‘জ্বালানি তেলের দাম এভাবে বাড়লে হেটে চলতে হবে’

‘জ্বালানি তেলের দাম এভাবে বাড়লে হেটে চলতে হবে’
নিজস্ব প্রতিবেদক

‘সাধারণ পাবলিকরে কেমনে মারবে! কেমনে খাইবে হেরা এই চিন্তা করে। সরকার আসতে পারে নাই, এর মধ্যে দুইবার জ্বালানি তেলের দাম বেড়ে গেছে। একবার হইছে ১১৫ টাকা থেকে ১৪৫ টাকা। এখন আবার ১৪৫ টাকা থেকে ১৬৫ টাকা হলো (অকটেন)। জ্বালানি তেলের দাম এভাবে বাড়লে পায়ে হেটে চলতে হবে।’ জ্বালানির দাম বৃদ্ধিতে রেজা নামের এক মোটরসাইকেল চালক রমনা পেট্রোল পাম্পে তেল নিতে এসে এভাবেই ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
রবিবার দিবাগত রাত ১২টার পর থেকে জ্বালানি তেলের নতুন মূল্য কার্যকর করা হয়েছে। এতে লিটার প্রতি ডিজেল ১৩৫ টাকা, পেট্রোল ১৬০ টাকা, অকটেন ১৬৫ টাকা এবং কেরোসিন ১৫৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর রমনা পেট্রোল পাম্প ও পুরান ঢাকার ভিক্টোরিয়া পার্কের পাশের পেট্রোল পাম্পে ঘুরে দেখা গেছে নতুন দামে ডিজেল, পেট্রোল, অকটেন বিক্রি করা হচ্ছে। তেল নিতে এসে সরকারের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করছেন সাধারণ মানুষ।
রমনা পেট্রোল পাম্পে তেল নিতে আসা মোটরসাইকেল আরোহী রেজা সিজেডএন টোয়েন্টিফোর কে বলেন, ‘এহোন সরকার বইছে ক্ষমতায়। সরকার যে কী করবে একমাত্র সরকারই জানে আর আল্লাহ জানে। সাধারণ পাবলিকরে কেমনে মারবে! কেমনে খাইবে হেরা এই চিন্তা করে। সরকার আসতে পারে নাই, এর মধ্যে দুইবার দাম জ্বালানি তেলের দাম বেড়ে গেছে। একবার হইছে ১১৫ টাকা থেকে ১৪৫ টাকা। এখন আবার ১৪৫ টাকা থেকে ১৬৫ টাকা হলো। সরকারের এই সিদ্ধান্ত অযোক্তিক।’
আরেক মোটরসাইকেল আরোহী সিজেডএন টোয়েন্টিফোর কে বলেন, ‘এটা আমাদের সমস্যা, আমাদের সাধারণ জনগণের সমস্যা। যারা নিম্ন আয়ের মানুষ বা মধ্যবিত্ত তাদেরই সমস্যা হচ্ছে। এতে সরকারের কিছু আসে যায় না। আজকে অকটেন দাম নিলো ১৬৫ টাকা। গতকাল ও ১৪৫ টাকায় নিয়েছি। হঠাৎ করে লিটারে ২০ টাকা বাড়িয়েছে এটা মোটেও কাম্য নয়।’

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক প্রাইভেট কোম্পানিরর এক চাকরিজীবী বলেন, ‘আমরা মার্কেটিংয়ে জব করি। সারাদিন মোটরসাইকেল নিয়ে ঘুরতে হয়। তেলের দাম এভাবে বাড়লে পায়ে হেটে চলতে হবে। হঠাৎ করে ১৪৫ টাকা থেকে ১৬৫ টাকা তেলের দাম কেমনে হয়? তেলের দাম নিয়ন্ত্রণে থাকলে দ্রব মূল্যের দাম নিয়ন্ত্রণে থাকবে।’
রমনা পেট্রোল পাম্পের স্বাধিকারী ও বাংলাদেশ পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোহাম্মদ নাজমুল হক বলেন, ‘গতকাল (শনিবার) রাত ১২ টার পর থেকে জ্বালানি তেলের দাম আমরা সরকার নির্ধারিত মূল্যেই আমরা বিক্রি করতেছি। মোটরসাইকেল চালকরা এতে একটু বিরক্ত হচ্ছে। কিন্তু আমাদের কিছু করার নেই।’

