গুলশানে আ.লীগের মিছিল: ১৫ আসামির রিমান্ড, তদন্ত কর্মকর্তাকে ভর্ৎসনা

গুলশানে আ.লীগের মিছিল: ১৫ আসামির রিমান্ড, তদন্ত কর্মকর্তাকে ভর্ৎসনা
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর গুলশানে আওয়ামী লীগের মিছিলের ঘটনায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় গ্রেপ্তার ১৫ আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। একইসঙ্গে তদন্ত কর্মকর্তা গুলশান থানার এসআই রুহুল আমিনকে ভর্ৎসনা করেন আদালত।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানা তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন।
এদিন আসামিদের আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা এসআই রুহুল আমিন।
রিমান্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন-নিরব খান, সাইফুল ইসলাম, জুয়েল শিকদার, সাহেদ, শান্ত শেখ, হারুন মাইজভান্ডারী, খালেদ মাহমুদ ফয়সাল, সফিকুর রহমান, বিল্লাল গাজী, ইসমাঈল সিরাজী, আরিফুর রহমান দিপু, ইদ্রিসুল আলম, জয়নাল আবেদীন মামুন, জয়ন্ত কুমার বাড়ৈ ও মোজাম্মেল হক।
শুনানির একপর্যায়ে আইনজীবীরা বলেন, আসামি আরিফুর রহমান ক্যান্টনমেন্ট থানার ছাত্রলীগের নেতা। অথচ তদন্ত কর্মকর্তার প্রতিবেদনে তাকে ছাত্রদল নেতা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ সময় বিচারক জুয়েল রানা তদন্ত কর্মকর্তাকে উদ্দেশ করে বলেন, ‘কীসের তদন্ত কর্মকর্তা আপনি? ছাত্রলীগকে ছাত্রদল লেখেন। একটা ফরওয়ার্ডিং লিখছেন। তাও আবার গুলশান থানায় আছেন। সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলা। যা তা লিখে পাঠিয়ে দেন।’
বিচারক বলেন, ‘কবে গ্রেপ্তার, সেটা নির্দিষ্ট করে লেখা যায় না? গড়গড়িয়ে রিমান্ড চান, আর গড়গড়িয়ে রিমান্ডে নেন।’
উল্লেখ্য, গত ১১ সেপ্টেম্বর দুপুরে গুলশান-১ এলাকায় কয়েকশ মানুষের অংশগ্রহণে আওয়ামী লীগের একটি মিছিল বের হয়। মিছিলটি ছত্রভঙ্গ করতে গেলে দুটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে বলে মামলার এজাহারে উল্লেখ করেছে পুলিশ। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ দুই রাউন্ড রাবার বুলেট ছোড়ে।
এ ঘটনায় গুলশান থানার এসআই মো. মাহবুব হোসাইন বাদী হয়ে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করেন। মামলায় ১১৮ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও ৮০ থেকে ১০০ জনকে আসামি করা হয়।

