শর্ত মেনে জামিন পেলেন অভিজিৎ, শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরের পর মিলবে মুক্তি

শর্ত মেনে জামিন পেলেন অভিজিৎ, শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরের পর মিলবে মুক্তি
সিজেডএন ডেস্ক

একগুচ্ছ শর্ত মেনে নেওয়ার পর জামিন পেয়েছেন ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। শনিবার (১৬ অক্টোবর) দিল্লি পুলিশ জানিয়েছে, শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরের পরেই তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে মুক্তি দেওয়া হবে।
এর আগে দলের প্রধান অভিজিৎ দীপকের গ্রেপ্তারকে সম্পূর্ণ বেআইনি আখ্যা দিয়ে অবিলম্বে তার মুক্তির দাবি জানান দলটির আইন বিষয়ক প্রধান রত্না সিং। বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট (এসইএম) আদালতে তিনি অভিযোগ করেন, এ গ্রেপ্তারে মৌলিক অধিকার ও আইনি প্রক্রিয়ার চরম লঙ্ঘন হয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া একটি পোস্টে রত্না সিং বলেন, নাগরিকদের একটি শান্তিপূর্ণ জাতীয় বিক্ষোভে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানানো কীভাবে অপরাধ হতে পারে? তিনি লেখেন, এসইএম আদালতের উচিত অভিজিৎ দীপকেকে মুক্তি দেওয়া, কারণ তার গ্রেপ্তার বেআইনি। তিনি তো কেবল মানুষকে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের আহ্বান জানিয়েছিলেন- শুধু এ বিষয় কীভাবে অপরাধ হতে পারে?
নিজ বাসভবনের সামনে থেকে অভিজিৎকে যেভাবে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে, তা নিয়েও গভীর উদ্বেগ জানান তিনি। তার দাবি, আটকের পর পুলিশ পরিবার বা আইনি পরামর্শদাতার কাছে দীর্ঘ সময় কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি এবং আইনজীবীকেও তার সঙ্গে দেখা করতে দেওয়া হয়নি। তিনি আরও বলেন, যেভাবে তাকে তার বাসভবনের ঠিক বাইরে থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে, তার অবস্থান সম্পর্কে কোনো তথ্য না থাকা, এবং এমনকি তার আইনজীবীরাও তার সঙ্গেও দেখা করতে না পারার বিষয়টি যথাযথ বিচার প্রক্রিয়া এবং মৌলিক অধিকার নিয়ে গুরুতর উদ্বেগ সৃষ্টি করে। আইনের শাসন দ্বারা পরিচালিত একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে ক্ষমতার এমন অপব্যবহারকে কীভাবে ন্যায্যতা দেওয়া যেতে পারে? দিল্লি পুলিশ প্রতিরোধমূলক আটকের আড়ালে বেআইনি কাজ করতে পারে না।
উল্লেখ্য ভোটার তালিকা সংশোধনে অনিয়মের প্রতিবাদে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে বেশ কিছুদিন ধরেই বিরোধীদের বিক্ষোভ চলছিল। নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে জড়ো হওয়ায় প্রায় ১৫০ জন বিক্ষোভকারীকে আটক করে এবং কয়েকটি এফআইআরও দায়ের করে পুলিশ। এ প্রেক্ষাপটে অভিজিৎ দীপকের বিরুদ্ধেও প্রতিরোধমূলক পদক্ষেপ হিসেবে নতুন মামলা করা হয়েছে। এর আগেও ১০ অক্টোবর তাকে এক বছরের জন্য শান্তি বজায় রাখার অঙ্গীকারনামায় স্বাক্ষর করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।
সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

