বারিধারায় গাড়িচাপায় শ্রমিকের মৃত্যু, ৯ লাখ টাকায় মীমাংসা

বারিধারায় গাড়িচাপায় শ্রমিকের মৃত্যু, ৯ লাখ টাকায় মীমাংসা
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর বারিধারায় ফুটপাতে গাড়িচাপায় নির্মাণশ্রমিক মেহেদী হাসান মীমের নিহতের ঘটনায় করা মামলায় নয় লাখ টাকায় মীমাংসা করেছে নিহতের পরিবার। নিহতের দাফন-কাফন ও ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতার জন্য ১ লাখ টাকা এবং তার বৃদ্ধ বাবা-মায়ের ভবিষ্যৎ প্রয়োজন বিবেচনায় আরও ৮ লাখ টাকা দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) এ তথ্য জানিয়েছেন আসামিপক্ষের আইনজীবী মো. আলমগীর হোসেন।
এদিন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. আব্দুল মোক্তাদিরের আদালতে অভিযুক্ত কিশোর আযানআলী শারীফকে হাজির করা হয়। শুনানি শুরুর আগেই আসামিপক্ষের আইনজীবী সাংবাদিকদের জানান, দুই পক্ষের মধ্যে নয় লাখ টাকায় আপস হয়েছে।
মীমাংসা অনুযায়ী, নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে মোট ৯ লাখ টাকা নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে মামলাটি প্রচলিত আইন ও আদালতের বিধি-বিধান অনুযায়ী নিষ্পত্তির লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় আইনগত সহযোগিতা করার কথা উল্লেখ রয়েছে। একইসঙ্গে মীমাংসানামায় মামলাটি আদালতের এখতিয়ার ও প্রচলিত আইনের অধীনেই নিষ্পত্তির কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
নিহত মেহেদীর ভাই মোক্তাদির বলেন, মামলার বিষয়ে মীমাংসা হয়েছে। কত টাকায় মীমাংসা হয়েছে জানি না, আমার মামা জানেন।
এর আগে ,মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৫টার দিকে রাজধানীর বারিধারা ডিপ্লোম্যাটিক জোনের ১ নম্বর সড়কের ফুটপাতে বসে বিশ্রাম নেওয়ার সময় দ্রুতগতির একটি প্রাইভেট কার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে চাপা দেয় ২৪ বছর বয়সি মেহেদীকে। পরে তাকে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনাস্থলে উপস্থিত লোকজন গাড়িটির চালকের আসনে থাকা কিশোর আজান আলী শরীফকে আটক করে পুলিশে দেয়। তবে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ওই রাতেই তাকে চাচার জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) মেহেদীর মৃত্যুর ঘটনায় গুলশান থানায় মামলা করেন তার ভাই মোক্তাদীর ইসলাম। মামলায় গাড়ি চালক আকাশকে আসামি করা হলেও চালকের আসনে থাকা ওই কিশোরের নাম ছিল না। বিষয়টি নিয়ে সমালোচনার পর ওই কিশোরকে গ্রেপ্তার করে গুলশান থানা পুলিশ। বৃহস্পতিবার তাকে আদালতে হাজির কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্রে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গুলশান থানার এসআই আরেফীন ইসলাম।
ওই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার শিশু আদালত-৮ এর বিচারক মো. আব্দুল মোক্তাদির ১৭ বছরের ওই কিশোরকে গাজীপুরের টঙ্গী কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানোর আদেশ দেন।

রাজধানীর বারিধারায় ফুটপাতে গাড়িচাপায় নির্মাণশ্রমিক মেহেদী হাসান মীমের নিহতের ঘটনায় করা মামলায় নয় লাখ টাকায় মীমাংসা করেছে নিহতের পরিবার। নিহতের দাফন-কাফন ও ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতার জন্য ১ লাখ টাকা এবং তার বৃদ্ধ বাবা-মায়ের ভবিষ্যৎ প্রয়োজন বিবেচনায় আরও ৮ লাখ টাকা দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) এ তথ্য জানিয়েছেন আসামিপক্ষের আইনজীবী মো. আলমগীর হোসেন।
এদিন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. আব্দুল মোক্তাদিরের আদালতে অভিযুক্ত কিশোর আযানআলী শারীফকে হাজির করা হয়। শুনানি শুরুর আগেই আসামিপক্ষের আইনজীবী সাংবাদিকদের জানান, দুই পক্ষের মধ্যে নয় লাখ টাকায় আপস হয়েছে।
মীমাংসা অনুযায়ী, নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে মোট ৯ লাখ টাকা নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে মামলাটি প্রচলিত আইন ও আদালতের বিধি-বিধান অনুযায়ী নিষ্পত্তির লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় আইনগত সহযোগিতা করার কথা উল্লেখ রয়েছে। একইসঙ্গে মীমাংসানামায় মামলাটি আদালতের এখতিয়ার ও প্রচলিত আইনের অধীনেই নিষ্পত্তির কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
নিহত মেহেদীর ভাই মোক্তাদির বলেন, মামলার বিষয়ে মীমাংসা হয়েছে। কত টাকায় মীমাংসা হয়েছে জানি না, আমার মামা জানেন।
এর আগে ,মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৫টার দিকে রাজধানীর বারিধারা ডিপ্লোম্যাটিক জোনের ১ নম্বর সড়কের ফুটপাতে বসে বিশ্রাম নেওয়ার সময় দ্রুতগতির একটি প্রাইভেট কার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে চাপা দেয় ২৪ বছর বয়সি মেহেদীকে। পরে তাকে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনাস্থলে উপস্থিত লোকজন গাড়িটির চালকের আসনে থাকা কিশোর আজান আলী শরীফকে আটক করে পুলিশে দেয়। তবে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ওই রাতেই তাকে চাচার জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) মেহেদীর মৃত্যুর ঘটনায় গুলশান থানায় মামলা করেন তার ভাই মোক্তাদীর ইসলাম। মামলায় গাড়ি চালক আকাশকে আসামি করা হলেও চালকের আসনে থাকা ওই কিশোরের নাম ছিল না। বিষয়টি নিয়ে সমালোচনার পর ওই কিশোরকে গ্রেপ্তার করে গুলশান থানা পুলিশ। বৃহস্পতিবার তাকে আদালতে হাজির কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্রে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গুলশান থানার এসআই আরেফীন ইসলাম।
ওই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার শিশু আদালত-৮ এর বিচারক মো. আব্দুল মোক্তাদির ১৭ বছরের ওই কিশোরকে গাজীপুরের টঙ্গী কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানোর আদেশ দেন।

