রিয়াদে বিমানবন্দরে হুথিদের হামলায় পাইলটসহ ৩ সৌদি নাগরিক নিহত

রিয়াদে বিমানবন্দরে হুথিদের হামলায় পাইলটসহ ৩ সৌদি নাগরিক নিহত
সিজেডএন ডেস্ক

সৌদি আরবের রিয়াদে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পরপর দুটি ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় এক পাইলটসহ তিনজন সৌদি নাগরিক নিহত হয়েছেন। ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীগোষ্ঠী বিমানবন্দরটিকে লক্ষ্য করে এ হামলার দায় স্বীকার করেছে। দেশটির বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এ হামলায় বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।
বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের বিবৃতি অনুযায়ী, প্রথম হামলাটি চালানো হয় বিমানবন্দর চত্বরে, আর দ্বিতীয় হামলাটি আঘাত হানে রাষ্ট্রীয় বিমান সংস্থা সৌদিয়ার একটি বিমানের ওপর। নিহতদের মধ্যে সৌদিয়ার ও বিমানের পাইলটও রয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছে বিমান কর্তৃপক্ষ। তবে বর্তমানে বিমানবন্দরটির পরিস্থিতি স্বাভাবিক এবং ফ্লাইট চলাচল পুনরায় শুরু হয়েছে।
এদিকে ইরানসমর্থিত হুথি গোষ্ঠী জানিয়েছে, রিয়াদ ছাড়াও তারা সৌদি সীমান্তের নাজরান শহর এবং আরও উত্তরের খামিস মুশাইত বিমান ঘাঁটিতেও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। যদিও সৌদি কর্তৃপক্ষ এ বাড়তি হামলাগুলোর বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কিছু বলেনি। এর আগে গত ৬ ও ৭ অক্টোবর সৌদির বিভিন্ন বিমানবন্দরে হুথিদের চালানো হামলায় বেশ কয়েকজন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গিয়েছিল। এর রেশ কাটতে না কাটতেই বুধবার (৭ অক্টোবর) আভা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলায় দুজন নিহত ও ২৮ জন আহত হন এবং কিং খালিদ বিমানবন্দরে মারা যান আরও একজন।
ইয়েমেনে সৌদি সমর্থিত সরকারি বাহিনী ও হুথিদের মধ্যকার চলমান লড়াই হঠাৎ করেই তীব্র আকার ধারণ করায় এ হতাহতের ঘটনাগুলো ঘটছে। হুথির সামরিক মুখপাত্র দাবি করেছেন, সৌদি আরবের বিমানবন্দরগুলোতে চালানো হামলাগুলো মূলত সৌদি আগ্রাসনের জবাব। তিনি জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় ৬০টি বিমান হামলা ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে। মূলত ইয়েমেনের গৃহযুদ্ধে সৌদি আরব সরকারি বাহিনীকে সামরিক সহায়তা দেওয়ায় তাদের প্রধান লক্ষ্যবস্তু বানিয়েছে এই বিদ্রোহী গোষ্ঠীটি।
উল্লেখ্য, ২০১৫ সালে ইয়েমেনের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারের ক্ষমতা রক্ষায় সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট মাঠে নামে। দীর্ঘ রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ ও ভয়াবহ মানবিক সংকটের পর ২০২২ সালে একটি অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। কিন্তু গত জুলাই থেকে সে যুদ্ধবিরতি কার্যত ভেঙে পড়ে।
সূত্র: বিবিসি

