আফগান-দুর্গ ভাঙতে পারেনি বাংলাদেশ, নাটক জমিয়ে করলো ড্র

আফগান-দুর্গ ভাঙতে পারেনি বাংলাদেশ, নাটক জমিয়ে করলো ড্র
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

আবুধাবি টেস্টে আজ মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) পঞ্চম দিনের খেলায় তখন আফগানিস্তানের বিপক্ষে জিততে ৩ উইকেট দরকার ছিল বাংলাদেশ দলের। পানি পানের বিরতির পর অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ঘুরিয়ে ফিরিয়ে বল করালেন।
ইনিংসের ১৩১তম ওভারে মেহেদী হাসান মিরাজ আউট করলেন ইয়ামিন আহমাদজাইকে (১৯)। তিনি খেলেলেন ৮৫ বল। ঘড়ির কাটায় যখন দেখালো আরও ১০ মিনিট সময় আছে ম্যাচের। পায়ে টান লাগার ‘অভিনয়’ করলেন কাইস আহমেদ। ধারাভাষ্যকাররাও বলছিলেন কায়েসের আসলেই টান লেগেছে তো!
সেই নটকের পর তাইজুলের ওভারটি সামলে নিলেন কাইস। মিরাজও করলেন আরও এক ওভার, কাজ হলো না। এরপরই ছিল দিনের শেষ ওভার। তাইজুলের করা ওভারটিতে দুটি ছক্কাও মারলেন কাইস। ওই ওভারটি সামলে ড্র নিয়েই মাঠ ছাড়লো আফগানিস্তান।
শেষ দিনে আফগানিস্তানের হাতে ছিল ৭ উইকেট। জয়ের জন্য লাগতো ৩৪৭ রান। রেকর্ডবুকে লেখা থাকবে বাংলাদেশ-আফগানিস্তান ম্যাচটি ড্র হয়েছে। আফগানিস্তান জয়ের জন্য খেলেনি। সেটা খেলার কথাও ছিল না। ড্রর জন্য খেলে শেষ পর্যন্ত ড্র করেই মাঠ ছেড়েছে আফগানিস্তান। শেষ দিনে দলটি উইকেট হারিয়েছে ৫টি। দিনের খেলা শেষ করেছে ৮ উইকেটে ৩৪৬ রান নিয়ে। ব্যাট করেছে ১৪২ ওভার।
এশিয়ায় চতুর্থ ইনিংসে সবচেয়ে বেশি ওভার খেলে টেস্ট ড্র করার তালিকায় আফগানিস্তানের এই ড্র এখন তৃতীয় (১৪২ ওভার)।
বাংলাদেশের সামনে জয়ের সুযোগ ছিল। তবে শেষ ঘণ্টায় চাপটা নিতে পারেননি বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা। পর পর দুই রানআউট মিস, হাসানের সহজ ক্যাচ মিস এরই প্রমাণ।
সেদিকুল্লাহ আতালের সেঞ্চুরি করেন। প্রথমবার টেস্ট সেঞ্চুরি করা আতাল ৩৩২ বলে ১১১ রান করেন। তার ইনিংসে ছিল ৯ চার ও ৩ ছক্কা। ৮০ বলে ৪৯ রানে অপরাজিত থাকেন কাইস। ৬০ বল খেলে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন ইসমত আলম।
আফগানিস্তানের দ্বিতীয় ইনিংসে ৩টি করে উইকেট নেন এবাদত হোসেন ও মেহেদী হাসান মিরাজ। দুই ইনিংসেই পঞ্চাশোর্ধ (৫৩ ও ১০২) ইনিংস খেলে ম্যাচসেরা হয়েছেন লিটন দাস।

