নীতি সুদহার অপরিবর্তিত রেখে ত্রৈমাসিক মুদ্রানীতি ঘোষণা

নীতি সুদহার অপরিবর্তিত রেখে ত্রৈমাসিক মুদ্রানীতি ঘোষণা
সিজেডএন ডেস্ক

নীতি সুদহার অপরিবর্তিত রেখে প্রথমবারের মতো ত্রৈমাসিক ভিত্তিক মুদ্রানীতি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি ও পে-স্কেলের কারণে মূল্যস্ফীতির ঝুঁকি তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা রয়েছে। এমন বাস্তবতায় ও অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে নীতি সুদহার ৯ দশমিক ৫০ শতাংশ অপরিবর্তিত রেখে এ মুদ্রানীতি ঘোষণা করলো কেন্দ্রীয় ব্যাংক। তবে ব্যবসা-বাণিজ্য সচল করা এবং বন্ধ কারখানা পুনরুজ্জীবিত করতে ৬০ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের সভাকক্ষে ডেপুটি গভর্নর ড. হাবিবুর রহমান মুদ্রানীতি ঘোষণা করেন। এ সময় ডেপুটি গভর্নর সারোয়ার হোসেন ও আনিছুর রহমানসহ বিভিন্ন কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।
ড. হাবিবুর রহমান বলেন, নীতি সুদহার অপরিবর্তিত রাখার পাশাপাশি ‘স্ট্যান্ডিং লেন্ডিং ফ্যাসিলিটি (এসএলএফ)’ হার ১১ শতাংশ এবং ‘স্ট্যান্ডিং ডিপোজিট ফ্যাসিলিটি (এসডিএফ)’ হার ৭ দশমিক ৫০ শতাংশে বহাল রাখা হয়েছে। মূল্যস্ফীতির ঝুঁকি থেকে যাওয়ায় এই সতর্ক অবস্থান বজায় রাখা হয়েছে বলে জানান তিনি।
ডেপুটি গভর্নর বলেন, সামগ্রিক মূল্যস্ফীতি গত জুনের ৯ দশমিক ১৬ শতাংশ থেকে কমে আগস্টে ৮ দশমিক ২৬ শতাংশে নেমেছে। তবে খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি এখনও ৯ দশমিক ৩২ শতাংশের ওপরে রয়েছে। বিশ্ববাজারে জ্বালানি ও সারের মূল্যবৃদ্ধি এবং হরমুজ প্রণালির সংকটের কারণে মূল্যস্ফীতি আরও বাড়ার ঝুঁকি রয়েছে।
তিনি বলেন, চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের ৪ দশমিক ৬ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হতে পারে বলে জানিয়েছে বিশ্বব্যাংক। আর আইএমএফ প্রাক্কলন সংশোধন করে ৩ দশমিক ৫ শতাংশ হতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে। এমতাবস্থায় মূল্যস্ফীতি হ্রাসের প্রক্রিয়াকে ব্যাহত না করে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে সহায়তা প্রদান করাই বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান চ্যালেঞ্জ। তাই বৈশ্বিক ও অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতির ওপর নিবিড় নজর রাখবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। পাশাপাশি তথ্য-উপাত্ত-ভিত্তিক কৌশল অনুসরণ করা হবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সামগ্রিক লক্ষ্য মূল্য স্থিতিশীলতা, বাহ্যিক খাতের ভারসাম্য এবং আর্থিক ব্যবস্থার দৃঢ়তা বজায় রেখে টেকসই অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারে সহায়তা করা।
তিনি আরও বলেন, দেশের ব্যাংকিং খাতের খেলাপি ঋণ ৩২ দশমিক ৭৮ শতাংশ। এর পাশাপাশি বেসরকারি খাতে ঋণের প্রবৃদ্ধিও বেশ দুর্বল- মাত্র ৪ দশমিক ৭৫ শতাংশ। এটা বিনিয়োগ খরা ও ব্যবসায়ীদের মন্দা ভাবকে স্পষ্ট করে। তবে প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্স প্রবাহ ১৮ দশমিক ৯০ শতাংশ বৃদ্ধি পাওয়ায় বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার বর্তমানে স্থিতিশীল রয়েছে।
ডেপুটি গভর্নর বলেন, বন্ধ হয়ে যাওয়া কারখানা পুনরায় চালুর জন্য ২০ হাজার কোটি টাকা এবং কৃষি, সিএমএসএমই ও রপ্তানি বহুমুখীকরণের জন্য আরও ৪০ কোটি টাকা প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করা হয়েছে। ৬০ হাজার কোটি টাকার এই বিশেষ প্যাকেজের অর্থ যথাযথভাবে বিতরণের জন্য শিগগিরই একটি বিস্তারিত কর্মসূচি দেওয়া হবে।

