জামায়াতের মতো অভিশপ্ত দল থাকলে দেশে শান্তি আসবে না: রাশেদ খাঁন

জামায়াতের মতো অভিশপ্ত দল থাকলে দেশে শান্তি আসবে না: রাশেদ খাঁন
নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন বলেছেন, ১৬ বছরে তৈরি হওয়া পতিত স্বৈরাচারের দোসরদের আশকারা দিয়ে মাঠে সক্রিয় করছে জামায়াত-এনসিপি। ক্ষমতা দখলের স্বার্থে এরা গণহত্যাকারী আওয়ামীলীগকেও নরমালাইজ করছে! এজন্য মানুষ বলে, জামায়াতের মত একটা অভিশপ্ত রাজনৈতিক দল যে দেশে আছে, সে দেশে কখনো শান্তি আসবে না!
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) নিজের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এ কথা বলেন তিনি।
পোস্টে রাশেদ খাঁন লিখেন, মাশরাফি বিন মর্তুজা গত ২০২৪ ও ২০২৫ সালে শেখ হাসিনার জন্মদিনে কোন পোস্ট করেনি, ২০২৬ সালে এসে শুভেচ্ছা জানিয়ে পোস্ট করেছে! ২০২৪ ও ২০২৫ সাল পর্যন্ত যেসকল আওয়ামী দোসররা চুপচাপ ছিলো, তারা এখন সক্রিয় হতে শুরু করেছে।
তিনি লিখেন, ১৬ বছর ধরে প্রশাসন থেকে শুরু করে সর্বত্র ফ্যাসিবাদ কায়েমের নিমিত্ত শেখ হাসিনা যাদের তৈরি করেছিলো, তারা গত ২ টা বছর ঘাপটি মেরে থাকলেও এখন বেশ সক্রিয় হতে শুরু করেছে। ক্যান্টনমেন্ট থানার সাবেক ওসি রাকিবুল তার একটি ছোট্ট উদাহরণ।
এতোবড় গণহত্যার পরেও কেন আওয়ামীলীগ ফিরে আসার সাহস দেখাচ্ছে? এর মূল কারণটা বর্তমান বিরোধীদল জামায়াত-এনসিপি রাষ্ট্রকে অশান্ত করার ঠিকাদারি গ্রহণ করেছে। লংমার্চ থেকে ডিসেম্বরে সরকার পতনের আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছে।
রাশেদ খাঁন লিখেন, বিরোধীদলের এমন হঠকারী সিদ্ধান্তের সুযোগ নিয়ে বাসে-ট্রেনে আগুন দেওয়া, ককটেল বিস্ফোরণ ও ঝটিলা মিছিল শুরু করেছে ফ্যাসিস্ট আওয়ামীলীগ। জামায়াত-এনসিপি আওয়ামীলীগের আগুন সন্ত্রাসকে প্রশ্রয় দিয়ে বলছে, ১১ দলের দাবি মানলে আর ককটেল ফুটবে না! এভাবে জামায়াত-এনসিপির আশকারায় প্রশাসন থেকে শুরু করে যেসকল জায়গায় আওয়ামী দোসররা ঘাপটি মেরে বসে ছিলো, তারা বেশ সক্রিয় হতে শুরু করেছে।
তিনি লিখেন, সব মিলিয়ে একটা ফ্যাসিস্ট এবং আরেকটা হঠকারী বিরোধীদলের অপতৎপরতা ও ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে দেশ চালাতে হচ্ছে বিএনপি সরকারকে। সম্প্রতি রাড্ডা ক্লিনিক ও নিউ গিনি প্রোপার্টিজে হামলা সরকারের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক ষড়যন্ত্রের অংশ। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সফলভাবে জাতিসংঘ সফর শেষ করে দেশে ফেরার পর এসংক্রান্ত আলোচনা হওয়ার কথা। কিন্তু পরিকল্পিতভাবে আলোচনা ভিন্ন দিকে নেওয়া হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী লিখেন, নিশ্চয়ই আপনাদের মনে থাকার কথা, জনৈক মাসুদ করিম আওয়ামীলীগের সময় বিরোধীদলের কিছু নেতাকে নিয়ে গোয়েন্দা সংস্থার প্ল্যান অনুযায়ী বিএনপি বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের ছক তৈরি করেছিলো। বুঝে বা না বুঝে রাজনীতিক কর্ণেল অলি আহমেদ, সাংবাদিক শওকত মাহমুদ, বুদ্ধিজীবী ফরহাদ মজহারদের মত মানুষ সেই ফাঁদে পা দেয়। শেখ হাসিনার প্ল্যান অনুযায়ী জনৈক মাসুদ করিমের উদ্দেশ্য ছিলো, বারংবার ব্যর্থ আন্দোলন সৃষ্টি করে বিরোধীদলগুলোর মধ্যে হতাশা বা একধরনের ন্যারিটিভ সৃষ্টি যে, জীবদ্দশায় আর শেখ হাসিনার পতন ঘটানো সম্ভব না! ২০২৪ সালে পুনরায় কোটা সংস্কার আন্দোলন শুরু না হলে শেখ হাসিনার পরিকল্পনা অনুযায়ী জনৈক মাসুদ করিম দারুণভাবে সফল হচ্ছিলেন।
