নীতিমালা, যা ভবন নির্মাণ, নকশা এবং সুরক্ষার মান নিশ্চিত করতে প্রণয়ন করা হয়েছে। এটি ১৯৯৩ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়। পরবর্তীতে সময়ের চাহিদা অনুযায়ী সংশোধন করা হয়েছে। এতে ভবনের নকশা, নির্মাণ, ব্যবস্থাপনা এবং রক্ষণাবেক্ষণের প্রতিটি ধাপের জন্য সুনির্দিষ্ট নির্দেশিকা প্রদান করে। এটি আধুনিক নগরায়ণ ও টেকসই উন্নয়নের প্রয়োজন পূরণের পাশাপাশি নিরাপত্তা, পরিবেশ এবং দুর্যোগ প্রতিরোধকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার প্রদান করে।

গৃহায়নের ‘জিইসি’ মোড়ে বাতিল প্রকল্প পাস করাতে তৎপর স্বার্থান্বেষী মহল 







