আবরার ফাহাদ হত্যার ৭ বছর, আপিল শুনানি শুরুর অপেক্ষায় পরিবার

আবরার ফাহাদ হত্যার ৭ বছর, আপিল শুনানি শুরুর অপেক্ষায় পরিবার
নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) মেধাবী শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ নৃশংসভাবে খুন হওয়ার ৭ বছর পার হলেও সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে এখনও মামলাটির শুনানি শুরু না হওয়ায় তীব্র হতাশা প্রকাশ করেছে তার পরিবার। নিম্ন আদালত ও হাইকোর্টে আসামিদের সর্বোচ্চ সাজা বহাল থাকলেও শেষ ধাপের বিচারে দেখা দিয়েছে দীর্ঘসূত্রতা। তবে রাষ্ট্রপক্ষ জানিয়েছে, মামলাটি কার্যতালিকায় এলে তারা এক সেকেন্ডও বিলম্ব না করে দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে প্রস্তুত।
২০১৯ সালের ৭ অক্টোবর বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শেরে বাংলা হলে আবরার ফাহাদকে পিটিয়ে হত্যা করে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের ক্যাডাররা। ২০২১ সালের ৮ ডিসেম্বর ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ মামলার ২৫ আসামির মধ্যে ২০ জনকে মৃত্যুদণ্ড এবং ৫ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন। পরবর্তীতে ২০২৫ সালের ১৬ মার্চ হাইকোর্ট বিচারিক আদালতের এই রায় বহাল রাখেন। উচ্চ আদালতের পর্যবেক্ষণে উঠে আসে, এই হত্যাকাণ্ড কোনো আকস্মিক ঘটনা ছিল না। রাজনৈতিক মতভিন্নতার অজুহাতে পূর্বপরিকল্পিতভাবে গেস্টরুমে নৃশংস নির্যাতন চালিয়ে তাকে হত্যা করা হয়।
বর্তমানে মামলাটির পেপারবুক তৈরি সম্পন্ন হলেও তা আপিল বিভাগের কার্যতালিকায় আসেনি। এতে ক্ষোভ প্রকাশ করে আবরারের ভাই বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার ফাইয়াজ বলেন, অ্যাটর্নি জেনারেলসহ সংশ্লিষ্ট অনেকের কাছে কনসার্ন জানিয়েছি। আসামিরা সবাই জেলে থাকা সত্ত্বেও কেন বিচার ঝুলে আছে, তা অত্যন্ত দুঃখজনক। এই শহীদদের রক্তের ওপর ভর দিয়ে আসা বর্তমান সরকারের প্রথম দায়িত্ব ছিল দ্রুত বিচার নিশ্চিত করা।
অন্যদিকে, রাষ্ট্রপক্ষের অবস্থান স্পষ্ট করে অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেন, আবরার হত্যাকাণ্ড তৎকালীন ফ্যাসিবাদের এক চরম উদাহরণ। সাজা বহাল থাকায় রাষ্ট্রপক্ষের আপিলের প্রয়োজন ছিল না; সংক্ষুব্ধ আসামিরাই আপিল করেছে।
তিনি বলেন, আপিল বিভাগে শুনানি শুরু হলে আমরা এক সেকেন্ডও মুলতবি চাইবো না। ডেডিকেটেড ল অফিসার দিয়ে জোরালো প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা হবে, যাতে কোনো অপরাধী পার না পায় এবং কোনো নিরপরাধ ব্যক্তি অবিচারের শিকার না হয়।
আসামিপক্ষের আইনজীবীদের দাবি, নিয়ম অনুযায়ী সাল ও তারিখের ভিত্তিতে আপিল শুনানির সিরিয়াল আসে।
আইনজীবী আজিজুর রহমান দুলু বলেন, প্রধান বিচারপতির এখতিয়ার রয়েছে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে শুনানির ব্যবস্থা করার, কিন্তু আসামিপক্ষের সে উদ্যোগ নেওয়ার সুযোগ নেই।
বর্তমানে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে ১৬ জন আসামি সরাসরি আপিল এবং যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত ৫ জন লিভ-টু-আপিল করেছেন। সাজাপ্রাপ্ত ২৫ জনের মধ্যে ৩ জন শুরু থেকেই পলাতক। কারাফাটক ভেঙে পালানো এক আসামি পরবর্তীতে আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন।
শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার শহীদ আবরার ফাহাদকে মরণোত্তর ‘স্বাধীনতা পদক’-এ ভূষিত করে। বিচারহীনতার সংস্কৃতি আর বিশ্ববিদ্যালয়ের হলগুলোতে ‘গেস্টরুম টর্চারের’ ভয়াল রূপ বন্ধে এই মামলার চূড়ান্ত রায় ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দ্রুত কার্যকর করার জোর দাবি জানিয়েছে ভুক্তভোগী পরিবার ও সচেতন সমাজ।

