বসুন্ধরা কার নিয়ন্ত্রণে, প্রশ্ন সংসদীয় কমিটি সদস্যদের

বসুন্ধরা কার নিয়ন্ত্রণে, প্রশ্ন সংসদীয় কমিটি সদস্যদের
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা প্রকৃতপক্ষে কার নিয়ন্ত্রণে, সেখানে জমি কীভাবে বেচাকেনা হয়-এ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন জাতীয় সংসদের সরকারি প্রতিষ্ঠান-সম্পর্কিত কমিটিতে বেশ কয়েকজন সদস্য।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) জাতীয় সংসদের সরকারি প্রতিষ্ঠান-সম্পর্কিত কমিটির বৈঠকে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) কাছে বিষয়গুলো জানতে চান তারা।
বৈঠক সূত্র জানা গেছে, আজকের বৈঠকে একাধিক সদস্য বসুন্ধরা এলাকার বিষয়ে কথা বলেন। একজন সদস্য বলেন, ওই এলাকায় ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ করে বসুন্ধরার নিজস্ব লোকজন। সেখানে জমি বেচাকেনা করতে বসুন্ধরা গ্রুপকে কমিশন দিতে হয়। একটি ডিশ লাইনের সংযোগ নিতে হলেও তাদের কাছ থেকে নিতে হয়। এটি একটি রাষ্ট্রের ভেতর আরেকটি রাষ্ট্রের মতো হয়ে যাচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, কমিটির একজন সদস্য জানতে চান, বসুন্ধরা এলাকায় নিয়ন্ত্রণ কার। কীভাবে তাদের জমি কেনাবেচার অনুমতি দেওয়া হয়। তখন রাজউকের পক্ষ থেকে জানানো হয়, এটি কাগজে-কলমে মূলত সিটি করপোরেশনের আওতাধীন। তবে এখনো সিটি করপোরেশনের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ সেখানে নেই।
জাতীয় সংসদের সরকারি প্রতিষ্ঠান-সম্পর্কিত কমিটির সদস্য খোন্দকার আবু আশফাক বলেন, বসুন্ধরা নিয়ে নানা অভিযোগ রয়েছে। তারা সেখানে আলাদা রাজত্ব, আলাদা প্রশাসন গড়ে তুলেছে। তারা হোল্ডিং কর নেয়, সেখানে জমি বিক্রি করতে হলে নাকি কাঠাপ্রতি বসুন্ধরাকে টাকা দিতে হয়। ড্রেন নির্মাণ, ডিশ লাইন দেওয়া এসব কাজও তাদের ছাড়া করা যায় না।
বৈঠক শেষে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বৈঠকে পরিকল্পিত ও টেকসই নগরায়ণের লক্ষ্যে সমন্বিত ইউটিলিটি ব্যবস্থা ও ভূগর্ভস্থ ক্যাবল ব্যবস্থা, নতুন বাণিজ্যিক ভবনে অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা, পর্যাপ্ত ওয়াশরুম ও নামাজের স্থান নিশ্চিতকরণ এবং ঢাকার লেক সংরক্ষণের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। এছাড়া ঢাকা শহরে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থার সম্প্রসারণের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের সুপারিশ করেছে কমিটি।
বৈঠকে নিরীক্ষা কার্যক্রমে দীর্ঘসূত্রিতায় উদ্বেগ প্রকাশ করে আধুনিক ডিজিটাল ব্যবস্থার মাধ্যমে নিরীক্ষা দ্রুত সম্পন্ন ও অডিট আপত্তি নিষ্পত্তির তাগিদ দেওয়া হয়।
জাতীয় সংসদের সরকারি প্রতিষ্ঠান-সম্পর্কিত কমিটির সভাপতি ও জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনির সভাপতিত্বে জাতীয় সংসদ ভবনের ক্যাবিনেট কক্ষে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
কমিটির সদস্যদের মধ্যে বৈঠকে হুইপ মিয়া নূরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু, হুইপ মো. আখতারুজ্জামান মিয়া, তাহসিনা রুশদীর, খোন্দকার আবু আশফাক, মোহাম্মদ কয়ছর আহমেদ, বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলম, মুস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া ও মোহাম্মদ কামাল হোসেন অংশ নেন।

রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা প্রকৃতপক্ষে কার নিয়ন্ত্রণে, সেখানে জমি কীভাবে বেচাকেনা হয়-এ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন জাতীয় সংসদের সরকারি প্রতিষ্ঠান-সম্পর্কিত কমিটিতে বেশ কয়েকজন সদস্য।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) জাতীয় সংসদের সরকারি প্রতিষ্ঠান-সম্পর্কিত কমিটির বৈঠকে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) কাছে বিষয়গুলো জানতে চান তারা।
বৈঠক সূত্র জানা গেছে, আজকের বৈঠকে একাধিক সদস্য বসুন্ধরা এলাকার বিষয়ে কথা বলেন। একজন সদস্য বলেন, ওই এলাকায় ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ করে বসুন্ধরার নিজস্ব লোকজন। সেখানে জমি বেচাকেনা করতে বসুন্ধরা গ্রুপকে কমিশন দিতে হয়। একটি ডিশ লাইনের সংযোগ নিতে হলেও তাদের কাছ থেকে নিতে হয়। এটি একটি রাষ্ট্রের ভেতর আরেকটি রাষ্ট্রের মতো হয়ে যাচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, কমিটির একজন সদস্য জানতে চান, বসুন্ধরা এলাকায় নিয়ন্ত্রণ কার। কীভাবে তাদের জমি কেনাবেচার অনুমতি দেওয়া হয়। তখন রাজউকের পক্ষ থেকে জানানো হয়, এটি কাগজে-কলমে মূলত সিটি করপোরেশনের আওতাধীন। তবে এখনো সিটি করপোরেশনের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ সেখানে নেই।
জাতীয় সংসদের সরকারি প্রতিষ্ঠান-সম্পর্কিত কমিটির সদস্য খোন্দকার আবু আশফাক বলেন, বসুন্ধরা নিয়ে নানা অভিযোগ রয়েছে। তারা সেখানে আলাদা রাজত্ব, আলাদা প্রশাসন গড়ে তুলেছে। তারা হোল্ডিং কর নেয়, সেখানে জমি বিক্রি করতে হলে নাকি কাঠাপ্রতি বসুন্ধরাকে টাকা দিতে হয়। ড্রেন নির্মাণ, ডিশ লাইন দেওয়া এসব কাজও তাদের ছাড়া করা যায় না।
বৈঠক শেষে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বৈঠকে পরিকল্পিত ও টেকসই নগরায়ণের লক্ষ্যে সমন্বিত ইউটিলিটি ব্যবস্থা ও ভূগর্ভস্থ ক্যাবল ব্যবস্থা, নতুন বাণিজ্যিক ভবনে অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা, পর্যাপ্ত ওয়াশরুম ও নামাজের স্থান নিশ্চিতকরণ এবং ঢাকার লেক সংরক্ষণের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। এছাড়া ঢাকা শহরে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থার সম্প্রসারণের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের সুপারিশ করেছে কমিটি।
বৈঠকে নিরীক্ষা কার্যক্রমে দীর্ঘসূত্রিতায় উদ্বেগ প্রকাশ করে আধুনিক ডিজিটাল ব্যবস্থার মাধ্যমে নিরীক্ষা দ্রুত সম্পন্ন ও অডিট আপত্তি নিষ্পত্তির তাগিদ দেওয়া হয়।
জাতীয় সংসদের সরকারি প্রতিষ্ঠান-সম্পর্কিত কমিটির সভাপতি ও জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনির সভাপতিত্বে জাতীয় সংসদ ভবনের ক্যাবিনেট কক্ষে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
কমিটির সদস্যদের মধ্যে বৈঠকে হুইপ মিয়া নূরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু, হুইপ মো. আখতারুজ্জামান মিয়া, তাহসিনা রুশদীর, খোন্দকার আবু আশফাক, মোহাম্মদ কয়ছর আহমেদ, বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলম, মুস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া ও মোহাম্মদ কামাল হোসেন অংশ নেন।

বসুন্ধরা কার নিয়ন্ত্রণে, প্রশ্ন সংসদীয় কমিটি সদস্যদের
