বিশ্বের সবচেয়ে বেশি পকেটমারি হয় যে ২০ শহরে

বিশ্বের সবচেয়ে বেশি পকেটমারি হয় যে ২০ শহরে
সিজেডএন ডেস্ক

আপনি কোথাও ঘুরতে গেলেন, পছন্দ করে কিছু কিনে মূল্য পরিশোধ করতে গিয়ে পকেটে বা ভ্যানিটি ব্যাগে হাত দিয়ে দেখলেন মানিব্যাগ নেই। পকেটমার হয়ে গেছে। তখন কেমন ফিল হবে? আর এটা যদি হয় আপনার পছন্দের শহর প্যারিস কিংবা নিউইয়র্কে! হয়তো কিছুটা অবাক হয়েছেন প্যারিস ও নিউইয়র্কের নাম বলায়। তবে আপনার জন্য আরও অবাক করা তথ্য আছে। বিশ্বের সবচেয়ে বেশি পকেটমারি হয় এই শহরগুলোতে।
বিশ্বের ৩৪টি ভিন্ন শহরের পর্যটক রিভিউ সংগ্রহ করে ‘কম্পেয়ার দ্য মার্কেট’ পকেটমার, প্রতারণা ও চুরির হার বেশি থাকা শহরগুলোর একটি তালিকা তৈরি করেছে। তালিকায় উঠে এসেছে সবচাইতে বেশি পকেটমারি হয় ভালোবাসার শহর হিসেবে পরিচিত ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে।
এই তালিকায় দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেছে যুক্তরাষ্ট্রের লাস ভেগাস। শহরটির ক্ষেত্রে পর্যটকরা ‘প্রতারণা’ শব্দটি বেশি ব্যবহার করেছেন। আর তালিকায় ১৪ নম্বরে থাকা পেরুর রাজধানী লিমায় সবচেয়ে বেশি ছিনতাই বা ডাকাতি হয়। এটা নিয়ে জনগণের উদ্বেগ ছিল সর্বোচ্চ।
চলুন দেখে নেওয়া যাক পকেটমারি ও প্রতারণার জন্য সবচেয়ে খারাপ শহরগুলো
- প্যারিস, ফ্রান্স
- লাস ভেগাস, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
- নিউ ইয়র্ক সিটি, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
- রোম, ইতালি
- লস অ্যাঞ্জেলেস, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
- লন্ডন, যুক্তরাজ্য
- এথেন্স, গ্রীস
- সোফিয়া, বুলগেরিয়া
- বার্সেলোনা, স্পেন
- আমস্টারডাম, নেদারল্যান্ডস
- লিমা, পেরু
- মিলান, ইতালি
- বুদাপেস্ট, হাঙ্গেরি
- ইস্তাম্বুল, তুরস্ক
- অরল্যান্ডো, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
- নাইরোবি, কেনিয়া
- দুবাই, সংযুক্ত আরব আমিরাত
- বার্লিন, জার্মানি
- হো চি মিং সিটি, ভিয়েতনাম
- কুয়ালালামপুর, মালয়েশিয়া
কম্পেয়ার দ্য মার্কেটের সাধারণ বীমা বিভাগের প্রধান নির্বাহী অ্যাড্রিয়ান টেলর বলেছেন, বিশ্বের বিভিন্ন শহরে পকেটমারি এখন বড় উদ্বেগের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। অনেক শহরে প্রতারণা আরও ব্যাপক আকার ধারণ করেছে। তিনি বুলগেরিয়ার সোফিয়ার কথা উল্লেখ করে বলেন, সেখানে ছিনতাইয়ের শিকার হওয়ার আশঙ্কা কম থাকলেও অনলাইন ‘প্রতারণার’ অভিযোগের কারণে তালিকায় উপরের দিকে উঠে এসেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহর এই তালিকায় তৃতীয় স্থানে। সেখানে বিপুল সংখ্যক মানুষ প্রতারণার অভিযোগ তুলেছেন। চতুর্থ স্থানে থাকা ইতালির রোমে চুরি বা জিনিসপত্র হারানোর হার বেশি।
