সরকারি বাসা এখন থেকে বরাদ্দ হবে অনলাইনে

সরকারি বাসা এখন থেকে বরাদ্দ হবে অনলাইনে
নিজস্ব প্রতিবেদক

এখন থেকে অনলাইনে সরকারি বাসা বরাদ্দ দেওয়া হবে। গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অধীন সরকারি আবাসন পরিদপ্তর বাসা বরাদ্দের জন্য এই অনলাইন পদ্ধতি চালু করেছে।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) সচিবালয়ে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনলাইন বাসা বরাদ্দের ফলাফল কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।
অনলাইনে বাসা বরাদ্দের কার্যক্রম উদ্বোধন করেন গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের। অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, দেশে সুশাসন, স্বচ্ছতা ও নাগরিক সেবা সহজ করা সরকারের অঙ্গীকার। মন্ত্রণালয়ের সার্বিক কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও সুশাসন নিশ্চিত করার অংশ হিসেবে সরকারি আবাসন পরিদপ্তরের বাসা বরাদ্দ প্রক্রিয়াকে সহজ, দ্রুত ও জনবান্ধব করতে অনলাইনে বরাদ্দের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ সেপ্টেম্বর অনলাইনে বাসা বরাদ্দের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। আবেদন গ্রহণ করা হয় ১৬ থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। আবেদন যাচাই-বাছাই শেষে এখন অনলাইনে বরাদ্দের ফলাফল প্রকাশের কার্যক্রম শুরু হলো।
প্রথম দফায় বিভিন্ন শ্রেণির ৫৪টি শূন্য বাসার বিপরীতে আবেদন পড়েছে ৫৯৬টি। এসব আবেদন যাচাই-বাছাই করে ৩৪২টি গ্রহণযোগ্য বিবেচিত হয়েছে। প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণ না করায় বাতিল হয়েছে ২৫৪টি আবেদন।
সরকারি আবাসন পরিদপ্তর সরকারি কর্মচারীদের আবাসনের জন্য বাসা বরাদ্দ দিয়ে থাকে। পরিদপ্তরের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ঢাকা শহরে কর্মরত সরকারি কর্মচারীর সংখ্যা ২ লাখ ২২ হাজার। এর বিপরীতে সরকারি বাসা রয়েছে ২১ হাজার। ফলে সরকারি বাসার চাহিদা অনেক বেশি।
সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, অনলাইনে বাসা বরাদ্দের প্রযুক্তিগত সক্ষমতা ২০২১ সাল থেকেই পরিদপ্তরের ছিল। তবে বিভিন্ন চাপ ও অসাধু চক্রের বাধার কারণে এত দিন তা বাস্তবায়ন করা যায়নি। এখন অনলাইন পদ্ধতি চালু হওয়ায় বাসা বরাদ্দে অনিয়মের সুযোগ কমবে।
সরকারি কর্মচারীদের গ্রেড অনুযায়ী বিভিন্ন শ্রেণির বাসা বরাদ্দ দেওয়া হয়। সচিব ভবনে গ্রেড-১ ও সচিব পর্যায়ের কর্মকর্তাদের জন্য ১১৪টি ফ্ল্যাট রয়েছে। এ ছাড়া বিভিন্ন গ্রেডের কর্মচারীদের জন্য সুপিরিয়র, এফ, ই, ডি-১ ও ডি-২ শ্রেণিসহ বিভিন্ন শ্রেণির বাসা রয়েছে।
বাসা বরাদ্দের পুরো প্রক্রিয়া অনলাইনে নেওয়াকে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। এর ফলে বরাদ্দপ্রত্যাশীরা সহজেই অনলাইনে ফলাফল জানতে পারবেন। ফলাফল জানতে সময় ও ভোগান্তি কমার পাশাপাশি বরাদ্দ কার্যক্রমে স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও তথ্যপ্রাপ্তির সুযোগ বাড়বে বলে আশা করছে কর্তৃপক্ষ।
অনুষ্ঠানে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মনজুর, মন্ত্রণালয়ের সচিব ওবায়দুর রহমান, অতিরিক্ত সচিব আবদুল মতিন এবং সরকারি আবাসন পরিদপ্তরের পরিচালক জহিরুল ইসলাম খান উপস্থিত ছিলেন।

