প্রথম শ্রেণিতে লটারি, দ্বিতীয় থেকে নবমে ভর্তি পরীক্ষা

প্রথম শ্রেণিতে লটারি, দ্বিতীয় থেকে নবমে ভর্তি পরীক্ষা
শেখ শাহরিয়ার হোসেন

একই বিদ্যালয়ে ভর্তির স্বপ্ন নিয়ে আবেদন করবে অনেক শিক্ষার্থী। কেউ অপেক্ষায় থাকবে লটারির ফলের, কেউ প্রস্তুতি নেবে লিখিত পরীক্ষার। ভর্তির এই দুই পদ্ধতিকে সামনে রেখে সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী ভর্তির নতুন নীতিমালা প্রকাশ করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এতে প্রথম শ্রেণিতে ডিজিটাল লটারির মাধ্যমে শিক্ষার্থী নির্বাচনের বিধান রাখা হয়েছে। দ্বিতীয় থেকে নবম শ্রেণিতে শূন্য আসনের বিপরীতে লিখিত পরীক্ষার মাধ্যমে মেধাক্রম অনুযায়ী ভর্তির সুযোগ পাবে শিক্ষার্থীরা।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একাধিক কর্মকর্তা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ এ-সংক্রান্ত একটি নীতিমালাও প্রকাশ করেছে। নীতিমালায় ভর্তির পদ্ধতি, পরীক্ষার নম্বর ও সময়, আবেদন ফি এবং অপেক্ষমাণ তালিকা থেকে শিক্ষার্থী ভর্তির নিয়ম নির্ধারণ করা হয়েছে।
যেভাবে ভর্তি হতে হবে শিক্ষার্থীদের
নীতিমালা অনুযায়ী, প্রথম শ্রেণিতে ভর্তির ক্ষেত্রে ডিজিটাল লটারি বাধ্যতামূলক। একজন আবেদনকারী সর্বোচ্চ পাঁচটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পছন্দক্রমে রাখতে পারবে। কোনো বিদ্যালয়ে দুই শিফট চালু থাকলে উভয় শিফট পছন্দক্রমে রাখাকে দুটি বিদ্যালয়ে পছন্দ দেওয়ার সমতুল্য হিসেবে বিবেচনা করা হবে। একই প্রতিষ্ঠানে একাধিক আবেদন করলে সংশ্লিষ্ট সব আবেদন বাতিল করা হবে।
প্রথম শ্রেণির ভর্তি আবেদন থেকে শুরু করে লটারিসংক্রান্ত সব কার্যক্রম কেন্দ্রীয়ভাবে পরিচালনা করবে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। ভর্তি কমিটির সদস্যদের উপস্থিতিতে লটারি আয়োজন করতে হবে। পাশাপাশি পুরো প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
লটারিতে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের তালিকার পাশাপাশি শূন্য আসনের সমানসংখ্যক অপেক্ষমাণ তালিকাও তৈরি করতে হবে। নির্ধারিত সময়ে নির্বাচিত কেউ ভর্তি না হলে অপেক্ষমাণ তালিকা থেকে পর্যায়ক্রমে শিক্ষার্থী ভর্তির সুযোগ দেওয়া হবে।
অন্যদিকে, দ্বিতীয় থেকে নবম শ্রেণিতে ভর্তির ক্ষেত্রে লিখিত পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থী নির্বাচন করা হবে। সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের শূন্য আসনের বিপরীতে পরীক্ষার ফল অনুযায়ী মেধাক্রম নির্ধারণ করে শিক্ষার্থী ভর্তি করতে হবে। এসব শ্রেণিতেও নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের তালিকার পাশাপাশি শূন্য আসনের সমানসংখ্যক অপেক্ষমাণ তালিকা রাখতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কেউ ভর্তি না হলে সেই তালিকা থেকে পরবর্তী শিক্ষার্থীদের ভর্তির সুযোগ দেওয়া হবে।
যেভাবে প্রকাশ হবে ভর্তি বিজ্ঞপ্তি
