আফতাবনগর-বনশ্রীতে দৃষ্টিনন্দন স্টিল ফুটব্রিজ উদ্বোধন

আফতাবনগর-বনশ্রীতে দৃষ্টিনন্দন স্টিল ফুটব্রিজ উদ্বোধন
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর আফতাবনগর-বনশ্রী এলাকায় দৃষ্টিনন্দন ‘২ নম্বর স্টিল ফুটব্রিজ’ উদ্বোধন করা হয়েছে। ব্রিজটি স্থানীয় বাসিন্দা ও শিক্ষার্থীদের নিরাপদ যাতায়াত সহজ এবং যানজট নিরসন করবে। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) এক অনুষ্ঠানে ব্রিজটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান।
উদ্বোধনকালে ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, জনগণের উন্নয়নের জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যে প্রতিশ্রুতি দেন, তা সঠিক সময়ে বাস্তবায়ন করা হয়। আফতাবনগর-বনশ্রীর এই স্টিল ফুটব্রিজ তারই একটি প্রমাণ।
তিনি বলেন, দেশ ও জনগণের স্বার্থে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী কাজ করা হচ্ছে। আফতাবনগর-বনশ্রী এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ করা, স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত এবং যানজট নিরসনে তিনটি ব্রিজ নির্মাণের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী দ্রুত বাস্তবায়নের নির্দেশনা দেন। এরপর ডিএনসিসি তিনটি ব্রিজ নির্মাণের উদ্যোগ নেয়।
শফিকুল ইসলাম খান জানান, অন্য দুটি ব্রিজ নির্মাণে ভারী যন্ত্রপাতি বিদেশ থেকে জাহাজে করে আনার কারণে কিছুটা বিলম্ব হচ্ছিল। তবে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় দেশীয় যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে ২ নম্বর স্টিল ব্রিজের নির্মাণকাজ দ্রুত শেষ করা হয়েছে।
ব্রিজটির রক্ষণাবেক্ষণে এলাকাবাসীকেও দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, খালে যাতে কেউ ময়লা-আবর্জনা না ফেলে, সেদিকে সবাইকে খেয়াল রাখতে হবে। ডিএনসিসি খালটি পরিষ্কার ও সংস্কারের উদ্যোগ নেবে। খালটি পরিষ্কার, সংস্কার ও যথাযথভাবে রক্ষণাবেক্ষণ করা গেলে এ এলাকা পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠতে পারে।
প্রশাসক বলেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সহযোগিতায় অত্যন্ত দক্ষতার সাথে এই ফুটওভার ব্রিজের নির্মাণকাজ সম্পন্ন হয়েছে। মূল সড়কে যানজট নিরসন এবং এমআরটি প্রকল্পের কাজ চলাকালীন বিকল্প যাতায়াত ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে এই ব্রিজের পাশে আরও দুটি স্থায়ী ব্রিজের কাজ চলমান রয়েছে। এসব ব্রিজ দিয়ে ভারী যানবাহনও চলাচল করতে পারবে।
‘ক্লিন ঢাকা, গ্রিন ঢাকা’ গঠনের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে শফিকুল ইসলাম খান বলেন, শুধু গাছ লাগালেই শহর সুন্দর হবে না, পরিবেশ পরিষ্কার রাখাও জরুরি। আফতাবনগর ও বনশ্রীর বাসিন্দাদের পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে এবং ডিএনসিসির উন্নয়ন কাজে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান তিনি। পাশাপাশি নিয়মিত কর পরিশোধের জন্যও এলাকাবাসীর প্রতি আহ্বান জানান।
ডিএনসিসি সূত্রে জানা গেছে, সংস্থাটির অর্থায়নে নৌবাহিনীর তত্ত্বাবধানে মোট ৮৯ কোটি ৫৪ লাখ টাকা ব্যয়ে তিনটি ব্রিজ নির্মাণ করা হচ্ছে। প্রকল্পের আওতায় আইডিয়াল স্কুল সংলগ্ন ১ নম্বর ব্রিজটির প্রস্থ ১৫ দশমিক ৪০ মিটার ও দৈর্ঘ্য ৩৮ মিটার, ফরাজী হাসপাতাল সংলগ্ন ২ নম্বর ব্রিজটির প্রস্থ ৩ দশমিক ৮০ মিটার ও দৈর্ঘ্য ৪২ মিটার। আর মেরাদিয়া বাজার সংলগ্ন ৩ নম্বর ব্রিজটির প্রস্থ ১৫ দশমিক ৪০ মিটার ও দৈর্ঘ্য ৪৯ মিটার, যেটি আজ জনগণের চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হলো।
ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামানের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান প্রকৌশলী বিগ্রেডিয়ার জেনারেল মো. রাকিব হাসান, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা বিগ্রেডিয়ার জেনারেল ইমরুল কায়েস প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

