গুলশানের ‘জার্মান ক্লাবে’ অভিযান, ২৪৪ লিটার মদ-বিয়ার জব্দ

গুলশানের ‘জার্মান ক্লাবে’ অভিযান, ২৪৪ লিটার মদ-বিয়ার জব্দ
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর গুলশানে ‘জার্মান ক্লাব’ নামে পরিচিত একটি রেস্টহাউজে অভিযান চালিয়ে ২২৩ বোতল বিদেশি মদ ও ২০৯ বোতল-ক্যান বিয়ার জব্দ করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)। ‘সেভেনটি এইট রেস্টহাউজ সোসাইটি’ নামের প্রতিষ্ঠানটিতে কোনো বার লাইসেন্স ছাড়াই বিদেশি মদ মজুত ও বিক্রি করা হচ্ছিল বলে জানিয়েছে সংস্থাটি। এ ঘটনায় প্রতিষ্ঠানটির ম্যানেজার আতাউর রহমান শামীমকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) দিবাগত রাত ২টা ৩০ মিনিটে গুলশান-২-এর ১০৪ নম্বর সড়কের ২৪ নম্বর বাসায় অবস্থিত রেস্টহাউজটিতে অভিযান চালানো হয়। ডিএনসির তথ্য অনুযায়ী, জব্দ করা মদের পরিমাণ ১৭৭ লিটার। এ ছাড়া ৬৭ লিটার বিয়ার জব্দ করা হয়েছে। সব মিলিয়ে জব্দ করা মদ ও বিয়ারের পরিমাণ ২৪৪ লিটার।
ডিএনসি জানায়, ‘জার্মান ক্লাব’ নামে পরিচিত একটি প্রতিষ্ঠানে অবৈধভাবে বিদেশি মদ মজুত ও পাইকারি এবং খুচরা বিক্রির তথ্য পাওয়া যায়। পরে অনুসন্ধানে জানা যায়, ওই নামে পরিচিত প্রতিষ্ঠানটি মূলত সেভেনটি এইট রেস্টহাউজ সোসাইটি। সেখানে ‘জার্মান ক্লাব’ নামে কোনো বৈধ প্রতিষ্ঠানের অস্তিত্বের প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

অভিযানের সময় রেস্টহাউজের ম্যানেজার মো. আতাউর রহমান শামীমকে আটক করা হয়। জব্দ করা মদ ও বিয়ারের বৈধতার পক্ষে তিনি প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেখাতে পারেননি। পরে অবৈধভাবে বিক্রির উদ্দেশ্যে মদ মজুত ও সংরক্ষণের অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
ডিএনসির প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা গেছে, প্রতিষ্ঠানটিতে টিকিট বিক্রির মাধ্যমে ডিজে পার্টির আয়োজন করা হতো। এসব অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীদের কাছে অবৈধভাবে বিদেশি মদ, বিয়ারসহ বিভিন্ন মাদক সরবরাহ করা হতো। এর সঙ্গে জড়িতদের শনাক্তে অনুসন্ধান চলছে।
আরও জানা গেছে, প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে মো. ওমর জামিল নামে আরেক ব্যক্তির সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। তবে অভিযানের সময় তিনি উপস্থিত না থাকায় তার বিরুদ্ধে পলাতক আসামি হিসেবে মামলা করা হয়েছে।
ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়ের অতিরিক্ত পরিচালক জাহিদ হোসেন মোল্লার নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে ডিএনসির প্রধান কার্যালয়, ঢাকা বিভাগীয় গোয়েন্দা কার্যালয় এবং ঢাকা মেট্রো উত্তর ও দক্ষিণ কার্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অংশ নেন।
এ ঘটনায় গ্রেপ্তার আতাউর রহমান শামীম, পলাতক ওমর জামিল এবং অজ্ঞাতনামা অন্যদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে গুলশান থানায় মামলা করা হয়েছে। জব্দ করা আলামত ও রাসায়নিক পরীক্ষার নমুনা ডিএনসির হেফাজতে রয়েছে।