এখন থেকে অনলাইনে সরকারি বাসা বরাদ্দ দেওয়া হবে। গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অধীন সরকারি আবাসন পরিদপ্তর বাসা বরাদ্দের জন্য এই অনলাইন পদ্ধতি চালু করেছে।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) সচিবালয়ে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনলাইন বাসা বরাদ্দের ফলাফল কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।
অনলাইনে বাসা বরাদ্দের কার্যক্রম উদ্বোধন করেন গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের। অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, দেশে সুশাসন, স্বচ্ছতা ও নাগরিক সেবা সহজ করা সরকারের অঙ্গীকার। মন্ত্রণালয়ের সার্বিক কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও সুশাসন নিশ্চিত করার অংশ হিসেবে সরকারি আবাসন পরিদপ্তরের বাসা বরাদ্দ প্রক্রিয়াকে সহজ, দ্রুত ও জনবান্ধব করতে অনলাইনে বরাদ্দের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ সেপ্টেম্বর অনলাইনে বাসা বরাদ্দের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। আবেদন গ্রহণ করা হয় ১৬ থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। আবেদন যাচাই-বাছাই শেষে এখন অনলাইনে বরাদ্দের ফলাফল প্রকাশের কার্যক্রম শুরু হলো।
প্রথম দফায় বিভিন্ন শ্রেণির ৫৪টি শূন্য বাসার বিপরীতে আবেদন পড়েছে ৫৯৬টি। এসব আবেদন যাচাই-বাছাই করে ৩৪২টি গ্রহণযোগ্য বিবেচিত হয়েছে। প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণ না করায় বাতিল হয়েছে ২৫৪টি আবেদন।
সরকারি আবাসন পরিদপ্তর সরকারি কর্মচারীদের আবাসনের জন্য বাসা বরাদ্দ দিয়ে থাকে। পরিদপ্তরের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ঢাকা শহরে কর্মরত সরকারি কর্মচারীর সংখ্যা ২ লাখ ২২ হাজার। এর বিপরীতে সরকারি বাসা রয়েছে ২১ হাজার। ফলে সরকারি বাসার চাহিদা অনেক বেশি।
সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, অনলাইনে বাসা বরাদ্দের প্রযুক্তিগত সক্ষমতা ২০২১ সাল থেকেই পরিদপ্তরের ছিল। তবে বিভিন্ন চাপ ও অসাধু চক্রের বাধার কারণে এত দিন তা বাস্তবায়ন করা যায়নি। এখন অনলাইন পদ্ধতি চালু হওয়ায় বাসা বরাদ্দে অনিয়মের সুযোগ কমবে।
সরকারি কর্মচারীদের গ্রেড অনুযায়ী বিভিন্ন শ্রেণির বাসা বরাদ্দ দেওয়া হয়। সচিব ভবনে গ্রেড-১ ও সচিব পর্যায়ের কর্মকর্তাদের জন্য ১১৪টি ফ্ল্যাট রয়েছে। এ ছাড়া বিভিন্ন গ্রেডের কর্মচারীদের জন্য সুপিরিয়র, এফ, ই, ডি-১ ও ডি-২ শ্রেণিসহ বিভিন্ন শ্রেণির বাসা রয়েছে।
বাসা বরাদ্দের পুরো প্রক্রিয়া অনলাইনে নেওয়াকে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। এর ফলে বরাদ্দপ্রত্যাশীরা সহজেই অনলাইনে ফলাফল জানতে পারবেন। ফলাফল জানতে সময় ও ভোগান্তি কমার পাশাপাশি বরাদ্দ কার্যক্রমে স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও তথ্যপ্রাপ্তির সুযোগ বাড়বে বলে আশা করছে কর্তৃপক্ষ।
অনুষ্ঠানে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মনজুর, মন্ত্রণালয়ের সচিব ওবায়দুর রহমান, অতিরিক্ত সচিব আবদুল মতিন এবং সরকারি আবাসন পরিদপ্তরের পরিচালক জহিরুল ইসলাম খান উপস্থিত ছিলেন।