বারিধারায় গাড়িচাপায় শ্রমিকের মৃত্যু, ৯ লাখ টাকায় মীমাংসা
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর বারিধারায় ফুটপাতে গাড়িচাপায় নির্মাণশ্রমিক মেহেদী হাসান মীমের নিহতের ঘটনায় করা মামলায় নয় লাখ টাকায় মীমাংসা করেছে নিহতের পরিবার। নিহতের দাফন-কাফন ও ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতার জন্য ১ লাখ টাকা এবং তার বৃদ্ধ বাবা-মায়ের ভবিষ্যৎ প্রয়োজন বিবেচনায় আরও ৮ লাখ টাকা দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) এ তথ্য জানিয়েছেন আসামিপক্ষের আইনজীবী মো. আলমগীর হোসেন।
এদিন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. আব্দুল মোক্তাদিরের আদালতে অভিযুক্ত কিশোর আযানআলী শারীফকে হাজির করা হয়। শুনানি শুরুর আগেই আসামিপক্ষের আইনজীবী সাংবাদিকদের জানান, দুই পক্ষের মধ্যে নয় লাখ টাকায় আপস হয়েছে।
মীমাংসা অনুযায়ী, নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে মোট ৯ লাখ টাকা নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে মামলাটি প্রচলিত আইন ও আদালতের বিধি-বিধান অনুযায়ী নিষ্পত্তির লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় আইনগত সহযোগিতা করার কথা উল্লেখ রয়েছে। একইসঙ্গে মীমাংসানামায় মামলাটি আদালতের এখতিয়ার ও প্রচলিত আইনের অধীনেই নিষ্পত্তির কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
নিহত মেহেদীর ভাই মোক্তাদির বলেন, মামলার বিষয়ে মীমাংসা হয়েছে। কত টাকায় মীমাংসা হয়েছে জানি না, আমার মামা জানেন।
এর আগে ,মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৫টার দিকে রাজধানীর বারিধারা ডিপ্লোম্যাটিক জোনের ১ নম্বর সড়কের ফুটপাতে বসে বিশ্রাম নেওয়ার সময় দ্রুতগতির একটি প্রাইভেট কার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে চাপা দেয় ২৪ বছর বয়সি মেহেদীকে। পরে তাকে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনাস্থলে উপস্থিত লোকজন গাড়িটির চালকের আসনে থাকা কিশোর আজান আলী শরীফকে আটক করে পুলিশে দেয়। তবে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ওই রাতেই তাকে চাচার জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) মেহেদীর মৃত্যুর ঘটনায় গুলশান থানায় মামলা করেন তার ভাই মোক্তাদীর ইসলাম। মামলায় গাড়ি চালক আকাশকে আসামি করা হলেও চালকের আসনে থাকা ওই কিশোরের নাম ছিল না। বিষয়টি নিয়ে সমালোচনার পর ওই কিশোরকে গ্রেপ্তার করে গুলশান থানা পুলিশ। বৃহস্পতিবার তাকে আদালতে হাজির কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্রে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গুলশান থানার এসআই আরেফীন ইসলাম।
ওই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার শিশু আদালত-৮ এর বিচারক মো. আব্দুল মোক্তাদির ১৭ বছরের ওই কিশোরকে গাজীপুরের টঙ্গী কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানোর আদেশ দেন।

ধানমন্ডি লেকে ভাসছিলো মরদেহ, ফোন পেয়ে শনাক্ত করলেন স্ত্রী







