‘তুফান’ থেকে ‘প্রজাপতি’: এগিয়ে চলছেন দৃপ্ত

‘তুফান’ থেকে ‘প্রজাপতি’: এগিয়ে চলছেন দৃপ্ত
বিনোদন ডেস্ক

শাকিব খানের ‘তুফান’ সিনেমার গানে কণ্ঠ দিয়ে প্লেব্যাকের জগতে যাত্রা শুরু। এরপর ‘তাণ্ডব’, ‘ইনসাফ’, ‘দম’সহ একাধিক চলচ্চিত্রের গানে অংশগ্রহণ। সবশেষ সংগীতশিল্পী লুইপার ‘প্রজাপতি’ গানের সুর ও সংগীতায়োজনে নিজের সৃষ্টিশীলতার পরিচয় দিয়েছেন তরুণ সংগীতশিল্পী ও সংগীত পরিচালক সাম্যব্রত দৃপ্ত।
২০২৪ সালে মুক্তি পাওয়া শাকিব খান অভিনীত ‘তুফান’ চলচ্চিত্রের টিজার প্রকাশের পর দর্শকদের আলোচনায় উঠে আসে ‘প্রলয়ের তুফান’ গানটি। যার কোরাসে কণ্ঠ দেন সাম্যব্রত দৃপ্ত। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী থাকা অবস্থায় দেশের আলোচিত এই চলচ্চিত্রে কণ্ঠ দেওয়ার সুযোগ পান তিনি। পেশাদার সংগীতজগতে সেটিই ছিল তার প্রথম বড় পদক্ষেপ।
সেই শুরু। এরপর পেরিয়েছে দুই বছরের বেশি সময়। এর মধ্যে চলচ্চিত্রের প্লেব্যাক থেকে ক্রিকেটের থিম সংসহ বিভিন্ন আয়োজনে শোনা গেছে তার কণ্ঠ। পাশাপাশি সুরকার ও সংগীতায়োজক হিসেবেও এগিয়েছেন। প্রতিষ্ঠা করেছেন নিজের সংগীত স্টুডিও ‘দৃপ্ত সাউন্ডওয়ার্কস’। দুই বাংলার শিল্পীদের নিয়ে রবীন্দ্রসংগীতের অ্যালবাম তৈরির পাশাপাশি কাজ করছেন জনপ্রিয় সংগীতশিল্পীর সঙ্গে।
ছোটবেলায় শাস্ত্রীয় সংগীত ও রবীন্দ্রসংগীতের মাধ্যমে তার সংগীতশিক্ষার শুরু। উচ্চমাধ্যমিকে পড়ার সময় থেকেই মৌলিক গানের সুর তৈরি শুরু করেন। শুধু গান গাওয়ায় সীমাবদ্ধ না থেকে নিজের সৃষ্টিকে পূর্ণাঙ্গ সংগীতের রূপ দেওয়ার ইচ্ছা থেকে শিখতে থাকেন মিউজিক অ্যারেঞ্জমেন্ট ও মিক্সিং। ইউটিউব টিউটোরিয়াল দেখে নিজ উদ্যোগে মিউজিক প্রোডাকশনের কারিগরি বিষয়গুলো শেখার চেষ্টা করেন। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করতেন নিজের গাওয়া কভার গান। সেই চর্চাই একসময় তাকে পরিচয় করিয়ে দেয় সংগীত পরিচালক নাভেদ পারভেজের সঙ্গে। নাভেদ পারভেজের মাধ্যমেই আসে ‘তুফান’-এ কাজের সুযোগ। চলচ্চিত্রটির টাইটেল গানে কণ্ঠ দেন দৃপ্ত।

পরবর্তীতে শাকিব খান অভিনীত ‘তাণ্ডব’ চলচ্চিত্রের ‘হবে তাণ্ডব’ গানে কণ্ঠশিল্পী হিসেবে অংশ নেন তিনি। শরীফুল রাজ অভিনীত ‘ইনসাফ’ চলচ্চিত্রের টাইটেল ট্র্যাকেও শোনা যায় তার কণ্ঠ। দুটি গানেরই সংগীত পরিচালনায় ছিলেন নাভেদ পারভেজ।
