দুর্গাপূজায় নিরাপত্তা জোরদারসহ ৪ দাবি হিন্দু মহাজোটের

দুর্গাপূজায় নিরাপত্তা জোরদারসহ ৪ দাবি হিন্দু মহাজোটের
নিজস্ব প্রতিবেদক

আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজায় নিরাপত্তা জোরদারসহ ৪ দফা দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোট। শুক্রবার (২ অক্টোবর) জাতীয় প্রেস ক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এই দাবিগুলো জানানো হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন জাতীয় হিন্দু মহাজোটের নির্বাহী মহাসচিব ও মুখপাত্র পলাশ কান্তি দে। তিনি বলেন, সাম্প্রদায়িকতা ও রাজনীতির কারণে দেশে ধারাবাহিকভাবে সংখ্যালঘু নির্যাতনের ঘটনা ঘটছে। এতে হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা তৈরি হয়েছে। অনেকে দেশত্যাগের কথাও ভাবছেন।
পলাশ কান্তি দে বলেন, বিভিন্ন জেলায় হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষকে হুমকি দেওয়া, মন্দির ও প্রতিমা ভাঙচুরের ঘটনা ঘটছে। এসব ঘটনায় জড়িত ব্যক্তির রাজনৈতিক পরিচয় যা-ই হোক, তাদের শনাক্ত করে শাস্তির আওতায় আনতে হবে। তা না হলে হিন্দু সম্প্রদায়ের মনোবল ফিরে আসবে না।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, কোনো কোনো ঘটনায় কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হলেও পরে তারা জামিনে বেরিয়ে বাদীদের ওপর চাপ সৃষ্টি করেন। এতে মামলা দীর্ঘসূত্রতায় পড়ে এবং বিচার আর হয় না।

লিখিত বক্তব্যে তিনি আরও বলেন, গত ৯ মাসে দেশে হিন্দু সম্প্রদায়ের ৪৬ জনকে হত্যা ও মরদেহ উদ্ধারের ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে ২০২৫ সালের ১৮ ডিসেম্বর ময়মনসিংহে দীপু দাসকে পুড়িয়ে হত্যার ঘটনা এবং ২০২৬ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর একই জেলার একটি ড্রামের ভেতর নিরঞ্জন চন্দ্র সূত্রধরের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনাও রয়েছে। এসব ঘটনার নিরপেক্ষ বিচার বিভাগীয় তদন্ত দাবি করেন তিনি।
পলাশ কান্তি দে বলেন, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের চিকিৎসক, শিক্ষক, পুলিশ সদস্য ও সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগ রয়েছে। একের পর এক রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনা আত্মহত্যা নাকি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড, তা নিরপেক্ষভাবে তদন্তের দাবি জানান তিনি।
এ ছাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগের চূড়ান্ত তালিকা থেকে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের বাদ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে দাবি করে এ বিষয়ে তিনি সরকারের সুস্পষ্ট বক্তব্যও দাবি করেন।
সংবাদ সম্মেলনে হিন্দু মহাজোটের পক্ষ থেকে চার দফা দাবি তুলে ধরা হয়। দাবিগুলো হলো– আগামী বছর থেকে দুর্গাপূজায় অষ্টমী, নবমী ও দশমী তিন দিন সরকারি ছুটি ঘোষণা; প্রতিটি স্থায়ী ও অস্থায়ী পূজামণ্ডপে সরকারি খরচে সিসিটিভি স্থাপন এবং পূজার ১০ দিন আগে থেকে নিরাপত্তা জোরদার; সংখ্যালঘু সুরক্ষা আইন ও সংখ্যালঘু কমিশন গঠন এবং দুর্গাপূজার নিরাপত্তা নিশ্চিতে কেন্দ্রীয়ভাবে মনিটরিং সেল গঠন।
মহাজোটের সভাপতি প্রভাস চন্দ্র রায়ের সভাপতিত্বে সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের নির্বাহী সভাপতি সুধাংশু চন্দ্র বিশ্বাসসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজায় নিরাপত্তা জোরদারসহ ৪ দফা দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোট। শুক্রবার (২ অক্টোবর) জাতীয় প্রেস ক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এই দাবিগুলো জানানো হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন জাতীয় হিন্দু মহাজোটের নির্বাহী মহাসচিব ও মুখপাত্র পলাশ কান্তি দে। তিনি বলেন, সাম্প্রদায়িকতা ও রাজনীতির কারণে দেশে ধারাবাহিকভাবে সংখ্যালঘু নির্যাতনের ঘটনা ঘটছে। এতে হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা তৈরি হয়েছে। অনেকে দেশত্যাগের কথাও ভাবছেন।
পলাশ কান্তি দে বলেন, বিভিন্ন জেলায় হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষকে হুমকি দেওয়া, মন্দির ও প্রতিমা ভাঙচুরের ঘটনা ঘটছে। এসব ঘটনায় জড়িত ব্যক্তির রাজনৈতিক পরিচয় যা-ই হোক, তাদের শনাক্ত করে শাস্তির আওতায় আনতে হবে। তা না হলে হিন্দু সম্প্রদায়ের মনোবল ফিরে আসবে না।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, কোনো কোনো ঘটনায় কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হলেও পরে তারা জামিনে বেরিয়ে বাদীদের ওপর চাপ সৃষ্টি করেন। এতে মামলা দীর্ঘসূত্রতায় পড়ে এবং বিচার আর হয় না।

