ব্যক্তিগত গাড়ির ব্যবহার কমিয়ে বাসযোগ্য নগরী গড়ার দাবি পরিবেশবাদীদের

ব্যক্তিগত গাড়ির ব্যবহার কমিয়ে বাসযোগ্য নগরী গড়ার দাবি পরিবেশবাদীদের
বিশেষ প্রতিনিধি

ব্যক্তিগত গাড়ির ব্যবহার কমিয়ে হাঁটা, সাইকেল ও গণপরিবহনকে অগ্রাধিকার দিয়ে সমন্বিত পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলার দাবি জানিয়েছেন পরিবেশ, নগর ও নাগরিক অধিকার নিয়ে কাজ করা বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিরা।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) বিশ্ব ব্যক্তিগত গাড়িমুক্ত দিবস উপলক্ষে রাজধানীর ধানমণ্ডিতে আবাহনী মাঠের সামনে ‘কম গাড়ি, বাসযোগ্য নগরী’ শীর্ষক মানববন্ধনে এ কথা বলেন তারা।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, ব্যক্তিগত গাড়ির অপ্রয়োজনীয় ব্যবহার কমানো গেলে যানজট, জ্বালানি ব্যয় ও বায়ুদূষণ কমার পাশাপাশি নগরবাসীর জন্য নিরাপদ ও বাসযোগ্য পরিবেশ নিশ্চিত করা সম্ভব।
তারা বলেন, ঢাকার সড়কে প্রতিদিন ৪০ লাখের বেশি যানবাহন চলাচল করে। এর মধ্যে ব্যক্তিগত গাড়ির সংখ্যা ৫ থেকে ৭ শতাংশ হলেও সড়কের প্রায় ৭০ শতাংশ জায়গা এসব গাড়ি দখল করে। বিপরীতে নগরবাসীর প্রায় ৯০ শতাংশ গণপরিবহনের ওপর নির্ভরশীল। যানজটের কারণে ঢাকায় প্রতিবছর ৩ থেকে ৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের সমপরিমাণ অর্থ অপচয় হচ্ছে বলেও তারা উল্লেখ করেন।
বক্তারা বলেন, ঢাকায় প্রায় ৭৬ শতাংশ যাতায়াত দুই কিলোমিটারের মধ্যে সংঘটিত হয়। নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় হাঁটার পরিবেশ নিশ্চিত করা গেলে স্বল্প দূরত্বের অনেক যাতায়াতে ব্যক্তিগত গাড়ির ব্যবহার কমানো সম্ভব। একই সঙ্গে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির কারণে মানুষের যাতায়াত ও পারিবারিক ব্যয়ে যে চাপ তৈরি হয়েছে, তা কমাতেও গণপরিবহন, হাঁটা ও সাইকেলকে সহজলভ্য করা প্রয়োজন।
মানববন্ধন থেকে প্রশস্ত ও নিরাপদ ফুটপাত নির্মাণ ও রক্ষণাবেক্ষণ, নগর পরিকল্পনায় হাঁটা, সাইকেল ও গণপরিবহনকে অগ্রাধিকার, অবৈধ পার্কিং বন্ধ, সুরক্ষিত সাইকেল লেন ও পার্কিং হাব চালু এবং সাইকেল-শেয়ারিং ব্যবস্থা চালুর দাবি জানানো হয়।
একইসঙ্গে মানববন্ধনে স্কুল-কলেজে সাইকেল ব্যবহারে উৎসাহ দেওয়া, হাঁটা, সাইকেল, বাস, রেল ও নৌপথের মধ্যে সমন্বিত পরিবহন নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা এবং নারী, শিশু ও প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করার সুপারিশ করা হয়।
সমাবেশে প্রত্যাশা মাদকবিরোধী সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক হেলাল আহমেদের সভাপতিত্বে সমাবেশে গ্রিন ভয়েসের সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির সুমন, সাইকেল লেন বাস্তবায়ন পরিষদের সভাপতি আমিনুল ইসলাম টুব্বুস, ওয়ার্ক ফর এ বেটার বাংলাদেশ ট্রাস্টের পরিচালক গাউস পিয়ারী, হেড অব প্রগ্রাম সৈয়দা অনন্যা রহমান, প্রজেক্ট ম্যানেজার নাঈমা আকতার, দৃষ্টি প্রতিবন্ধী উন্নয়ন সংস্থার নির্বাহী পরিচালক মাধব চন্দ্র সরকার, সাইকেলার্স অব বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট সিফাত হারুনসহ বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিরা বক্তব্য দেন।

