দুর্গাপূজায় ২ হাজার ৭২৭টি মণ্ডপের নিরাপত্তা দেবে বিজিবি

দুর্গাপূজায় ২ হাজার ৭২৭টি মণ্ডপের নিরাপত্তা দেবে বিজিবি
বিশেষ প্রতিনিধি

দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে একটি সমন্বিত নিরাপত্তা পরিকল্পনা নিয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এলাকার প্রয়োজন ও সম্ভাব্য ঝুঁকি বিবেচনায় টহল, গোয়েন্দা নজরদারি এবং দ্রুত সহায়তার ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে। স্থানীয় প্রশাসন, পুলিশ ও পূজা উদযাপন কমিটির সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সমন্বয়ের মাধ্যমে এসব কার্যক্রম পরিচালিত হবে। বিজিবির প্রত্যাশা– প্রতিটি পরিবার নিশ্চিন্ত মনে উৎসবে অংশ নেবে, শিশুরা আনন্দে মণ্ডপে যাবে এবং প্রবীণেরা নির্বিঘ্নে ধর্মীয় আচার পালন করবেন।
শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) থেকে বিজিবি সদস্যরা দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় দায়িত্ব পালন শুরু করেছেন। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) পর্যন্ত তা চলবে।
পরিকল্পনা অনুযায়ী, দেশের ২ হাজার ৭২৭টি পূজামণ্ডপের নিরাপত্তায় বিজিবি নিয়োজিত থাকবে। এর মধ্যে সীমান্তের ৮ কিলোমিটারের মধ্যে ১ হাজার ৪২৫টি, ব্যাটালিয়ন সদর দপ্তরের তিন কিলোমিটারের মধ্যে ১ হাজার ১১৯টি এবং দুর্গম ও দূরবর্তী এলাকার ১৮৩টি পূজামণ্ডপ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
সীমান্তবর্তী পূজামণ্ডপগুলোর নিরাপত্তায় বিজিবি মুখ্য ভূমিকা পালন করবে। অন্যান্য দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে নিরাপত্তা সহায়তা দেবে। পরিস্থিতির প্রয়োজনে সহায়তা জোরদার করার প্রস্তুতি রাখা হয়েছে।
প্রস্তুতির অংশ হিসেবে মণ্ডপগুলোর সরেজমিন পর্যবেক্ষণ ও রেকি কার্যক্রম চলবে। যাতায়াতের পথ, স্থানীয় পরিবেশ ও যোগাযোগব্যবস্থা বিবেচনায় নিয়ে নিরাপত্তাব্যবস্থা সাজানো হচ্ছে, যাতে প্রয়োজনে দ্রুত যথাস্থানে পৌঁছানো যায়। দুর্গম ও দূরবর্তী এলাকার মণ্ডপগুলোতে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এসব এলাকায় নিরাপত্তা সহায়তা সহজ করতে ১৮টি বেইজ ক্যাম্প স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি জরুরি পরিস্থিতিতে ‘কাউন্টার রিঅ্যাকশন ফোর্স’-সহ প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রস্তুত রাখা হচ্ছে।
মাঠপর্যায়ের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ ও সমন্বয়ে ‘শারদীয় সুরক্ষা অ্যাপ’ ব্যবহার করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে প্রয়োজনীয় তথ্য আদান-প্রদানসহ দায়িত্বপ্রাপ্তদের মাঝে যোগাযোগ সহজ হবে। প্রস্তুতি যাচাই করতে মহড়ার ব্যবস্থা রয়েছে। এরইমধ্যে সদর দপ্তর ও মাঠপর্যায়ে মনিটরিং সেল গঠন করা হয়েছে, যাতে প্রাপ্ত তথ্য দ্রুত মূল্যায়ন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া যায়।
ঢাকা মহানগরীতে বিজিবির দায়িত্বের পরিধি সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী নির্ধারিত হবে। এ প্রেক্ষিতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে টহল, নিরাপত্তা সহায়তা এবং জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত সাড়া দিতে বিজিবি প্রস্তুত রয়েছে।
পূজা চলাকালে গুজব, অপতথ্য ও সাম্প্রদায়িক উসকানির বিষয়ে বিশেষ সতর্কতা বজায় রাখবে বিজিবি। সংবেদনশীল কোনো তথ্য প্রচারের আগে সত্যতা যাচাইয়ের অনুরোধ করা হয়েছে। সন্দেহজনক কোনো বিষয় নজরে এলে দ্রুত নিকটস্থ বিজিবি ক্যাম্প, পুলিশ বা স্থানীয় প্রশাসনকে জানাতে বলা হয়েছে।