নীতি সুদহার অপরিবর্তিত রেখে প্রথমবারের মতো ত্রৈমাসিক ভিত্তিক মুদ্রানীতি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি ও পে-স্কেলের কারণে মূল্যস্ফীতির ঝুঁকি তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা রয়েছে। এমন বাস্তবতায় ও অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে নীতি সুদহার ৯ দশমিক ৫০ শতাংশ অপরিবর্তিত রেখে এ মুদ্রানীতি ঘোষণা করলো কেন্দ্রীয় ব্যাংক। তবে ব্যবসা-বাণিজ্য সচল করা এবং বন্ধ কারখানা পুনরুজ্জীবিত করতে ৬০ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের সভাকক্ষে ডেপুটি গভর্নর ড. হাবিবুর রহমান মুদ্রানীতি ঘোষণা করেন। এ সময় ডেপুটি গভর্নর সারোয়ার হোসেন ও আনিছুর রহমানসহ বিভিন্ন কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।
ড. হাবিবুর রহমান বলেন, নীতি সুদহার অপরিবর্তিত রাখার পাশাপাশি ‘স্ট্যান্ডিং লেন্ডিং ফ্যাসিলিটি (এসএলএফ)’ হার ১১ শতাংশ এবং ‘স্ট্যান্ডিং ডিপোজিট ফ্যাসিলিটি (এসডিএফ)’ হার ৭ দশমিক ৫০ শতাংশে বহাল রাখা হয়েছে। মূল্যস্ফীতির ঝুঁকি থেকে যাওয়ায় এই সতর্ক অবস্থান বজায় রাখা হয়েছে বলে জানান তিনি।
ডেপুটি গভর্নর বলেন, সামগ্রিক মূল্যস্ফীতি গত জুনের ৯ দশমিক ১৬ শতাংশ থেকে কমে আগস্টে ৮ দশমিক ২৬ শতাংশে নেমেছে। তবে খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি এখনও ৯ দশমিক ৩২ শতাংশের ওপরে রয়েছে। বিশ্ববাজারে জ্বালানি ও সারের মূল্যবৃদ্ধি এবং হরমুজ প্রণালির সংকটের কারণে মূল্যস্ফীতি আরও বাড়ার ঝুঁকি রয়েছে।
তিনি বলেন, চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের ৪ দশমিক ৬ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হতে পারে বলে জানিয়েছে বিশ্বব্যাংক। আর আইএমএফ প্রাক্কলন সংশোধন করে ৩ দশমিক ৫ শতাংশ হতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে। এমতাবস্থায় মূল্যস্ফীতি হ্রাসের প্রক্রিয়াকে ব্যাহত না করে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে সহায়তা প্রদান করাই বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান চ্যালেঞ্জ। তাই বৈশ্বিক ও অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতির ওপর নিবিড় নজর রাখবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। পাশাপাশি তথ্য-উপাত্ত-ভিত্তিক কৌশল অনুসরণ করা হবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সামগ্রিক লক্ষ্য মূল্য স্থিতিশীলতা, বাহ্যিক খাতের ভারসাম্য এবং আর্থিক ব্যবস্থার দৃঢ়তা বজায় রেখে টেকসই অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারে সহায়তা করা।
তিনি আরও বলেন, দেশের ব্যাংকিং খাতের খেলাপি ঋণ ৩২ দশমিক ৭৮ শতাংশ। এর পাশাপাশি বেসরকারি খাতে ঋণের প্রবৃদ্ধিও বেশ দুর্বল- মাত্র ৪ দশমিক ৭৫ শতাংশ। এটা বিনিয়োগ খরা ও ব্যবসায়ীদের মন্দা ভাবকে স্পষ্ট করে। তবে প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্স প্রবাহ ১৮ দশমিক ৯০ শতাংশ বৃদ্ধি পাওয়ায় বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার বর্তমানে স্থিতিশীল রয়েছে।
ডেপুটি গভর্নর বলেন, বন্ধ হয়ে যাওয়া কারখানা পুনরায় চালুর জন্য ২০ হাজার কোটি টাকা এবং কৃষি, সিএমএসএমই ও রপ্তানি বহুমুখীকরণের জন্য আরও ৪০ কোটি টাকা প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করা হয়েছে। ৬০ হাজার কোটি টাকার এই বিশেষ প্যাকেজের অর্থ যথাযথভাবে বিতরণের জন্য শিগগিরই একটি বিস্তারিত কর্মসূচি দেওয়া হবে।