লিখিত বক্তব্যে তিনি আরও বলেন, গত ৯ মাসে দেশে হিন্দু সম্প্রদায়ের ৪৬ জনকে হত্যা ও মরদেহ উদ্ধারের ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে ২০২৫ সালের ১৮ ডিসেম্বর ময়মনসিংহে দীপু দাসকে পুড়িয়ে হত্যার ঘটনা এবং ২০২৬ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর একই জেলার একটি ড্রামের ভেতর নিরঞ্জন চন্দ্র সূত্রধরের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনাও রয়েছে। এসব ঘটনার নিরপেক্ষ বিচার বিভাগীয় তদন্ত দাবি করেন তিনি।
পলাশ কান্তি দে বলেন, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের চিকিৎসক, শিক্ষক, পুলিশ সদস্য ও সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগ রয়েছে। একের পর এক রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনা আত্মহত্যা নাকি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড, তা নিরপেক্ষভাবে তদন্তের দাবি জানান তিনি।
এ ছাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগের চূড়ান্ত তালিকা থেকে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের বাদ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে দাবি করে এ বিষয়ে তিনি সরকারের সুস্পষ্ট বক্তব্যও দাবি করেন।
সংবাদ সম্মেলনে হিন্দু মহাজোটের পক্ষ থেকে চার দফা দাবি তুলে ধরা হয়। দাবিগুলো হলো– আগামী বছর থেকে দুর্গাপূজায় অষ্টমী, নবমী ও দশমী তিন দিন সরকারি ছুটি ঘোষণা; প্রতিটি স্থায়ী ও অস্থায়ী পূজামণ্ডপে সরকারি খরচে সিসিটিভি স্থাপন এবং পূজার ১০ দিন আগে থেকে নিরাপত্তা জোরদার; সংখ্যালঘু সুরক্ষা আইন ও সংখ্যালঘু কমিশন গঠন এবং দুর্গাপূজার নিরাপত্তা নিশ্চিতে কেন্দ্রীয়ভাবে মনিটরিং সেল গঠন।
মহাজোটের সভাপতি প্রভাস চন্দ্র রায়ের সভাপতিত্বে সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের নির্বাহী সভাপতি সুধাংশু চন্দ্র বিশ্বাসসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