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) মেধাবী শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ নৃশংসভাবে খুন হওয়ার ৭ বছর পার হলেও সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে এখনও মামলাটির শুনানি শুরু না হওয়ায় তীব্র হতাশা প্রকাশ করেছে তার পরিবার। নিম্ন আদালত ও হাইকোর্টে আসামিদের সর্বোচ্চ সাজা বহাল থাকলেও শেষ ধাপের বিচারে দেখা দিয়েছে দীর্ঘসূত্রতা। তবে রাষ্ট্রপক্ষ জানিয়েছে, মামলাটি কার্যতালিকায় এলে তারা এক সেকেন্ডও বিলম্ব না করে দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে প্রস্তুত।
২০১৯ সালের ৭ অক্টোবর বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শেরে বাংলা হলে আবরার ফাহাদকে পিটিয়ে হত্যা করে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের ক্যাডাররা। ২০২১ সালের ৮ ডিসেম্বর ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ মামলার ২৫ আসামির মধ্যে ২০ জনকে মৃত্যুদণ্ড এবং ৫ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন। পরবর্তীতে ২০২৫ সালের ১৬ মার্চ হাইকোর্ট বিচারিক আদালতের এই রায় বহাল রাখেন। উচ্চ আদালতের পর্যবেক্ষণে উঠে আসে, এই হত্যাকাণ্ড কোনো আকস্মিক ঘটনা ছিল না। রাজনৈতিক মতভিন্নতার অজুহাতে পূর্বপরিকল্পিতভাবে গেস্টরুমে নৃশংস নির্যাতন চালিয়ে তাকে হত্যা করা হয়।
বর্তমানে মামলাটির পেপারবুক তৈরি সম্পন্ন হলেও তা আপিল বিভাগের কার্যতালিকায় আসেনি। এতে ক্ষোভ প্রকাশ করে আবরারের ভাই বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার ফাইয়াজ বলেন, অ্যাটর্নি জেনারেলসহ সংশ্লিষ্ট অনেকের কাছে কনসার্ন জানিয়েছি। আসামিরা সবাই জেলে থাকা সত্ত্বেও কেন বিচার ঝুলে আছে, তা অত্যন্ত দুঃখজনক। এই শহীদদের রক্তের ওপর ভর দিয়ে আসা বর্তমান সরকারের প্রথম দায়িত্ব ছিল দ্রুত বিচার নিশ্চিত করা।
অন্যদিকে, রাষ্ট্রপক্ষের অবস্থান স্পষ্ট করে অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেন, আবরার হত্যাকাণ্ড তৎকালীন ফ্যাসিবাদের এক চরম উদাহরণ। সাজা বহাল থাকায় রাষ্ট্রপক্ষের আপিলের প্রয়োজন ছিল না; সংক্ষুব্ধ আসামিরাই আপিল করেছে।
তিনি বলেন, আপিল বিভাগে শুনানি শুরু হলে আমরা এক সেকেন্ডও মুলতবি চাইবো না। ডেডিকেটেড ল অফিসার দিয়ে জোরালো প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা হবে, যাতে কোনো অপরাধী পার না পায় এবং কোনো নিরপরাধ ব্যক্তি অবিচারের শিকার না হয়।
আসামিপক্ষের আইনজীবীদের দাবি, নিয়ম অনুযায়ী সাল ও তারিখের ভিত্তিতে আপিল শুনানির সিরিয়াল আসে।
আইনজীবী আজিজুর রহমান দুলু বলেন, প্রধান বিচারপতির এখতিয়ার রয়েছে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে শুনানির ব্যবস্থা করার, কিন্তু আসামিপক্ষের সে উদ্যোগ নেওয়ার সুযোগ নেই।
বর্তমানে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে ১৬ জন আসামি সরাসরি আপিল এবং যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত ৫ জন লিভ-টু-আপিল করেছেন। সাজাপ্রাপ্ত ২৫ জনের মধ্যে ৩ জন শুরু থেকেই পলাতক। কারাফাটক ভেঙে পালানো এক আসামি পরবর্তীতে আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন।
শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার শহীদ আবরার ফাহাদকে মরণোত্তর ‘স্বাধীনতা পদক’-এ ভূষিত করে। বিচারহীনতার সংস্কৃতি আর বিশ্ববিদ্যালয়ের হলগুলোতে ‘গেস্টরুম টর্চারের’ ভয়াল রূপ বন্ধে এই মামলার চূড়ান্ত রায় ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দ্রুত কার্যকর করার জোর দাবি জানিয়েছে ভুক্তভোগী পরিবার ও সচেতন সমাজ।