রাজধানীর আফতাবনগর-বনশ্রী এলাকায় দৃষ্টিনন্দন ‘২ নম্বর স্টিল ফুটব্রিজ’ উদ্বোধন করা হয়েছে। ব্রিজটি স্থানীয় বাসিন্দা ও শিক্ষার্থীদের নিরাপদ যাতায়াত সহজ এবং যানজট নিরসন করবে। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) এক অনুষ্ঠানে ব্রিজটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান।
উদ্বোধনকালে ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, জনগণের উন্নয়নের জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যে প্রতিশ্রুতি দেন, তা সঠিক সময়ে বাস্তবায়ন করা হয়। আফতাবনগর-বনশ্রীর এই স্টিল ফুটব্রিজ তারই একটি প্রমাণ।
তিনি বলেন, দেশ ও জনগণের স্বার্থে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী কাজ করা হচ্ছে। আফতাবনগর-বনশ্রী এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ করা, স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত এবং যানজট নিরসনে তিনটি ব্রিজ নির্মাণের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী দ্রুত বাস্তবায়নের নির্দেশনা দেন। এরপর ডিএনসিসি তিনটি ব্রিজ নির্মাণের উদ্যোগ নেয়।
শফিকুল ইসলাম খান জানান, অন্য দুটি ব্রিজ নির্মাণে ভারী যন্ত্রপাতি বিদেশ থেকে জাহাজে করে আনার কারণে কিছুটা বিলম্ব হচ্ছিল। তবে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় দেশীয় যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে ২ নম্বর স্টিল ব্রিজের নির্মাণকাজ দ্রুত শেষ করা হয়েছে।
ব্রিজটির রক্ষণাবেক্ষণে এলাকাবাসীকেও দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, খালে যাতে কেউ ময়লা-আবর্জনা না ফেলে, সেদিকে সবাইকে খেয়াল রাখতে হবে। ডিএনসিসি খালটি পরিষ্কার ও সংস্কারের উদ্যোগ নেবে। খালটি পরিষ্কার, সংস্কার ও যথাযথভাবে রক্ষণাবেক্ষণ করা গেলে এ এলাকা পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠতে পারে।
প্রশাসক বলেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সহযোগিতায় অত্যন্ত দক্ষতার সাথে এই ফুটওভার ব্রিজের নির্মাণকাজ সম্পন্ন হয়েছে। মূল সড়কে যানজট নিরসন এবং এমআরটি প্রকল্পের কাজ চলাকালীন বিকল্প যাতায়াত ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে এই ব্রিজের পাশে আরও দুটি স্থায়ী ব্রিজের কাজ চলমান রয়েছে। এসব ব্রিজ দিয়ে ভারী যানবাহনও চলাচল করতে পারবে।
‘ক্লিন ঢাকা, গ্রিন ঢাকা’ গঠনের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে শফিকুল ইসলাম খান বলেন, শুধু গাছ লাগালেই শহর সুন্দর হবে না, পরিবেশ পরিষ্কার রাখাও জরুরি। আফতাবনগর ও বনশ্রীর বাসিন্দাদের পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে এবং ডিএনসিসির উন্নয়ন কাজে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান তিনি। পাশাপাশি নিয়মিত কর পরিশোধের জন্যও এলাকাবাসীর প্রতি আহ্বান জানান।
ডিএনসিসি সূত্রে জানা গেছে, সংস্থাটির অর্থায়নে নৌবাহিনীর তত্ত্বাবধানে মোট ৮৯ কোটি ৫৪ লাখ টাকা ব্যয়ে তিনটি ব্রিজ নির্মাণ করা হচ্ছে। প্রকল্পের আওতায় আইডিয়াল স্কুল সংলগ্ন ১ নম্বর ব্রিজটির প্রস্থ ১৫ দশমিক ৪০ মিটার ও দৈর্ঘ্য ৩৮ মিটার, ফরাজী হাসপাতাল সংলগ্ন ২ নম্বর ব্রিজটির প্রস্থ ৩ দশমিক ৮০ মিটার ও দৈর্ঘ্য ৪২ মিটার। আর মেরাদিয়া বাজার সংলগ্ন ৩ নম্বর ব্রিজটির প্রস্থ ১৫ দশমিক ৪০ মিটার ও দৈর্ঘ্য ৪৯ মিটার, যেটি আজ জনগণের চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হলো।
ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামানের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান প্রকৌশলী বিগ্রেডিয়ার জেনারেল মো. রাকিব হাসান, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা বিগ্রেডিয়ার জেনারেল ইমরুল কায়েস প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

আফতাবনগর-বনশ্রীতে দৃষ্টিনন্দন স্টিল ফুটব্রিজ উদ্বোধন