ভর্তি কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বা প্রতিষ্ঠানপ্রধান শূন্য আসনের সংখ্যা উল্লেখ করে ভর্তি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করবেন। এ ছাড়া জাতীয় ও স্থানীয় পত্রিকা এবং ওয়েবসাইটে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের মাধ্যমে ভর্তি কার্যক্রম সম্পর্কে ব্যাপক প্রচারের ব্যবস্থা নেবে ভর্তি কমিটি।
শ্রেণিভেদে পরীক্ষার নম্বর ও সময়
নীতিমালায় দ্বিতীয় থেকে পঞ্চম শ্রেণিতে ভর্তির জন্য ৫০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষার বিধান রাখা হয়েছে। এক ঘণ্টার এই পরীক্ষায় বাংলায় ১৫, ইংরেজিতে ১৫ এবং গণিতে ২০ নম্বর থাকবে।
ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণির ভর্তি পরীক্ষা হবে ১০০ নম্বরের। দুই ঘণ্টার পরীক্ষায় বাংলায় ৩০, ইংরেজিতে ৩০ এবং গণিতে ৪০ নম্বর নির্ধারণ করা হয়েছে।
আবেদন ফি ও ভর্তি ব্যয়
নীতিমালা অনুযায়ী, অনলাইনে প্রথম শ্রেণিতে ভর্তির আবেদন ফি সর্বোচ্চ ১১০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। দ্বিতীয় থেকে নবম শ্রেণির ক্ষেত্রে এ ফি সর্বোচ্চ ২৫০ টাকা। অন্যদিকে, সেশন চার্জসহ ভর্তি ফি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী নির্ধারণ করতে হবে।

একই বিদ্যালয়ে ভর্তির স্বপ্ন নিয়ে আবেদন করবে অনেক শিক্ষার্থী। কেউ অপেক্ষায় থাকবে লটারির ফলের, কেউ প্রস্তুতি নেবে লিখিত পরীক্ষার। ভর্তির এই দুই পদ্ধতিকে সামনে রেখে সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী ভর্তির নতুন নীতিমালা প্রকাশ করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এতে প্রথম শ্রেণিতে ডিজিটাল লটারির মাধ্যমে শিক্ষার্থী নির্বাচনের বিধান রাখা হয়েছে। দ্বিতীয় থেকে নবম শ্রেণিতে শূন্য আসনের বিপরীতে লিখিত পরীক্ষার মাধ্যমে মেধাক্রম অনুযায়ী ভর্তির সুযোগ পাবে শিক্ষার্থীরা।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একাধিক কর্মকর্তা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ এ-সংক্রান্ত একটি নীতিমালাও প্রকাশ করেছে। নীতিমালায় ভর্তির পদ্ধতি, পরীক্ষার নম্বর ও সময়, আবেদন ফি এবং অপেক্ষমাণ তালিকা থেকে শিক্ষার্থী ভর্তির নিয়ম নির্ধারণ করা হয়েছে।
যেভাবে ভর্তি হতে হবে শিক্ষার্থীদের
নীতিমালা অনুযায়ী, প্রথম শ্রেণিতে ভর্তির ক্ষেত্রে ডিজিটাল লটারি বাধ্যতামূলক। একজন আবেদনকারী সর্বোচ্চ পাঁচটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পছন্দক্রমে রাখতে পারবে। কোনো বিদ্যালয়ে দুই শিফট চালু থাকলে উভয় শিফট পছন্দক্রমে রাখাকে দুটি বিদ্যালয়ে পছন্দ দেওয়ার সমতুল্য হিসেবে বিবেচনা করা হবে। একই প্রতিষ্ঠানে একাধিক আবেদন করলে সংশ্লিষ্ট সব আবেদন বাতিল করা হবে।
প্রথম শ্রেণির ভর্তি আবেদন থেকে শুরু করে লটারিসংক্রান্ত সব কার্যক্রম কেন্দ্রীয়ভাবে পরিচালনা করবে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। ভর্তি কমিটির সদস্যদের উপস্থিতিতে লটারি আয়োজন করতে হবে। পাশাপাশি পুরো প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
লটারিতে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের তালিকার পাশাপাশি শূন্য আসনের সমানসংখ্যক অপেক্ষমাণ তালিকাও তৈরি করতে হবে। নির্ধারিত সময়ে নির্বাচিত কেউ ভর্তি না হলে অপেক্ষমাণ তালিকা থেকে পর্যায়ক্রমে শিক্ষার্থী ভর্তির সুযোগ দেওয়া হবে।