আবরার ফাহাদ হত্যার ৭ বছর, আপিল শুনানি শুরুর অপেক্ষায় পরিবার
নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) মেধাবী শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ নৃশংসভাবে খুন হওয়ার ৭ বছর পার হলেও সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে এখনও মামলাটির শুনানি শুরু না হওয়ায় তীব্র হতাশা প্রকাশ করেছে তার পরিবার। নিম্ন আদালত ও হাইকোর্টে আসামিদের সর্বোচ্চ সাজা বহাল থাকলেও শেষ ধাপের বিচারে দেখা দিয়েছে দীর্ঘসূত্রতা। তবে রাষ্ট্রপক্ষ জানিয়েছে, মামলাটি কার্যতালিকায় এলে তারা এক সেকেন্ডও বিলম্ব না করে দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে প্রস্তুত।
২০১৯ সালের ৭ অক্টোবর বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শেরে বাংলা হলে আবরার ফাহাদকে পিটিয়ে হত্যা করে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের ক্যাডাররা। ২০২১ সালের ৮ ডিসেম্বর ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ মামলার ২৫ আসামির মধ্যে ২০ জনকে মৃত্যুদণ্ড এবং ৫ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন। পরবর্তীতে ২০২৫ সালের ১৬ মার্চ হাইকোর্ট বিচারিক আদালতের এই রায় বহাল রাখেন। উচ্চ আদালতের পর্যবেক্ষণে উঠে আসে, এই হত্যাকাণ্ড কোনো আকস্মিক ঘটনা ছিল না। রাজনৈতিক মতভিন্নতার অজুহাতে পূর্বপরিকল্পিতভাবে গেস্টরুমে নৃশংস নির্যাতন চালিয়ে তাকে হত্যা করা হয়।
বর্তমানে মামলাটির পেপারবুক তৈরি সম্পন্ন হলেও তা আপিল বিভাগের কার্যতালিকায় আসেনি। এতে ক্ষোভ প্রকাশ করে আবরারের ভাই বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার ফাইয়াজ বলেন, অ্যাটর্নি জেনারেলসহ সংশ্লিষ্ট অনেকের কাছে কনসার্ন জানিয়েছি। আসামিরা সবাই জেলে থাকা সত্ত্বেও কেন বিচার ঝুলে আছে, তা অত্যন্ত দুঃখজনক। এই শহীদদের রক্তের ওপর ভর দিয়ে আসা বর্তমান সরকারের প্রথম দায়িত্ব ছিল দ্রুত বিচার নিশ্চিত করা।
অন্যদিকে, রাষ্ট্রপক্ষের অবস্থান স্পষ্ট করে অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেন, আবরার হত্যাকাণ্ড তৎকালীন ফ্যাসিবাদের এক চরম উদাহরণ। সাজা বহাল থাকায় রাষ্ট্রপক্ষের আপিলের প্রয়োজন ছিল না; সংক্ষুব্ধ আসামিরাই আপিল করেছে।
তিনি বলেন, আপিল বিভাগে শুনানি শুরু হলে আমরা এক সেকেন্ডও মুলতবি চাইবো না। ডেডিকেটেড ল অফিসার দিয়ে জোরালো প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা হবে, যাতে কোনো অপরাধী পার না পায় এবং কোনো নিরপরাধ ব্যক্তি অবিচারের শিকার না হয়।
আসামিপক্ষের আইনজীবীদের দাবি, নিয়ম অনুযায়ী সাল ও তারিখের ভিত্তিতে আপিল শুনানির সিরিয়াল আসে।
আইনজীবী আজিজুর রহমান দুলু বলেন, প্রধান বিচারপতির এখতিয়ার রয়েছে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে শুনানির ব্যবস্থা করার, কিন্তু আসামিপক্ষের সে উদ্যোগ নেওয়ার সুযোগ নেই।
বর্তমানে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে ১৬ জন আসামি সরাসরি আপিল এবং যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত ৫ জন লিভ-টু-আপিল করেছেন। সাজাপ্রাপ্ত ২৫ জনের মধ্যে ৩ জন শুরু থেকেই পলাতক। কারাফাটক ভেঙে পালানো এক আসামি পরবর্তীতে আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন।
শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার শহীদ আবরার ফাহাদকে মরণোত্তর ‘স্বাধীনতা পদক’-এ ভূষিত করে। বিচারহীনতার সংস্কৃতি আর বিশ্ববিদ্যালয়ের হলগুলোতে ‘গেস্টরুম টর্চারের’ ভয়াল রূপ বন্ধে এই মামলার চূড়ান্ত রায় ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দ্রুত কার্যকর করার জোর দাবি জানিয়েছে ভুক্তভোগী পরিবার ও সচেতন সমাজ।

১৭ অক্টোবরের ছুটি বাতিল