রাজধানীর গুলশানে ‘জার্মান ক্লাব’ নামে পরিচিত একটি রেস্টহাউজে অভিযান চালিয়ে ২২৩ বোতল বিদেশি মদ ও ২০৯ বোতল-ক্যান বিয়ার জব্দ করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)। ‘সেভেনটি এইট রেস্টহাউজ সোসাইটি’ নামের প্রতিষ্ঠানটিতে কোনো বার লাইসেন্স ছাড়াই বিদেশি মদ মজুত ও বিক্রি করা হচ্ছিল বলে জানিয়েছে সংস্থাটি। এ ঘটনায় প্রতিষ্ঠানটির ম্যানেজার আতাউর রহমান শামীমকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) দিবাগত রাত ২টা ৩০ মিনিটে গুলশান-২-এর ১০৪ নম্বর সড়কের ২৪ নম্বর বাসায় অবস্থিত রেস্টহাউজটিতে অভিযান চালানো হয়। ডিএনসির তথ্য অনুযায়ী, জব্দ করা মদের পরিমাণ ১৭৭ লিটার। এ ছাড়া ৬৭ লিটার বিয়ার জব্দ করা হয়েছে। সব মিলিয়ে জব্দ করা মদ ও বিয়ারের পরিমাণ ২৪৪ লিটার।
ডিএনসি জানায়, ‘জার্মান ক্লাব’ নামে পরিচিত একটি প্রতিষ্ঠানে অবৈধভাবে বিদেশি মদ মজুত ও পাইকারি এবং খুচরা বিক্রির তথ্য পাওয়া যায়। পরে অনুসন্ধানে জানা যায়, ওই নামে পরিচিত প্রতিষ্ঠানটি মূলত সেভেনটি এইট রেস্টহাউজ সোসাইটি। সেখানে ‘জার্মান ক্লাব’ নামে কোনো বৈধ প্রতিষ্ঠানের অস্তিত্বের প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

অভিযানের সময় রেস্টহাউজের ম্যানেজার মো. আতাউর রহমান শামীমকে আটক করা হয়। জব্দ করা মদ ও বিয়ারের বৈধতার পক্ষে তিনি প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেখাতে পারেননি। পরে অবৈধভাবে বিক্রির উদ্দেশ্যে মদ মজুত ও সংরক্ষণের অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
ডিএনসির প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা গেছে, প্রতিষ্ঠানটিতে টিকিট বিক্রির মাধ্যমে ডিজে পার্টির আয়োজন করা হতো। এসব অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীদের কাছে অবৈধভাবে বিদেশি মদ, বিয়ারসহ বিভিন্ন মাদক সরবরাহ করা হতো। এর সঙ্গে জড়িতদের শনাক্তে অনুসন্ধান চলছে।
আরও জানা গেছে, প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে মো. ওমর জামিল নামে আরেক ব্যক্তির সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। তবে অভিযানের সময় তিনি উপস্থিত না থাকায় তার বিরুদ্ধে পলাতক আসামি হিসেবে মামলা করা হয়েছে।
ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়ের অতিরিক্ত পরিচালক জাহিদ হোসেন মোল্লার নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে ডিএনসির প্রধান কার্যালয়, ঢাকা বিভাগীয় গোয়েন্দা কার্যালয় এবং ঢাকা মেট্রো উত্তর ও দক্ষিণ কার্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অংশ নেন।
এ ঘটনায় গ্রেপ্তার আতাউর রহমান শামীম, পলাতক ওমর জামিল এবং অজ্ঞাতনামা অন্যদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে গুলশান থানায় মামলা করা হয়েছে। জব্দ করা আলামত ও রাসায়নিক পরীক্ষার নমুনা ডিএনসির হেফাজতে রয়েছে।