দুর্গা
পূজার বিশেষ দায়িত্বের পাশাপাশি বিজিবির নিয়মিত অভিযান ও সীমান্ত নজরদারি চলছে। গত ১ জানুয়ারি থেকে ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত বিজিবির বিভিন্ন অভিযানে প্রায় ২ হাজার ৮৬ কোটি টাকা মূল্যের চোরাচালানি মালামাল জব্দ করা হয়েছে। এর মধ্যে মাদকদ্রব্য, স্বর্ণ, বস্ত্র ও প্রসাধনীসামগ্রীসহ বিভিন্ন পণ্য রয়েছে। একই সময়ে অবৈধ অস্ত্র বিরোধী অভিযানে ৭৮টি পিস্তল, ৭টি রাইফেল ও ১টি এসএমজিসহ ৭টি গ্রেনেড, ১২টি মাইন এবং ৩ হাজার ২১৩ রাউন্ড গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়েছে।
মাদক, অস্ত্র ও অন্যান্য চোরাচালানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ১ হাজার ৯৫৭ জনকে আটক করে থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। মানবপাচার প্রতিরোধে নারী ও শিশুসহ ৪২ জনকে পাচারকালে উদ্ধার এবং ২০ জন মানবপাচারকারীকে আটক করা হয়েছে। এছাড়া ২৩টি সীমান্তবর্তী জেলায় ১৮২টি ঘটনায় ১ হাজার ২৭৫ জনকে অবৈধভাবে বাংলাদেশে পুশ-ইনের অপচেষ্টা প্রতিহত করা হয়েছে।

দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে একটি সমন্বিত নিরাপত্তা পরিকল্পনা নিয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এলাকার প্রয়োজন ও সম্ভাব্য ঝুঁকি বিবেচনায় টহল, গোয়েন্দা নজরদারি এবং দ্রুত সহায়তার ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে। স্থানীয় প্রশাসন, পুলিশ ও পূজা উদযাপন কমিটির সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সমন্বয়ের মাধ্যমে এসব কার্যক্রম পরিচালিত হবে। বিজিবির প্রত্যাশা– প্রতিটি পরিবার নিশ্চিন্ত মনে উৎসবে অংশ নেবে, শিশুরা আনন্দে মণ্ডপে যাবে এবং প্রবীণেরা নির্বিঘ্নে ধর্মীয় আচার পালন করবেন।
শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) থেকে বিজিবি সদস্যরা দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় দায়িত্ব পালন শুরু করেছেন। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) পর্যন্ত তা চলবে।
পরিকল্পনা অনুযায়ী, দেশের ২ হাজার ৭২৭টি পূজামণ্ডপের নিরাপত্তায় বিজিবি নিয়োজিত থাকবে। এর মধ্যে সীমান্তের ৮ কিলোমিটারের মধ্যে ১ হাজার ৪২৫টি, ব্যাটালিয়ন সদর দপ্তরের তিন কিলোমিটারের মধ্যে ১ হাজার ১১৯টি এবং দুর্গম ও দূরবর্তী এলাকার ১৮৩টি পূজামণ্ডপ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
সীমান্তবর্তী পূজামণ্ডপগুলোর নিরাপত্তায় বিজিবি মুখ্য ভূমিকা পালন করবে। অন্যান্য দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে নিরাপত্তা সহায়তা দেবে। পরিস্থিতির প্রয়োজনে সহায়তা জোরদার করার প্রস্তুতি রাখা হয়েছে।
প্রস্তুতির অংশ হিসেবে মণ্ডপগুলোর সরেজমিন পর্যবেক্ষণ ও রেকি কার্যক্রম চলবে। যাতায়াতের পথ, স্থানীয় পরিবেশ ও যোগাযোগব্যবস্থা বিবেচনায় নিয়ে নিরাপত্তাব্যবস্থা সাজানো হচ্ছে, যাতে প্রয়োজনে দ্রুত যথাস্থানে পৌঁছানো যায়। দুর্গম ও দূরবর্তী এলাকার মণ্ডপগুলোতে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এসব এলাকায় নিরাপত্তা সহায়তা সহজ করতে ১৮টি বেইজ ক্যাম্প স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি জরুরি পরিস্থিতিতে ‘কাউন্টার রিঅ্যাকশন ফোর্স’-সহ প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রস্তুত রাখা হচ্ছে।
