সিইসিবিরোধী বিক্ষোভে কংগ্রেস-সিজেপি কি একজোট হবে

সিইসিবিরোধী বিক্ষোভে কংগ্রেস-সিজেপি কি একজোট হবে
সিজেডএন ডেস্ক

ভারতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভে উত্তাল দিল্লির যন্তর মন্তর। সোশ্যাল মিডিয়ার গণ্ডি পেরিয়ে রাজপথের আন্দোলনে শিক্ষার্থীদেরসহ সকলকে একত্রিত করতে বড় ভূমিকা রেখেছিল সিজেপি। সংগঠনটির শীর্ষনেতা অভিজিৎ দীপকে অনলাইন সমর্থনকে মাঠপর্যায়ের শক্তিতে রূপ দিতে সক্ষম হন। আর ঠিক এ জায়গাতেই জনগণের কাছে পৌঁছাতে কিছুটা বেগ পাওয়া প্রধান বিরোধী দলগুলো নতুন দিশা পায়।
মাঝে অবশ্য দুপক্ষই একে অপরকে পাশ কাটিয়ে নিজেদের মতো আন্দোলন চালিয়েছিল। মনে হচ্ছিল, আন্দোলন দুটি আলাদা ধারায় এগোচ্ছে। একটি রাজনৈতিক, অন্যটি অরাজনৈতিক। তবে কয়েক দিনে চিত্রটা বদলেছে। সম্প্রতি এক সংবাদ সম্মেলনে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী বলেন, ‘সব প্রতিবাদই মূলত এক সূত্রে গাঁথা।’ দুপক্ষের মধ্যে আলোচনা হয়েছে এবং তারা কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়তে রাজি হয়েছে। এর পরপরই সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করে দীপকে লেখেন, একটি বিশেষ ইস্যুতে কীভাবে আন্দোলনকারীদের মধ্যে ফাটল ধরাতে চাইছে বিজেপি। তার এ বার্তা থেকে পরিষ্কার হয়ে যায় যে, সামনে তারা একসঙ্গেই এগোচ্ছেন।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) সিইসির পদত্যাগের দাবিতে ইন্ডিয়া জোটের আন্দোলন নিয়ে করা প্রশ্নের উত্তরে দীপকে জানান, ককরোচ জনতা পার্টি একটি স্বাধীন প্রেশার গ্রুপ হিসেবেই কাজ করে যাবে। তিনি বলেন, সব বিক্ষোভের উদ্দেশ্য একই। আমরা সবাই জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগের বিরুদ্ধে লড়ছি। তিনি আরও বলেন, কিন্তু তার মানে এই নয় যে সিজেপি ইন্ডিয়া ব্লকের বিরুদ্ধে। ইন্ডিয়া ব্লকের আন্দোলন এবং সিজেপির আন্দোলন একই উদ্দেশ্যে। এ শীর্ষনেতা বলেন, বিরোধী জোট দেশের গণতন্ত্র ও সংবিধান বাঁচাতে লড়ছে এবং এ লড়াইয়ের পূর্ণ অধিকার তাদের রয়েছে।
নেহা বোরা ও প্রশান্ত ভূষণের মতো ব্যক্তিত্বরা ছাত্র সংগঠন ও বিরোধী দলগুলোকে একসঙ্গে মাঠে নামার পরামর্শ দিয়েছেন। তাদের মতে, দেশের সাংবিধানিক মূল্যবোধ ও গণতন্ত্রকে যারা আঘাত করছে, তাদের বিরুদ্ধে সবাইকে এক মঞ্চে আসা জরুরি।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, একটি অরাজনৈতিক প্রেশার গ্রুপের পক্ষে দীর্ঘদিন আন্দোলন টিকিয়ে রাখার মতো নেটওয়ার্ক বা কর্মী তৈরি করা কঠিন। বিশেষ করে অভিজিৎ দীপকে, আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরভ দাসের মতো সামনের সারির মুখগুলো যদি আটক হন, তবে আন্দোলন থেমে যেতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে তাদের রাজনৈতিক সুরক্ষার প্রয়োজন। বিরোধী দলগুলোই তাদের এ সুরক্ষা দিতে পারে। তাছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থার ভেতরেও রাজনৈতিক নেতাদের গুরুত্ব ছাত্রদের চেয়ে বেশি, কারণ প্রেশার গ্রুপ হিসেবে ছাত্রদের কোনো প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি থাকে না।
