দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় সাড়ে ৩ হাজার কোস্ট গার্ড সদস্য মোতায়েন

দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় সাড়ে ৩ হাজার কোস্ট গার্ড সদস্য মোতায়েন
নিজস্ব প্রতিবেদক

শারদীয় দুর্গাপূজার নিরাপত্তা নিশ্চিতে দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় প্রায় সাড়ে তিন হাজার সদস্য মোতায়েন করেছে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড। এ ছাড়া উপকূলীয় ও নদীতীরবর্তী চারটি জোনের আওতাধীন ৬১৫টি মন্দির ও পূজামণ্ডপের নিরাপত্তায় কাজ করছেন বাহিনীর সদস্যরা।
শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর মিরপুর কেন্দ্রীয় মন্দিরে দুর্গাপূজার নিরাপত্তাব্যবস্থা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ তথ্য জানান কোস্ট গার্ডের মহাপরিচালক রিয়ার অ্যাডমিরাল মো. মঈনুল হাসান।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড দেশের উপকূলীয় ও নদীতীরবর্তী এলাকার সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী বিভিন্ন ধর্মীয় উৎসবে নিরাপত্তা প্রদান, ধর্মীয় উপাসনালয় ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা সুরক্ষা এবং সাধারণ মানুষের জানমাল রক্ষায়ও কাজ করছে এ বাহিনী। এরই ধারাবাহিকতায় শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে কোস্ট গার্ডের দায়িত্বপূর্ণ এলাকার মন্দির ও পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রায় সাড়ে ৩ হাজার সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন।
কোস্ট গার্ডের মহাপরিচালক বলেন, উপকূলীয় এলাকাগুলোর মধ্যে পূর্ব জোনের ৬৩টি, পশ্চিম জোনের ১৪৪টি, দক্ষিণ জোনের ৩৭১টি এবং ঢাকা জোনের ৩৭টি মন্দির ও পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাজ করছেন সদস্যরা। সব মিলিয়ে ৬১৫টি মন্দির ও পূজামণ্ডপ নিরাপত্তার আওতায় রয়েছে।
তিনি বলেন, হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা যেন শান্তিপূর্ণ, প্রাণবন্ত ও নিরাপদ পরিবেশে দুর্গাপূজা উদ্যাপন করতে পারেন, সে লক্ষ্যে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। পাশাপাশি অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সমন্বিতভাবে নিরাপত্তা কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।
পূজার সময় নৌ দুর্ঘটনা এড়াতে জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম ও সার্বক্ষণিক টহল অব্যাহত রয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, প্রতিমা বিসর্জনের স্থানগুলোতে সম্ভাব্য দুর্ঘটনা মোকাবিলায় কোস্ট গার্ডের বিশেষ ডুবুরি দল প্রস্তুত থাকবে।
যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতিতে সহায়তা পেতে কোস্ট গার্ডের জরুরি সেবা নম্বর ১৬১১১ -এ যোগাযোগের আহ্বান জানান তিনি।
কোস্ট গার্ডের মহাপরিচালক বলেন, আমরা আশা করি হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা শান্তিপূর্ণ, নিরাপদ ও আনন্দঘন পরিবেশে তাদের ধর্মীয় উৎসব উদ্যাপন করতে পারবেন। জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ ধরনের কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