তালিকায় ষষ্ঠ স্থানে রয়েছে লন্ডন। টেলরের ভাষ্য, লন্ডনে ছিনতাই বা ডাকাতির শিকার হওয়ার হার অনেক বেশি ছিলো। তবে অনলাইন আলোচনায় বিষয়টি তুলনামূলক কম এসেছে। এতে বোঝা যায়, পর্যটকেরা সম্ভাব্য অপরাধ সম্পর্কে সতর্ক থাকলেও সব ঘটনা অনলাইনে প্রকাশ করেন না।
পকেটমার এড়ানোর উপায়
অস্ট্রেলিয়ার কার্টিন বিজনেস স্কুলের সহযোগী অধ্যাপক এবং প্রতারণা ও বিপণন বিশেষজ্ঞ মিন টিয়া বলেন, পকেটমারদের এড়ানোর মূল উপায় হলো পেছনে কাউকে পাহারায় রাখা।
তিনি বলেন, ‘অনেক ক্ষেত্রে পকেটমাররা দলবদ্ধভাবে কাজ করে। তারা মনোযোগ অন্যদিকে সরিয়ে দেওয়ার কৌশল ব্যবহার করে। পর্যটকরা যখন দরদাম করে কিছু কিনেন তখন তাদের আশপাশে কী ঘটছে সেটা খেয়াল থাকে না। এই সুযোগে পকেট কাটে। এক্ষেত্রে পেছনে কেউ থাকলে সহজেই ধরে ফেলতে পারবে।’
এছাড়া যে এলাকায় ভ্রমণ করতে যাচ্ছেন, সেখানে কোন ধরনের প্রতারণা বেশি হয় সে সম্পর্কে জেনে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।
এছাড়াও তিনি ভ্রমণের সময় দামি গহনা বাড়িতে রেখে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। সেইসঙ্গে কাউকে সাহায্য করার ক্ষেত্রেও সতর্ক করেছেন।
টিয়া বলেন, অনেক ক্ষেত্রে পকেটমাররা আপনার কাছ থেকে সাহায্য চাইতে পারে কিংবা সাহায্যের অফার দিতে পারে। এটা আসলে একটি প্রতারণা।
ভ্রমণ মানুষের জীবনে এক অনন্য অভিজ্ঞতা। তবে আকর্ষণীয় শহরগুলো যতই মনোমুগ্ধকর হোক, আপনার নিরাপত্তা সবার আগে। তাই ভ্রমণের সময় সর্বোচ্চ সতর্ক থাকা জরুরি।
সূত্র: এক্সপ্লোর

আপনি কোথাও ঘুরতে গেলেন, পছন্দ করে কিছু কিনে মূল্য পরিশোধ করতে গিয়ে পকেটে বা ভ্যানিটি ব্যাগে হাত দিয়ে দেখলেন মানিব্যাগ নেই। পকেটমার হয়ে গেছে। তখন কেমন ফিল হবে? আর এটা যদি হয় আপনার পছন্দের শহর প্যারিস কিংবা নিউইয়র্কে! হয়তো কিছুটা অবাক হয়েছেন প্যারিস ও নিউইয়র্কের নাম বলায়। তবে আপনার জন্য আরও অবাক করা তথ্য আছে। বিশ্বের সবচেয়ে বেশি পকেটমারি হয় এই শহরগুলোতে।
বিশ্বের ৩৪টি ভিন্ন শহরের পর্যটক রিভিউ সংগ্রহ করে ‘কম্পেয়ার দ্য মার্কেট’ পকেটমার, প্রতারণা ও চুরির হার বেশি থাকা শহরগুলোর একটি তালিকা তৈরি করেছে। তালিকায় উঠে এসেছে সবচাইতে বেশি পকেটমারি হয় ভালোবাসার শহর হিসেবে পরিচিত ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে।