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা প্রকৃতপক্ষে কার নিয়ন্ত্রণে, সেখানে জমি কীভাবে বেচাকেনা হয়-এ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন জাতীয় সংসদের সরকারি প্রতিষ্ঠান-সম্পর্কিত কমিটিতে বেশ কয়েকজন সদস্য।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) জাতীয় সংসদের সরকারি প্রতিষ্ঠান-সম্পর্কিত কমিটির বৈঠকে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) কাছে বিষয়গুলো জানতে চান তারা।
বৈঠক সূত্র জানা গেছে, আজকের বৈঠকে একাধিক সদস্য বসুন্ধরা এলাকার বিষয়ে কথা বলেন। একজন সদস্য বলেন, ওই এলাকায় ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ করে বসুন্ধরার নিজস্ব লোকজন। সেখানে জমি বেচাকেনা করতে বসুন্ধরা গ্রুপকে কমিশন দিতে হয়। একটি ডিশ লাইনের সংযোগ নিতে হলেও তাদের কাছ থেকে নিতে হয়। এটি একটি রাষ্ট্রের ভেতর আরেকটি রাষ্ট্রের মতো হয়ে যাচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, কমিটির একজন সদস্য জানতে চান, বসুন্ধরা এলাকায় নিয়ন্ত্রণ কার। কীভাবে তাদের জমি কেনাবেচার অনুমতি দেওয়া হয়। তখন রাজউকের পক্ষ থেকে জানানো হয়, এটি কাগজে-কলমে মূলত সিটি করপোরেশনের আওতাধীন। তবে এখনো সিটি করপোরেশনের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ সেখানে নেই।
জাতীয় সংসদের সরকারি প্রতিষ্ঠান-সম্পর্কিত কমিটির সদস্য খোন্দকার আবু আশফাক বলেন, বসুন্ধরা নিয়ে নানা অভিযোগ রয়েছে। তারা সেখানে আলাদা রাজত্ব, আলাদা প্রশাসন গড়ে তুলেছে। তারা হোল্ডিং কর নেয়, সেখানে জমি বিক্রি করতে হলে নাকি কাঠাপ্রতি বসুন্ধরাকে টাকা দিতে হয়। ড্রেন নির্মাণ, ডিশ লাইন দেওয়া এসব কাজও তাদের ছাড়া করা যায় না।
বৈঠক শেষে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বৈঠকে পরিকল্পিত ও টেকসই নগরায়ণের লক্ষ্যে সমন্বিত ইউটিলিটি ব্যবস্থা ও ভূগর্ভস্থ ক্যাবল ব্যবস্থা, নতুন বাণিজ্যিক ভবনে অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা, পর্যাপ্ত ওয়াশরুম ও নামাজের স্থান নিশ্চিতকরণ এবং ঢাকার লেক সংরক্ষণের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। এছাড়া ঢাকা শহরে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থার সম্প্রসারণের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের সুপারিশ করেছে কমিটি।
বৈঠকে নিরীক্ষা কার্যক্রমে দীর্ঘসূত্রিতায় উদ্বেগ প্রকাশ করে আধুনিক ডিজিটাল ব্যবস্থার মাধ্যমে নিরীক্ষা দ্রুত সম্পন্ন ও অডিট আপত্তি নিষ্পত্তির তাগিদ দেওয়া হয়।
জাতীয় সংসদের সরকারি প্রতিষ্ঠান-সম্পর্কিত কমিটির সভাপতি ও জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনির সভাপতিত্বে জাতীয় সংসদ ভবনের ক্যাবিনেট কক্ষে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
কমিটির সদস্যদের মধ্যে বৈঠকে হুইপ মিয়া নূরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু, হুইপ মো. আখতারুজ্জামান মিয়া, তাহসিনা রুশদীর, খোন্দকার আবু আশফাক, মোহাম্মদ কয়ছর আহমেদ, বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলম, মুস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া ও মোহাম্মদ কামাল হোসেন অংশ নেন।

নকশার বাইরে ভবন নির্মাণ বন্ধের সুপারিশ সংসদীয় কমিটির