গুলশানের ‘জার্মান ক্লাবে’ অভিযান, ২৪৪ লিটার মদ-বিয়ার জব্দ
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর গুলশানে ‘জার্মান ক্লাব’ নামে পরিচিত একটি রেস্টহাউজে অভিযান চালিয়ে ২২৩ বোতল বিদেশি মদ ও ২০৯ বোতল-ক্যান বিয়ার জব্দ করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)। ‘সেভেনটি এইট রেস্টহাউজ সোসাইটি’ নামের প্রতিষ্ঠানটিতে কোনো বার লাইসেন্স ছাড়াই বিদেশি মদ মজুত ও বিক্রি করা হচ্ছিল বলে জানিয়েছে সংস্থাটি। এ ঘটনায় প্রতিষ্ঠানটির ম্যানেজার আতাউর রহমান শামীমকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) দিবাগত রাত ২টা ৩০ মিনিটে গুলশান-২-এর ১০৪ নম্বর সড়কের ২৪ নম্বর বাসায় অবস্থিত রেস্টহাউজটিতে অভিযান চালানো হয়। ডিএনসির তথ্য অনুযায়ী, জব্দ করা মদের পরিমাণ ১৭৭ লিটার। এ ছাড়া ৬৭ লিটার বিয়ার জব্দ করা হয়েছে। সব মিলিয়ে জব্দ করা মদ ও বিয়ারের পরিমাণ ২৪৪ লিটার।
ডিএনসি জানায়, ‘জার্মান ক্লাব’ নামে পরিচিত একটি প্রতিষ্ঠানে অবৈধভাবে বিদেশি মদ মজুত ও পাইকারি এবং খুচরা বিক্রির তথ্য পাওয়া যায়। পরে অনুসন্ধানে জানা যায়, ওই নামে পরিচিত প্রতিষ্ঠানটি মূলত সেভেনটি এইট রেস্টহাউজ সোসাইটি। সেখানে ‘জার্মান ক্লাব’ নামে কোনো বৈধ প্রতিষ্ঠানের অস্তিত্বের প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

অভিযানের সময় রেস্টহাউজের ম্যানেজার মো. আতাউর রহমান শামীমকে আটক করা হয়। জব্দ করা মদ ও বিয়ারের বৈধতার পক্ষে তিনি প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেখাতে পারেননি। পরে অবৈধভাবে বিক্রির উদ্দেশ্যে মদ মজুত ও সংরক্ষণের অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
ডিএনসির প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা গেছে, প্রতিষ্ঠানটিতে টিকিট বিক্রির মাধ্যমে ডিজে পার্টির আয়োজন করা হতো। এসব অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীদের কাছে অবৈধভাবে বিদেশি মদ, বিয়ারসহ বিভিন্ন মাদক সরবরাহ করা হতো। এর সঙ্গে জড়িতদের শনাক্তে অনুসন্ধান চলছে।
আরও জানা গেছে, প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে মো. ওমর জামিল নামে আরেক ব্যক্তির সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। তবে অভিযানের সময় তিনি উপস্থিত না থাকায় তার বিরুদ্ধে পলাতক আসামি হিসেবে মামলা করা হয়েছে।
ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়ের অতিরিক্ত পরিচালক জাহিদ হোসেন মোল্লার নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে ডিএনসির প্রধান কার্যালয়, ঢাকা বিভাগীয় গোয়েন্দা কার্যালয় এবং ঢাকা মেট্রো উত্তর ও দক্ষিণ কার্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অংশ নেন।
এ ঘটনায় গ্রেপ্তার আতাউর রহমান শামীম, পলাতক ওমর জামিল এবং অজ্ঞাতনামা অন্যদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে গুলশান থানায় মামলা করা হয়েছে। জব্দ করা আলামত ও রাসায়নিক পরীক্ষার নমুনা ডিএনসির হেফাজতে রয়েছে।

‘অবৈধ গুদামে’ শুল্কমুক্ত মদ, সালমান মুক্তাদিরের শ্বশুরের ৪ গুদাম সিলগালা