একগুচ্ছ শর্ত মেনে নেওয়ার পর জামিন পেয়েছেন ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। শনিবার (১৬ অক্টোবর) দিল্লি পুলিশ জানিয়েছে, শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরের পরেই তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে মুক্তি দেওয়া হবে।
এর আগে দলের প্রধান অভিজিৎ দীপকের গ্রেপ্তারকে সম্পূর্ণ বেআইনি আখ্যা দিয়ে অবিলম্বে তার মুক্তির দাবি জানান দলটির আইন বিষয়ক প্রধান রত্না সিং। বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট (এসইএম) আদালতে তিনি অভিযোগ করেন, এ গ্রেপ্তারে মৌলিক অধিকার ও আইনি প্রক্রিয়ার চরম লঙ্ঘন হয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া একটি পোস্টে রত্না সিং বলেন, নাগরিকদের একটি শান্তিপূর্ণ জাতীয় বিক্ষোভে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানানো কীভাবে অপরাধ হতে পারে? তিনি লেখেন, এসইএম আদালতের উচিত অভিজিৎ দীপকেকে মুক্তি দেওয়া, কারণ তার গ্রেপ্তার বেআইনি। তিনি তো কেবল মানুষকে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের আহ্বান জানিয়েছিলেন- শুধু এ বিষয় কীভাবে অপরাধ হতে পারে?
নিজ বাসভবনের সামনে থেকে অভিজিৎকে যেভাবে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে, তা নিয়েও গভীর উদ্বেগ জানান তিনি। তার দাবি, আটকের পর পুলিশ পরিবার বা আইনি পরামর্শদাতার কাছে দীর্ঘ সময় কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি এবং আইনজীবীকেও তার সঙ্গে দেখা করতে দেওয়া হয়নি। তিনি আরও বলেন, যেভাবে তাকে তার বাসভবনের ঠিক বাইরে থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে, তার অবস্থান সম্পর্কে কোনো তথ্য না থাকা, এবং এমনকি তার আইনজীবীরাও তার সঙ্গেও দেখা করতে না পারার বিষয়টি যথাযথ বিচার প্রক্রিয়া এবং মৌলিক অধিকার নিয়ে গুরুতর উদ্বেগ সৃষ্টি করে। আইনের শাসন দ্বারা পরিচালিত একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে ক্ষমতার এমন অপব্যবহারকে কীভাবে ন্যায্যতা দেওয়া যেতে পারে? দিল্লি পুলিশ প্রতিরোধমূলক আটকের আড়ালে বেআইনি কাজ করতে পারে না।
উল্লেখ্য ভোটার তালিকা সংশোধনে অনিয়মের প্রতিবাদে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে বেশ কিছুদিন ধরেই বিরোধীদের বিক্ষোভ চলছিল। নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে জড়ো হওয়ায় প্রায় ১৫০ জন বিক্ষোভকারীকে আটক করে এবং কয়েকটি এফআইআরও দায়ের করে পুলিশ। এ প্রেক্ষাপটে অভিজিৎ দীপকের বিরুদ্ধেও প্রতিরোধমূলক পদক্ষেপ হিসেবে নতুন মামলা করা হয়েছে। এর আগেও ১০ অক্টোবর তাকে এক বছরের জন্য শান্তি বজায় রাখার অঙ্গীকারনামায় স্বাক্ষর করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।
সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

শর্ত মেনে জামিন পেলেন অভিজিৎ, শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরের পর মিলবে মুক্তি
সিজেডএন ডেস্ক

একগুচ্ছ শর্ত মেনে নেওয়ার পর জামিন পেয়েছেন ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। শনিবার (১৬ অক্টোবর) দিল্লি পুলিশ জানিয়েছে, শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরের পরেই তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে মুক্তি দেওয়া হবে।
এর আগে দলের প্রধান অভিজিৎ দীপকের গ্রেপ্তারকে সম্পূর্ণ বেআইনি আখ্যা দিয়ে অবিলম্বে তার মুক্তির দাবি জানান দলটির আইন বিষয়ক প্রধান রত্না সিং। বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট (এসইএম) আদালতে তিনি অভিযোগ করেন, এ গ্রেপ্তারে মৌলিক অধিকার ও আইনি প্রক্রিয়ার চরম লঙ্ঘন হয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া একটি পোস্টে রত্না সিং বলেন, নাগরিকদের একটি শান্তিপূর্ণ জাতীয় বিক্ষোভে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানানো কীভাবে অপরাধ হতে পারে? তিনি লেখেন, এসইএম আদালতের উচিত অভিজিৎ দীপকেকে মুক্তি দেওয়া, কারণ তার গ্রেপ্তার বেআইনি। তিনি তো কেবল মানুষকে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের আহ্বান জানিয়েছিলেন- শুধু এ বিষয় কীভাবে অপরাধ হতে পারে?
নিজ বাসভবনের সামনে থেকে অভিজিৎকে যেভাবে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে, তা নিয়েও গভীর উদ্বেগ জানান তিনি। তার দাবি, আটকের পর পুলিশ পরিবার বা আইনি পরামর্শদাতার কাছে দীর্ঘ সময় কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি এবং আইনজীবীকেও তার সঙ্গে দেখা করতে দেওয়া হয়নি। তিনি আরও বলেন, যেভাবে তাকে তার বাসভবনের ঠিক বাইরে থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে, তার অবস্থান সম্পর্কে কোনো তথ্য না থাকা, এবং এমনকি তার আইনজীবীরাও তার সঙ্গেও দেখা করতে না পারার বিষয়টি যথাযথ বিচার প্রক্রিয়া এবং মৌলিক অধিকার নিয়ে গুরুতর উদ্বেগ সৃষ্টি করে। আইনের শাসন দ্বারা পরিচালিত একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে ক্ষমতার এমন অপব্যবহারকে কীভাবে ন্যায্যতা দেওয়া যেতে পারে? দিল্লি পুলিশ প্রতিরোধমূলক আটকের আড়ালে বেআইনি কাজ করতে পারে না।
উল্লেখ্য ভোটার তালিকা সংশোধনে অনিয়মের প্রতিবাদে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে বেশ কিছুদিন ধরেই বিরোধীদের বিক্ষোভ চলছিল। নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে জড়ো হওয়ায় প্রায় ১৫০ জন বিক্ষোভকারীকে আটক করে এবং কয়েকটি এফআইআরও দায়ের করে পুলিশ। এ প্রেক্ষাপটে অভিজিৎ দীপকের বিরুদ্ধেও প্রতিরোধমূলক পদক্ষেপ হিসেবে নতুন মামলা করা হয়েছে। এর আগেও ১০ অক্টোবর তাকে এক বছরের জন্য শান্তি বজায় রাখার অঙ্গীকারনামায় স্বাক্ষর করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।
সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

মুক্তি পেলেন নেহা বোরা, অভিজিৎতের সন্ধান চায় সিজেপি