ছাত্রদের আন্দোলনে সমর্থন দিয়ে রাহুল গান্ধী লিখেছেন, ‘শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদে যন্তর মন্তরে তেরঙ্গা ওড়ানো কোনো অপরাধ নয়। এর জন্য যুবকদের জেলে পাঠানো কাপুরুষোচিত কাজ।’ তিনি আরও যোগ করেন, ‘ছাত্রছাত্রী। যুবক-যুবতী। সাংবাদিক। ইন্ডিয়া ব্লক। ভিন্ন ভিন্ন ব্যানার, কিন্তু উদ্দেশ্য এক। সব প্রতিবাদও এক, নাগরিকদের সাংবিধানিক অধিকারের দাবি। যন্তর মন্তর ভারতের জনগণের। আমরা তা পুনরুদ্ধার করব।’
তবে বিরোধী নেতাদের মতে, অতীতে কয়েকজন কংগ্রেস নেতার নিরাপত্তাহীনতার কারণে দুই দলের মধ্যে ছোটখাটো সংঘাত হয়েছিল। তারা বিশ্বাস করেন যে আগামী দিনে উভয়ের মধ্যে আরও বড় ঐক্য গড়ে উঠবে।
সূত্র: দ্য উইক

ভারতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভে উত্তাল দিল্লির যন্তর মন্তর। সোশ্যাল মিডিয়ার গণ্ডি পেরিয়ে রাজপথের আন্দোলনে শিক্ষার্থীদেরসহ সকলকে একত্রিত করতে বড় ভূমিকা রেখেছিল সিজেপি। সংগঠনটির শীর্ষনেতা অভিজিৎ দীপকে অনলাইন সমর্থনকে মাঠপর্যায়ের শক্তিতে রূপ দিতে সক্ষম হন। আর ঠিক এ জায়গাতেই জনগণের কাছে পৌঁছাতে কিছুটা বেগ পাওয়া প্রধান বিরোধী দলগুলো নতুন দিশা পায়।
মাঝে অবশ্য দুপক্ষই একে অপরকে পাশ কাটিয়ে নিজেদের মতো আন্দোলন চালিয়েছিল। মনে হচ্ছিল, আন্দোলন দুটি আলাদা ধারায় এগোচ্ছে। একটি রাজনৈতিক, অন্যটি অরাজনৈতিক। তবে কয়েক দিনে চিত্রটা বদলেছে। সম্প্রতি এক সংবাদ সম্মেলনে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী বলেন, ‘সব প্রতিবাদই মূলত এক সূত্রে গাঁথা।’ দুপক্ষের মধ্যে আলোচনা হয়েছে এবং তারা কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়তে রাজি হয়েছে। এর পরপরই সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করে দীপকে লেখেন, একটি বিশেষ ইস্যুতে কীভাবে আন্দোলনকারীদের মধ্যে ফাটল ধরাতে চাইছে বিজেপি। তার এ বার্তা থেকে পরিষ্কার হয়ে যায় যে, সামনে তারা একসঙ্গেই এগোচ্ছেন।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) সিইসির পদত্যাগের দাবিতে ইন্ডিয়া জোটের আন্দোলন নিয়ে করা প্রশ্নের উত্তরে দীপকে জানান, ককরোচ জনতা পার্টি একটি স্বাধীন প্রেশার গ্রুপ হিসেবেই কাজ করে যাবে। তিনি বলেন, সব বিক্ষোভের উদ্দেশ্য একই। আমরা সবাই জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগের বিরুদ্ধে লড়ছি। তিনি আরও বলেন, কিন্তু তার মানে এই নয় যে সিজেপি ইন্ডিয়া ব্লকের বিরুদ্ধে। ইন্ডিয়া ব্লকের আন্দোলন এবং সিজেপির আন্দোলন একই উদ্দেশ্যে। এ শীর্ষনেতা বলেন, বিরোধী জোট দেশের গণতন্ত্র ও সংবিধান বাঁচাতে লড়ছে এবং এ লড়াইয়ের পূর্ণ অধিকার তাদের রয়েছে।