তিনি লিখেন, জাতীয় নির্বাচনের সময় বেশকিছু আসনে বিএনপির হাইকমান্ডের সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে দাঁড়িয়ে যায় বেশিকিছু নেতা। তাদের মধ্যে এমন বয়ান ঢুকিয়ে দেওয়া হয়, এবার এমপি হতে না পারলে আর কখনো হওয়া যাবে না! অধিকাংশ আসনেই এমন নিখুঁত প্লান হাতে নেওয়া হয়েছিলো যাতে, বিএনপি ক্ষমতায় আসতে না পারে! তবে শেষমেশ ষড়যন্ত্রকারী মহল খুব বেশি সফল হতে পারে নি।
রাশেদ খাঁন লিখেন, বিএনপি একটি বড় রাজনৈতিক দল। আর বাংলাদেশের বাস্তবতায় যেকোন দল ক্ষমতায় গেলে, দলের মধ্যে অসংখ্য সুবিধাবাদী লোকজনের অনুপ্রবেশ ঘটে। রাড্ডা ক্লিনিকে সেরকম কিছু সুবিধাবাদীদের অন্তর্ভুক্ত করে নিখুঁতভাবে একটি ষড়যন্ত্রমূলক প্লান বাস্তবায়ন করা হয়েছে। আর সেই জায়গা থেকে, গণমাধ্যমে দেখানোর সুযোগ তৈরি হয়েছে যে, এদের কেউ কেউ বিএনপি লোক! কিন্তু আমি পূর্বেই যে বিষয়টি উল্লেখ করেছি, যারা জনৈক মাসুদ করিমের ফাঁদে পা দেয় কিংবা বিদ্রোহী প্রার্থী হয়ে দলের সিদ্ধান্তের বাইরে যেতে পারে, তারা কতোটুকু বিএনপির প্রকৃত লোক?
তিনি লিখেন, নিউ গিনি প্রোপার্টিজের হামলায় জামায়াত এমপির জামাতা গ্রেপ্তার হয়েছে! প্রোপার্টিজের মালিক নিজে বাদী হয়ে এই মামলা করেছে। কিন্তু সালমান মুক্তাদির বললো, সে দীর্ঘরাত পর্যন্ত থানায় অপেক্ষা করে মামলা করেছে। প্রকৃত চিত্র হলো, সালমান মুক্তাদির নিজে কোনো মামলা করে নাই, বিষয়টি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলার পরে, সালমান মুক্তাদির নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখালো! কিন্তু পরবর্তীতে দেখা গেলো স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যই সঠিক। কিন্তু ক্ষতি যা হবার, তা তো আটকানো যায় নি!

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী লিখেন, নানাদিক থেকে বিএনপির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র চলছে। ১৬ বছরে তৈরি হওয়া পতিত স্বৈরাচারের দোসরদের আশকারা দিয়ে মাঠে সক্রিয় করছে জামায়াত-এনসিপি। ক্ষমতা দখলের স্বার্থে এরা গণহত্যাকারী আওয়ামীলীগকেও নরমালাইজ করছে! এজন্য মানুষ বলে, জামায়াতের মত একটা অভিশপ্ত রাজনৈতিক দল যে দেশে আছে, সেই দেশে কখনো শান্তি আসবে না! কিন্তু ৭১ ও ২৪ এর পরাজিত শক্তিকে মোকাবিলা করে শান্তি আমাদের প্রতিষ্ঠা করতেই হবে।

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন বলেছেন, ১৬ বছরে তৈরি হওয়া পতিত স্বৈরাচারের দোসরদের আশকারা দিয়ে মাঠে সক্রিয় করছে জামায়াত-এনসিপি। ক্ষমতা দখলের স্বার্থে এরা গণহত্যাকারী আওয়ামীলীগকেও নরমালাইজ করছে! এজন্য মানুষ বলে, জামায়াতের মত একটা অভিশপ্ত রাজনৈতিক দল যে দেশে আছে, সে দেশে কখনো শান্তি আসবে না!