মাঠপর্যায়ের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ ও সমন্বয়ে ‘শারদীয় সুরক্ষা অ্যাপ’ ব্যবহার করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে প্রয়োজনীয় তথ্য আদান-প্রদানসহ দায়িত্বপ্রাপ্তদের মাঝে যোগাযোগ সহজ হবে। প্রস্তুতি যাচাই করতে মহড়ার ব্যবস্থা রয়েছে। এরইমধ্যে সদর দপ্তর ও মাঠপর্যায়ে মনিটরিং সেল গঠন করা হয়েছে, যাতে প্রাপ্ত তথ্য দ্রুত মূল্যায়ন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া যায়।
ঢাকা মহানগরীতে বিজিবির দায়িত্বের পরিধি সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী নির্ধারিত হবে। এ প্রেক্ষিতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে টহল, নিরাপত্তা সহায়তা এবং জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত সাড়া দিতে বিজিবি প্রস্তুত রয়েছে।
পূজা চলাকালে গুজব, অপতথ্য ও সাম্প্রদায়িক উসকানির বিষয়ে বিশেষ সতর্কতা বজায় রাখবে বিজিবি। সংবেদনশীল কোনো তথ্য প্রচারের আগে সত্যতা যাচাইয়ের অনুরোধ করা হয়েছে। সন্দেহজনক কোনো বিষয় নজরে এলে দ্রুত নিকটস্থ বিজিবি ক্যাম্প, পুলিশ বা স্থানীয় প্রশাসনকে জানাতে বলা হয়েছে।
দুর্গা
পূজার বিশেষ দায়িত্বের পাশাপাশি বিজিবির নিয়মিত অভিযান ও সীমান্ত নজরদারি চলছে। গত ১ জানুয়ারি থেকে ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত বিজিবির বিভিন্ন অভিযানে প্রায় ২ হাজার ৮৬ কোটি টাকা মূল্যের চোরাচালানি মালামাল জব্দ করা হয়েছে। এর মধ্যে মাদকদ্রব্য, স্বর্ণ, বস্ত্র ও প্রসাধনীসামগ্রীসহ বিভিন্ন পণ্য রয়েছে। একই সময়ে অবৈধ অস্ত্র বিরোধী অভিযানে ৭৮টি পিস্তল, ৭টি রাইফেল ও ১টি এসএমজিসহ ৭টি গ্রেনেড, ১২টি মাইন এবং ৩ হাজার ২১৩ রাউন্ড গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়েছে।
মাদক, অস্ত্র ও অন্যান্য চোরাচালানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ১ হাজার ৯৫৭ জনকে আটক করে থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। মানবপাচার প্রতিরোধে নারী ও শিশুসহ ৪২ জনকে পাচারকালে উদ্ধার এবং ২০ জন মানবপাচারকারীকে আটক করা হয়েছে। এছাড়া ২৩টি সীমান্তবর্তী জেলায় ১৮২টি ঘটনায় ১ হাজার ২৭৫ জনকে অবৈধভাবে বাংলাদেশে পুশ-ইনের অপচেষ্টা প্রতিহত করা হয়েছে।

দুর্গাপূজায় ২ হাজার ৭২৭টি মণ্ডপের নিরাপত্তা দেবে বিজিবি
বিশেষ প্রতিনিধি

দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে একটি সমন্বিত নিরাপত্তা পরিকল্পনা নিয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এলাকার প্রয়োজন ও সম্ভাব্য ঝুঁকি বিবেচনায় টহল, গোয়েন্দা নজরদারি এবং দ্রুত সহায়তার ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে। স্থানীয় প্রশাসন, পুলিশ ও পূজা উদযাপন কমিটির সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সমন্বয়ের মাধ্যমে এসব কার্যক্রম পরিচালিত হবে। বিজিবির প্রত্যাশা– প্রতিটি পরিবার নিশ্চিন্ত মনে উৎসবে অংশ নেবে, শিশুরা আনন্দে মণ্ডপে যাবে এবং প্রবীণেরা নির্বিঘ্নে ধর্মীয় আচার পালন করবেন।
শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) থেকে বিজিবি সদস্যরা দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় দায়িত্ব পালন শুরু করেছেন। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) পর্যন্ত তা চলবে।