এই তালিকায় দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেছে যুক্তরাষ্ট্রের লাস ভেগাস। শহরটির ক্ষেত্রে পর্যটকরা ‘প্রতারণা’ শব্দটি বেশি ব্যবহার করেছেন। আর তালিকায় ১৪ নম্বরে থাকা পেরুর রাজধানী লিমায় সবচেয়ে বেশি ছিনতাই বা ডাকাতি হয়। এটা নিয়ে জনগণের উদ্বেগ ছিল সর্বোচ্চ।
চলুন দেখে নেওয়া যাক পকেটমারি ও প্রতারণার জন্য সবচেয়ে খারাপ শহরগুলো
- প্যারিস, ফ্রান্স
- লাস ভেগাস, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
- নিউ ইয়র্ক সিটি, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
- রোম, ইতালি
- লস অ্যাঞ্জেলেস, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
- লন্ডন, যুক্তরাজ্য
- এথেন্স, গ্রীস
- সোফিয়া, বুলগেরিয়া
- বার্সেলোনা, স্পেন
- আমস্টারডাম, নেদারল্যান্ডস
- লিমা, পেরু
- মিলান, ইতালি
- বুদাপেস্ট, হাঙ্গেরি
- ইস্তাম্বুল, তুরস্ক
- অরল্যান্ডো, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
- নাইরোবি, কেনিয়া
- দুবাই, সংযুক্ত আরব আমিরাত
- বার্লিন, জার্মানি
- হো চি মিং সিটি, ভিয়েতনাম
- কুয়ালালামপুর, মালয়েশিয়া
কম্পেয়ার দ্য মার্কেটের সাধারণ বীমা বিভাগের প্রধান নির্বাহী অ্যাড্রিয়ান টেলর বলেছেন, বিশ্বের বিভিন্ন শহরে পকেটমারি এখন বড় উদ্বেগের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। অনেক শহরে প্রতারণা আরও ব্যাপক আকার ধারণ করেছে। তিনি বুলগেরিয়ার সোফিয়ার কথা উল্লেখ করে বলেন, সেখানে ছিনতাইয়ের শিকার হওয়ার আশঙ্কা কম থাকলেও অনলাইন ‘প্রতারণার’ অভিযোগের কারণে তালিকায় উপরের দিকে উঠে এসেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহর এই তালিকায় তৃতীয় স্থানে। সেখানে বিপুল সংখ্যক মানুষ প্রতারণার অভিযোগ তুলেছেন। চতুর্থ স্থানে থাকা ইতালির রোমে চুরি বা জিনিসপত্র হারানোর হার বেশি।
তালিকায় ষষ্ঠ স্থানে রয়েছে লন্ডন। টেলরের ভাষ্য, লন্ডনে ছিনতাই বা ডাকাতির শিকার হওয়ার হার অনেক বেশি ছিলো। তবে অনলাইন আলোচনায় বিষয়টি তুলনামূলক কম এসেছে। এতে বোঝা যায়, পর্যটকেরা সম্ভাব্য অপরাধ সম্পর্কে সতর্ক থাকলেও সব ঘটনা অনলাইনে প্রকাশ করেন না।
পকেটমার এড়ানোর উপায়
অস্ট্রেলিয়ার কার্টিন বিজনেস স্কুলের সহযোগী অধ্যাপক এবং প্রতারণা ও বিপণন বিশেষজ্ঞ মিন টিয়া বলেন, পকেটমারদের এড়ানোর মূল উপায় হলো পেছনে কাউকে পাহারায় রাখা।
তিনি বলেন, ‘অনেক ক্ষেত্রে পকেটমাররা দলবদ্ধভাবে কাজ করে। তারা মনোযোগ অন্যদিকে সরিয়ে দেওয়ার কৌশল ব্যবহার করে। পর্যটকরা যখন দরদাম করে কিছু কিনেন তখন তাদের আশপাশে কী ঘটছে সেটা খেয়াল থাকে না। এই সুযোগে পকেট কাটে। এক্ষেত্রে পেছনে কেউ থাকলে সহজেই ধরে ফেলতে পারবে।’
