শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর ১৩৫ কন্টিনজেন্ট প্রতিস্থাপন

শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর ১৩৫ কন্টিনজেন্ট প্রতিস্থাপন
বিশেষ প্রতিনিধি

জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক কঙ্গোতে নিয়োজিত ইউটিলিটি এভিয়েশন ইউনিট কন্টিনজেন্টের ১৩৫ জন শান্তিরক্ষী প্রতিস্থাপন করছে বাংলাদেশ বিমান বাহিনী।
বুধবার (৪ নভেম্বর) নতুন কন্টিনজেন্ট দ্বারা প্রতিস্থাপনের অংশ হিসেবে বিমান বাহিনীর ১১১ জন সদস্য জাতিসংঘের ভাড়াকৃত একটি বিমান কঙ্গোর উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করেছে।
আইএসপিআর সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর এই কন্টিনজেন্টের নেতৃত্বে থাকবেন এয়ার কমডোর এ টি এম ইরফানুর রহমান, বিপিপি, পিএসসি, জিডি (পি)। কঙ্গোতে বিবাদমান সংঘাত নিরসনে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর সদস্যরা অত্যন্ত দক্ষতা, পেশাদারিত্ব এবং আন্তরিকতার সাথে দায়িত্ব পালন করে সে দেশের সরকার এবং আপামর জনসাধারণের আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে। তাদের অর্জিত এ সুনাম ও সাফল্য অক্ষুন্ন রেখে শান্তিরক্ষীরা ভবিষ্যৎ দিনগুলোতে যেন আরো উৎকর্ষতা অর্জন করতে পারে, এই প্রত্যাশায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
এসময় সহকারী বিমান বাহিনী প্রধান (পরিচালন) এয়ার ভাইস মার্শাল রুসাদ দীন আছাদ এবং বিমান বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ বিমান বন্দরে উপস্থিত থেকে তাদেরকে বিদায় জানান।
উল্লেখ্য, রবিবার (১ নভেম্বর) বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চীফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন কঙ্গোগামী বিমান বাহিনী কন্টিনজেন্ট সদস্যদের উদ্দেশ্যে বিমান বাহিনী সদর দপ্তরে ব্রিফিং প্রদান করেন এবং মিশনের সাফল্য কামনায় বিশেষ মোনাজাতে অংশগ্রহণ করেন।
এসময় তিনি জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে তাদেরকে সততা, পেশাদারিত্ব ও আন্তরিকতার সাথে অর্পিত দায়িত্ব পালন করে বাংলাদেশ বিমান বাহিনী তথা দেশের জন্য সুনাম বয়ে আনার আহবান জানান।

জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক কঙ্গোতে নিয়োজিত ইউটিলিটি এভিয়েশন ইউনিট কন্টিনজেন্টের ১৩৫ জন শান্তিরক্ষী প্রতিস্থাপন করছে বাংলাদেশ বিমান বাহিনী।
বুধবার (৪ নভেম্বর) নতুন কন্টিনজেন্ট দ্বারা প্রতিস্থাপনের অংশ হিসেবে বিমান বাহিনীর ১১১ জন সদস্য জাতিসংঘের ভাড়াকৃত একটি বিমান কঙ্গোর উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করেছে।
আইএসপিআর সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর এই কন্টিনজেন্টের নেতৃত্বে থাকবেন এয়ার কমডোর এ টি এম ইরফানুর রহমান, বিপিপি, পিএসসি, জিডি (পি)। কঙ্গোতে বিবাদমান সংঘাত নিরসনে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর সদস্যরা অত্যন্ত দক্ষতা, পেশাদারিত্ব এবং আন্তরিকতার সাথে দায়িত্ব পালন করে সে দেশের সরকার এবং আপামর জনসাধারণের আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে। তাদের অর্জিত এ সুনাম ও সাফল্য অক্ষুন্ন রেখে শান্তিরক্ষীরা ভবিষ্যৎ দিনগুলোতে যেন আরো উৎকর্ষতা অর্জন করতে পারে, এই প্রত্যাশায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
এসময় সহকারী বিমান বাহিনী প্রধান (পরিচালন) এয়ার ভাইস মার্শাল রুসাদ দীন আছাদ এবং বিমান বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ বিমান বন্দরে উপস্থিত থেকে তাদেরকে বিদায় জানান।
উল্লেখ্য, রবিবার (১ নভেম্বর) বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চীফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন কঙ্গোগামী বিমান বাহিনী কন্টিনজেন্ট সদস্যদের উদ্দেশ্যে বিমান বাহিনী সদর দপ্তরে ব্রিফিং প্রদান করেন এবং মিশনের সাফল্য কামনায় বিশেষ মোনাজাতে অংশগ্রহণ করেন।
এসময় তিনি জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে তাদেরকে সততা, পেশাদারিত্ব ও আন্তরিকতার সাথে অর্পিত দায়িত্ব পালন করে বাংলাদেশ বিমান বাহিনী তথা দেশের জন্য সুনাম বয়ে আনার আহবান জানান।

শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর ১৩৫ কন্টিনজেন্ট প্রতিস্থাপন
বিশেষ প্রতিনিধি

জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক কঙ্গোতে নিয়োজিত ইউটিলিটি এভিয়েশন ইউনিট কন্টিনজেন্টের ১৩৫ জন শান্তিরক্ষী প্রতিস্থাপন করছে বাংলাদেশ বিমান বাহিনী।
বুধবার (৪ নভেম্বর) নতুন কন্টিনজেন্ট দ্বারা প্রতিস্থাপনের অংশ হিসেবে বিমান বাহিনীর ১১১ জন সদস্য জাতিসংঘের ভাড়াকৃত একটি বিমান কঙ্গোর উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করেছে।
আইএসপিআর সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর এই কন্টিনজেন্টের নেতৃত্বে থাকবেন এয়ার কমডোর এ টি এম ইরফানুর রহমান, বিপিপি, পিএসসি, জিডি (পি)। কঙ্গোতে বিবাদমান সংঘাত নিরসনে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর সদস্যরা অত্যন্ত দক্ষতা, পেশাদারিত্ব এবং আন্তরিকতার সাথে দায়িত্ব পালন করে সে দেশের সরকার এবং আপামর জনসাধারণের আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে। তাদের অর্জিত এ সুনাম ও সাফল্য অক্ষুন্ন রেখে শান্তিরক্ষীরা ভবিষ্যৎ দিনগুলোতে যেন আরো উৎকর্ষতা অর্জন করতে পারে, এই প্রত্যাশায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
এসময় সহকারী বিমান বাহিনী প্রধান (পরিচালন) এয়ার ভাইস মার্শাল রুসাদ দীন আছাদ এবং বিমান বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ বিমান বন্দরে উপস্থিত থেকে তাদেরকে বিদায় জানান।
উল্লেখ্য, রবিবার (১ নভেম্বর) বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চীফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন কঙ্গোগামী বিমান বাহিনী কন্টিনজেন্ট সদস্যদের উদ্দেশ্যে বিমান বাহিনী সদর দপ্তরে ব্রিফিং প্রদান করেন এবং মিশনের সাফল্য কামনায় বিশেষ মোনাজাতে অংশগ্রহণ করেন।
এসময় তিনি জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে তাদেরকে সততা, পেশাদারিত্ব ও আন্তরিকতার সাথে অর্পিত দায়িত্ব পালন করে বাংলাদেশ বিমান বাহিনী তথা দেশের জন্য সুনাম বয়ে আনার আহবান জানান।

বিমানবাহিনীতে বেসামরিক পদে চাকরির সুযোগ, বড় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি