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) নিজের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এ কথা বলেন তিনি।
পোস্টে রাশেদ খাঁন লিখেন, মাশরাফি বিন মর্তুজা গত ২০২৪ ও ২০২৫ সালে শেখ হাসিনার জন্মদিনে কোন পোস্ট করেনি, ২০২৬ সালে এসে শুভেচ্ছা জানিয়ে পোস্ট করেছে! ২০২৪ ও ২০২৫ সাল পর্যন্ত যেসকল আওয়ামী দোসররা চুপচাপ ছিলো, তারা এখন সক্রিয় হতে শুরু করেছে।
তিনি লিখেন, ১৬ বছর ধরে প্রশাসন থেকে শুরু করে সর্বত্র ফ্যাসিবাদ কায়েমের নিমিত্ত শেখ হাসিনা যাদের তৈরি করেছিলো, তারা গত ২ টা বছর ঘাপটি মেরে থাকলেও এখন বেশ সক্রিয় হতে শুরু করেছে। ক্যান্টনমেন্ট থানার সাবেক ওসি রাকিবুল তার একটি ছোট্ট উদাহরণ।
এতোবড় গণহত্যার পরেও কেন আওয়ামীলীগ ফিরে আসার সাহস দেখাচ্ছে? এর মূল কারণটা বর্তমান বিরোধীদল জামায়াত-এনসিপি রাষ্ট্রকে অশান্ত করার ঠিকাদারি গ্রহণ করেছে। লংমার্চ থেকে ডিসেম্বরে সরকার পতনের আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছে।
রাশেদ খাঁন লিখেন, বিরোধীদলের এমন হঠকারী সিদ্ধান্তের সুযোগ নিয়ে বাসে-ট্রেনে আগুন দেওয়া, ককটেল বিস্ফোরণ ও ঝটিলা মিছিল শুরু করেছে ফ্যাসিস্ট আওয়ামীলীগ। জামায়াত-এনসিপি আওয়ামীলীগের আগুন সন্ত্রাসকে প্রশ্রয় দিয়ে বলছে, ১১ দলের দাবি মানলে আর ককটেল ফুটবে না! এভাবে জামায়াত-এনসিপির আশকারায় প্রশাসন থেকে শুরু করে যেসকল জায়গায় আওয়ামী দোসররা ঘাপটি মেরে বসে ছিলো, তারা বেশ সক্রিয় হতে শুরু করেছে।
তিনি লিখেন, সব মিলিয়ে একটা ফ্যাসিস্ট এবং আরেকটা হঠকারী বিরোধীদলের অপতৎপরতা ও ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে দেশ চালাতে হচ্ছে বিএনপি সরকারকে। সম্প্রতি রাড্ডা ক্লিনিক ও নিউ গিনি প্রোপার্টিজে হামলা সরকারের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক ষড়যন্ত্রের অংশ। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সফলভাবে জাতিসংঘ সফর শেষ করে দেশে ফেরার পর এসংক্রান্ত আলোচনা হওয়ার কথা। কিন্তু পরিকল্পিতভাবে আলোচনা ভিন্ন দিকে নেওয়া হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী লিখেন, নিশ্চয়ই আপনাদের মনে থাকার কথা, জনৈক মাসুদ করিম আওয়ামীলীগের সময় বিরোধীদলের কিছু নেতাকে নিয়ে গোয়েন্দা সংস্থার প্ল্যান অনুযায়ী বিএনপি বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের ছক তৈরি করেছিলো। বুঝে বা না বুঝে রাজনীতিক কর্ণেল অলি আহমেদ, সাংবাদিক শওকত মাহমুদ, বুদ্ধিজীবী ফরহাদ মজহারদের মত মানুষ সেই ফাঁদে পা দেয়। শেখ হাসিনার প্ল্যান অনুযায়ী জনৈক মাসুদ করিমের উদ্দেশ্য ছিলো, বারংবার ব্যর্থ আন্দোলন সৃষ্টি করে বিরোধীদলগুলোর মধ্যে হতাশা বা একধরনের ন্যারিটিভ সৃষ্টি যে, জীবদ্দশায় আর শেখ হাসিনার পতন ঘটানো সম্ভব না! ২০২৪ সালে পুনরায় কোটা সংস্কার আন্দোলন শুরু না হলে শেখ হাসিনার পরিকল্পনা অনুযায়ী জনৈক মাসুদ করিম দারুণভাবে সফল হচ্ছিলেন।
