ফুসফুসের ক্যান্সারে আক্রান্ত পোপ লিও, সফল অস্ত্রোপচার

ফুসফুসের ক্যান্সারে আক্রান্ত পোপ লিও, সফল অস্ত্রোপচার
সিজেডএন ডেস্ক

ক্যাথলিক সম্প্রদায়ের সর্বোচ্চ ধর্মগুরু পোপ চতুর্দশ লিও-র ফুসফুসের ক্যান্সার ধরা পড়েছে। রোমের জেমেলি হাসপাতালে ৯০ মিনিটের একটি অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে ৭১ বছর বয়সী এ পোপের ডান ফুসফুসের নিচের একটি অংশ অপসারণ করা হয়।
ভ্যাটিকান জানিয়েছে, অস্ত্রোপচার সফল হয়েছে এবং কোনো জটিলতা দেখা দেয়নি। অস্ত্রোপচারের পর পোপ স্বাভাবিকভাবে জ্ঞান ফিরে পান এবং কিছুক্ষণ পর্যবেক্ষণে থাকার পর নিজ কক্ষে ফিরে যান। বুধবার ১৪ (অক্টোবর) আরও জানানো হয়, পোপ হাসপাতালে একটি শান্তিপূর্ণ রাত কাটিয়েছেন এবং পূর্ণ সুস্থতার জন্য তাকে আরও প্রায় এক সপ্তাহ হাসপাতালেই থাকতে হবে।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) পোপের হাসপাতালে আসার খবর ছড়িয়ে পড়তেই বাইরে উৎসুক মানুষের ঢল নামে। গাড়ি থেকে পোপ জানালা দিয়ে হাত নেড়ে হাসিমুখে সবাইকে শুভেচ্ছা জানান। হাসপাতালের সিঁড়িতে কর্মীদের সঙ্গেও দেখা করেন তিনি। এর আগে রবিবার (১১ অক্টোবর) নিয়মিত সাপ্তাহিক প্রার্থনার সময় পোপ লিও নিজেই বিশ্ববাসীকে তার এই অস্ত্রোপচারের কথা জানান। সেন্ট পিটার্স স্কোয়ারে সমবেত সকলকে তিনি জানান, চিকিৎসকরা তার ফুসফুসে একটি নোডিউল বা পিণ্ড খুঁজে পেয়েছেন। টিউমারটি প্রাথমিক পর্যায়ে এবং সুনিয়ন্ত্রিত রয়েছে জানিয়ে তিনি সবাইকে আশ্বস্ত করেন, তবে চিকিৎসকদের পরামর্শেই তিনি অস্ত্রোপচারে সম্মত হয়েছেন। ভ্যাটিকান জানায়, অস্ত্রোপচারের পূর্ববর্তী পরীক্ষায় সন্দেহে হয়েছিল এবং বিস্তারিত পরীক্ষার পর এটি ক্যান্সার বলেই নিশ্চিত হওয়া গেছে।
ভ্যাটিকানের একটি সূত্র জানিয়েছে, ক্যান্সারটি শরীরের অন্য কোথাও ছড়িয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে এখন আরও কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে। তবে ভ্যাটিকানের দাবি, পোপের শরীরে বাহ্যিক কোনো অসুস্থতা বা সংক্রমণের লক্ষণ ছিল না। এমনকি টোকিওর কার্ডিনাল কিকুচি টারসিসিও ইসাও জানান, সোমবার (১২ অক্টোবর) সাক্ষাতের সময় পোপকে পুরোপুরি স্বাভাবিক ও সুস্থ মনে হচ্ছিল। ২০ অক্টোবর পর্যন্ত পোপের সব পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি স্থগিত করা হয়েছে। মূলত নভেম্বরের শুরুতে পেরুসহ লাতিন আমেরিকার সম্ভাব্য সফর যাতে পিছিয়ে না যায়, সে জন্যই পোপ দ্রুত অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত নেন।