আফরান নিশো অভিনীত ‘দম’ চলচ্চিত্রেও রয়েছে তার কণ্ঠ। কাজী নজরুল ইসলামের কালজয়ী ‘দুর্গম গিরি কান্তার মরু’ গানটি নতুন সংগীতায়োজনে ব্যবহৃত হয়েছে চলচ্চিত্রটিতে। নাভেদ পারভেজের সংগীতায়োজনে সেই গানেও কণ্ঠ দেন দৃপ্ত। ভিন্নধর্মী এই কাজও তার প্লেব্যাকের অভিজ্ঞতাকে সমৃদ্ধ করেছে।
চলচ্চিত্রের পাশাপাশি সাম্যব্রতর কণ্ঠ পৌঁছেছে ক্রিকেটের মাঠেও। বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের দল রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের থিম সং ‘জিতে লি বে’ তার সংগীতজীবনের উল্লেখযোগ্য কাজগুলোর একটি।
নাটকের গানেও কণ্ঠ দিয়েছেন তিনি। সম্প্রতি ফারহান আহমেদ জোভান ও সাদনিমা বিনতে নোমান অভিনীত ‘ভুল নামের ফুল’ নাটকে শোনা গেছে তার গান।
শৈশবে রবীন্দ্রসংগীতের হাত ধরে সংগীতশিক্ষার শুরু হয়েছিল যার, পরবর্তী সময়ে সেই রবীন্দ্রসংগীত নিয়েই একটি অ্যালবামের সংগীতায়োজন করেছেন তিনি। এতে কণ্ঠ দিয়েছেন ভারতের মেখলা দাশগুপ্ত এবং বাংলাদেশের অয়ন চাকলাদার, মাহতিম শাকিবসহ আরও জনপ্রিয় শিল্পীরা।
সবসময়ই দৃপ্ত’র সৃষ্টিশীল আগ্রহের বড় একটি জায়গা ছিল সুর ও সংগীতায়োজন। সেই পরিচয়টি এবার নতুনভাবে সামনে এসেছে ‘প্রজাপতি’ গানের মাধ্যমে। সম্প্রতি প্রকাশিত গানটিতে কণ্ঠ দিয়েছেন সংগীতশিল্পী লুইপা। আর গানটির সুর ও সংগীতায়োজন করেছেন সাম্যব্রত দৃপ্ত।
একসময় তার স্বপ্ন ছিল কেবল প্লেব্যাক শিল্পী হওয়ার, সময়ের সঙ্গে সেই ভাবনায় পরিবর্তন এসেছে। এখন গান গাওয়ার পাশাপাশি সুর ও সংগীতের মধ্য দিয়েও নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে চান সাম্যব্রত দৃপ্ত। তার কথায়, ‘গানটা আমার কাছে একটা ভাষার মতো। আমি শুধু এই ভাষায় কথা বলে যেতে চাই।’

শাকিব খানের ‘তুফান’ সিনেমার গানে কণ্ঠ দিয়ে প্লেব্যাকের জগতে যাত্রা শুরু। এরপর ‘তাণ্ডব’, ‘ইনসাফ’, ‘দম’সহ একাধিক চলচ্চিত্রের গানে অংশগ্রহণ। সবশেষ সংগীতশিল্পী লুইপার ‘প্রজাপতি’ গানের সুর ও সংগীতায়োজনে নিজের সৃষ্টিশীলতার পরিচয় দিয়েছেন তরুণ সংগীতশিল্পী ও সংগীত পরিচালক সাম্যব্রত দৃপ্ত।
২০২৪ সালে মুক্তি পাওয়া শাকিব খান অভিনীত ‘তুফান’ চলচ্চিত্রের টিজার প্রকাশের পর দর্শকদের আলোচনায় উঠে আসে ‘প্রলয়ের তুফান’ গানটি। যার কোরাসে কণ্ঠ দেন সাম্যব্রত দৃপ্ত। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী থাকা অবস্থায় দেশের আলোচিত এই চলচ্চিত্রে কণ্ঠ দেওয়ার সুযোগ পান তিনি। পেশাদার সংগীতজগতে সেটিই ছিল তার প্রথম বড় পদক্ষেপ।