সৌদি আরবের রিয়াদে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পরপর দুটি ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় এক পাইলটসহ তিনজন সৌদি নাগরিক নিহত হয়েছেন। ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীগোষ্ঠী বিমানবন্দরটিকে লক্ষ্য করে এ হামলার দায় স্বীকার করেছে। দেশটির বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এ হামলায় বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।
বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের বিবৃতি অনুযায়ী, প্রথম হামলাটি চালানো হয় বিমানবন্দর চত্বরে, আর দ্বিতীয় হামলাটি আঘাত হানে রাষ্ট্রীয় বিমান সংস্থা সৌদিয়ার একটি বিমানের ওপর। নিহতদের মধ্যে সৌদিয়ার ও বিমানের পাইলটও রয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছে বিমান কর্তৃপক্ষ। তবে বর্তমানে বিমানবন্দরটির পরিস্থিতি স্বাভাবিক এবং ফ্লাইট চলাচল পুনরায় শুরু হয়েছে।
এদিকে ইরানসমর্থিত হুথি গোষ্ঠী জানিয়েছে, রিয়াদ ছাড়াও তারা সৌদি সীমান্তের নাজরান শহর এবং আরও উত্তরের খামিস মুশাইত বিমান ঘাঁটিতেও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। যদিও সৌদি কর্তৃপক্ষ এ বাড়তি হামলাগুলোর বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কিছু বলেনি। এর আগে গত ৬ ও ৭ অক্টোবর সৌদির বিভিন্ন বিমানবন্দরে হুথিদের চালানো হামলায় বেশ কয়েকজন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গিয়েছিল। এর রেশ কাটতে না কাটতেই বুধবার (৭ অক্টোবর) আভা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলায় দুজন নিহত ও ২৮ জন আহত হন এবং কিং খালিদ বিমানবন্দরে মারা যান আরও একজন।
ইয়েমেনে সৌদি সমর্থিত সরকারি বাহিনী ও হুথিদের মধ্যকার চলমান লড়াই হঠাৎ করেই তীব্র আকার ধারণ করায় এ হতাহতের ঘটনাগুলো ঘটছে। হুথির সামরিক মুখপাত্র দাবি করেছেন, সৌদি আরবের বিমানবন্দরগুলোতে চালানো হামলাগুলো মূলত সৌদি আগ্রাসনের জবাব। তিনি জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় ৬০টি বিমান হামলা ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে। মূলত ইয়েমেনের গৃহযুদ্ধে সৌদি আরব সরকারি বাহিনীকে সামরিক সহায়তা দেওয়ায় তাদের প্রধান লক্ষ্যবস্তু বানিয়েছে এই বিদ্রোহী গোষ্ঠীটি।
উল্লেখ্য, ২০১৫ সালে ইয়েমেনের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারের ক্ষমতা রক্ষায় সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট মাঠে নামে। দীর্ঘ রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ ও ভয়াবহ মানবিক সংকটের পর ২০২২ সালে একটি অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। কিন্তু গত জুলাই থেকে সে যুদ্ধবিরতি কার্যত ভেঙে পড়ে।
সূত্র: বিবিসি

রিয়াদে বিমানবন্দরে হুথিদের হামলায় পাইলটসহ ৩ সৌদি নাগরিক নিহত
সিজেডএন ডেস্ক

সৌদি আরবের রিয়াদে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পরপর দুটি ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় এক পাইলটসহ তিনজন সৌদি নাগরিক নিহত হয়েছেন। ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীগোষ্ঠী বিমানবন্দরটিকে লক্ষ্য করে এ হামলার দায় স্বীকার করেছে। দেশটির বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এ হামলায় বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।
বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের বিবৃতি অনুযায়ী, প্রথম হামলাটি চালানো হয় বিমানবন্দর চত্বরে, আর দ্বিতীয় হামলাটি আঘাত হানে রাষ্ট্রীয় বিমান সংস্থা সৌদিয়ার একটি বিমানের ওপর। নিহতদের মধ্যে সৌদিয়ার ও বিমানের পাইলটও রয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছে বিমান কর্তৃপক্ষ। তবে বর্তমানে বিমানবন্দরটির পরিস্থিতি স্বাভাবিক এবং ফ্লাইট চলাচল পুনরায় শুরু হয়েছে।
এদিকে ইরানসমর্থিত হুথি গোষ্ঠী জানিয়েছে, রিয়াদ ছাড়াও তারা সৌদি সীমান্তের নাজরান শহর এবং আরও উত্তরের খামিস মুশাইত বিমান ঘাঁটিতেও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। যদিও সৌদি কর্তৃপক্ষ এ বাড়তি হামলাগুলোর বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কিছু বলেনি। এর আগে গত ৬ ও ৭ অক্টোবর সৌদির বিভিন্ন বিমানবন্দরে হুথিদের চালানো হামলায় বেশ কয়েকজন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গিয়েছিল। এর রেশ কাটতে না কাটতেই বুধবার (৭ অক্টোবর) আভা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলায় দুজন নিহত ও ২৮ জন আহত হন এবং কিং খালিদ বিমানবন্দরে মারা যান আরও একজন।
ইয়েমেনে সৌদি সমর্থিত সরকারি বাহিনী ও হুথিদের মধ্যকার চলমান লড়াই হঠাৎ করেই তীব্র আকার ধারণ করায় এ হতাহতের ঘটনাগুলো ঘটছে। হুথির সামরিক মুখপাত্র দাবি করেছেন, সৌদি আরবের বিমানবন্দরগুলোতে চালানো হামলাগুলো মূলত সৌদি আগ্রাসনের জবাব। তিনি জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় ৬০টি বিমান হামলা ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে। মূলত ইয়েমেনের গৃহযুদ্ধে সৌদি আরব সরকারি বাহিনীকে সামরিক সহায়তা দেওয়ায় তাদের প্রধান লক্ষ্যবস্তু বানিয়েছে এই বিদ্রোহী গোষ্ঠীটি।
উল্লেখ্য, ২০১৫ সালে ইয়েমেনের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারের ক্ষমতা রক্ষায় সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট মাঠে নামে। দীর্ঘ রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ ও ভয়াবহ মানবিক সংকটের পর ২০২২ সালে একটি অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। কিন্তু গত জুলাই থেকে সে যুদ্ধবিরতি কার্যত ভেঙে পড়ে।
সূত্র: বিবিসি

সৌদির বিমানবন্দরে আবারো হামলার দাবি হুথিদের, ফ্লাইট স্থগিত







