বালু দিয়ে নদী ভরাট, ৪ জনের কারাদণ্ড

বালু দিয়ে নদী ভরাট, ৪ জনের কারাদণ্ড
নিজস্ব প্রতিবেদক

বালু দিয়ে নদী ভরাটের অভিযোগে খিলক্ষেত থানায় করা মামলায় মো. ফয়সাল মাহমুদ ও সরওয়ার জাহানকে ৩ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে বালু বহনের সহায়তার দায়ে সোহা মেসার্স মদিনার পথে-এর মালিক মুক্তার হোসেন ও নাজমুল আলম নাহিদকে জনকে এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রৌনক জাহান তাকির আদালত এই রায় ঘোষণা করেন।
রায় ঘোষণার সময় আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন না। তাদের জামিন বাতিল করে সাজা পরোয়ানাসহ গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারি আবু আব্দুল্লাহ জানান, বালু দিয়ে নদী ভরাটের অভিযোগে খিলক্ষেত থানায় করা মামলায় মো. ফয়সাল মাহমুদ ও সরওয়ার জাহানকে তিন বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে বালু বহনের কাজে ব্যবহৃত সোহা মেসার্স মদিনার পথে-এর মালিক মুক্তার হোসেন ও নাজমুল আলম নাহিদকে এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। দণ্ডের পাশাপাশি ফয়সাল মাহমুদ ও সরওয়ার জাহানকে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে ৩০ দিনের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, মুক্তার হোসেন ও নাজমুল আলমকে ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও ১৫ দিনের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, রাজধানীর চারপাশে প্রবাহমান বুড়িগঙ্গা, তুরাগ, বালু ও শীতলক্ষ্যা নদী দখল, দূষণ ও মৃতপ্রায় নদীগুলো হাই কোর্টের এক রিট পিটিশনের নির্দেশনার আলোকে জেলা প্রশাসক বিআইডব্লিউটিএ এবং সংশ্লিষ্ট বিভাগ/সংস্থা দূষণ রোধ করে কতিপয় সুস্পষ্ট নির্দেশনা প্রদান করেন। নির্দেশনা পেয়ে বেশ কয়েকবার বালু নদীতে উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয় এবং তা অব্যাহত রাখেন। এরই ধারাবাহিকতায় টঙ্গী নদীবন্দরের নিয়ন্ত্রণাধীন খিলক্ষেত থানার পাতিরা মৌজায় ২০২১ সালের ২৪ অক্টোবর বালুনদী পরিদর্শনে যান পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ বিআইডব্লিউটিএ।
এতে বলা হয়েছে, সেখানে গিয়ে তারা দেখতে পান, সাড়ে ১২ হাজার বর্গফুট বালুনদীর তীরভূমি ও নদীগর্ভ ভরাট করা হয়েছে। পরে স্থানীয় লোকদের সঙ্গে কথা বলে জানতে পারেন, আসামি বালু দিয়ে নদী ভরাট করেছে। এ ঘটনায় গাজীপুরের টঙ্গী নদী বন্দরের সহকারী পরিচালক রেজাউল করিম ওই দিনই খিলক্ষেত থানায় মামলাটি করেন।

বালু দিয়ে নদী ভরাটের অভিযোগে খিলক্ষেত থানায় করা মামলায় মো. ফয়সাল মাহমুদ ও সরওয়ার জাহানকে ৩ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে বালু বহনের সহায়তার দায়ে সোহা মেসার্স মদিনার পথে-এর মালিক মুক্তার হোসেন ও নাজমুল আলম নাহিদকে জনকে এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রৌনক জাহান তাকির আদালত এই রায় ঘোষণা করেন।
রায় ঘোষণার সময় আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন না। তাদের জামিন বাতিল করে সাজা পরোয়ানাসহ গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারি আবু আব্দুল্লাহ জানান, বালু দিয়ে নদী ভরাটের অভিযোগে খিলক্ষেত থানায় করা মামলায় মো. ফয়সাল মাহমুদ ও সরওয়ার জাহানকে তিন বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে বালু বহনের কাজে ব্যবহৃত সোহা মেসার্স মদিনার পথে-এর মালিক মুক্তার হোসেন ও নাজমুল আলম নাহিদকে এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। দণ্ডের পাশাপাশি ফয়সাল মাহমুদ ও সরওয়ার জাহানকে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে ৩০ দিনের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, মুক্তার হোসেন ও নাজমুল আলমকে ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও ১৫ দিনের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, রাজধানীর চারপাশে প্রবাহমান বুড়িগঙ্গা, তুরাগ, বালু ও শীতলক্ষ্যা নদী দখল, দূষণ ও মৃতপ্রায় নদীগুলো হাই কোর্টের এক রিট পিটিশনের নির্দেশনার আলোকে জেলা প্রশাসক বিআইডব্লিউটিএ এবং সংশ্লিষ্ট বিভাগ/সংস্থা দূষণ রোধ করে কতিপয় সুস্পষ্ট নির্দেশনা প্রদান করেন। নির্দেশনা পেয়ে বেশ কয়েকবার বালু নদীতে উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয় এবং তা অব্যাহত রাখেন। এরই ধারাবাহিকতায় টঙ্গী নদীবন্দরের নিয়ন্ত্রণাধীন খিলক্ষেত থানার পাতিরা মৌজায় ২০২১ সালের ২৪ অক্টোবর বালুনদী পরিদর্শনে যান পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ বিআইডব্লিউটিএ।
এতে বলা হয়েছে, সেখানে গিয়ে তারা দেখতে পান, সাড়ে ১২ হাজার বর্গফুট বালুনদীর তীরভূমি ও নদীগর্ভ ভরাট করা হয়েছে। পরে স্থানীয় লোকদের সঙ্গে কথা বলে জানতে পারেন, আসামি বালু দিয়ে নদী ভরাট করেছে। এ ঘটনায় গাজীপুরের টঙ্গী নদী বন্দরের সহকারী পরিচালক রেজাউল করিম ওই দিনই খিলক্ষেত থানায় মামলাটি করেন।