সেই শুরু। এরপর পেরিয়েছে দুই বছরের বেশি সময়। এর মধ্যে চলচ্চিত্রের প্লেব্যাক থেকে ক্রিকেটের থিম সংসহ বিভিন্ন আয়োজনে শোনা গেছে তার কণ্ঠ। পাশাপাশি সুরকার ও সংগীতায়োজক হিসেবেও এগিয়েছেন। প্রতিষ্ঠা করেছেন নিজের সংগীত স্টুডিও ‘দৃপ্ত সাউন্ডওয়ার্কস’। দুই বাংলার শিল্পীদের নিয়ে রবীন্দ্রসংগীতের অ্যালবাম তৈরির পাশাপাশি কাজ করছেন জনপ্রিয় সংগীতশিল্পীর সঙ্গে।
ছোটবেলায় শাস্ত্রীয় সংগীত ও রবীন্দ্রসংগীতের মাধ্যমে তার সংগীতশিক্ষার শুরু। উচ্চমাধ্যমিকে পড়ার সময় থেকেই মৌলিক গানের সুর তৈরি শুরু করেন। শুধু গান গাওয়ায় সীমাবদ্ধ না থেকে নিজের সৃষ্টিকে পূর্ণাঙ্গ সংগীতের রূপ দেওয়ার ইচ্ছা থেকে শিখতে থাকেন মিউজিক অ্যারেঞ্জমেন্ট ও মিক্সিং। ইউটিউব টিউটোরিয়াল দেখে নিজ উদ্যোগে মিউজিক প্রোডাকশনের কারিগরি বিষয়গুলো শেখার চেষ্টা করেন। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করতেন নিজের গাওয়া কভার গান। সেই চর্চাই একসময় তাকে পরিচয় করিয়ে দেয় সংগীত পরিচালক নাভেদ পারভেজের সঙ্গে। নাভেদ পারভেজের মাধ্যমেই আসে ‘তুফান’-এ কাজের সুযোগ। চলচ্চিত্রটির টাইটেল গানে কণ্ঠ দেন দৃপ্ত।

পরবর্তীতে শাকিব খান অভিনীত ‘তাণ্ডব’ চলচ্চিত্রের ‘হবে তাণ্ডব’ গানে কণ্ঠশিল্পী হিসেবে অংশ নেন তিনি। শরীফুল রাজ অভিনীত ‘ইনসাফ’ চলচ্চিত্রের টাইটেল ট্র্যাকেও শোনা যায় তার কণ্ঠ। দুটি গানেরই সংগীত পরিচালনায় ছিলেন নাভেদ পারভেজ।
আফরান নিশো অভিনীত ‘দম’ চলচ্চিত্রেও রয়েছে তার কণ্ঠ। কাজী নজরুল ইসলামের কালজয়ী ‘দুর্গম গিরি কান্তার মরু’ গানটি নতুন সংগীতায়োজনে ব্যবহৃত হয়েছে চলচ্চিত্রটিতে। নাভেদ পারভেজের সংগীতায়োজনে সেই গানেও কণ্ঠ দেন দৃপ্ত। ভিন্নধর্মী এই কাজও তার প্লেব্যাকের অভিজ্ঞতাকে সমৃদ্ধ করেছে।
চলচ্চিত্রের পাশাপাশি সাম্যব্রতর কণ্ঠ পৌঁছেছে ক্রিকেটের মাঠেও। বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের দল রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের থিম সং ‘জিতে লি বে’ তার সংগীতজীবনের উল্লেখযোগ্য কাজগুলোর একটি।
নাটকের গানেও কণ্ঠ দিয়েছেন তিনি। সম্প্রতি ফারহান আহমেদ জোভান ও সাদনিমা বিনতে নোমান অভিনীত ‘ভুল নামের ফুল’ নাটকে শোনা গেছে তার গান।
শৈশবে রবীন্দ্রসংগীতের হাত ধরে সংগীতশিক্ষার শুরু হয়েছিল যার, পরবর্তী সময়ে সেই রবীন্দ্রসংগীত নিয়েই একটি অ্যালবামের সংগীতায়োজন করেছেন তিনি। এতে কণ্ঠ দিয়েছেন ভারতের মেখলা দাশগুপ্ত এবং বাংলাদেশের অয়ন চাকলাদার, মাহতিম শাকিবসহ আরও জনপ্রিয় শিল্পীরা।