নীতি সুদহার অপরিবর্তিত রেখে ত্রৈমাসিক মুদ্রানীতি ঘোষণা
সিজেডএন ডেস্ক

নীতি সুদহার অপরিবর্তিত রেখে প্রথমবারের মতো ত্রৈমাসিক ভিত্তিক মুদ্রানীতি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি ও পে-স্কেলের কারণে মূল্যস্ফীতির ঝুঁকি তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা রয়েছে। এমন বাস্তবতায় ও অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে নীতি সুদহার ৯ দশমিক ৫০ শতাংশ অপরিবর্তিত রেখে এ মুদ্রানীতি ঘোষণা করলো কেন্দ্রীয় ব্যাংক। তবে ব্যবসা-বাণিজ্য সচল করা এবং বন্ধ কারখানা পুনরুজ্জীবিত করতে ৬০ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের সভাকক্ষে ডেপুটি গভর্নর ড. হাবিবুর রহমান মুদ্রানীতি ঘোষণা করেন। এ সময় ডেপুটি গভর্নর সারোয়ার হোসেন ও আনিছুর রহমানসহ বিভিন্ন কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।
ড. হাবিবুর রহমান বলেন, নীতি সুদহার অপরিবর্তিত রাখার পাশাপাশি ‘স্ট্যান্ডিং লেন্ডিং ফ্যাসিলিটি (এসএলএফ)’ হার ১১ শতাংশ এবং ‘স্ট্যান্ডিং ডিপোজিট ফ্যাসিলিটি (এসডিএফ)’ হার ৭ দশমিক ৫০ শতাংশে বহাল রাখা হয়েছে। মূল্যস্ফীতির ঝুঁকি থেকে যাওয়ায় এই সতর্ক অবস্থান বজায় রাখা হয়েছে বলে জানান তিনি।
ডেপুটি গভর্নর বলেন, সামগ্রিক মূল্যস্ফীতি গত জুনের ৯ দশমিক ১৬ শতাংশ থেকে কমে আগস্টে ৮ দশমিক ২৬ শতাংশে নেমেছে। তবে খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি এখনও ৯ দশমিক ৩২ শতাংশের ওপরে রয়েছে। বিশ্ববাজারে জ্বালানি ও সারের মূল্যবৃদ্ধি এবং হরমুজ প্রণালির সংকটের কারণে মূল্যস্ফীতি আরও বাড়ার ঝুঁকি রয়েছে।
তিনি বলেন, চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের ৪ দশমিক ৬ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হতে পারে বলে জানিয়েছে বিশ্বব্যাংক। আর আইএমএফ প্রাক্কলন সংশোধন করে ৩ দশমিক ৫ শতাংশ হতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে। এমতাবস্থায় মূল্যস্ফীতি হ্রাসের প্রক্রিয়াকে ব্যাহত না করে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে সহায়তা প্রদান করাই বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান চ্যালেঞ্জ। তাই বৈশ্বিক ও অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতির ওপর নিবিড় নজর রাখবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। পাশাপাশি তথ্য-উপাত্ত-ভিত্তিক কৌশল অনুসরণ করা হবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সামগ্রিক লক্ষ্য মূল্য স্থিতিশীলতা, বাহ্যিক খাতের ভারসাম্য এবং আর্থিক ব্যবস্থার দৃঢ়তা বজায় রেখে টেকসই অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারে সহায়তা করা।
তিনি আরও বলেন, দেশের ব্যাংকিং খাতের খেলাপি ঋণ ৩২ দশমিক ৭৮ শতাংশ। এর পাশাপাশি বেসরকারি খাতে ঋণের প্রবৃদ্ধিও বেশ দুর্বল- মাত্র ৪ দশমিক ৭৫ শতাংশ। এটা বিনিয়োগ খরা ও ব্যবসায়ীদের মন্দা ভাবকে স্পষ্ট করে। তবে প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্স প্রবাহ ১৮ দশমিক ৯০ শতাংশ বৃদ্ধি পাওয়ায় বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার বর্তমানে স্থিতিশীল রয়েছে।
ডেপুটি গভর্নর বলেন, বন্ধ হয়ে যাওয়া কারখানা পুনরায় চালুর জন্য ২০ হাজার কোটি টাকা এবং কৃষি, সিএমএসএমই ও রপ্তানি বহুমুখীকরণের জন্য আরও ৪০ কোটি টাকা প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করা হয়েছে। ৬০ হাজার কোটি টাকার এই বিশেষ প্যাকেজের অর্থ যথাযথভাবে বিতরণের জন্য শিগগিরই একটি বিস্তারিত কর্মসূচি দেওয়া হবে।