বালু দিয়ে নদী ভরাট, ৪ জনের কারাদণ্ড
নিজস্ব প্রতিবেদক

বালু দিয়ে নদী ভরাটের অভিযোগে খিলক্ষেত থানায় করা মামলায় মো. ফয়সাল মাহমুদ ও সরওয়ার জাহানকে ৩ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে বালু বহনের সহায়তার দায়ে সোহা মেসার্স মদিনার পথে-এর মালিক মুক্তার হোসেন ও নাজমুল আলম নাহিদকে জনকে এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রৌনক জাহান তাকির আদালত এই রায় ঘোষণা করেন।
রায় ঘোষণার সময় আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন না। তাদের জামিন বাতিল করে সাজা পরোয়ানাসহ গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারি আবু আব্দুল্লাহ জানান, বালু দিয়ে নদী ভরাটের অভিযোগে খিলক্ষেত থানায় করা মামলায় মো. ফয়সাল মাহমুদ ও সরওয়ার জাহানকে তিন বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে বালু বহনের কাজে ব্যবহৃত সোহা মেসার্স মদিনার পথে-এর মালিক মুক্তার হোসেন ও নাজমুল আলম নাহিদকে এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। দণ্ডের পাশাপাশি ফয়সাল মাহমুদ ও সরওয়ার জাহানকে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে ৩০ দিনের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, মুক্তার হোসেন ও নাজমুল আলমকে ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও ১৫ দিনের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, রাজধানীর চারপাশে প্রবাহমান বুড়িগঙ্গা, তুরাগ, বালু ও শীতলক্ষ্যা নদী দখল, দূষণ ও মৃতপ্রায় নদীগুলো হাই কোর্টের এক রিট পিটিশনের নির্দেশনার আলোকে জেলা প্রশাসক বিআইডব্লিউটিএ এবং সংশ্লিষ্ট বিভাগ/সংস্থা দূষণ রোধ করে কতিপয় সুস্পষ্ট নির্দেশনা প্রদান করেন। নির্দেশনা পেয়ে বেশ কয়েকবার বালু নদীতে উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয় এবং তা অব্যাহত রাখেন। এরই ধারাবাহিকতায় টঙ্গী নদীবন্দরের নিয়ন্ত্রণাধীন খিলক্ষেত থানার পাতিরা মৌজায় ২০২১ সালের ২৪ অক্টোবর বালুনদী পরিদর্শনে যান পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ বিআইডব্লিউটিএ।
এতে বলা হয়েছে, সেখানে গিয়ে তারা দেখতে পান, সাড়ে ১২ হাজার বর্গফুট বালুনদীর তীরভূমি ও নদীগর্ভ ভরাট করা হয়েছে। পরে স্থানীয় লোকদের সঙ্গে কথা বলে জানতে পারেন, আসামি বালু দিয়ে নদী ভরাট করেছে। এ ঘটনায় গাজীপুরের টঙ্গী নদী বন্দরের সহকারী পরিচালক রেজাউল করিম ওই দিনই খিলক্ষেত থানায় মামলাটি করেন।

আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে ধর্মঘট-হরতাল করা যাবে না: হাইকোর্ট







