শিগগিরই নবম পে-স্কেলের ফাইল উঠছে মন্ত্রিসভায়

শিগগিরই নবম পে-স্কেলের ফাইল উঠছে মন্ত্রিসভায়
নিজস্ব প্রতিবেদক

আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের জন্য নবম পে-স্কেলের প্রস্তাবিত সুপারিশসমূহ মন্ত্রিসভায় পেশ করার জন্য অর্থ বিভাগকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (৭ আগস্ট) মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়।
উচ্চপর্যায়ের কমিটির একজন সদস্য বলেন, যদি আগামী মন্ত্রিসভায় এটি উপস্থাপন করা সম্ভব না হয়, তবে তার পরের সপ্তাহের সভায় যেন তা পেশ করা হয়, সেই মর্মে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা বলেন , কমিটির সুপারিশগুলো আগের সভায় চূড়ান্ত করা হয়েছিল এবং বিচার বিভাগ সংক্রান্ত কিছু কারিগরি দিক সুরাহার জন্য সভাটি ডাকা হয়েছিলো। অর্থমন্ত্রীর সম্মতি পাওয়ার পর প্রস্তাবটি অনুমোদনের জন্য মন্ত্রিসভায় পাঠানো হবে।
কমিটির একজন সদস্য বলেন, দেশের রাজস্ব আদায় পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে কমিটি চলতি অর্থবছরে মূল বেতন এবং আগামী অর্থবছরে ভাতা প্রদানের সুপারিশ করেছে। এর অর্থ হলো, অষ্টম পে স্কেলের মতো নবম পে স্কেলও দুই ধাপে বাস্তবায়িত হবে। নতুন পে স্কেল ১ জুলাই থেকে কার্যকর হবে, তবে মন্ত্রিসভার অনুমোদনের পর প্রয়োজনীয় আইনি ও প্রযুক্তিগত আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করতে কয়েক মাস সময় লাগতে পারে।
তিনি বলেন, বর্ধিত অর্থ ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পেতে সরকারি কর্মচারীদের আরও কয়েক মাস অপেক্ষা করতে হতে পারে।
এদিকে, নতুন পে স্কেল বাস্তবায়ন নিয়ে সরকারকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)।
সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, সম্প্রতি অর্থ বিভাগ, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে অনুষ্ঠিত বৈঠকে সংস্থাটি দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় বেতন কাঠামো বাস্তবায়নে সংযত ও পরিকল্পিত পদক্ষেপ নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেছে।
অর্থনীতিবিদদের মতে, কয়েক বছর ধরে উচ্চ মূল্যস্ফীতি ও জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির কারণে নতুন পে স্কেল বাস্তবায়ন এখন সময়ের দাবি। তবে এর জন্য প্রয়োজনীয় বিপুল অর্থের সংস্থান সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের তথ্য বলছে, বর্তমানে দেশে প্রায় সাড়ে ১৪ লাখ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কর্মরত রয়েছেন। নবম জাতীয় পে স্কেল কার্যকর হলে তাদের বেতন-ভাতায় উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আসবে।
২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন ও ভাতা বাবদ প্রায় ৮৯ হাজার ৮৩৬ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। আর পেনশন ও গ্র্যাচুইটিসহ এ খাতে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ১ লাখ ৪১ হাজার ৪৩৪ কোটি টাকা। এ ছাড়া ‘জনপ্রশাসন-নিট’ খাতে সংশোধিত বাজেটের তুলনায় অতিরিক্ত ৫৪ হাজার ৫৭২ কোটি টাকা সংযোজন করা হয়েছে।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, এর মধ্যে প্রায় ৪৪ হাজার কোটি টাকা নতুন পে স্কেল বাস্তবায়নের সম্ভাব্য ব্যয়ের জন্য সংরক্ষিত রাখা হয়েছে। এই অর্থ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী, এমপিওভুক্ত শিক্ষক এবং পেনশনভোগীদের বেতন-ভাতা বৃদ্ধির কাজে ব্যয় করার পরিকল্পনা রয়েছে।
তবে অর্থনীতিবিদরা সতর্ক করে বলছেন, সরকারি ব্যয় ধারাবাহিকভাবে বাড়লেও সেই হারে রাজস্ব আদায় বাড়ছে না। এমন পরিস্থিতিতে এক ধাপে পুরো পে স্কেল কার্যকর করা হলে বাজেট ঘাটতি আরও বাড়তে পারে। পাশাপাশি দেশি-বিদেশি ঋণের ওপর নির্ভরশীলতা বৃদ্ধি, ব্যাংকিং খাতে তারল্য সংকট এবং সামগ্রিক অর্থনীতির ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে।

আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের জন্য নবম পে-স্কেলের প্রস্তাবিত সুপারিশসমূহ মন্ত্রিসভায় পেশ করার জন্য অর্থ বিভাগকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (৭ আগস্ট) মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়।
উচ্চপর্যায়ের কমিটির একজন সদস্য বলেন, যদি আগামী মন্ত্রিসভায় এটি উপস্থাপন করা সম্ভব না হয়, তবে তার পরের সপ্তাহের সভায় যেন তা পেশ করা হয়, সেই মর্মে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা বলেন , কমিটির সুপারিশগুলো আগের সভায় চূড়ান্ত করা হয়েছিল এবং বিচার বিভাগ সংক্রান্ত কিছু কারিগরি দিক সুরাহার জন্য সভাটি ডাকা হয়েছিলো। অর্থমন্ত্রীর সম্মতি পাওয়ার পর প্রস্তাবটি অনুমোদনের জন্য মন্ত্রিসভায় পাঠানো হবে।
কমিটির একজন সদস্য বলেন, দেশের রাজস্ব আদায় পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে কমিটি চলতি অর্থবছরে মূল বেতন এবং আগামী অর্থবছরে ভাতা প্রদানের সুপারিশ করেছে। এর অর্থ হলো, অষ্টম পে স্কেলের মতো নবম পে স্কেলও দুই ধাপে বাস্তবায়িত হবে। নতুন পে স্কেল ১ জুলাই থেকে কার্যকর হবে, তবে মন্ত্রিসভার অনুমোদনের পর প্রয়োজনীয় আইনি ও প্রযুক্তিগত আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করতে কয়েক মাস সময় লাগতে পারে।
তিনি বলেন, বর্ধিত অর্থ ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পেতে সরকারি কর্মচারীদের আরও কয়েক মাস অপেক্ষা করতে হতে পারে।
এদিকে, নতুন পে স্কেল বাস্তবায়ন নিয়ে সরকারকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)।
সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, সম্প্রতি অর্থ বিভাগ, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে অনুষ্ঠিত বৈঠকে সংস্থাটি দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় বেতন কাঠামো বাস্তবায়নে সংযত ও পরিকল্পিত পদক্ষেপ নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেছে।
অর্থনীতিবিদদের মতে, কয়েক বছর ধরে উচ্চ মূল্যস্ফীতি ও জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির কারণে নতুন পে স্কেল বাস্তবায়ন এখন সময়ের দাবি। তবে এর জন্য প্রয়োজনীয় বিপুল অর্থের সংস্থান সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের তথ্য বলছে, বর্তমানে দেশে প্রায় সাড়ে ১৪ লাখ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কর্মরত রয়েছেন। নবম জাতীয় পে স্কেল কার্যকর হলে তাদের বেতন-ভাতায় উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আসবে।
২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন ও ভাতা বাবদ প্রায় ৮৯ হাজার ৮৩৬ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। আর পেনশন ও গ্র্যাচুইটিসহ এ খাতে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ১ লাখ ৪১ হাজার ৪৩৪ কোটি টাকা। এ ছাড়া ‘জনপ্রশাসন-নিট’ খাতে সংশোধিত বাজেটের তুলনায় অতিরিক্ত ৫৪ হাজার ৫৭২ কোটি টাকা সংযোজন করা হয়েছে।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, এর মধ্যে প্রায় ৪৪ হাজার কোটি টাকা নতুন পে স্কেল বাস্তবায়নের সম্ভাব্য ব্যয়ের জন্য সংরক্ষিত রাখা হয়েছে। এই অর্থ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী, এমপিওভুক্ত শিক্ষক এবং পেনশনভোগীদের বেতন-ভাতা বৃদ্ধির কাজে ব্যয় করার পরিকল্পনা রয়েছে।
তবে অর্থনীতিবিদরা সতর্ক করে বলছেন, সরকারি ব্যয় ধারাবাহিকভাবে বাড়লেও সেই হারে রাজস্ব আদায় বাড়ছে না। এমন পরিস্থিতিতে এক ধাপে পুরো পে স্কেল কার্যকর করা হলে বাজেট ঘাটতি আরও বাড়তে পারে। পাশাপাশি দেশি-বিদেশি ঋণের ওপর নির্ভরশীলতা বৃদ্ধি, ব্যাংকিং খাতে তারল্য সংকট এবং সামগ্রিক অর্থনীতির ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে।