পরিকল্পনা অনুযায়ী, দেশের ২ হাজার ৭২৭টি পূজামণ্ডপের নিরাপত্তায় বিজিবি নিয়োজিত থাকবে। এর মধ্যে সীমান্তের ৮ কিলোমিটারের মধ্যে ১ হাজার ৪২৫টি, ব্যাটালিয়ন সদর দপ্তরের তিন কিলোমিটারের মধ্যে ১ হাজার ১১৯টি এবং দুর্গম ও দূরবর্তী এলাকার ১৮৩টি পূজামণ্ডপ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
সীমান্তবর্তী পূজামণ্ডপগুলোর নিরাপত্তায় বিজিবি মুখ্য ভূমিকা পালন করবে। অন্যান্য দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে নিরাপত্তা সহায়তা দেবে। পরিস্থিতির প্রয়োজনে সহায়তা জোরদার করার প্রস্তুতি রাখা হয়েছে।
প্রস্তুতির অংশ হিসেবে মণ্ডপগুলোর সরেজমিন পর্যবেক্ষণ ও রেকি কার্যক্রম চলবে। যাতায়াতের পথ, স্থানীয় পরিবেশ ও যোগাযোগব্যবস্থা বিবেচনায় নিয়ে নিরাপত্তাব্যবস্থা সাজানো হচ্ছে, যাতে প্রয়োজনে দ্রুত যথাস্থানে পৌঁছানো যায়। দুর্গম ও দূরবর্তী এলাকার মণ্ডপগুলোতে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এসব এলাকায় নিরাপত্তা সহায়তা সহজ করতে ১৮টি বেইজ ক্যাম্প স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি জরুরি পরিস্থিতিতে ‘কাউন্টার রিঅ্যাকশন ফোর্স’-সহ প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রস্তুত রাখা হচ্ছে।
মাঠপর্যায়ের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ ও সমন্বয়ে ‘শারদীয় সুরক্ষা অ্যাপ’ ব্যবহার করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে প্রয়োজনীয় তথ্য আদান-প্রদানসহ দায়িত্বপ্রাপ্তদের মাঝে যোগাযোগ সহজ হবে। প্রস্তুতি যাচাই করতে মহড়ার ব্যবস্থা রয়েছে। এরইমধ্যে সদর দপ্তর ও মাঠপর্যায়ে মনিটরিং সেল গঠন করা হয়েছে, যাতে প্রাপ্ত তথ্য দ্রুত মূল্যায়ন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া যায়।
ঢাকা মহানগরীতে বিজিবির দায়িত্বের পরিধি সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী নির্ধারিত হবে। এ প্রেক্ষিতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে টহল, নিরাপত্তা সহায়তা এবং জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত সাড়া দিতে বিজিবি প্রস্তুত রয়েছে।
পূজা চলাকালে গুজব, অপতথ্য ও সাম্প্রদায়িক উসকানির বিষয়ে বিশেষ সতর্কতা বজায় রাখবে বিজিবি। সংবেদনশীল কোনো তথ্য প্রচারের আগে সত্যতা যাচাইয়ের অনুরোধ করা হয়েছে। সন্দেহজনক কোনো বিষয় নজরে এলে দ্রুত নিকটস্থ বিজিবি ক্যাম্প, পুলিশ বা স্থানীয় প্রশাসনকে জানাতে বলা হয়েছে।
দুর্গা
পূজার বিশেষ দায়িত্বের পাশাপাশি বিজিবির নিয়মিত অভিযান ও সীমান্ত নজরদারি চলছে। গত ১ জানুয়ারি থেকে ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত বিজিবির বিভিন্ন অভিযানে প্রায় ২ হাজার ৮৬ কোটি টাকা মূল্যের চোরাচালানি মালামাল জব্দ করা হয়েছে। এর মধ্যে মাদকদ্রব্য, স্বর্ণ, বস্ত্র ও প্রসাধনীসামগ্রীসহ বিভিন্ন পণ্য রয়েছে। একই সময়ে অবৈধ অস্ত্র বিরোধী অভিযানে ৭৮টি পিস্তল, ৭টি রাইফেল ও ১টি এসএমজিসহ ৭টি গ্রেনেড, ১২টি মাইন এবং ৩ হাজার ২১৩ রাউন্ড গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়েছে।
মাদক, অস্ত্র ও অন্যান্য চোরাচালানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ১ হাজার ৯৫৭ জনকে আটক করে থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। মানবপাচার প্রতিরোধে নারী ও শিশুসহ ৪২ জনকে পাচারকালে উদ্ধার এবং ২০ জন মানবপাচারকারীকে আটক করা হয়েছে। এছাড়া ২৩টি সীমান্তবর্তী জেলায় ১৮২টি ঘটনায় ১ হাজার ২৭৫ জনকে অবৈধভাবে বাংলাদেশে পুশ-ইনের অপচেষ্টা প্রতিহত করা হয়েছে।