তিনি লিখেন, জাতীয় নির্বাচনের সময় বেশকিছু আসনে বিএনপির হাইকমান্ডের সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে দাঁড়িয়ে যায় বেশিকিছু নেতা। তাদের মধ্যে এমন বয়ান ঢুকিয়ে দেওয়া হয়, এবার এমপি হতে না পারলে আর কখনো হওয়া যাবে না! অধিকাংশ আসনেই এমন নিখুঁত প্লান হাতে নেওয়া হয়েছিলো যাতে, বিএনপি ক্ষমতায় আসতে না পারে! তবে শেষমেশ ষড়যন্ত্রকারী মহল খুব বেশি সফল হতে পারে নি।
রাশেদ খাঁন লিখেন, বিএনপি একটি বড় রাজনৈতিক দল। আর বাংলাদেশের বাস্তবতায় যেকোন দল ক্ষমতায় গেলে, দলের মধ্যে অসংখ্য সুবিধাবাদী লোকজনের অনুপ্রবেশ ঘটে। রাড্ডা ক্লিনিকে সেরকম কিছু সুবিধাবাদীদের অন্তর্ভুক্ত করে নিখুঁতভাবে একটি ষড়যন্ত্রমূলক প্লান বাস্তবায়ন করা হয়েছে। আর সেই জায়গা থেকে, গণমাধ্যমে দেখানোর সুযোগ তৈরি হয়েছে যে, এদের কেউ কেউ বিএনপি লোক! কিন্তু আমি পূর্বেই যে বিষয়টি উল্লেখ করেছি, যারা জনৈক মাসুদ করিমের ফাঁদে পা দেয় কিংবা বিদ্রোহী প্রার্থী হয়ে দলের সিদ্ধান্তের বাইরে যেতে পারে, তারা কতোটুকু বিএনপির প্রকৃত লোক?
তিনি লিখেন, নিউ গিনি প্রোপার্টিজের হামলায় জামায়াত এমপির জামাতা গ্রেপ্তার হয়েছে! প্রোপার্টিজের মালিক নিজে বাদী হয়ে এই মামলা করেছে। কিন্তু সালমান মুক্তাদির বললো, সে দীর্ঘরাত পর্যন্ত থানায় অপেক্ষা করে মামলা করেছে। প্রকৃত চিত্র হলো, সালমান মুক্তাদির নিজে কোনো মামলা করে নাই, বিষয়টি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলার পরে, সালমান মুক্তাদির নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখালো! কিন্তু পরবর্তীতে দেখা গেলো স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যই সঠিক। কিন্তু ক্ষতি যা হবার, তা তো আটকানো যায় নি!

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী লিখেন, নানাদিক থেকে বিএনপির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র চলছে। ১৬ বছরে তৈরি হওয়া পতিত স্বৈরাচারের দোসরদের আশকারা দিয়ে মাঠে সক্রিয় করছে জামায়াত-এনসিপি। ক্ষমতা দখলের স্বার্থে এরা গণহত্যাকারী আওয়ামীলীগকেও নরমালাইজ করছে! এজন্য মানুষ বলে, জামায়াতের মত একটা অভিশপ্ত রাজনৈতিক দল যে দেশে আছে, সেই দেশে কখনো শান্তি আসবে না! কিন্তু ৭১ ও ২৪ এর পরাজিত শক্তিকে মোকাবিলা করে শান্তি আমাদের প্রতিষ্ঠা করতেই হবে।

জামায়াতের মতো অভিশপ্ত দল থাকলে দেশে শান্তি আসবে না: রাশেদ খাঁন
নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন বলেছেন, ১৬ বছরে তৈরি হওয়া পতিত স্বৈরাচারের দোসরদের আশকারা দিয়ে মাঠে সক্রিয় করছে জামায়াত-এনসিপি। ক্ষমতা দখলের স্বার্থে এরা গণহত্যাকারী আওয়ামীলীগকেও নরমালাইজ করছে! এজন্য মানুষ বলে, জামায়াতের মত একটা অভিশপ্ত রাজনৈতিক দল যে দেশে আছে, সে দেশে কখনো শান্তি আসবে না!