নেহা বোরা ও প্রশান্ত ভূষণের মতো ব্যক্তিত্বরা ছাত্র সংগঠন ও বিরোধী দলগুলোকে একসঙ্গে মাঠে নামার পরামর্শ দিয়েছেন। তাদের মতে, দেশের সাংবিধানিক মূল্যবোধ ও গণতন্ত্রকে যারা আঘাত করছে, তাদের বিরুদ্ধে সবাইকে এক মঞ্চে আসা জরুরি।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, একটি অরাজনৈতিক প্রেশার গ্রুপের পক্ষে দীর্ঘদিন আন্দোলন টিকিয়ে রাখার মতো নেটওয়ার্ক বা কর্মী তৈরি করা কঠিন। বিশেষ করে অভিজিৎ দীপকে, আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরভ দাসের মতো সামনের সারির মুখগুলো যদি আটক হন, তবে আন্দোলন থেমে যেতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে তাদের রাজনৈতিক সুরক্ষার প্রয়োজন। বিরোধী দলগুলোই তাদের এ সুরক্ষা দিতে পারে। তাছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থার ভেতরেও রাজনৈতিক নেতাদের গুরুত্ব ছাত্রদের চেয়ে বেশি, কারণ প্রেশার গ্রুপ হিসেবে ছাত্রদের কোনো প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি থাকে না।
ছাত্রদের আন্দোলনে সমর্থন দিয়ে রাহুল গান্ধী লিখেছেন, ‘শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদে যন্তর মন্তরে তেরঙ্গা ওড়ানো কোনো অপরাধ নয়। এর জন্য যুবকদের জেলে পাঠানো কাপুরুষোচিত কাজ।’ তিনি আরও যোগ করেন, ‘ছাত্রছাত্রী। যুবক-যুবতী। সাংবাদিক। ইন্ডিয়া ব্লক। ভিন্ন ভিন্ন ব্যানার, কিন্তু উদ্দেশ্য এক। সব প্রতিবাদও এক, নাগরিকদের সাংবিধানিক অধিকারের দাবি। যন্তর মন্তর ভারতের জনগণের। আমরা তা পুনরুদ্ধার করব।’
তবে বিরোধী নেতাদের মতে, অতীতে কয়েকজন কংগ্রেস নেতার নিরাপত্তাহীনতার কারণে দুই দলের মধ্যে ছোটখাটো সংঘাত হয়েছিল। তারা বিশ্বাস করেন যে আগামী দিনে উভয়ের মধ্যে আরও বড় ঐক্য গড়ে উঠবে।
সূত্র: দ্য উইক

সিইসিবিরোধী বিক্ষোভে কংগ্রেস-সিজেপি কি একজোট হবে
সিজেডএন ডেস্ক

ভারতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভে উত্তাল দিল্লির যন্তর মন্তর। সোশ্যাল মিডিয়ার গণ্ডি পেরিয়ে রাজপথের আন্দোলনে শিক্ষার্থীদেরসহ সকলকে একত্রিত করতে বড় ভূমিকা রেখেছিল সিজেপি। সংগঠনটির শীর্ষনেতা অভিজিৎ দীপকে অনলাইন সমর্থনকে মাঠপর্যায়ের শক্তিতে রূপ দিতে সক্ষম হন। আর ঠিক এ জায়গাতেই জনগণের কাছে পৌঁছাতে কিছুটা বেগ পাওয়া প্রধান বিরোধী দলগুলো নতুন দিশা পায়।