পোপ ও ভ্যাটিকানের পক্ষ থেকে আশ্বস্ত করা হলেও বিশ্বজুড়ে ক্যাথলিক অনুসারীদের মনে উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে পোপ ফ্রান্সিসের সাম্প্রতিক হাসপাতালবাস ও মৃত্যুর স্মৃতি এখনো অনেকের মনে তাজা। লিওর পূর্বসূরি পোপেরও তরুণ বয়সে ফুসফুসের অংশবিশেষ কেটে ফেলতে হয়েছিল এবং জীবনের শেষ দিনগুলোতে তিনি শ্বাসকষ্টজনিত নানা সমস্যায় ভুগেছেন। ভ্যাটিকানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী কার্ডিনাল পারোলিন সাংবাদিকদের বলেন, আমি চিন্তিত, কারণ আমি নিশ্চিতভাবে এমন কিছুর প্রত্যাশা করিনি।
তবে পোপের মনের জোর ও শান্তভাব দেখে সবাই তার দ্রুত আরোগ্যের ব্যাপারে আশা দেখছেন। পোপ লিওকে তুলনামূলক তরুণ ও সুস্বাস্থ্যের অধিকারী ভাবায় এ খবর শুনে তিনি স্বাভাবিকভাবেই হতবাক হয়ে পড়েছিলেন। আপাতত সারা বিশ্বের কোটি কোটি মানুষ পোপের দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠার প্রার্থনায় দিন গুনছেন।
সূত্র: বিবিসি

ক্যাথলিক সম্প্রদায়ের সর্বোচ্চ ধর্মগুরু পোপ চতুর্দশ লিও-র ফুসফুসের ক্যান্সার ধরা পড়েছে। রোমের জেমেলি হাসপাতালে ৯০ মিনিটের একটি অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে ৭১ বছর বয়সী এ পোপের ডান ফুসফুসের নিচের একটি অংশ অপসারণ করা হয়।
ভ্যাটিকান জানিয়েছে, অস্ত্রোপচার সফল হয়েছে এবং কোনো জটিলতা দেখা দেয়নি। অস্ত্রোপচারের পর পোপ স্বাভাবিকভাবে জ্ঞান ফিরে পান এবং কিছুক্ষণ পর্যবেক্ষণে থাকার পর নিজ কক্ষে ফিরে যান। বুধবার ১৪ (অক্টোবর) আরও জানানো হয়, পোপ হাসপাতালে একটি শান্তিপূর্ণ রাত কাটিয়েছেন এবং পূর্ণ সুস্থতার জন্য তাকে আরও প্রায় এক সপ্তাহ হাসপাতালেই থাকতে হবে।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) পোপের হাসপাতালে আসার খবর ছড়িয়ে পড়তেই বাইরে উৎসুক মানুষের ঢল নামে। গাড়ি থেকে পোপ জানালা দিয়ে হাত নেড়ে হাসিমুখে সবাইকে শুভেচ্ছা জানান। হাসপাতালের সিঁড়িতে কর্মীদের সঙ্গেও দেখা করেন তিনি। এর আগে রবিবার (১১ অক্টোবর) নিয়মিত সাপ্তাহিক প্রার্থনার সময় পোপ লিও নিজেই বিশ্ববাসীকে তার এই অস্ত্রোপচারের কথা জানান। সেন্ট পিটার্স স্কোয়ারে সমবেত সকলকে তিনি জানান, চিকিৎসকরা তার ফুসফুসে একটি নোডিউল বা পিণ্ড খুঁজে পেয়েছেন। টিউমারটি প্রাথমিক পর্যায়ে এবং সুনিয়ন্ত্রিত রয়েছে জানিয়ে তিনি সবাইকে আশ্বস্ত করেন, তবে চিকিৎসকদের পরামর্শেই তিনি অস্ত্রোপচারে সম্মত হয়েছেন। ভ্যাটিকান জানায়, অস্ত্রোপচারের পূর্ববর্তী পরীক্ষায় সন্দেহে হয়েছিল এবং বিস্তারিত পরীক্ষার পর এটি ক্যান্সার বলেই নিশ্চিত হওয়া গেছে।
