পড়াশোনার পাশাপাশি পার্ট-টাইম বা ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার শুরু করবেন যেভাবে

চাকরি ডেস্ক
চাকরি ডেস্ক
পড়াশোনার পাশাপাশি পার্ট-টাইম বা ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার শুরু করবেন যেভাবে
ছবি: এআই (সিজেডএন২৪ সম্পাদিত)

শিক্ষাজীবনের খরচ চালানো কিংবা ভবিষ্যতের ক্যারিয়ারের ভিত মজবুত করা—উভয় লক্ষ্যেই বর্তমানে তরুণেরা ঝুকছেন খণ্ডকালীন চাকরি (পার্ট-টাইম) ও ফ্রিল্যান্সিংয়ের দিকে। সঠিক পরিকল্পনা ও নির্দেশনার অভাবে অনেকেই শুরুতেই খৈ হারিয়ে ফেলেন। তবে সঠিক কৌশল মেনে এগোলে পড়াশোনা ও কাজ দুটিই সুন্দরভাবে সামলানো সম্ভব।

১. নিজের দক্ষতা চিহ্নিতকরণ ও বৃদ্ধি

ফ্রিল্যান্সিং বা পার্ট-টাইম কাজ শুরুর প্রথম ধাপই হলো নিজের আগ্রহ ও দক্ষতা চিনতে পারা। কনটেন্ট রাইটিং, গ্রাফিক্স ডিজাইন, ডিজিটাল মার্কেটিং, ভিডিও এডিটিং বা ওয়েব ডেভেলপমেন্টের মতো খাতে বর্তমানে বিশ্বজুড়ে প্রচুর চাহিদা রয়েছে। পড়াশোনার পাশাপাশি এসব বিষয়ে বিনামূল্যে অথবা অল্প খরচে বিভিন্ন অনলাইন কোর্স করে দক্ষতা অর্জন করা সম্ভব।

২. নির্দিষ্ট ক্ষেত্র নির্বাচন ও পোর্টফোলিও তৈরি

সব কাজ শেখার চেষ্টা না করে যেকোনো একটি সুনির্দিষ্ট বিষয়ে দক্ষ হয়ে ওঠা ভালো। কাজ শেখার পর নিজস্ব একটি ‘পোর্টফোলিও’ বা কাজের নমুনা প্রস্তুত রাখতে হবে। ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস বা খণ্ডকালীন চাকরির নিয়োগদাতারা অভিজ্ঞতা ও কাজের মান দেখেই কাজ দিয়ে থাকেন।

৩. উপযুক্ত প্ল্যাটফর্ম নির্বাচন

ফ্রিল্যান্সিংয়ের জন্য আপওয়ার্ক, ফাইভার বা ফ্রিল্যান্সার-এর মতো আন্তর্জাতিক সাইটগুলোর পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম লিঙ্কডইন এখন কাজের বড় মাধ্যম। এছাড়া দেশে বিভিন্ন দেশি প্রতিষ্ঠান, এজেন্সি বা কোচিং সেন্টারে খণ্ডকালীন শিক্ষকতা, ডাটা এন্ট্রি বা কাস্টমার সাপোর্ট এক্সিকিউটিভ হিসেবে কাজের সুযোগ থাকে।

৪. সময় ব্যবস্থাপনা (টাইম ম্যানেজমেন্ট)

পড়াশোনার ক্ষতি করে কাজ করা কোনোভাবেই বুদ্ধিমানের কাজ নয়। ক্লাস, পরীক্ষা এবং পড়াশোনার নির্দিষ্ট সময় বাঁচিয়ে প্রতিদিন ২ থেকে ৪ ঘণ্টা কাজের জন্য বরাদ্দ রাখা যেতে পারে। এর জন্য একটি সুনির্দিষ্ট দৈনন্দিন রুটিন মেনে চলা জরুরি।

৫. ধৈর্য ও যোগাযোগের দক্ষতা

ফ্রিল্যান্সিং বা পার্ট-টাইম ক্যারিয়ারে শুরুতেই বড় অঙ্কের আয় নাও হতে পারে। শুরুতে প্রথম কাজ পাওয়া বা ক্লায়েন্ট ধরে রাখার জন্য ধৈর্য থাকা আবশ্যক। পাশাপাশি ক্লায়েন্টের সঙ্গে পেশাদার উপায়ে যোগাযোগের (কমিউনিকেশন স্কিল) দক্ষতা থাকা দরকার, যা ভবিষ্যতে যেকোনো চাকরির ক্ষেত্রেও বড় ভূমিকা রাখে।

/এবি/