ব্যক্তিগত গাড়ির ব্যবহার কমিয়ে হাঁটা, সাইকেল ও গণপরিবহনকে অগ্রাধিকার দিয়ে সমন্বিত পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলার দাবি জানিয়েছেন পরিবেশ, নগর ও নাগরিক অধিকার নিয়ে কাজ করা বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিরা।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) বিশ্ব ব্যক্তিগত গাড়িমুক্ত দিবস উপলক্ষে রাজধানীর ধানমণ্ডিতে আবাহনী মাঠের সামনে ‘কম গাড়ি, বাসযোগ্য নগরী’ শীর্ষক মানববন্ধনে এ কথা বলেন তারা।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, ব্যক্তিগত গাড়ির অপ্রয়োজনীয় ব্যবহার কমানো গেলে যানজট, জ্বালানি ব্যয় ও বায়ুদূষণ কমার পাশাপাশি নগরবাসীর জন্য নিরাপদ ও বাসযোগ্য পরিবেশ নিশ্চিত করা সম্ভব।
তারা বলেন, ঢাকার সড়কে প্রতিদিন ৪০ লাখের বেশি যানবাহন চলাচল করে। এর মধ্যে ব্যক্তিগত গাড়ির সংখ্যা ৫ থেকে ৭ শতাংশ হলেও সড়কের প্রায় ৭০ শতাংশ জায়গা এসব গাড়ি দখল করে। বিপরীতে নগরবাসীর প্রায় ৯০ শতাংশ গণপরিবহনের ওপর নির্ভরশীল। যানজটের কারণে ঢাকায় প্রতিবছর ৩ থেকে ৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের সমপরিমাণ অর্থ অপচয় হচ্ছে বলেও তারা উল্লেখ করেন।
বক্তারা বলেন, ঢাকায় প্রায় ৭৬ শতাংশ যাতায়াত দুই কিলোমিটারের মধ্যে সংঘটিত হয়। নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় হাঁটার পরিবেশ নিশ্চিত করা গেলে স্বল্প দূরত্বের অনেক যাতায়াতে ব্যক্তিগত গাড়ির ব্যবহার কমানো সম্ভব। একই সঙ্গে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির কারণে মানুষের যাতায়াত ও পারিবারিক ব্যয়ে যে চাপ তৈরি হয়েছে, তা কমাতেও গণপরিবহন, হাঁটা ও সাইকেলকে সহজলভ্য করা প্রয়োজন।
মানববন্ধন থেকে প্রশস্ত ও নিরাপদ ফুটপাত নির্মাণ ও রক্ষণাবেক্ষণ, নগর পরিকল্পনায় হাঁটা, সাইকেল ও গণপরিবহনকে অগ্রাধিকার, অবৈধ পার্কিং বন্ধ, সুরক্ষিত সাইকেল লেন ও পার্কিং হাব চালু এবং সাইকেল-শেয়ারিং ব্যবস্থা চালুর দাবি জানানো হয়।
একইসঙ্গে মানববন্ধনে স্কুল-কলেজে সাইকেল ব্যবহারে উৎসাহ দেওয়া, হাঁটা, সাইকেল, বাস, রেল ও নৌপথের মধ্যে সমন্বিত পরিবহন নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা এবং নারী, শিশু ও প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করার সুপারিশ করা হয়।
সমাবেশে প্রত্যাশা মাদকবিরোধী সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক হেলাল আহমেদের সভাপতিত্বে সমাবেশে গ্রিন ভয়েসের সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির সুমন, সাইকেল লেন বাস্তবায়ন পরিষদের সভাপতি আমিনুল ইসলাম টুব্বুস, ওয়ার্ক ফর এ বেটার বাংলাদেশ ট্রাস্টের পরিচালক গাউস পিয়ারী, হেড অব প্রগ্রাম সৈয়দা অনন্যা রহমান, প্রজেক্ট ম্যানেজার নাঈমা আকতার, দৃষ্টি প্রতিবন্ধী উন্নয়ন সংস্থার নির্বাহী পরিচালক মাধব চন্দ্র সরকার, সাইকেলার্স অব বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট সিফাত হারুনসহ বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিরা বক্তব্য দেন।