এছাড়া যে এলাকায় ভ্রমণ করতে যাচ্ছেন, সেখানে কোন ধরনের প্রতারণা বেশি হয় সে সম্পর্কে জেনে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।
এছাড়াও তিনি ভ্রমণের সময় দামি গহনা বাড়িতে রেখে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। সেইসঙ্গে কাউকে সাহায্য করার ক্ষেত্রেও সতর্ক করেছেন।
টিয়া বলেন, অনেক ক্ষেত্রে পকেটমাররা আপনার কাছ থেকে সাহায্য চাইতে পারে কিংবা সাহায্যের অফার দিতে পারে। এটা আসলে একটি প্রতারণা।
ভ্রমণ মানুষের জীবনে এক অনন্য অভিজ্ঞতা। তবে আকর্ষণীয় শহরগুলো যতই মনোমুগ্ধকর হোক, আপনার নিরাপত্তা সবার আগে। তাই ভ্রমণের সময় সর্বোচ্চ সতর্ক থাকা জরুরি।
সূত্র: এক্সপ্লোর

বিশ্বের সবচেয়ে বেশি পকেটমারি হয় যে ২০ শহরে
সিজেডএন ডেস্ক

আপনি কোথাও ঘুরতে গেলেন, পছন্দ করে কিছু কিনে মূল্য পরিশোধ করতে গিয়ে পকেটে বা ভ্যানিটি ব্যাগে হাত দিয়ে দেখলেন মানিব্যাগ নেই। পকেটমার হয়ে গেছে। তখন কেমন ফিল হবে? আর এটা যদি হয় আপনার পছন্দের শহর প্যারিস কিংবা নিউইয়র্কে! হয়তো কিছুটা অবাক হয়েছেন প্যারিস ও নিউইয়র্কের নাম বলায়। তবে আপনার জন্য আরও অবাক করা তথ্য আছে। বিশ্বের সবচেয়ে বেশি পকেটমারি হয় এই শহরগুলোতে।
বিশ্বের ৩৪টি ভিন্ন শহরের পর্যটক রিভিউ সংগ্রহ করে ‘কম্পেয়ার দ্য মার্কেট’ পকেটমার, প্রতারণা ও চুরির হার বেশি থাকা শহরগুলোর একটি তালিকা তৈরি করেছে। তালিকায় উঠে এসেছে সবচাইতে বেশি পকেটমারি হয় ভালোবাসার শহর হিসেবে পরিচিত ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে।
এই তালিকায় দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেছে যুক্তরাষ্ট্রের লাস ভেগাস। শহরটির ক্ষেত্রে পর্যটকরা ‘প্রতারণা’ শব্দটি বেশি ব্যবহার করেছেন। আর তালিকায় ১৪ নম্বরে থাকা পেরুর রাজধানী লিমায় সবচেয়ে বেশি ছিনতাই বা ডাকাতি হয়। এটা নিয়ে জনগণের উদ্বেগ ছিল সর্বোচ্চ।
চলুন দেখে নেওয়া যাক পকেটমারি ও প্রতারণার জন্য সবচেয়ে খারাপ শহরগুলো
- প্যারিস, ফ্রান্স
- লাস ভেগাস, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
- নিউ ইয়র্ক সিটি, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
- রোম, ইতালি
- লস অ্যাঞ্জেলেস, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
- লন্ডন, যুক্তরাজ্য
- এথেন্স, গ্রীস
- সোফিয়া, বুলগেরিয়া
- বার্সেলোনা, স্পেন
- আমস্টারডাম, নেদারল্যান্ডস
- লিমা, পেরু
- মিলান, ইতালি
- বুদাপেস্ট, হাঙ্গেরি