সরকারি বাসা এখন থেকে বরাদ্দ হবে অনলাইনে
নিজস্ব প্রতিবেদক

এখন থেকে অনলাইনে সরকারি বাসা বরাদ্দ দেওয়া হবে। গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অধীন সরকারি আবাসন পরিদপ্তর বাসা বরাদ্দের জন্য এই অনলাইন পদ্ধতি চালু করেছে।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) সচিবালয়ে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনলাইন বাসা বরাদ্দের ফলাফল কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।
অনলাইনে বাসা বরাদ্দের কার্যক্রম উদ্বোধন করেন গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের। অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, দেশে সুশাসন, স্বচ্ছতা ও নাগরিক সেবা সহজ করা সরকারের অঙ্গীকার। মন্ত্রণালয়ের সার্বিক কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও সুশাসন নিশ্চিত করার অংশ হিসেবে সরকারি আবাসন পরিদপ্তরের বাসা বরাদ্দ প্রক্রিয়াকে সহজ, দ্রুত ও জনবান্ধব করতে অনলাইনে বরাদ্দের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ সেপ্টেম্বর অনলাইনে বাসা বরাদ্দের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। আবেদন গ্রহণ করা হয় ১৬ থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। আবেদন যাচাই-বাছাই শেষে এখন অনলাইনে বরাদ্দের ফলাফল প্রকাশের কার্যক্রম শুরু হলো।
প্রথম দফায় বিভিন্ন শ্রেণির ৫৪টি শূন্য বাসার বিপরীতে আবেদন পড়েছে ৫৯৬টি। এসব আবেদন যাচাই-বাছাই করে ৩৪২টি গ্রহণযোগ্য বিবেচিত হয়েছে। প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণ না করায় বাতিল হয়েছে ২৫৪টি আবেদন।
সরকারি আবাসন পরিদপ্তর সরকারি কর্মচারীদের আবাসনের জন্য বাসা বরাদ্দ দিয়ে থাকে। পরিদপ্তরের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ঢাকা শহরে কর্মরত সরকারি কর্মচারীর সংখ্যা ২ লাখ ২২ হাজার। এর বিপরীতে সরকারি বাসা রয়েছে ২১ হাজার। ফলে সরকারি বাসার চাহিদা অনেক বেশি।
সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, অনলাইনে বাসা বরাদ্দের প্রযুক্তিগত সক্ষমতা ২০২১ সাল থেকেই পরিদপ্তরের ছিল। তবে বিভিন্ন চাপ ও অসাধু চক্রের বাধার কারণে এত দিন তা বাস্তবায়ন করা যায়নি। এখন অনলাইন পদ্ধতি চালু হওয়ায় বাসা বরাদ্দে অনিয়মের সুযোগ কমবে।
সরকারি কর্মচারীদের গ্রেড অনুযায়ী বিভিন্ন শ্রেণির বাসা বরাদ্দ দেওয়া হয়। সচিব ভবনে গ্রেড-১ ও সচিব পর্যায়ের কর্মকর্তাদের জন্য ১১৪টি ফ্ল্যাট রয়েছে। এ ছাড়া বিভিন্ন গ্রেডের কর্মচারীদের জন্য সুপিরিয়র, এফ, ই, ডি-১ ও ডি-২ শ্রেণিসহ বিভিন্ন শ্রেণির বাসা রয়েছে।
বাসা বরাদ্দের পুরো প্রক্রিয়া অনলাইনে নেওয়াকে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। এর ফলে বরাদ্দপ্রত্যাশীরা সহজেই অনলাইনে ফলাফল জানতে পারবেন। ফলাফল জানতে সময় ও ভোগান্তি কমার পাশাপাশি বরাদ্দ কার্যক্রমে স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও তথ্যপ্রাপ্তির সুযোগ বাড়বে বলে আশা করছে কর্তৃপক্ষ।
অনুষ্ঠানে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মনজুর, মন্ত্রণালয়ের সচিব ওবায়দুর রহমান, অতিরিক্ত সচিব আবদুল মতিন এবং সরকারি আবাসন পরিদপ্তরের পরিচালক জহিরুল ইসলাম খান উপস্থিত ছিলেন।