মাঝে অবশ্য দুপক্ষই একে অপরকে পাশ কাটিয়ে নিজেদের মতো আন্দোলন চালিয়েছিল। মনে হচ্ছিল, আন্দোলন দুটি আলাদা ধারায় এগোচ্ছে। একটি রাজনৈতিক, অন্যটি অরাজনৈতিক। তবে কয়েক দিনে চিত্রটা বদলেছে। সম্প্রতি এক সংবাদ সম্মেলনে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী বলেন, ‘সব প্রতিবাদই মূলত এক সূত্রে গাঁথা।’ দুপক্ষের মধ্যে আলোচনা হয়েছে এবং তারা কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়তে রাজি হয়েছে। এর পরপরই সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করে দীপকে লেখেন, একটি বিশেষ ইস্যুতে কীভাবে আন্দোলনকারীদের মধ্যে ফাটল ধরাতে চাইছে বিজেপি। তার এ বার্তা থেকে পরিষ্কার হয়ে যায় যে, সামনে তারা একসঙ্গেই এগোচ্ছেন।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) সিইসির পদত্যাগের দাবিতে ইন্ডিয়া জোটের আন্দোলন নিয়ে করা প্রশ্নের উত্তরে দীপকে জানান, ককরোচ জনতা পার্টি একটি স্বাধীন প্রেশার গ্রুপ হিসেবেই কাজ করে যাবে। তিনি বলেন, সব বিক্ষোভের উদ্দেশ্য একই। আমরা সবাই জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগের বিরুদ্ধে লড়ছি। তিনি আরও বলেন, কিন্তু তার মানে এই নয় যে সিজেপি ইন্ডিয়া ব্লকের বিরুদ্ধে। ইন্ডিয়া ব্লকের আন্দোলন এবং সিজেপির আন্দোলন একই উদ্দেশ্যে। এ শীর্ষনেতা বলেন, বিরোধী জোট দেশের গণতন্ত্র ও সংবিধান বাঁচাতে লড়ছে এবং এ লড়াইয়ের পূর্ণ অধিকার তাদের রয়েছে।
নেহা বোরা ও প্রশান্ত ভূষণের মতো ব্যক্তিত্বরা ছাত্র সংগঠন ও বিরোধী দলগুলোকে একসঙ্গে মাঠে নামার পরামর্শ দিয়েছেন। তাদের মতে, দেশের সাংবিধানিক মূল্যবোধ ও গণতন্ত্রকে যারা আঘাত করছে, তাদের বিরুদ্ধে সবাইকে এক মঞ্চে আসা জরুরি।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, একটি অরাজনৈতিক প্রেশার গ্রুপের পক্ষে দীর্ঘদিন আন্দোলন টিকিয়ে রাখার মতো নেটওয়ার্ক বা কর্মী তৈরি করা কঠিন। বিশেষ করে অভিজিৎ দীপকে, আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরভ দাসের মতো সামনের সারির মুখগুলো যদি আটক হন, তবে আন্দোলন থেমে যেতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে তাদের রাজনৈতিক সুরক্ষার প্রয়োজন। বিরোধী দলগুলোই তাদের এ সুরক্ষা দিতে পারে। তাছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থার ভেতরেও রাজনৈতিক নেতাদের গুরুত্ব ছাত্রদের চেয়ে বেশি, কারণ প্রেশার গ্রুপ হিসেবে ছাত্রদের কোনো প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি থাকে না।
ছাত্রদের আন্দোলনে সমর্থন দিয়ে রাহুল গান্ধী লিখেছেন, ‘শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদে যন্তর মন্তরে তেরঙ্গা ওড়ানো কোনো অপরাধ নয়। এর জন্য যুবকদের জেলে পাঠানো কাপুরুষোচিত কাজ।’ তিনি আরও যোগ করেন, ‘ছাত্রছাত্রী। যুবক-যুবতী। সাংবাদিক। ইন্ডিয়া ব্লক। ভিন্ন ভিন্ন ব্যানার, কিন্তু উদ্দেশ্য এক। সব প্রতিবাদও এক, নাগরিকদের সাংবিধানিক অধিকারের দাবি। যন্তর মন্তর ভারতের জনগণের। আমরা তা পুনরুদ্ধার করব।’
তবে বিরোধী নেতাদের মতে, অতীতে কয়েকজন কংগ্রেস নেতার নিরাপত্তাহীনতার কারণে দুই দলের মধ্যে ছোটখাটো সংঘাত হয়েছিল। তারা বিশ্বাস করেন যে আগামী দিনে উভয়ের মধ্যে আরও বড় ঐক্য গড়ে উঠবে।
সূত্র: দ্য উইক