- ইস্তাম্বুল, তুরস্ক
- অরল্যান্ডো, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
- নাইরোবি, কেনিয়া
- দুবাই, সংযুক্ত আরব আমিরাত
- বার্লিন, জার্মানি
- হো চি মিং সিটি, ভিয়েতনাম
- কুয়ালালামপুর, মালয়েশিয়া
কম্পেয়ার দ্য মার্কেটের সাধারণ বীমা বিভাগের প্রধান নির্বাহী অ্যাড্রিয়ান টেলর বলেছেন, বিশ্বের বিভিন্ন শহরে পকেটমারি এখন বড় উদ্বেগের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। অনেক শহরে প্রতারণা আরও ব্যাপক আকার ধারণ করেছে। তিনি বুলগেরিয়ার সোফিয়ার কথা উল্লেখ করে বলেন, সেখানে ছিনতাইয়ের শিকার হওয়ার আশঙ্কা কম থাকলেও অনলাইন ‘প্রতারণার’ অভিযোগের কারণে তালিকায় উপরের দিকে উঠে এসেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহর এই তালিকায় তৃতীয় স্থানে। সেখানে বিপুল সংখ্যক মানুষ প্রতারণার অভিযোগ তুলেছেন। চতুর্থ স্থানে থাকা ইতালির রোমে চুরি বা জিনিসপত্র হারানোর হার বেশি।
তালিকায় ষষ্ঠ স্থানে রয়েছে লন্ডন। টেলরের ভাষ্য, লন্ডনে ছিনতাই বা ডাকাতির শিকার হওয়ার হার অনেক বেশি ছিলো। তবে অনলাইন আলোচনায় বিষয়টি তুলনামূলক কম এসেছে। এতে বোঝা যায়, পর্যটকেরা সম্ভাব্য অপরাধ সম্পর্কে সতর্ক থাকলেও সব ঘটনা অনলাইনে প্রকাশ করেন না।
পকেটমার এড়ানোর উপায়
অস্ট্রেলিয়ার কার্টিন বিজনেস স্কুলের সহযোগী অধ্যাপক এবং প্রতারণা ও বিপণন বিশেষজ্ঞ মিন টিয়া বলেন, পকেটমারদের এড়ানোর মূল উপায় হলো পেছনে কাউকে পাহারায় রাখা।
তিনি বলেন, ‘অনেক ক্ষেত্রে পকেটমাররা দলবদ্ধভাবে কাজ করে। তারা মনোযোগ অন্যদিকে সরিয়ে দেওয়ার কৌশল ব্যবহার করে। পর্যটকরা যখন দরদাম করে কিছু কিনেন তখন তাদের আশপাশে কী ঘটছে সেটা খেয়াল থাকে না। এই সুযোগে পকেট কাটে। এক্ষেত্রে পেছনে কেউ থাকলে সহজেই ধরে ফেলতে পারবে।’
এছাড়া যে এলাকায় ভ্রমণ করতে যাচ্ছেন, সেখানে কোন ধরনের প্রতারণা বেশি হয় সে সম্পর্কে জেনে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।
এছাড়াও তিনি ভ্রমণের সময় দামি গহনা বাড়িতে রেখে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। সেইসঙ্গে কাউকে সাহায্য করার ক্ষেত্রেও সতর্ক করেছেন।
টিয়া বলেন, অনেক ক্ষেত্রে পকেটমাররা আপনার কাছ থেকে সাহায্য চাইতে পারে কিংবা সাহায্যের অফার দিতে পারে। এটা আসলে একটি প্রতারণা।
ভ্রমণ মানুষের জীবনে এক অনন্য অভিজ্ঞতা। তবে আকর্ষণীয় শহরগুলো যতই মনোমুগ্ধকর হোক, আপনার নিরাপত্তা সবার আগে। তাই ভ্রমণের সময় সর্বোচ্চ সতর্ক থাকা জরুরি।
সূত্র: এক্সপ্লোর

সবচেয়ে দামি পর্যটন ভিসা ছোট্ট এক দেশের