ভ্যাটিকানের একটি সূত্র জানিয়েছে, ক্যান্সারটি শরীরের অন্য কোথাও ছড়িয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে এখন আরও কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে। তবে ভ্যাটিকানের দাবি, পোপের শরীরে বাহ্যিক কোনো অসুস্থতা বা সংক্রমণের লক্ষণ ছিল না। এমনকি টোকিওর কার্ডিনাল কিকুচি টারসিসিও ইসাও জানান, সোমবার (১২ অক্টোবর) সাক্ষাতের সময় পোপকে পুরোপুরি স্বাভাবিক ও সুস্থ মনে হচ্ছিল। ২০ অক্টোবর পর্যন্ত পোপের সব পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি স্থগিত করা হয়েছে। মূলত নভেম্বরের শুরুতে পেরুসহ লাতিন আমেরিকার সম্ভাব্য সফর যাতে পিছিয়ে না যায়, সে জন্যই পোপ দ্রুত অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত নেন।
পোপ ও ভ্যাটিকানের পক্ষ থেকে আশ্বস্ত করা হলেও বিশ্বজুড়ে ক্যাথলিক অনুসারীদের মনে উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে পোপ ফ্রান্সিসের সাম্প্রতিক হাসপাতালবাস ও মৃত্যুর স্মৃতি এখনো অনেকের মনে তাজা। লিওর পূর্বসূরি পোপেরও তরুণ বয়সে ফুসফুসের অংশবিশেষ কেটে ফেলতে হয়েছিল এবং জীবনের শেষ দিনগুলোতে তিনি শ্বাসকষ্টজনিত নানা সমস্যায় ভুগেছেন। ভ্যাটিকানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী কার্ডিনাল পারোলিন সাংবাদিকদের বলেন, আমি চিন্তিত, কারণ আমি নিশ্চিতভাবে এমন কিছুর প্রত্যাশা করিনি।
তবে পোপের মনের জোর ও শান্তভাব দেখে সবাই তার দ্রুত আরোগ্যের ব্যাপারে আশা দেখছেন। পোপ লিওকে তুলনামূলক তরুণ ও সুস্বাস্থ্যের অধিকারী ভাবায় এ খবর শুনে তিনি স্বাভাবিকভাবেই হতবাক হয়ে পড়েছিলেন। আপাতত সারা বিশ্বের কোটি কোটি মানুষ পোপের দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠার প্রার্থনায় দিন গুনছেন।
সূত্র: বিবিসি

ফুসফুসের ক্যান্সারে আক্রান্ত পোপ লিও, সফল অস্ত্রোপচার
সিজেডএন ডেস্ক

ক্যাথলিক সম্প্রদায়ের সর্বোচ্চ ধর্মগুরু পোপ চতুর্দশ লিও-র ফুসফুসের ক্যান্সার ধরা পড়েছে। রোমের জেমেলি হাসপাতালে ৯০ মিনিটের একটি অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে ৭১ বছর বয়সী এ পোপের ডান ফুসফুসের নিচের একটি অংশ অপসারণ করা হয়।
ভ্যাটিকান জানিয়েছে, অস্ত্রোপচার সফল হয়েছে এবং কোনো জটিলতা দেখা দেয়নি। অস্ত্রোপচারের পর পোপ স্বাভাবিকভাবে জ্ঞান ফিরে পান এবং কিছুক্ষণ পর্যবেক্ষণে থাকার পর নিজ কক্ষে ফিরে যান। বুধবার ১৪ (অক্টোবর) আরও জানানো হয়, পোপ হাসপাতালে একটি শান্তিপূর্ণ রাত কাটিয়েছেন এবং পূর্ণ সুস্থতার জন্য তাকে আরও প্রায় এক সপ্তাহ হাসপাতালেই থাকতে হবে।