শারদীয় দুর্গাপূজার নিরাপত্তা নিশ্চিতে দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় প্রায় সাড়ে তিন হাজার সদস্য মোতায়েন করেছে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড। এ ছাড়া উপকূলীয় ও নদীতীরবর্তী চারটি জোনের আওতাধীন ৬১৫টি মন্দির ও পূজামণ্ডপের নিরাপত্তায় কাজ করছেন বাহিনীর সদস্যরা।
শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর মিরপুর কেন্দ্রীয় মন্দিরে দুর্গাপূজার নিরাপত্তাব্যবস্থা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ তথ্য জানান কোস্ট গার্ডের মহাপরিচালক রিয়ার অ্যাডমিরাল মো. মঈনুল হাসান।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড দেশের উপকূলীয় ও নদীতীরবর্তী এলাকার সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী বিভিন্ন ধর্মীয় উৎসবে নিরাপত্তা প্রদান, ধর্মীয় উপাসনালয় ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা সুরক্ষা এবং সাধারণ মানুষের জানমাল রক্ষায়ও কাজ করছে এ বাহিনী। এরই ধারাবাহিকতায় শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে কোস্ট গার্ডের দায়িত্বপূর্ণ এলাকার মন্দির ও পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রায় সাড়ে ৩ হাজার সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন।
কোস্ট গার্ডের মহাপরিচালক বলেন, উপকূলীয় এলাকাগুলোর মধ্যে পূর্ব জোনের ৬৩টি, পশ্চিম জোনের ১৪৪টি, দক্ষিণ জোনের ৩৭১টি এবং ঢাকা জোনের ৩৭টি মন্দির ও পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাজ করছেন সদস্যরা। সব মিলিয়ে ৬১৫টি মন্দির ও পূজামণ্ডপ নিরাপত্তার আওতায় রয়েছে।
তিনি বলেন, হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা যেন শান্তিপূর্ণ, প্রাণবন্ত ও নিরাপদ পরিবেশে দুর্গাপূজা উদ্যাপন করতে পারেন, সে লক্ষ্যে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। পাশাপাশি অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সমন্বিতভাবে নিরাপত্তা কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।
পূজার সময় নৌ দুর্ঘটনা এড়াতে জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম ও সার্বক্ষণিক টহল অব্যাহত রয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, প্রতিমা বিসর্জনের স্থানগুলোতে সম্ভাব্য দুর্ঘটনা মোকাবিলায় কোস্ট গার্ডের বিশেষ ডুবুরি দল প্রস্তুত থাকবে।
যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতিতে সহায়তা পেতে কোস্ট গার্ডের জরুরি সেবা নম্বর ১৬১১১ -এ যোগাযোগের আহ্বান জানান তিনি।
কোস্ট গার্ডের মহাপরিচালক বলেন, আমরা আশা করি হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা শান্তিপূর্ণ, নিরাপদ ও আনন্দঘন পরিবেশে তাদের ধর্মীয় উৎসব উদ্যাপন করতে পারবেন। জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ ধরনের কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় সাড়ে ৩ হাজার কোস্ট গার্ড সদস্য মোতায়েন
নিজস্ব প্রতিবেদক

শারদীয় দুর্গাপূজার নিরাপত্তা নিশ্চিতে দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় প্রায় সাড়ে তিন হাজার সদস্য মোতায়েন করেছে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড। এ ছাড়া উপকূলীয় ও নদীতীরবর্তী চারটি জোনের আওতাধীন ৬১৫টি মন্দির ও পূজামণ্ডপের নিরাপত্তায় কাজ করছেন বাহিনীর সদস্যরা।
শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর মিরপুর কেন্দ্রীয় মন্দিরে দুর্গাপূজার নিরাপত্তাব্যবস্থা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ তথ্য জানান কোস্ট গার্ডের মহাপরিচালক রিয়ার অ্যাডমিরাল মো. মঈনুল হাসান।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড দেশের উপকূলীয় ও নদীতীরবর্তী এলাকার সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী বিভিন্ন ধর্মীয় উৎসবে নিরাপত্তা প্রদান, ধর্মীয় উপাসনালয় ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা সুরক্ষা এবং সাধারণ মানুষের জানমাল রক্ষায়ও কাজ করছে এ বাহিনী। এরই ধারাবাহিকতায় শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে কোস্ট গার্ডের দায়িত্বপূর্ণ এলাকার মন্দির ও পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রায় সাড়ে ৩ হাজার সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন।
কোস্ট গার্ডের মহাপরিচালক বলেন, উপকূলীয় এলাকাগুলোর মধ্যে পূর্ব জোনের ৬৩টি, পশ্চিম জোনের ১৪৪টি, দক্ষিণ জোনের ৩৭১টি এবং ঢাকা জোনের ৩৭টি মন্দির ও পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাজ করছেন সদস্যরা। সব মিলিয়ে ৬১৫টি মন্দির ও পূজামণ্ডপ নিরাপত্তার আওতায় রয়েছে।
তিনি বলেন, হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা যেন শান্তিপূর্ণ, প্রাণবন্ত ও নিরাপদ পরিবেশে দুর্গাপূজা উদ্যাপন করতে পারেন, সে লক্ষ্যে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। পাশাপাশি অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সমন্বিতভাবে নিরাপত্তা কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।
পূজার সময় নৌ দুর্ঘটনা এড়াতে জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম ও সার্বক্ষণিক টহল অব্যাহত রয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, প্রতিমা বিসর্জনের স্থানগুলোতে সম্ভাব্য দুর্ঘটনা মোকাবিলায় কোস্ট গার্ডের বিশেষ ডুবুরি দল প্রস্তুত থাকবে।
যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতিতে সহায়তা পেতে কোস্ট গার্ডের জরুরি সেবা নম্বর ১৬১১১ -এ যোগাযোগের আহ্বান জানান তিনি।
কোস্ট গার্ডের মহাপরিচালক বলেন, আমরা আশা করি হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা শান্তিপূর্ণ, নিরাপদ ও আনন্দঘন পরিবেশে তাদের ধর্মীয় উৎসব উদ্যাপন করতে পারবেন। জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ ধরনের কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

দুর্গাপূজায় ২ হাজার ৭২৭টি মণ্ডপের নিরাপত্তা দেবে বিজিবি 