অন্যদিকে, দ্বিতীয় থেকে নবম শ্রেণিতে ভর্তির ক্ষেত্রে লিখিত পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থী নির্বাচন করা হবে। সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের শূন্য আসনের বিপরীতে পরীক্ষার ফল অনুযায়ী মেধাক্রম নির্ধারণ করে শিক্ষার্থী ভর্তি করতে হবে। এসব শ্রেণিতেও নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের তালিকার পাশাপাশি শূন্য আসনের সমানসংখ্যক অপেক্ষমাণ তালিকা রাখতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কেউ ভর্তি না হলে সেই তালিকা থেকে পরবর্তী শিক্ষার্থীদের ভর্তির সুযোগ দেওয়া হবে।
যেভাবে প্রকাশ হবে ভর্তি বিজ্ঞপ্তি
ভর্তি কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বা প্রতিষ্ঠানপ্রধান শূন্য আসনের সংখ্যা উল্লেখ করে ভর্তি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করবেন। এ ছাড়া জাতীয় ও স্থানীয় পত্রিকা এবং ওয়েবসাইটে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের মাধ্যমে ভর্তি কার্যক্রম সম্পর্কে ব্যাপক প্রচারের ব্যবস্থা নেবে ভর্তি কমিটি।
শ্রেণিভেদে পরীক্ষার নম্বর ও সময়
নীতিমালায় দ্বিতীয় থেকে পঞ্চম শ্রেণিতে ভর্তির জন্য ৫০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষার বিধান রাখা হয়েছে। এক ঘণ্টার এই পরীক্ষায় বাংলায় ১৫, ইংরেজিতে ১৫ এবং গণিতে ২০ নম্বর থাকবে।
ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণির ভর্তি পরীক্ষা হবে ১০০ নম্বরের। দুই ঘণ্টার পরীক্ষায় বাংলায় ৩০, ইংরেজিতে ৩০ এবং গণিতে ৪০ নম্বর নির্ধারণ করা হয়েছে।
আবেদন ফি ও ভর্তি ব্যয়
নীতিমালা অনুযায়ী, অনলাইনে প্রথম শ্রেণিতে ভর্তির আবেদন ফি সর্বোচ্চ ১১০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। দ্বিতীয় থেকে নবম শ্রেণির ক্ষেত্রে এ ফি সর্বোচ্চ ২৫০ টাকা। অন্যদিকে, সেশন চার্জসহ ভর্তি ফি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী নির্ধারণ করতে হবে।

প্রথম শ্রেণিতে লটারি, দ্বিতীয় থেকে নবমে ভর্তি পরীক্ষা
শেখ শাহরিয়ার হোসেন

একই বিদ্যালয়ে ভর্তির স্বপ্ন নিয়ে আবেদন করবে অনেক শিক্ষার্থী। কেউ অপেক্ষায় থাকবে লটারির ফলের, কেউ প্রস্তুতি নেবে লিখিত পরীক্ষার। ভর্তির এই দুই পদ্ধতিকে সামনে রেখে সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী ভর্তির নতুন নীতিমালা প্রকাশ করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এতে প্রথম শ্রেণিতে ডিজিটাল লটারির মাধ্যমে শিক্ষার্থী নির্বাচনের বিধান রাখা হয়েছে। দ্বিতীয় থেকে নবম শ্রেণিতে শূন্য আসনের বিপরীতে লিখিত পরীক্ষার মাধ্যমে মেধাক্রম অনুযায়ী ভর্তির সুযোগ পাবে শিক্ষার্থীরা।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একাধিক কর্মকর্তা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ এ-সংক্রান্ত একটি নীতিমালাও প্রকাশ করেছে। নীতিমালায় ভর্তির পদ্ধতি, পরীক্ষার নম্বর ও সময়, আবেদন ফি এবং অপেক্ষমাণ তালিকা থেকে শিক্ষার্থী ভর্তির নিয়ম নির্ধারণ করা হয়েছে।
