ঢামেকে ডেঙ্গু রোগীর চাপ, সামাল দিতে পারছেন না চিকিৎসকরা

ঢামেকে ডেঙ্গু রোগীর চাপ, সামাল দিতে পারছেন না চিকিৎসকরা
মো. ইমরান হোসেন

ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে বেড়েছে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা। শয্যা না পেয়ে মেঝেতে চিকিৎসা নিচ্ছেন অনেক রোগী। কর্তব্যরত চিকিৎসকরা বলছেন, রোগীদের সর্বোচ্চ চিকিৎসা দিতে তারা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।
শনিবার (১০ অক্টোবর) ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।
ডেঙ্গু আক্রান্ত আনিকার স্বজন আজিজুর রহমান বলেন, এই হাসপাতালের চিকিৎসা ভালো। কিন্তু সমস্যা হলো– ডেঙ্গু রোগী বেশি। তাই বেড (শয্যা) না পেয়ে অনেক রোগীকে মেঝেতে জায়গা নিতে হয়। আমরা প্রথম দুই দিন মেঝেতে চিকিৎসা নিয়েছি। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের উচিত ডেঙ্গু রোগীদের জন্য আরও জায়গা ও বেড বাড়ানো।
চারদিন ধরে ডেঙ্গু আক্রান্ত কোহিনূর। তার হাতে ক্যানোলা লাগানো। বিছানায় শুয়েই তার সময় কাটে, নড়াচড়া করতে পারছেন না। কোহিনূরের স্বামী ফরিদ আহমেদ জানান, রোগী ঠিকমতো খাবার খেতে পারে না। রক্তের প্লাটিলেট ৮৭ হাজার। ক্রমেই অবস্থার অবনতি হচ্ছে।
স্ত্রীর এমন আশঙ্কাজনক অবস্থায় দিশাহারা ফরিদ আহমেদ। হাসপাতাল কর্মীদের ব্যবস্থাপনা নিয়েও রয়েছে তার ক্ষোভ। তিনি বলেন, ‘হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা ভালো না। আমরা অনেক ভোগান্তিতে পড়েছি।’

১৮ বছর বয়সী আল-আমীনের বাসা আজিমপুরে। ৯ দিন ধরে তিনি হাসপাতালে ভর্তি। তার রক্তের প্লাটিলেট ৯ হাজারে নেমেছিলো। আল-আমীন বলেন, প্লাটিলেট যেদিন ৯ হাজারে নামে সেদিন খুব কঠিন সময় পার করেছি। খুব আতঙ্ক কাজ করছিলো। এক ব্যাগ রক্তও দিতে হয়েছে। এরপর আস্তে আস্তে প্লাটিলেট বাড়তে থাকে।
রাজধানীর কুড়িল থেকে এসেছেন আব্দুল রহিম রাহি। তার স্বজন লিলি আক্তার বলেন, ৭ অক্টোবর ডেঙ্গু ধরা পড়েছে। তখন প্লাটিলেট ছিল ৭৯ হাজার। পরের দিন প্লাটিলেট নেমে ১৬ হাজার হয়। এরপর বেড়ে ২৮ হাজার। এখন তা বাড়ছে। গত তিনদিন রোগীর খুব কষ্ট হয়েছে। ডাক্তার বলেছে আগামীকাল ছেড়ে দেবে।
হাসপাতালের নতুন ভবনের ৭০২ নং মহিলা ওয়ার্ডের সেবক (ব্রাদার) আলম মিয়া বলেন, এই ওয়ার্ডে নতুন ২৪ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছে। গতকাল থেকে আজ পর্যন্ত মারা গেছে ২ জন।
৫০২ নম্বর পুরুষ ওয়ার্ডের ওয়ার্ড বয় নাজমুল বলেন, এই ওয়ার্ডে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা ৭৬ জন। নতুন ভর্তি হয়েছে ২ জন। বেড ফাঁকা না থাকায় নতুন রোগী ভর্তি নিতে পারছি না। অনেক রোগী এখন বাইরে অপেক্ষা করছেন।
৪০২ নম্বর পুরুষ ওয়ার্ডের দায়িত্বরত নার্স আশা মণি বলেন, এই ওয়ার্ডে ডেঙ্গু রোগী সংখ্যা ৪৫ জন। নতুন রোগী ভর্তি হয়েছে ৬ জন।
৪০২ নম্বর ওয়ার্ডে কথা হয় কর্তব্যরত চিকিৎসক সহকারী অধ্যাপক মোক্তার রহমানের সঙ্গে। তিনি বলেন, পরিচালকের অনুমতি ছাড়া আমাদের কথা বলার কোনো নির্দেশনা নেই। তবে বলা যায়, এখানে ডেঙ্গু রোগী বেশি আসছে। আমরা সামাল দিতে পারছি না। তবুও রোগীদের সর্বোচ্চ চিকিৎসা দিতে আমরা চেষ্টা করছি।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে বেড়েছে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা। শয্যা না পেয়ে মেঝেতে চিকিৎসা নিচ্ছেন অনেক রোগী। কর্তব্যরত চিকিৎসকরা বলছেন, রোগীদের সর্বোচ্চ চিকিৎসা দিতে তারা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।
শনিবার (১০ অক্টোবর) ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।
ডেঙ্গু আক্রান্ত আনিকার স্বজন আজিজুর রহমান বলেন, এই হাসপাতালের চিকিৎসা ভালো। কিন্তু সমস্যা হলো– ডেঙ্গু রোগী বেশি। তাই বেড (শয্যা) না পেয়ে অনেক রোগীকে মেঝেতে জায়গা নিতে হয়। আমরা প্রথম দুই দিন মেঝেতে চিকিৎসা নিয়েছি। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের উচিত ডেঙ্গু রোগীদের জন্য আরও জায়গা ও বেড বাড়ানো।
চারদিন ধরে ডেঙ্গু আক্রান্ত কোহিনূর। তার হাতে ক্যানোলা লাগানো। বিছানায় শুয়েই তার সময় কাটে, নড়াচড়া করতে পারছেন না। কোহিনূরের স্বামী ফরিদ আহমেদ জানান, রোগী ঠিকমতো খাবার খেতে পারে না। রক্তের প্লাটিলেট ৮৭ হাজার। ক্রমেই অবস্থার অবনতি হচ্ছে।
স্ত্রীর এমন আশঙ্কাজনক অবস্থায় দিশাহারা ফরিদ আহমেদ। হাসপাতাল কর্মীদের ব্যবস্থাপনা নিয়েও রয়েছে তার ক্ষোভ। তিনি বলেন, ‘হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা ভালো না। আমরা অনেক ভোগান্তিতে পড়েছি।’