‘সাধারণ পাবলিকরে কেমনে মারবে! কেমনে খাইবে হেরা এই চিন্তা করে। সরকার আসতে পারে নাই, এর মধ্যে দুইবার জ্বালানি তেলের দাম বেড়ে গেছে। একবার হইছে ১১৫ টাকা থেকে ১৪৫ টাকা। এখন আবার ১৪৫ টাকা থেকে ১৬৫ টাকা হলো (অকটেন)। জ্বালানি তেলের দাম এভাবে বাড়লে পায়ে হেটে চলতে হবে।’ জ্বালানির দাম বৃদ্ধিতে রেজা নামের এক মোটরসাইকেল চালক রমনা পেট্রোল পাম্পে তেল নিতে এসে এভাবেই ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
রবিবার দিবাগত রাত ১২টার পর থেকে জ্বালানি তেলের নতুন মূল্য কার্যকর করা হয়েছে। এতে লিটার প্রতি ডিজেল ১৩৫ টাকা, পেট্রোল ১৬০ টাকা, অকটেন ১৬৫ টাকা এবং কেরোসিন ১৫৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর রমনা পেট্রোল পাম্প ও পুরান ঢাকার ভিক্টোরিয়া পার্কের পাশের পেট্রোল পাম্পে ঘুরে দেখা গেছে নতুন দামে ডিজেল, পেট্রোল, অকটেন বিক্রি করা হচ্ছে। তেল নিতে এসে সরকারের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করছেন সাধারণ মানুষ।
রমনা পেট্রোল পাম্পে তেল নিতে আসা মোটরসাইকেল আরোহী রেজা সিজেডএন টোয়েন্টিফোর কে বলেন, ‘এহোন সরকার বইছে ক্ষমতায়। সরকার যে কী করবে একমাত্র সরকারই জানে আর আল্লাহ জানে। সাধারণ পাবলিকরে কেমনে মারবে! কেমনে খাইবে হেরা এই চিন্তা করে। সরকার আসতে পারে নাই, এর মধ্যে দুইবার দাম জ্বালানি তেলের দাম বেড়ে গেছে। একবার হইছে ১১৫ টাকা থেকে ১৪৫ টাকা। এখন আবার ১৪৫ টাকা থেকে ১৬৫ টাকা হলো। সরকারের এই সিদ্ধান্ত অযোক্তিক।’
আরেক মোটরসাইকেল আরোহী সিজেডএন টোয়েন্টিফোর কে বলেন, ‘এটা আমাদের সমস্যা, আমাদের সাধারণ জনগণের সমস্যা। যারা নিম্ন আয়ের মানুষ বা মধ্যবিত্ত তাদেরই সমস্যা হচ্ছে। এতে সরকারের কিছু আসে যায় না। আজকে অকটেন দাম নিলো ১৬৫ টাকা। গতকাল ও ১৪৫ টাকায় নিয়েছি। হঠাৎ করে লিটারে ২০ টাকা বাড়িয়েছে এটা মোটেও কাম্য নয়।’

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক প্রাইভেট কোম্পানিরর এক চাকরিজীবী বলেন, ‘আমরা মার্কেটিংয়ে জব করি। সারাদিন মোটরসাইকেল নিয়ে ঘুরতে হয়। তেলের দাম এভাবে বাড়লে পায়ে হেটে চলতে হবে। হঠাৎ করে ১৪৫ টাকা থেকে ১৬৫ টাকা তেলের দাম কেমনে হয়? তেলের দাম নিয়ন্ত্রণে থাকলে দ্রব মূল্যের দাম নিয়ন্ত্রণে থাকবে।’
রমনা পেট্রোল পাম্পের স্বাধিকারী ও বাংলাদেশ পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোহাম্মদ নাজমুল হক বলেন, ‘গতকাল (শনিবার) রাত ১২ টার পর থেকে জ্বালানি তেলের দাম আমরা সরকার নির্ধারিত মূল্যেই আমরা বিক্রি করতেছি। মোটরসাইকেল চালকরা এতে একটু বিরক্ত হচ্ছে। কিন্তু আমাদের কিছু করার নেই।’