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) নিজের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এ কথা বলেন তিনি।
পোস্টে রাশেদ খাঁন লিখেন, মাশরাফি বিন মর্তুজা গত ২০২৪ ও ২০২৫ সালে শেখ হাসিনার জন্মদিনে কোন পোস্ট করেনি, ২০২৬ সালে এসে শুভেচ্ছা জানিয়ে পোস্ট করেছে! ২০২৪ ও ২০২৫ সাল পর্যন্ত যেসকল আওয়ামী দোসররা চুপচাপ ছিলো, তারা এখন সক্রিয় হতে শুরু করেছে।
তিনি লিখেন, ১৬ বছর ধরে প্রশাসন থেকে শুরু করে সর্বত্র ফ্যাসিবাদ কায়েমের নিমিত্ত শেখ হাসিনা যাদের তৈরি করেছিলো, তারা গত ২ টা বছর ঘাপটি মেরে থাকলেও এখন বেশ সক্রিয় হতে শুরু করেছে। ক্যান্টনমেন্ট থানার সাবেক ওসি রাকিবুল তার একটি ছোট্ট উদাহরণ।
এতোবড় গণহত্যার পরেও কেন আওয়ামীলীগ ফিরে আসার সাহস দেখাচ্ছে? এর মূল কারণটা বর্তমান বিরোধীদল জামায়াত-এনসিপি রাষ্ট্রকে অশান্ত করার ঠিকাদারি গ্রহণ করেছে। লংমার্চ থেকে ডিসেম্বরে সরকার পতনের আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছে।
রাশেদ খাঁন লিখেন, বিরোধীদলের এমন হঠকারী সিদ্ধান্তের সুযোগ নিয়ে বাসে-ট্রেনে আগুন দেওয়া, ককটেল বিস্ফোরণ ও ঝটিলা মিছিল শুরু করেছে ফ্যাসিস্ট আওয়ামীলীগ। জামায়াত-এনসিপি আওয়ামীলীগের আগুন সন্ত্রাসকে প্রশ্রয় দিয়ে বলছে, ১১ দলের দাবি মানলে আর ককটেল ফুটবে না! এভাবে জামায়াত-এনসিপির আশকারায় প্রশাসন থেকে শুরু করে যেসকল জায়গায় আওয়ামী দোসররা ঘাপটি মেরে বসে ছিলো, তারা বেশ সক্রিয় হতে শুরু করেছে।
তিনি লিখেন, সব মিলিয়ে একটা ফ্যাসিস্ট এবং আরেকটা হঠকারী বিরোধীদলের অপতৎপরতা ও ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে দেশ চালাতে হচ্ছে বিএনপি সরকারকে। সম্প্রতি রাড্ডা ক্লিনিক ও নিউ গিনি প্রোপার্টিজে হামলা সরকারের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক ষড়যন্ত্রের অংশ। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সফলভাবে জাতিসংঘ সফর শেষ করে দেশে ফেরার পর এসংক্রান্ত আলোচনা হওয়ার কথা। কিন্তু পরিকল্পিতভাবে আলোচনা ভিন্ন দিকে নেওয়া হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী লিখেন, নিশ্চয়ই আপনাদের মনে থাকার কথা, জনৈক মাসুদ করিম আওয়ামীলীগের সময় বিরোধীদলের কিছু নেতাকে নিয়ে গোয়েন্দা সংস্থার প্ল্যান অনুযায়ী বিএনপি বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের ছক তৈরি করেছিলো। বুঝে বা না বুঝে রাজনীতিক কর্ণেল অলি আহমেদ, সাংবাদিক শওকত মাহমুদ, বুদ্ধিজীবী ফরহাদ মজহারদের মত মানুষ সেই ফাঁদে পা দেয়। শেখ হাসিনার প্ল্যান অনুযায়ী জনৈক মাসুদ করিমের উদ্দেশ্য ছিলো, বারংবার ব্যর্থ আন্দোলন সৃষ্টি করে বিরোধীদলগুলোর মধ্যে হতাশা বা একধরনের ন্যারিটিভ সৃষ্টি যে, জীবদ্দশায় আর শেখ হাসিনার পতন ঘটানো সম্ভব না! ২০২৪ সালে পুনরায় কোটা সংস্কার আন্দোলন শুরু না হলে শেখ হাসিনার পরিকল্পনা অনুযায়ী জনৈক মাসুদ করিম দারুণভাবে সফল হচ্ছিলেন।