ব্যক্তিগত গাড়ির ব্যবহার কমিয়ে বাসযোগ্য নগরী গড়ার দাবি পরিবেশবাদীদের
বিশেষ প্রতিনিধি

ব্যক্তিগত গাড়ির ব্যবহার কমিয়ে হাঁটা, সাইকেল ও গণপরিবহনকে অগ্রাধিকার দিয়ে সমন্বিত পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলার দাবি জানিয়েছেন পরিবেশ, নগর ও নাগরিক অধিকার নিয়ে কাজ করা বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিরা।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) বিশ্ব ব্যক্তিগত গাড়িমুক্ত দিবস উপলক্ষে রাজধানীর ধানমণ্ডিতে আবাহনী মাঠের সামনে ‘কম গাড়ি, বাসযোগ্য নগরী’ শীর্ষক মানববন্ধনে এ কথা বলেন তারা।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, ব্যক্তিগত গাড়ির অপ্রয়োজনীয় ব্যবহার কমানো গেলে যানজট, জ্বালানি ব্যয় ও বায়ুদূষণ কমার পাশাপাশি নগরবাসীর জন্য নিরাপদ ও বাসযোগ্য পরিবেশ নিশ্চিত করা সম্ভব।
তারা বলেন, ঢাকার সড়কে প্রতিদিন ৪০ লাখের বেশি যানবাহন চলাচল করে। এর মধ্যে ব্যক্তিগত গাড়ির সংখ্যা ৫ থেকে ৭ শতাংশ হলেও সড়কের প্রায় ৭০ শতাংশ জায়গা এসব গাড়ি দখল করে। বিপরীতে নগরবাসীর প্রায় ৯০ শতাংশ গণপরিবহনের ওপর নির্ভরশীল। যানজটের কারণে ঢাকায় প্রতিবছর ৩ থেকে ৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের সমপরিমাণ অর্থ অপচয় হচ্ছে বলেও তারা উল্লেখ করেন।
বক্তারা বলেন, ঢাকায় প্রায় ৭৬ শতাংশ যাতায়াত দুই কিলোমিটারের মধ্যে সংঘটিত হয়। নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় হাঁটার পরিবেশ নিশ্চিত করা গেলে স্বল্প দূরত্বের অনেক যাতায়াতে ব্যক্তিগত গাড়ির ব্যবহার কমানো সম্ভব। একই সঙ্গে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির কারণে মানুষের যাতায়াত ও পারিবারিক ব্যয়ে যে চাপ তৈরি হয়েছে, তা কমাতেও গণপরিবহন, হাঁটা ও সাইকেলকে সহজলভ্য করা প্রয়োজন।
মানববন্ধন থেকে প্রশস্ত ও নিরাপদ ফুটপাত নির্মাণ ও রক্ষণাবেক্ষণ, নগর পরিকল্পনায় হাঁটা, সাইকেল ও গণপরিবহনকে অগ্রাধিকার, অবৈধ পার্কিং বন্ধ, সুরক্ষিত সাইকেল লেন ও পার্কিং হাব চালু এবং সাইকেল-শেয়ারিং ব্যবস্থা চালুর দাবি জানানো হয়।
একইসঙ্গে মানববন্ধনে স্কুল-কলেজে সাইকেল ব্যবহারে উৎসাহ দেওয়া, হাঁটা, সাইকেল, বাস, রেল ও নৌপথের মধ্যে সমন্বিত পরিবহন নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা এবং নারী, শিশু ও প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করার সুপারিশ করা হয়।
সমাবেশে প্রত্যাশা মাদকবিরোধী সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক হেলাল আহমেদের সভাপতিত্বে সমাবেশে গ্রিন ভয়েসের সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির সুমন, সাইকেল লেন বাস্তবায়ন পরিষদের সভাপতি আমিনুল ইসলাম টুব্বুস, ওয়ার্ক ফর এ বেটার বাংলাদেশ ট্রাস্টের পরিচালক গাউস পিয়ারী, হেড অব প্রগ্রাম সৈয়দা অনন্যা রহমান, প্রজেক্ট ম্যানেজার নাঈমা আকতার, দৃষ্টি প্রতিবন্ধী উন্নয়ন সংস্থার নির্বাহী পরিচালক মাধব চন্দ্র সরকার, সাইকেলার্স অব বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট সিফাত হারুনসহ বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিরা বক্তব্য দেন।

বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতা, ঢাকার সড়কে তীব্র যানজট