১৮ বছর বয়সী আল-আমীনের বাসা আজিমপুরে। ৯ দিন ধরে তিনি হাসপাতালে ভর্তি। তার রক্তের প্লাটিলেট ৯ হাজারে নেমেছিলো। আল-আমীন বলেন, প্লাটিলেট যেদিন ৯ হাজারে নামে সেদিন খুব কঠিন সময় পার করেছি। খুব আতঙ্ক কাজ করছিলো। এক ব্যাগ রক্তও দিতে হয়েছে। এরপর আস্তে আস্তে প্লাটিলেট বাড়তে থাকে।
রাজধানীর কুড়িল থেকে এসেছেন আব্দুল রহিম রাহি। তার স্বজন লিলি আক্তার বলেন, ৭ অক্টোবর ডেঙ্গু ধরা পড়েছে। তখন প্লাটিলেট ছিল ৭৯ হাজার। পরের দিন প্লাটিলেট নেমে ১৬ হাজার হয়। এরপর বেড়ে ২৮ হাজার। এখন তা বাড়ছে। গত তিনদিন রোগীর খুব কষ্ট হয়েছে। ডাক্তার বলেছে আগামীকাল ছেড়ে দেবে।
হাসপাতালের নতুন ভবনের ৭০২ নং মহিলা ওয়ার্ডের সেবক (ব্রাদার) আলম মিয়া বলেন, এই ওয়ার্ডে নতুন ২৪ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছে। গতকাল থেকে আজ পর্যন্ত মারা গেছে ২ জন।
৫০২ নম্বর পুরুষ ওয়ার্ডের ওয়ার্ড বয় নাজমুল বলেন, এই ওয়ার্ডে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা ৭৬ জন। নতুন ভর্তি হয়েছে ২ জন। বেড ফাঁকা না থাকায় নতুন রোগী ভর্তি নিতে পারছি না। অনেক রোগী এখন বাইরে অপেক্ষা করছেন।
৪০২ নম্বর পুরুষ ওয়ার্ডের দায়িত্বরত নার্স আশা মণি বলেন, এই ওয়ার্ডে ডেঙ্গু রোগী সংখ্যা ৪৫ জন। নতুন রোগী ভর্তি হয়েছে ৬ জন।
৪০২ নম্বর ওয়ার্ডে কথা হয় কর্তব্যরত চিকিৎসক সহকারী অধ্যাপক মোক্তার রহমানের সঙ্গে। তিনি বলেন, পরিচালকের অনুমতি ছাড়া আমাদের কথা বলার কোনো নির্দেশনা নেই। তবে বলা যায়, এখানে ডেঙ্গু রোগী বেশি আসছে। আমরা সামাল দিতে পারছি না। তবুও রোগীদের সর্বোচ্চ চিকিৎসা দিতে আমরা চেষ্টা করছি।