রাজধানীর গুলশানে আওয়ামী লীগের মিছিলের ঘটনায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় গ্রেপ্তার ১৫ আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। একইসঙ্গে তদন্ত কর্মকর্তা গুলশান থানার এসআই রুহুল আমিনকে ভর্ৎসনা করেন আদালত।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানা তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন।
এদিন আসামিদের আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা এসআই রুহুল আমিন।
রিমান্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন-নিরব খান, সাইফুল ইসলাম, জুয়েল শিকদার, সাহেদ, শান্ত শেখ, হারুন মাইজভান্ডারী, খালেদ মাহমুদ ফয়সাল, সফিকুর রহমান, বিল্লাল গাজী, ইসমাঈল সিরাজী, আরিফুর রহমান দিপু, ইদ্রিসুল আলম, জয়নাল আবেদীন মামুন, জয়ন্ত কুমার বাড়ৈ ও মোজাম্মেল হক।
শুনানির একপর্যায়ে আইনজীবীরা বলেন, আসামি আরিফুর রহমান ক্যান্টনমেন্ট থানার ছাত্রলীগের নেতা। অথচ তদন্ত কর্মকর্তার প্রতিবেদনে তাকে ছাত্রদল নেতা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ সময় বিচারক জুয়েল রানা তদন্ত কর্মকর্তাকে উদ্দেশ করে বলেন, ‘কীসের তদন্ত কর্মকর্তা আপনি? ছাত্রলীগকে ছাত্রদল লেখেন। একটা ফরওয়ার্ডিং লিখছেন। তাও আবার গুলশান থানায় আছেন। সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলা। যা তা লিখে পাঠিয়ে দেন।’
বিচারক বলেন, ‘কবে গ্রেপ্তার, সেটা নির্দিষ্ট করে লেখা যায় না? গড়গড়িয়ে রিমান্ড চান, আর গড়গড়িয়ে রিমান্ডে নেন।’
উল্লেখ্য, গত ১১ সেপ্টেম্বর দুপুরে গুলশান-১ এলাকায় কয়েকশ মানুষের অংশগ্রহণে আওয়ামী লীগের একটি মিছিল বের হয়। মিছিলটি ছত্রভঙ্গ করতে গেলে দুটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে বলে মামলার এজাহারে উল্লেখ করেছে পুলিশ। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ দুই রাউন্ড রাবার বুলেট ছোড়ে।
এ ঘটনায় গুলশান থানার এসআই মো. মাহবুব হোসাইন বাদী হয়ে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করেন। মামলায় ১১৮ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও ৮০ থেকে ১০০ জনকে আসামি করা হয়।

গুলশানে আ.লীগের মিছিল: ১৫ আসামির রিমান্ড, তদন্ত কর্মকর্তাকে ভর্ৎসনা
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর গুলশানে আওয়ামী লীগের মিছিলের ঘটনায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় গ্রেপ্তার ১৫ আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। একইসঙ্গে তদন্ত কর্মকর্তা গুলশান থানার এসআই রুহুল আমিনকে ভর্ৎসনা করেন আদালত।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানা তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন।
এদিন আসামিদের আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা এসআই রুহুল আমিন।
রিমান্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন-নিরব খান, সাইফুল ইসলাম, জুয়েল শিকদার, সাহেদ, শান্ত শেখ, হারুন মাইজভান্ডারী, খালেদ মাহমুদ ফয়সাল, সফিকুর রহমান, বিল্লাল গাজী, ইসমাঈল সিরাজী, আরিফুর রহমান দিপু, ইদ্রিসুল আলম, জয়নাল আবেদীন মামুন, জয়ন্ত কুমার বাড়ৈ ও মোজাম্মেল হক।
শুনানির একপর্যায়ে আইনজীবীরা বলেন, আসামি আরিফুর রহমান ক্যান্টনমেন্ট থানার ছাত্রলীগের নেতা। অথচ তদন্ত কর্মকর্তার প্রতিবেদনে তাকে ছাত্রদল নেতা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ সময় বিচারক জুয়েল রানা তদন্ত কর্মকর্তাকে উদ্দেশ করে বলেন, ‘কীসের তদন্ত কর্মকর্তা আপনি? ছাত্রলীগকে ছাত্রদল লেখেন। একটা ফরওয়ার্ডিং লিখছেন। তাও আবার গুলশান থানায় আছেন। সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলা। যা তা লিখে পাঠিয়ে দেন।’
বিচারক বলেন, ‘কবে গ্রেপ্তার, সেটা নির্দিষ্ট করে লেখা যায় না? গড়গড়িয়ে রিমান্ড চান, আর গড়গড়িয়ে রিমান্ডে নেন।’
উল্লেখ্য, গত ১১ সেপ্টেম্বর দুপুরে গুলশান-১ এলাকায় কয়েকশ মানুষের অংশগ্রহণে আওয়ামী লীগের একটি মিছিল বের হয়। মিছিলটি ছত্রভঙ্গ করতে গেলে দুটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে বলে মামলার এজাহারে উল্লেখ করেছে পুলিশ। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ দুই রাউন্ড রাবার বুলেট ছোড়ে।
এ ঘটনায় গুলশান থানার এসআই মো. মাহবুব হোসাইন বাদী হয়ে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করেন। মামলায় ১১৮ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও ৮০ থেকে ১০০ জনকে আসামি করা হয়।

গুলশানে আওয়ামী লীগের মিছিলের
ঘটনায় গ্রেপ্তার আরও ৪০