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর আফতাবনগর-বনশ্রী এলাকায় দৃষ্টিনন্দন ‘২ নম্বর স্টিল ফুটব্রিজ’ উদ্বোধন করা হয়েছে। ব্রিজটি স্থানীয় বাসিন্দা ও শিক্ষার্থীদের নিরাপদ যাতায়াত সহজ এবং যানজট নিরসন করবে। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) এক অনুষ্ঠানে ব্রিজটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান।
উদ্বোধনকালে ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, জনগণের উন্নয়নের জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যে প্রতিশ্রুতি দেন, তা সঠিক সময়ে বাস্তবায়ন করা হয়। আফতাবনগর-বনশ্রীর এই স্টিল ফুটব্রিজ তারই একটি প্রমাণ।
তিনি বলেন, দেশ ও জনগণের স্বার্থে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী কাজ করা হচ্ছে। আফতাবনগর-বনশ্রী এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ করা, স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত এবং যানজট নিরসনে তিনটি ব্রিজ নির্মাণের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী দ্রুত বাস্তবায়নের নির্দেশনা দেন। এরপর ডিএনসিসি তিনটি ব্রিজ নির্মাণের উদ্যোগ নেয়।
শফিকুল ইসলাম খান জানান, অন্য দুটি ব্রিজ নির্মাণে ভারী যন্ত্রপাতি বিদেশ থেকে জাহাজে করে আনার কারণে কিছুটা বিলম্ব হচ্ছিল। তবে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় দেশীয় যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে ২ নম্বর স্টিল ব্রিজের নির্মাণকাজ দ্রুত শেষ করা হয়েছে।
ব্রিজটির রক্ষণাবেক্ষণে এলাকাবাসীকেও দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, খালে যাতে কেউ ময়লা-আবর্জনা না ফেলে, সেদিকে সবাইকে খেয়াল রাখতে হবে। ডিএনসিসি খালটি পরিষ্কার ও সংস্কারের উদ্যোগ নেবে। খালটি পরিষ্কার, সংস্কার ও যথাযথভাবে রক্ষণাবেক্ষণ করা গেলে এ এলাকা পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠতে পারে।
প্রশাসক বলেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সহযোগিতায় অত্যন্ত দক্ষতার সাথে এই ফুটওভার ব্রিজের নির্মাণকাজ সম্পন্ন হয়েছে। মূল সড়কে যানজট নিরসন এবং এমআরটি প্রকল্পের কাজ চলাকালীন বিকল্প যাতায়াত ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে এই ব্রিজের পাশে আরও দুটি স্থায়ী ব্রিজের কাজ চলমান রয়েছে। এসব ব্রিজ দিয়ে ভারী যানবাহনও চলাচল করতে পারবে।
‘ক্লিন ঢাকা, গ্রিন ঢাকা’ গঠনের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে শফিকুল ইসলাম খান বলেন, শুধু গাছ লাগালেই শহর সুন্দর হবে না, পরিবেশ পরিষ্কার রাখাও জরুরি। আফতাবনগর ও বনশ্রীর বাসিন্দাদের পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে এবং ডিএনসিসির উন্নয়ন কাজে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান তিনি। পাশাপাশি নিয়মিত কর পরিশোধের জন্যও এলাকাবাসীর প্রতি আহ্বান জানান।
ডিএনসিসি সূত্রে জানা গেছে, সংস্থাটির অর্থায়নে নৌবাহিনীর তত্ত্বাবধানে মোট ৮৯ কোটি ৫৪ লাখ টাকা ব্যয়ে তিনটি ব্রিজ নির্মাণ করা হচ্ছে। প্রকল্পের আওতায় আইডিয়াল স্কুল সংলগ্ন ১ নম্বর ব্রিজটির প্রস্থ ১৫ দশমিক ৪০ মিটার ও দৈর্ঘ্য ৩৮ মিটার, ফরাজী হাসপাতাল সংলগ্ন ২ নম্বর ব্রিজটির প্রস্থ ৩ দশমিক ৮০ মিটার ও দৈর্ঘ্য ৪২ মিটার। আর মেরাদিয়া বাজার সংলগ্ন ৩ নম্বর ব্রিজটির প্রস্থ ১৫ দশমিক ৪০ মিটার ও দৈর্ঘ্য ৪৯ মিটার, যেটি আজ জনগণের চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হলো।
ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামানের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান প্রকৌশলী বিগ্রেডিয়ার জেনারেল মো. রাকিব হাসান, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা বিগ্রেডিয়ার জেনারেল ইমরুল কায়েস প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

৬০-৭০ শতাংশ এলাকায় লার্ভা, তবু ডেঙ্গু রোগী কম: ডিএনসিসি প্রশাসক