ঢামেকে ডেঙ্গু রোগীর চাপ, সামাল দিতে পারছেন না চিকিৎসকরা
মো. ইমরান হোসেন

ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে বেড়েছে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা। শয্যা না পেয়ে মেঝেতে চিকিৎসা নিচ্ছেন অনেক রোগী। কর্তব্যরত চিকিৎসকরা বলছেন, রোগীদের সর্বোচ্চ চিকিৎসা দিতে তারা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।
শনিবার (১০ অক্টোবর) ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।
ডেঙ্গু আক্রান্ত আনিকার স্বজন আজিজুর রহমান বলেন, এই হাসপাতালের চিকিৎসা ভালো। কিন্তু সমস্যা হলো– ডেঙ্গু রোগী বেশি। তাই বেড (শয্যা) না পেয়ে অনেক রোগীকে মেঝেতে জায়গা নিতে হয়। আমরা প্রথম দুই দিন মেঝেতে চিকিৎসা নিয়েছি। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের উচিত ডেঙ্গু রোগীদের জন্য আরও জায়গা ও বেড বাড়ানো।
চারদিন ধরে ডেঙ্গু আক্রান্ত কোহিনূর। তার হাতে ক্যানোলা লাগানো। বিছানায় শুয়েই তার সময় কাটে, নড়াচড়া করতে পারছেন না। কোহিনূরের স্বামী ফরিদ আহমেদ জানান, রোগী ঠিকমতো খাবার খেতে পারে না। রক্তের প্লাটিলেট ৮৭ হাজার। ক্রমেই অবস্থার অবনতি হচ্ছে।
স্ত্রীর এমন আশঙ্কাজনক অবস্থায় দিশাহারা ফরিদ আহমেদ। হাসপাতাল কর্মীদের ব্যবস্থাপনা নিয়েও রয়েছে তার ক্ষোভ। তিনি বলেন, ‘হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা ভালো না। আমরা অনেক ভোগান্তিতে পড়েছি।’

১৮ বছর বয়সী আল-আমীনের বাসা আজিমপুরে। ৯ দিন ধরে তিনি হাসপাতালে ভর্তি। তার রক্তের প্লাটিলেট ৯ হাজারে নেমেছিলো। আল-আমীন বলেন, প্লাটিলেট যেদিন ৯ হাজারে নামে সেদিন খুব কঠিন সময় পার করেছি। খুব আতঙ্ক কাজ করছিলো। এক ব্যাগ রক্তও দিতে হয়েছে। এরপর আস্তে আস্তে প্লাটিলেট বাড়তে থাকে।
রাজধানীর কুড়িল থেকে এসেছেন আব্দুল রহিম রাহি। তার স্বজন লিলি আক্তার বলেন, ৭ অক্টোবর ডেঙ্গু ধরা পড়েছে। তখন প্লাটিলেট ছিল ৭৯ হাজার। পরের দিন প্লাটিলেট নেমে ১৬ হাজার হয়। এরপর বেড়ে ২৮ হাজার। এখন তা বাড়ছে। গত তিনদিন রোগীর খুব কষ্ট হয়েছে। ডাক্তার বলেছে আগামীকাল ছেড়ে দেবে।
হাসপাতালের নতুন ভবনের ৭০২ নং মহিলা ওয়ার্ডের সেবক (ব্রাদার) আলম মিয়া বলেন, এই ওয়ার্ডে নতুন ২৪ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছে। গতকাল থেকে আজ পর্যন্ত মারা গেছে ২ জন।
৫০২ নম্বর পুরুষ ওয়ার্ডের ওয়ার্ড বয় নাজমুল বলেন, এই ওয়ার্ডে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা ৭৬ জন। নতুন ভর্তি হয়েছে ২ জন। বেড ফাঁকা না থাকায় নতুন রোগী ভর্তি নিতে পারছি না। অনেক রোগী এখন বাইরে অপেক্ষা করছেন।
৪০২ নম্বর পুরুষ ওয়ার্ডের দায়িত্বরত নার্স আশা মণি বলেন, এই ওয়ার্ডে ডেঙ্গু রোগী সংখ্যা ৪৫ জন। নতুন রোগী ভর্তি হয়েছে ৬ জন।
৪০২ নম্বর ওয়ার্ডে কথা হয় কর্তব্যরত চিকিৎসক সহকারী অধ্যাপক মোক্তার রহমানের সঙ্গে। তিনি বলেন, পরিচালকের অনুমতি ছাড়া আমাদের কথা বলার কোনো নির্দেশনা নেই। তবে বলা যায়, এখানে ডেঙ্গু রোগী বেশি আসছে। আমরা সামাল দিতে পারছি না। তবুও রোগীদের সর্বোচ্চ চিকিৎসা দিতে আমরা চেষ্টা করছি।

৮৪ শতাংশ সরকারি হাসপাতাল ডেঙ্গুর তথ্য দেয় না