দুর্গাপূজায় নিরাপত্তা জোরদারসহ ৪ দাবি হিন্দু মহাজোটের
নিজস্ব প্রতিবেদক

আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজায় নিরাপত্তা জোরদারসহ ৪ দফা দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোট। শুক্রবার (২ অক্টোবর) জাতীয় প্রেস ক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এই দাবিগুলো জানানো হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন জাতীয় হিন্দু মহাজোটের নির্বাহী মহাসচিব ও মুখপাত্র পলাশ কান্তি দে। তিনি বলেন, সাম্প্রদায়িকতা ও রাজনীতির কারণে দেশে ধারাবাহিকভাবে সংখ্যালঘু নির্যাতনের ঘটনা ঘটছে। এতে হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা তৈরি হয়েছে। অনেকে দেশত্যাগের কথাও ভাবছেন।
পলাশ কান্তি দে বলেন, বিভিন্ন জেলায় হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষকে হুমকি দেওয়া, মন্দির ও প্রতিমা ভাঙচুরের ঘটনা ঘটছে। এসব ঘটনায় জড়িত ব্যক্তির রাজনৈতিক পরিচয় যা-ই হোক, তাদের শনাক্ত করে শাস্তির আওতায় আনতে হবে। তা না হলে হিন্দু সম্প্রদায়ের মনোবল ফিরে আসবে না।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, কোনো কোনো ঘটনায় কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হলেও পরে তারা জামিনে বেরিয়ে বাদীদের ওপর চাপ সৃষ্টি করেন। এতে মামলা দীর্ঘসূত্রতায় পড়ে এবং বিচার আর হয় না।

লিখিত বক্তব্যে তিনি আরও বলেন, গত ৯ মাসে দেশে হিন্দু সম্প্রদায়ের ৪৬ জনকে হত্যা ও মরদেহ উদ্ধারের ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে ২০২৫ সালের ১৮ ডিসেম্বর ময়মনসিংহে দীপু দাসকে পুড়িয়ে হত্যার ঘটনা এবং ২০২৬ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর একই জেলার একটি ড্রামের ভেতর নিরঞ্জন চন্দ্র সূত্রধরের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনাও রয়েছে। এসব ঘটনার নিরপেক্ষ বিচার বিভাগীয় তদন্ত দাবি করেন তিনি।
পলাশ কান্তি দে বলেন, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের চিকিৎসক, শিক্ষক, পুলিশ সদস্য ও সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগ রয়েছে। একের পর এক রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনা আত্মহত্যা নাকি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড, তা নিরপেক্ষভাবে তদন্তের দাবি জানান তিনি।
এ ছাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগের চূড়ান্ত তালিকা থেকে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের বাদ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে দাবি করে এ বিষয়ে তিনি সরকারের সুস্পষ্ট বক্তব্যও দাবি করেন।
সংবাদ সম্মেলনে হিন্দু মহাজোটের পক্ষ থেকে চার দফা দাবি তুলে ধরা হয়। দাবিগুলো হলো– আগামী বছর থেকে দুর্গাপূজায় অষ্টমী, নবমী ও দশমী তিন দিন সরকারি ছুটি ঘোষণা; প্রতিটি স্থায়ী ও অস্থায়ী পূজামণ্ডপে সরকারি খরচে সিসিটিভি স্থাপন এবং পূজার ১০ দিন আগে থেকে নিরাপত্তা জোরদার; সংখ্যালঘু সুরক্ষা আইন ও সংখ্যালঘু কমিশন গঠন এবং দুর্গাপূজার নিরাপত্তা নিশ্চিতে কেন্দ্রীয়ভাবে মনিটরিং সেল গঠন।
মহাজোটের সভাপতি প্রভাস চন্দ্র রায়ের সভাপতিত্বে সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের নির্বাহী সভাপতি সুধাংশু চন্দ্র বিশ্বাসসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

দুর্গাপূজায় টানা ৫ দিনের ছুটি ঘোষণা