যেভাবে ভর্তি হতে হবে শিক্ষার্থীদের
নীতিমালা অনুযায়ী, প্রথম শ্রেণিতে ভর্তির ক্ষেত্রে ডিজিটাল লটারি বাধ্যতামূলক। একজন আবেদনকারী সর্বোচ্চ পাঁচটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পছন্দক্রমে রাখতে পারবে। কোনো বিদ্যালয়ে দুই শিফট চালু থাকলে উভয় শিফট পছন্দক্রমে রাখাকে দুটি বিদ্যালয়ে পছন্দ দেওয়ার সমতুল্য হিসেবে বিবেচনা করা হবে। একই প্রতিষ্ঠানে একাধিক আবেদন করলে সংশ্লিষ্ট সব আবেদন বাতিল করা হবে।
প্রথম শ্রেণির ভর্তি আবেদন থেকে শুরু করে লটারিসংক্রান্ত সব কার্যক্রম কেন্দ্রীয়ভাবে পরিচালনা করবে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। ভর্তি কমিটির সদস্যদের উপস্থিতিতে লটারি আয়োজন করতে হবে। পাশাপাশি পুরো প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
লটারিতে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের তালিকার পাশাপাশি শূন্য আসনের সমানসংখ্যক অপেক্ষমাণ তালিকাও তৈরি করতে হবে। নির্ধারিত সময়ে নির্বাচিত কেউ ভর্তি না হলে অপেক্ষমাণ তালিকা থেকে পর্যায়ক্রমে শিক্ষার্থী ভর্তির সুযোগ দেওয়া হবে।
অন্যদিকে, দ্বিতীয় থেকে নবম শ্রেণিতে ভর্তির ক্ষেত্রে লিখিত পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থী নির্বাচন করা হবে। সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের শূন্য আসনের বিপরীতে পরীক্ষার ফল অনুযায়ী মেধাক্রম নির্ধারণ করে শিক্ষার্থী ভর্তি করতে হবে। এসব শ্রেণিতেও নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের তালিকার পাশাপাশি শূন্য আসনের সমানসংখ্যক অপেক্ষমাণ তালিকা রাখতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কেউ ভর্তি না হলে সেই তালিকা থেকে পরবর্তী শিক্ষার্থীদের ভর্তির সুযোগ দেওয়া হবে।
যেভাবে প্রকাশ হবে ভর্তি বিজ্ঞপ্তি
ভর্তি কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বা প্রতিষ্ঠানপ্রধান শূন্য আসনের সংখ্যা উল্লেখ করে ভর্তি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করবেন। এ ছাড়া জাতীয় ও স্থানীয় পত্রিকা এবং ওয়েবসাইটে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের মাধ্যমে ভর্তি কার্যক্রম সম্পর্কে ব্যাপক প্রচারের ব্যবস্থা নেবে ভর্তি কমিটি।
শ্রেণিভেদে পরীক্ষার নম্বর ও সময়
নীতিমালায় দ্বিতীয় থেকে পঞ্চম শ্রেণিতে ভর্তির জন্য ৫০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষার বিধান রাখা হয়েছে। এক ঘণ্টার এই পরীক্ষায় বাংলায় ১৫, ইংরেজিতে ১৫ এবং গণিতে ২০ নম্বর থাকবে।
ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণির ভর্তি পরীক্ষা হবে ১০০ নম্বরের। দুই ঘণ্টার পরীক্ষায় বাংলায় ৩০, ইংরেজিতে ৩০ এবং গণিতে ৪০ নম্বর নির্ধারণ করা হয়েছে।
আবেদন ফি ও ভর্তি ব্যয়
নীতিমালা অনুযায়ী, অনলাইনে প্রথম শ্রেণিতে ভর্তির আবেদন ফি সর্বোচ্চ ১১০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। দ্বিতীয় থেকে নবম শ্রেণির ক্ষেত্রে এ ফি সর্বোচ্চ ২৫০ টাকা। অন্যদিকে, সেশন চার্জসহ ভর্তি ফি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী নির্ধারণ করতে হবে।