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) পোপের হাসপাতালে আসার খবর ছড়িয়ে পড়তেই বাইরে উৎসুক মানুষের ঢল নামে। গাড়ি থেকে পোপ জানালা দিয়ে হাত নেড়ে হাসিমুখে সবাইকে শুভেচ্ছা জানান। হাসপাতালের সিঁড়িতে কর্মীদের সঙ্গেও দেখা করেন তিনি। এর আগে রবিবার (১১ অক্টোবর) নিয়মিত সাপ্তাহিক প্রার্থনার সময় পোপ লিও নিজেই বিশ্ববাসীকে তার এই অস্ত্রোপচারের কথা জানান। সেন্ট পিটার্স স্কোয়ারে সমবেত সকলকে তিনি জানান, চিকিৎসকরা তার ফুসফুসে একটি নোডিউল বা পিণ্ড খুঁজে পেয়েছেন। টিউমারটি প্রাথমিক পর্যায়ে এবং সুনিয়ন্ত্রিত রয়েছে জানিয়ে তিনি সবাইকে আশ্বস্ত করেন, তবে চিকিৎসকদের পরামর্শেই তিনি অস্ত্রোপচারে সম্মত হয়েছেন। ভ্যাটিকান জানায়, অস্ত্রোপচারের পূর্ববর্তী পরীক্ষায় সন্দেহে হয়েছিল এবং বিস্তারিত পরীক্ষার পর এটি ক্যান্সার বলেই নিশ্চিত হওয়া গেছে।
ভ্যাটিকানের একটি সূত্র জানিয়েছে, ক্যান্সারটি শরীরের অন্য কোথাও ছড়িয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে এখন আরও কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে। তবে ভ্যাটিকানের দাবি, পোপের শরীরে বাহ্যিক কোনো অসুস্থতা বা সংক্রমণের লক্ষণ ছিল না। এমনকি টোকিওর কার্ডিনাল কিকুচি টারসিসিও ইসাও জানান, সোমবার (১২ অক্টোবর) সাক্ষাতের সময় পোপকে পুরোপুরি স্বাভাবিক ও সুস্থ মনে হচ্ছিল। ২০ অক্টোবর পর্যন্ত পোপের সব পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি স্থগিত করা হয়েছে। মূলত নভেম্বরের শুরুতে পেরুসহ লাতিন আমেরিকার সম্ভাব্য সফর যাতে পিছিয়ে না যায়, সে জন্যই পোপ দ্রুত অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত নেন।
পোপ ও ভ্যাটিকানের পক্ষ থেকে আশ্বস্ত করা হলেও বিশ্বজুড়ে ক্যাথলিক অনুসারীদের মনে উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে পোপ ফ্রান্সিসের সাম্প্রতিক হাসপাতালবাস ও মৃত্যুর স্মৃতি এখনো অনেকের মনে তাজা। লিওর পূর্বসূরি পোপেরও তরুণ বয়সে ফুসফুসের অংশবিশেষ কেটে ফেলতে হয়েছিল এবং জীবনের শেষ দিনগুলোতে তিনি শ্বাসকষ্টজনিত নানা সমস্যায় ভুগেছেন। ভ্যাটিকানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী কার্ডিনাল পারোলিন সাংবাদিকদের বলেন, আমি চিন্তিত, কারণ আমি নিশ্চিতভাবে এমন কিছুর প্রত্যাশা করিনি।
তবে পোপের মনের জোর ও শান্তভাব দেখে সবাই তার দ্রুত আরোগ্যের ব্যাপারে আশা দেখছেন। পোপ লিওকে তুলনামূলক তরুণ ও সুস্বাস্থ্যের অধিকারী ভাবায় এ খবর শুনে তিনি স্বাভাবিকভাবেই হতবাক হয়ে পড়েছিলেন। আপাতত সারা বিশ্বের কোটি কোটি মানুষ পোপের দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠার প্রার্থনায় দিন গুনছেন।
সূত্র: বিবিসি

ইরান সংঘাত নিয়ে নতুন মন্তব্য পোপ লিও’র