‘জ্বালানি তেলের দাম এভাবে বাড়লে হেটে চলতে হবে’
নিজস্ব প্রতিবেদক

‘সাধারণ পাবলিকরে কেমনে মারবে! কেমনে খাইবে হেরা এই চিন্তা করে। সরকার আসতে পারে নাই, এর মধ্যে দুইবার জ্বালানি তেলের দাম বেড়ে গেছে। একবার হইছে ১১৫ টাকা থেকে ১৪৫ টাকা। এখন আবার ১৪৫ টাকা থেকে ১৬৫ টাকা হলো (অকটেন)। জ্বালানি তেলের দাম এভাবে বাড়লে পায়ে হেটে চলতে হবে।’ জ্বালানির দাম বৃদ্ধিতে রেজা নামের এক মোটরসাইকেল চালক রমনা পেট্রোল পাম্পে তেল নিতে এসে এভাবেই ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
রবিবার দিবাগত রাত ১২টার পর থেকে জ্বালানি তেলের নতুন মূল্য কার্যকর করা হয়েছে। এতে লিটার প্রতি ডিজেল ১৩৫ টাকা, পেট্রোল ১৬০ টাকা, অকটেন ১৬৫ টাকা এবং কেরোসিন ১৫৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর রমনা পেট্রোল পাম্প ও পুরান ঢাকার ভিক্টোরিয়া পার্কের পাশের পেট্রোল পাম্পে ঘুরে দেখা গেছে নতুন দামে ডিজেল, পেট্রোল, অকটেন বিক্রি করা হচ্ছে। তেল নিতে এসে সরকারের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করছেন সাধারণ মানুষ।
রমনা পেট্রোল পাম্পে তেল নিতে আসা মোটরসাইকেল আরোহী রেজা সিজেডএন টোয়েন্টিফোর কে বলেন, ‘এহোন সরকার বইছে ক্ষমতায়। সরকার যে কী করবে একমাত্র সরকারই জানে আর আল্লাহ জানে। সাধারণ পাবলিকরে কেমনে মারবে! কেমনে খাইবে হেরা এই চিন্তা করে। সরকার আসতে পারে নাই, এর মধ্যে দুইবার দাম জ্বালানি তেলের দাম বেড়ে গেছে। একবার হইছে ১১৫ টাকা থেকে ১৪৫ টাকা। এখন আবার ১৪৫ টাকা থেকে ১৬৫ টাকা হলো। সরকারের এই সিদ্ধান্ত অযোক্তিক।’
আরেক মোটরসাইকেল আরোহী সিজেডএন টোয়েন্টিফোর কে বলেন, ‘এটা আমাদের সমস্যা, আমাদের সাধারণ জনগণের সমস্যা। যারা নিম্ন আয়ের মানুষ বা মধ্যবিত্ত তাদেরই সমস্যা হচ্ছে। এতে সরকারের কিছু আসে যায় না। আজকে অকটেন দাম নিলো ১৬৫ টাকা। গতকাল ও ১৪৫ টাকায় নিয়েছি। হঠাৎ করে লিটারে ২০ টাকা বাড়িয়েছে এটা মোটেও কাম্য নয়।’

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক প্রাইভেট কোম্পানিরর এক চাকরিজীবী বলেন, ‘আমরা মার্কেটিংয়ে জব করি। সারাদিন মোটরসাইকেল নিয়ে ঘুরতে হয়। তেলের দাম এভাবে বাড়লে পায়ে হেটে চলতে হবে। হঠাৎ করে ১৪৫ টাকা থেকে ১৬৫ টাকা তেলের দাম কেমনে হয়? তেলের দাম নিয়ন্ত্রণে থাকলে দ্রব মূল্যের দাম নিয়ন্ত্রণে থাকবে।’
রমনা পেট্রোল পাম্পের স্বাধিকারী ও বাংলাদেশ পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোহাম্মদ নাজমুল হক বলেন, ‘গতকাল (শনিবার) রাত ১২ টার পর থেকে জ্বালানি তেলের দাম আমরা সরকার নির্ধারিত মূল্যেই আমরা বিক্রি করতেছি। মোটরসাইকেল চালকরা এতে একটু বিরক্ত হচ্ছে। কিন্তু আমাদের কিছু করার নেই।’

দক্ষিণ এশিয়ায় কোন দেশে জ্বালানি তেলের দাম কত
ঢাকার যত্রতত্র বিলবোর্ড, বাড়ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি






