দিল্লিতে বিক্ষোভ ঘিরে নজিরবিহীন নিরাপত্তা, আটক বহু আন্দোলনকারী

দিল্লিতে বিক্ষোভ ঘিরে নজিরবিহীন নিরাপত্তা, আটক বহু আন্দোলনকারী
সিজেডএন ডেস্ক

ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে ভোটার তালিকায় অনিয়মের অভিযোগ এবং প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ ঘিরে নজিরবিহীন নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। আন্দোলনকারীদের ঠেকাতে শনিবার (১০ অক্টোবর) বিপুলসংখ্যক পুলিশ ও আধা সামরিক বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়। বিক্ষোভের অন্যতম সংগঠক ও কয়েকজন পরিচিত ইউটিউবারকেও আটক করেছে পুলিশ।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিক্ষোভ মোকাবিলায় প্রায় ৩৫ হাজার পুলিশ ও আধা সামরিক বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়। আন্দোলনকারীদের সম্ভাব্য জমায়েত ঠেকাতে যন্তর মন্তরসহ আশপাশের এলাকায় কড়া নজরদারি চালানো হয়। পাঁচ কিলোমিটার এলাকার মধ্যে কাউকে জমায়েত হতে না দেওয়ার নির্দেশনা ছিল নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের প্রতি।
গত জুন-জুলাইয়ে তরুণদের বিক্ষোভ এবং পার্লামেন্ট অভিমুখে বড় জমায়েতের অভিজ্ঞতার পর এবার আগেভাগেই কঠোর অবস্থান নেয় সরকার। আগের আন্দোলনে বিপুলসংখ্যক মানুষের অংশগ্রহণ নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষের ধারণাকে ছাড়িয়ে গিয়েছিল। এবারও বড় জমায়েতের আশঙ্কায় ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়।
বিক্ষোভের আগে শনিবার ভোরে ইউটিউবার ধ্রুব রাঠিকে গুরুগ্রামের বাড়ি থেকে আটক করা হয়। পরে দিল্লিতে পৌঁছানোর পর জনতা পার্টির (সিজেপি) নেতা অভিজিৎ দীপকে, আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরভ দাসকেও উড়োজাহাজ থেকে নামার পর আটক করে পুলিশ। তারা ভোটার তালিকা নিয়ে অনিয়মের অভিযোগের প্রতিবাদে আয়োজিত কর্মসূচিতে যোগ দিতে যাচ্ছিলেন।
আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় অনিয়ম হয়েছে। তারা এসআইআর বাতিল এবং প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ দাবি করছেন। বিরোধী দলগুলোর জোট ‘ইন্ডিয়া’ও এ বিষয়ে সরকারের সমালোচনা করে আসছে।
বিক্ষোভ ঘিরে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় যোগাযোগ ও চলাচলেও বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়। যন্তর মন্তরসহ আশপাশের এলাকায় ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ রাখা হয়। দিল্লি মেট্রোর ৪৫টি স্টেশন বন্ধ রাখার কথা জানানো হয়। এ ছাড়া রেল চলাচলেও বিধিনিষেধ দেওয়া হয় এবং প্রায় ২৫০টি ট্রেন বাতিল করা হয় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
দিল্লি পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, শনিবার দুপুর নাগাদ যন্তর মন্তর এলাকায় পরিস্থিতি শান্ত ছিল। তবে অন্য এলাকা থেকে প্রায় ৫০০ তরুণকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এদিকে, বিজেপি এই আন্দোলনকে দেশকে দুর্বল করার ষড়যন্ত্র হিসেবে বর্ণনা করেছে। দলটির সভাপতি নিতিন নবীন বলেছেন, এ ধরনের প্রচেষ্টা ব্যর্থ করে দেওয়া হবে। অন্যদিকে, আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, সরকারের কঠোর অবস্থানের কারণে নাগরিকদের গণতান্ত্রিক অধিকার চর্চার সুযোগ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে ভোটার তালিকায় অনিয়মের অভিযোগ এবং প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ ঘিরে নজিরবিহীন নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। আন্দোলনকারীদের ঠেকাতে শনিবার (১০ অক্টোবর) বিপুলসংখ্যক পুলিশ ও আধা সামরিক বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়। বিক্ষোভের অন্যতম সংগঠক ও কয়েকজন পরিচিত ইউটিউবারকেও আটক করেছে পুলিশ।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিক্ষোভ মোকাবিলায় প্রায় ৩৫ হাজার পুলিশ ও আধা সামরিক বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়। আন্দোলনকারীদের সম্ভাব্য জমায়েত ঠেকাতে যন্তর মন্তরসহ আশপাশের এলাকায় কড়া নজরদারি চালানো হয়। পাঁচ কিলোমিটার এলাকার মধ্যে কাউকে জমায়েত হতে না দেওয়ার নির্দেশনা ছিল নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের প্রতি।
গত জুন-জুলাইয়ে তরুণদের বিক্ষোভ এবং পার্লামেন্ট অভিমুখে বড় জমায়েতের অভিজ্ঞতার পর এবার আগেভাগেই কঠোর অবস্থান নেয় সরকার। আগের আন্দোলনে বিপুলসংখ্যক মানুষের অংশগ্রহণ নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষের ধারণাকে ছাড়িয়ে গিয়েছিল। এবারও বড় জমায়েতের আশঙ্কায় ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়।
বিক্ষোভের আগে শনিবার ভোরে ইউটিউবার ধ্রুব রাঠিকে গুরুগ্রামের বাড়ি থেকে আটক করা হয়। পরে দিল্লিতে পৌঁছানোর পর জনতা পার্টির (সিজেপি) নেতা অভিজিৎ দীপকে, আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরভ দাসকেও উড়োজাহাজ থেকে নামার পর আটক করে পুলিশ। তারা ভোটার তালিকা নিয়ে অনিয়মের অভিযোগের প্রতিবাদে আয়োজিত কর্মসূচিতে যোগ দিতে যাচ্ছিলেন।
আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় অনিয়ম হয়েছে। তারা এসআইআর বাতিল এবং প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ দাবি করছেন। বিরোধী দলগুলোর জোট ‘ইন্ডিয়া’ও এ বিষয়ে সরকারের সমালোচনা করে আসছে।
বিক্ষোভ ঘিরে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় যোগাযোগ ও চলাচলেও বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়। যন্তর মন্তরসহ আশপাশের এলাকায় ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ রাখা হয়। দিল্লি মেট্রোর ৪৫টি স্টেশন বন্ধ রাখার কথা জানানো হয়। এ ছাড়া রেল চলাচলেও বিধিনিষেধ দেওয়া হয় এবং প্রায় ২৫০টি ট্রেন বাতিল করা হয় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
দিল্লি পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, শনিবার দুপুর নাগাদ যন্তর মন্তর এলাকায় পরিস্থিতি শান্ত ছিল। তবে অন্য এলাকা থেকে প্রায় ৫০০ তরুণকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এদিকে, বিজেপি এই আন্দোলনকে দেশকে দুর্বল করার ষড়যন্ত্র হিসেবে বর্ণনা করেছে। দলটির সভাপতি নিতিন নবীন বলেছেন, এ ধরনের প্রচেষ্টা ব্যর্থ করে দেওয়া হবে। অন্যদিকে, আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, সরকারের কঠোর অবস্থানের কারণে নাগরিকদের গণতান্ত্রিক অধিকার চর্চার সুযোগ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

দিল্লিতে বিক্ষোভ ঘিরে নজিরবিহীন নিরাপত্তা, আটক বহু আন্দোলনকারী
সিজেডএন ডেস্ক

ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে ভোটার তালিকায় অনিয়মের অভিযোগ এবং প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ ঘিরে নজিরবিহীন নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। আন্দোলনকারীদের ঠেকাতে শনিবার (১০ অক্টোবর) বিপুলসংখ্যক পুলিশ ও আধা সামরিক বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়। বিক্ষোভের অন্যতম সংগঠক ও কয়েকজন পরিচিত ইউটিউবারকেও আটক করেছে পুলিশ।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিক্ষোভ মোকাবিলায় প্রায় ৩৫ হাজার পুলিশ ও আধা সামরিক বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়। আন্দোলনকারীদের সম্ভাব্য জমায়েত ঠেকাতে যন্তর মন্তরসহ আশপাশের এলাকায় কড়া নজরদারি চালানো হয়। পাঁচ কিলোমিটার এলাকার মধ্যে কাউকে জমায়েত হতে না দেওয়ার নির্দেশনা ছিল নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের প্রতি।
গত জুন-জুলাইয়ে তরুণদের বিক্ষোভ এবং পার্লামেন্ট অভিমুখে বড় জমায়েতের অভিজ্ঞতার পর এবার আগেভাগেই কঠোর অবস্থান নেয় সরকার। আগের আন্দোলনে বিপুলসংখ্যক মানুষের অংশগ্রহণ নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষের ধারণাকে ছাড়িয়ে গিয়েছিল। এবারও বড় জমায়েতের আশঙ্কায় ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়।
বিক্ষোভের আগে শনিবার ভোরে ইউটিউবার ধ্রুব রাঠিকে গুরুগ্রামের বাড়ি থেকে আটক করা হয়। পরে দিল্লিতে পৌঁছানোর পর জনতা পার্টির (সিজেপি) নেতা অভিজিৎ দীপকে, আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরভ দাসকেও উড়োজাহাজ থেকে নামার পর আটক করে পুলিশ। তারা ভোটার তালিকা নিয়ে অনিয়মের অভিযোগের প্রতিবাদে আয়োজিত কর্মসূচিতে যোগ দিতে যাচ্ছিলেন।
আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় অনিয়ম হয়েছে। তারা এসআইআর বাতিল এবং প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ দাবি করছেন। বিরোধী দলগুলোর জোট ‘ইন্ডিয়া’ও এ বিষয়ে সরকারের সমালোচনা করে আসছে।
বিক্ষোভ ঘিরে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় যোগাযোগ ও চলাচলেও বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়। যন্তর মন্তরসহ আশপাশের এলাকায় ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ রাখা হয়। দিল্লি মেট্রোর ৪৫টি স্টেশন বন্ধ রাখার কথা জানানো হয়। এ ছাড়া রেল চলাচলেও বিধিনিষেধ দেওয়া হয় এবং প্রায় ২৫০টি ট্রেন বাতিল করা হয় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
দিল্লি পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, শনিবার দুপুর নাগাদ যন্তর মন্তর এলাকায় পরিস্থিতি শান্ত ছিল। তবে অন্য এলাকা থেকে প্রায় ৫০০ তরুণকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এদিকে, বিজেপি এই আন্দোলনকে দেশকে দুর্বল করার ষড়যন্ত্র হিসেবে বর্ণনা করেছে। দলটির সভাপতি নিতিন নবীন বলেছেন, এ ধরনের প্রচেষ্টা ব্যর্থ করে দেওয়া হবে। অন্যদিকে, আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, সরকারের কঠোর অবস্থানের কারণে নাগরিকদের গণতান্ত্রিক অধিকার চর্চার সুযোগ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।