তিনি লিখেন, জাতীয় নির্বাচনের সময় বেশকিছু আসনে বিএনপির হাইকমান্ডের সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে দাঁড়িয়ে যায় বেশিকিছু নেতা। তাদের মধ্যে এমন বয়ান ঢুকিয়ে দেওয়া হয়, এবার এমপি হতে না পারলে আর কখনো হওয়া যাবে না! অধিকাংশ আসনেই এমন নিখুঁত প্লান হাতে নেওয়া হয়েছিলো যাতে, বিএনপি ক্ষমতায় আসতে না পারে! তবে শেষমেশ ষড়যন্ত্রকারী মহল খুব বেশি সফল হতে পারে নি।
রাশেদ খাঁন লিখেন, বিএনপি একটি বড় রাজনৈতিক দল। আর বাংলাদেশের বাস্তবতায় যেকোন দল ক্ষমতায় গেলে, দলের মধ্যে অসংখ্য সুবিধাবাদী লোকজনের অনুপ্রবেশ ঘটে। রাড্ডা ক্লিনিকে সেরকম কিছু সুবিধাবাদীদের অন্তর্ভুক্ত করে নিখুঁতভাবে একটি ষড়যন্ত্রমূলক প্লান বাস্তবায়ন করা হয়েছে। আর সেই জায়গা থেকে, গণমাধ্যমে দেখানোর সুযোগ তৈরি হয়েছে যে, এদের কেউ কেউ বিএনপি লোক! কিন্তু আমি পূর্বেই যে বিষয়টি উল্লেখ করেছি, যারা জনৈক মাসুদ করিমের ফাঁদে পা দেয় কিংবা বিদ্রোহী প্রার্থী হয়ে দলের সিদ্ধান্তের বাইরে যেতে পারে, তারা কতোটুকু বিএনপির প্রকৃত লোক?
তিনি লিখেন, নিউ গিনি প্রোপার্টিজের হামলায় জামায়াত এমপির জামাতা গ্রেপ্তার হয়েছে! প্রোপার্টিজের মালিক নিজে বাদী হয়ে এই মামলা করেছে। কিন্তু সালমান মুক্তাদির বললো, সে দীর্ঘরাত পর্যন্ত থানায় অপেক্ষা করে মামলা করেছে। প্রকৃত চিত্র হলো, সালমান মুক্তাদির নিজে কোনো মামলা করে নাই, বিষয়টি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলার পরে, সালমান মুক্তাদির নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখালো! কিন্তু পরবর্তীতে দেখা গেলো স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যই সঠিক। কিন্তু ক্ষতি যা হবার, তা তো আটকানো যায় নি!

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী লিখেন, নানাদিক থেকে বিএনপির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র চলছে। ১৬ বছরে তৈরি হওয়া পতিত স্বৈরাচারের দোসরদের আশকারা দিয়ে মাঠে সক্রিয় করছে জামায়াত-এনসিপি। ক্ষমতা দখলের স্বার্থে এরা গণহত্যাকারী আওয়ামীলীগকেও নরমালাইজ করছে! এজন্য মানুষ বলে, জামায়াতের মত একটা অভিশপ্ত রাজনৈতিক দল যে দেশে আছে, সেই দেশে কখনো শান্তি আসবে না! কিন্তু ৭১ ও ২৪ এর পরাজিত শক্তিকে মোকাবিলা করে শান্তি আমাদের প্রতিষ্ঠা করতেই হবে।

রুমিন ফারহানার মধ্যে শেখ হাসিনার ছায়া দেখা যায়: রাশেদ খাঁন