সবসময়ই দৃপ্ত’র সৃষ্টিশীল আগ্রহের বড় একটি জায়গা ছিল সুর ও সংগীতায়োজন। সেই পরিচয়টি এবার নতুনভাবে সামনে এসেছে ‘প্রজাপতি’ গানের মাধ্যমে। সম্প্রতি প্রকাশিত গানটিতে কণ্ঠ দিয়েছেন সংগীতশিল্পী লুইপা। আর গানটির সুর ও সংগীতায়োজন করেছেন সাম্যব্রত দৃপ্ত।
একসময় তার স্বপ্ন ছিল কেবল প্লেব্যাক শিল্পী হওয়ার, সময়ের সঙ্গে সেই ভাবনায় পরিবর্তন এসেছে। এখন গান গাওয়ার পাশাপাশি সুর ও সংগীতের মধ্য দিয়েও নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে চান সাম্যব্রত দৃপ্ত। তার কথায়, ‘গানটা আমার কাছে একটা ভাষার মতো। আমি শুধু এই ভাষায় কথা বলে যেতে চাই।’

‘তুফান’ থেকে ‘প্রজাপতি’: এগিয়ে চলছেন দৃপ্ত
বিনোদন ডেস্ক

শাকিব খানের ‘তুফান’ সিনেমার গানে কণ্ঠ দিয়ে প্লেব্যাকের জগতে যাত্রা শুরু। এরপর ‘তাণ্ডব’, ‘ইনসাফ’, ‘দম’সহ একাধিক চলচ্চিত্রের গানে অংশগ্রহণ। সবশেষ সংগীতশিল্পী লুইপার ‘প্রজাপতি’ গানের সুর ও সংগীতায়োজনে নিজের সৃষ্টিশীলতার পরিচয় দিয়েছেন তরুণ সংগীতশিল্পী ও সংগীত পরিচালক সাম্যব্রত দৃপ্ত।
২০২৪ সালে মুক্তি পাওয়া শাকিব খান অভিনীত ‘তুফান’ চলচ্চিত্রের টিজার প্রকাশের পর দর্শকদের আলোচনায় উঠে আসে ‘প্রলয়ের তুফান’ গানটি। যার কোরাসে কণ্ঠ দেন সাম্যব্রত দৃপ্ত। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী থাকা অবস্থায় দেশের আলোচিত এই চলচ্চিত্রে কণ্ঠ দেওয়ার সুযোগ পান তিনি। পেশাদার সংগীতজগতে সেটিই ছিল তার প্রথম বড় পদক্ষেপ।
সেই শুরু। এরপর পেরিয়েছে দুই বছরের বেশি সময়। এর মধ্যে চলচ্চিত্রের প্লেব্যাক থেকে ক্রিকেটের থিম সংসহ বিভিন্ন আয়োজনে শোনা গেছে তার কণ্ঠ। পাশাপাশি সুরকার ও সংগীতায়োজক হিসেবেও এগিয়েছেন। প্রতিষ্ঠা করেছেন নিজের সংগীত স্টুডিও ‘দৃপ্ত সাউন্ডওয়ার্কস’। দুই বাংলার শিল্পীদের নিয়ে রবীন্দ্রসংগীতের অ্যালবাম তৈরির পাশাপাশি কাজ করছেন জনপ্রিয় সংগীতশিল্পীর সঙ্গে।
ছোটবেলায় শাস্ত্রীয় সংগীত ও রবীন্দ্রসংগীতের মাধ্যমে তার সংগীতশিক্ষার শুরু। উচ্চমাধ্যমিকে পড়ার সময় থেকেই মৌলিক গানের সুর তৈরি শুরু করেন। শুধু গান গাওয়ায় সীমাবদ্ধ না থেকে নিজের সৃষ্টিকে পূর্ণাঙ্গ সংগীতের রূপ দেওয়ার ইচ্ছা থেকে শিখতে থাকেন মিউজিক অ্যারেঞ্জমেন্ট ও মিক্সিং। ইউটিউব টিউটোরিয়াল দেখে নিজ উদ্যোগে মিউজিক প্রোডাকশনের কারিগরি বিষয়গুলো শেখার চেষ্টা করেন। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করতেন নিজের গাওয়া কভার গান। সেই চর্চাই একসময় তাকে পরিচয় করিয়ে দেয় সংগীত পরিচালক নাভেদ পারভেজের সঙ্গে। নাভেদ পারভেজের মাধ্যমেই আসে ‘তুফান’-এ কাজের সুযোগ। চলচ্চিত্রটির টাইটেল গানে কণ্ঠ দেন দৃপ্ত।

পরবর্তীতে শাকিব খান অভিনীত ‘তাণ্ডব’ চলচ্চিত্রের ‘হবে তাণ্ডব’ গানে কণ্ঠশিল্পী হিসেবে অংশ নেন তিনি। শরীফুল রাজ অভিনীত ‘ইনসাফ’ চলচ্চিত্রের টাইটেল ট্র্যাকেও শোনা যায় তার কণ্ঠ। দুটি গানেরই সংগীত পরিচালনায় ছিলেন নাভেদ পারভেজ।
আফরান নিশো অভিনীত ‘দম’ চলচ্চিত্রেও রয়েছে তার কণ্ঠ। কাজী নজরুল ইসলামের কালজয়ী ‘দুর্গম গিরি কান্তার মরু’ গানটি নতুন সংগীতায়োজনে ব্যবহৃত হয়েছে চলচ্চিত্রটিতে। নাভেদ পারভেজের সংগীতায়োজনে সেই গানেও কণ্ঠ দেন দৃপ্ত। ভিন্নধর্মী এই কাজও তার প্লেব্যাকের অভিজ্ঞতাকে সমৃদ্ধ করেছে।
চলচ্চিত্রের পাশাপাশি সাম্যব্রতর কণ্ঠ পৌঁছেছে ক্রিকেটের মাঠেও। বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের দল রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের থিম সং ‘জিতে লি বে’ তার সংগীতজীবনের উল্লেখযোগ্য কাজগুলোর একটি।
নাটকের গানেও কণ্ঠ দিয়েছেন তিনি। সম্প্রতি ফারহান আহমেদ জোভান ও সাদনিমা বিনতে নোমান অভিনীত ‘ভুল নামের ফুল’ নাটকে শোনা গেছে তার গান।
শৈশবে রবীন্দ্রসংগীতের হাত ধরে সংগীতশিক্ষার শুরু হয়েছিল যার, পরবর্তী সময়ে সেই রবীন্দ্রসংগীত নিয়েই একটি অ্যালবামের সংগীতায়োজন করেছেন তিনি। এতে কণ্ঠ দিয়েছেন ভারতের মেখলা দাশগুপ্ত এবং বাংলাদেশের অয়ন চাকলাদার, মাহতিম শাকিবসহ আরও জনপ্রিয় শিল্পীরা।
সবসময়ই দৃপ্ত’র সৃষ্টিশীল আগ্রহের বড় একটি জায়গা ছিল সুর ও সংগীতায়োজন। সেই পরিচয়টি এবার নতুনভাবে সামনে এসেছে ‘প্রজাপতি’ গানের মাধ্যমে। সম্প্রতি প্রকাশিত গানটিতে কণ্ঠ দিয়েছেন সংগীতশিল্পী লুইপা। আর গানটির সুর ও সংগীতায়োজন করেছেন সাম্যব্রত দৃপ্ত।
একসময় তার স্বপ্ন ছিল কেবল প্লেব্যাক শিল্পী হওয়ার, সময়ের সঙ্গে সেই ভাবনায় পরিবর্তন এসেছে। এখন গান গাওয়ার পাশাপাশি সুর ও সংগীতের মধ্য দিয়েও নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে চান সাম্যব্রত দৃপ্ত। তার কথায়, ‘গানটা আমার কাছে একটা ভাষার মতো। আমি শুধু এই ভাষায় কথা বলে যেতে চাই।’