শিগগিরই নবম পে-স্কেলের ফাইল উঠছে মন্ত্রিসভায়
নিজস্ব প্রতিবেদক

আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের জন্য নবম পে-স্কেলের প্রস্তাবিত সুপারিশসমূহ মন্ত্রিসভায় পেশ করার জন্য অর্থ বিভাগকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (৭ আগস্ট) মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়।
উচ্চপর্যায়ের কমিটির একজন সদস্য বলেন, যদি আগামী মন্ত্রিসভায় এটি উপস্থাপন করা সম্ভব না হয়, তবে তার পরের সপ্তাহের সভায় যেন তা পেশ করা হয়, সেই মর্মে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা বলেন , কমিটির সুপারিশগুলো আগের সভায় চূড়ান্ত করা হয়েছিল এবং বিচার বিভাগ সংক্রান্ত কিছু কারিগরি দিক সুরাহার জন্য সভাটি ডাকা হয়েছিলো। অর্থমন্ত্রীর সম্মতি পাওয়ার পর প্রস্তাবটি অনুমোদনের জন্য মন্ত্রিসভায় পাঠানো হবে।
কমিটির একজন সদস্য বলেন, দেশের রাজস্ব আদায় পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে কমিটি চলতি অর্থবছরে মূল বেতন এবং আগামী অর্থবছরে ভাতা প্রদানের সুপারিশ করেছে। এর অর্থ হলো, অষ্টম পে স্কেলের মতো নবম পে স্কেলও দুই ধাপে বাস্তবায়িত হবে। নতুন পে স্কেল ১ জুলাই থেকে কার্যকর হবে, তবে মন্ত্রিসভার অনুমোদনের পর প্রয়োজনীয় আইনি ও প্রযুক্তিগত আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করতে কয়েক মাস সময় লাগতে পারে।
তিনি বলেন, বর্ধিত অর্থ ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পেতে সরকারি কর্মচারীদের আরও কয়েক মাস অপেক্ষা করতে হতে পারে।
এদিকে, নতুন পে স্কেল বাস্তবায়ন নিয়ে সরকারকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)।
সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, সম্প্রতি অর্থ বিভাগ, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে অনুষ্ঠিত বৈঠকে সংস্থাটি দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় বেতন কাঠামো বাস্তবায়নে সংযত ও পরিকল্পিত পদক্ষেপ নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেছে।
অর্থনীতিবিদদের মতে, কয়েক বছর ধরে উচ্চ মূল্যস্ফীতি ও জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির কারণে নতুন পে স্কেল বাস্তবায়ন এখন সময়ের দাবি। তবে এর জন্য প্রয়োজনীয় বিপুল অর্থের সংস্থান সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের তথ্য বলছে, বর্তমানে দেশে প্রায় সাড়ে ১৪ লাখ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কর্মরত রয়েছেন। নবম জাতীয় পে স্কেল কার্যকর হলে তাদের বেতন-ভাতায় উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আসবে।
২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন ও ভাতা বাবদ প্রায় ৮৯ হাজার ৮৩৬ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। আর পেনশন ও গ্র্যাচুইটিসহ এ খাতে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ১ লাখ ৪১ হাজার ৪৩৪ কোটি টাকা। এ ছাড়া ‘জনপ্রশাসন-নিট’ খাতে সংশোধিত বাজেটের তুলনায় অতিরিক্ত ৫৪ হাজার ৫৭২ কোটি টাকা সংযোজন করা হয়েছে।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, এর মধ্যে প্রায় ৪৪ হাজার কোটি টাকা নতুন পে স্কেল বাস্তবায়নের সম্ভাব্য ব্যয়ের জন্য সংরক্ষিত রাখা হয়েছে। এই অর্থ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী, এমপিওভুক্ত শিক্ষক এবং পেনশনভোগীদের বেতন-ভাতা বৃদ্ধির কাজে ব্যয় করার পরিকল্পনা রয়েছে।
তবে অর্থনীতিবিদরা সতর্ক করে বলছেন, সরকারি ব্যয় ধারাবাহিকভাবে বাড়লেও সেই হারে রাজস্ব আদায় বাড়ছে না। এমন পরিস্থিতিতে এক ধাপে পুরো পে স্কেল কার্যকর করা হলে বাজেট ঘাটতি আরও বাড়তে পারে। পাশাপাশি দেশি-বিদেশি ঋণের ওপর নির্ভরশীলতা বৃদ্ধি, ব্যাংকিং খাতে তারল্য সংকট এবং সামগ্রিক অর্থনীতির ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে।

নবম পে স্কেল নিয়ে আবারও অনিশ্চয়তা