আবুধাবি টেস্টে আজ মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) পঞ্চম দিনের খেলায় তখন আফগানিস্তানের বিপক্ষে জিততে ৩ উইকেট দরকার ছিল বাংলাদেশ দলের। পানি পানের বিরতির পর অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ঘুরিয়ে ফিরিয়ে বল করালেন।
ইনিংসের ১৩১তম ওভারে মেহেদী হাসান মিরাজ আউট করলেন ইয়ামিন আহমাদজাইকে (১৯)। তিনি খেলেলেন ৮৫ বল। ঘড়ির কাটায় যখন দেখালো আরও ১০ মিনিট সময় আছে ম্যাচের। পায়ে টান লাগার ‘অভিনয়’ করলেন কাইস আহমেদ। ধারাভাষ্যকাররাও বলছিলেন কায়েসের আসলেই টান লেগেছে তো!
সেই নটকের পর তাইজুলের ওভারটি সামলে নিলেন কাইস। মিরাজও করলেন আরও এক ওভার, কাজ হলো না। এরপরই ছিল দিনের শেষ ওভার। তাইজুলের করা ওভারটিতে দুটি ছক্কাও মারলেন কাইস। ওই ওভারটি সামলে ড্র নিয়েই মাঠ ছাড়লো আফগানিস্তান।
শেষ দিনে আফগানিস্তানের হাতে ছিল ৭ উইকেট। জয়ের জন্য লাগতো ৩৪৭ রান। রেকর্ডবুকে লেখা থাকবে বাংলাদেশ-আফগানিস্তান ম্যাচটি ড্র হয়েছে। আফগানিস্তান জয়ের জন্য খেলেনি। সেটা খেলার কথাও ছিল না। ড্রর জন্য খেলে শেষ পর্যন্ত ড্র করেই মাঠ ছেড়েছে আফগানিস্তান। শেষ দিনে দলটি উইকেট হারিয়েছে ৫টি। দিনের খেলা শেষ করেছে ৮ উইকেটে ৩৪৬ রান নিয়ে। ব্যাট করেছে ১৪২ ওভার।
এশিয়ায় চতুর্থ ইনিংসে সবচেয়ে বেশি ওভার খেলে টেস্ট ড্র করার তালিকায় আফগানিস্তানের এই ড্র এখন তৃতীয় (১৪২ ওভার)।
বাংলাদেশের সামনে জয়ের সুযোগ ছিল। তবে শেষ ঘণ্টায় চাপটা নিতে পারেননি বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা। পর পর দুই রানআউট মিস, হাসানের সহজ ক্যাচ মিস এরই প্রমাণ।
সেদিকুল্লাহ আতালের সেঞ্চুরি করেন। প্রথমবার টেস্ট সেঞ্চুরি করা আতাল ৩৩২ বলে ১১১ রান করেন। তার ইনিংসে ছিল ৯ চার ও ৩ ছক্কা। ৮০ বলে ৪৯ রানে অপরাজিত থাকেন কাইস। ৬০ বল খেলে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন ইসমত আলম।
আফগানিস্তানের দ্বিতীয় ইনিংসে ৩টি করে উইকেট নেন এবাদত হোসেন ও মেহেদী হাসান মিরাজ। দুই ইনিংসেই পঞ্চাশোর্ধ (৫৩ ও ১০২) ইনিংস খেলে ম্যাচসেরা হয়েছেন লিটন দাস।

আফগান-দুর্গ ভাঙতে পারেনি বাংলাদেশ, নাটক জমিয়ে করলো ড্র
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

আবুধাবি টেস্টে আজ মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) পঞ্চম দিনের খেলায় তখন আফগানিস্তানের বিপক্ষে জিততে ৩ উইকেট দরকার ছিল বাংলাদেশ দলের। পানি পানের বিরতির পর অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ঘুরিয়ে ফিরিয়ে বল করালেন।
ইনিংসের ১৩১তম ওভারে মেহেদী হাসান মিরাজ আউট করলেন ইয়ামিন আহমাদজাইকে (১৯)। তিনি খেলেলেন ৮৫ বল। ঘড়ির কাটায় যখন দেখালো আরও ১০ মিনিট সময় আছে ম্যাচের। পায়ে টান লাগার ‘অভিনয়’ করলেন কাইস আহমেদ। ধারাভাষ্যকাররাও বলছিলেন কায়েসের আসলেই টান লেগেছে তো!
সেই নটকের পর তাইজুলের ওভারটি সামলে নিলেন কাইস। মিরাজও করলেন আরও এক ওভার, কাজ হলো না। এরপরই ছিল দিনের শেষ ওভার। তাইজুলের করা ওভারটিতে দুটি ছক্কাও মারলেন কাইস। ওই ওভারটি সামলে ড্র নিয়েই মাঠ ছাড়লো আফগানিস্তান।
শেষ দিনে আফগানিস্তানের হাতে ছিল ৭ উইকেট। জয়ের জন্য লাগতো ৩৪৭ রান। রেকর্ডবুকে লেখা থাকবে বাংলাদেশ-আফগানিস্তান ম্যাচটি ড্র হয়েছে। আফগানিস্তান জয়ের জন্য খেলেনি। সেটা খেলার কথাও ছিল না। ড্রর জন্য খেলে শেষ পর্যন্ত ড্র করেই মাঠ ছেড়েছে আফগানিস্তান। শেষ দিনে দলটি উইকেট হারিয়েছে ৫টি। দিনের খেলা শেষ করেছে ৮ উইকেটে ৩৪৬ রান নিয়ে। ব্যাট করেছে ১৪২ ওভার।
এশিয়ায় চতুর্থ ইনিংসে সবচেয়ে বেশি ওভার খেলে টেস্ট ড্র করার তালিকায় আফগানিস্তানের এই ড্র এখন তৃতীয় (১৪২ ওভার)।
বাংলাদেশের সামনে জয়ের সুযোগ ছিল। তবে শেষ ঘণ্টায় চাপটা নিতে পারেননি বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা। পর পর দুই রানআউট মিস, হাসানের সহজ ক্যাচ মিস এরই প্রমাণ।
সেদিকুল্লাহ আতালের সেঞ্চুরি করেন। প্রথমবার টেস্ট সেঞ্চুরি করা আতাল ৩৩২ বলে ১১১ রান করেন। তার ইনিংসে ছিল ৯ চার ও ৩ ছক্কা। ৮০ বলে ৪৯ রানে অপরাজিত থাকেন কাইস। ৬০ বল খেলে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন ইসমত আলম।
আফগানিস্তানের দ্বিতীয় ইনিংসে ৩টি করে উইকেট নেন এবাদত হোসেন ও মেহেদী হাসান মিরাজ। দুই ইনিংসেই পঞ্চাশোর্ধ (৫৩ ও ১০২) ইনিংস খেলে ম্যাচসেরা হয়েছেন লিটন দাস।

বিশ্বকাপের টিকিটের জন্য ১২ দিনে দেড় কোটি আবেদন







