কোরআন ও সুন্নাহর আলোকে ওয়াকফ আইন প্রণয়নের দাবি

কোরআন ও সুন্নাহর আলোকে ওয়াকফ আইন প্রণয়নের দাবি
নিজস্ব প্রতিবেদক

উলামায়ে কেরামের সমন্বয়ে কোরআন ও সুন্নাহর আলোকে ওয়াকফ আইন প্রণয়নের দাবি জানিয়েছে প্যান ইসলামিক মুভমেন্ট বাংলাদেশ।
শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) জুমার নামাজের পর বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেইটে আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশ থেকে এই দাবি জানানো হয়েছে।
বিক্ষোভ সমাবেশে সংগঠনটির চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট মো. মোস্তফা জামাল ভূঁইয়া বলেন, বাংলাদেশ একটি মুসলিম প্রধান দেশ। হিজরি প্রথম শতাব্দীতে এখানে ইসলামের আগমন ঘটে এবং মসজিদ-মাদ্রাসা ও খানকা স্থাপিত হয়েছে। এগুলো ওয়াকফ সম্পত্তির উপর প্রতিষ্ঠিত ছিল। মুসলমানদের দেওয়া অনেক ওয়াকফ সম্পত্তি বেহাত হয়েছে এবং এখনো হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, ওয়াকফ সম্পত্তিগুলো সংরক্ষণ ও শরীয়ত মোতাবেক পরিচালিত করা অপরিহার্য। তা না হলে এই সম্পত্তিগুলো বেহাত হয়ে যাবে এবং ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ও ইসলামের প্রচার ও প্রসার হুমকির মুখে পড়তে পারে।
সমাবেশ থেকে আরও কিছু দাবি জানানো হয়েছে। সেগুলো হলো:
- বেহাত ওয়াকফ সম্পত্তি পুনরুদ্ধার করে শরীয়ত মোতাবেক পরিচালনা করতে হবে
- ওয়াকফ সম্পত্তি দাতার উদ্দেশ্য মোতাবেক ব্যবহার করতে হবে
- মুসলমানদের দাবিদারবিহীন ব্যাংকে গচ্ছিত টাকা ও ভূসম্পত্তিকে নওমুসলিম ও মুজাহিদদের কল্যাণে ব্যয় করতে হবে
- ঈদুল আজহা উপলক্ষে আদায়কৃত হাসিল, ওয়াকফ প্রশাসনের মাধ্যমে মাদ্রাসা-এতিমখানায় বরাদ্দ দিতে হবে
- ওয়াকফ সম্পত্তি সম্পর্কিত পরিচালনা কমিটি পরহেজগার লোক দিয়ে গঠন করতে হবে
- প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের অধীনে ধর্মীয় স্থাপনাগুলোকে ওয়াকফ সম্পত্তি হিসেবে ব্যবহার করতে হবে
- পৌরসভা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে ওয়াকফ কমিটি গঠন করতে হবে
- ওয়াকফ সম্পত্তি সাব রেজিস্ট্রি অফিসে রেজিস্ট্রেশন করার ক্ষেত্রে সব ধরনের ফি প্রত্যাহার করতে হবে
- ওয়াকফ সম্পত্তির আয়-ব্যয়কে সুদের সংমিশ্রণ থেকে মুক্ত রাখতে হবে।
বিক্ষোভ সমাবেশে সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য তারেক রহমান শাওনসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

উলামায়ে কেরামের সমন্বয়ে কোরআন ও সুন্নাহর আলোকে ওয়াকফ আইন প্রণয়নের দাবি জানিয়েছে প্যান ইসলামিক মুভমেন্ট বাংলাদেশ।
শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) জুমার নামাজের পর বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেইটে আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশ থেকে এই দাবি জানানো হয়েছে।
বিক্ষোভ সমাবেশে সংগঠনটির চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট মো. মোস্তফা জামাল ভূঁইয়া বলেন, বাংলাদেশ একটি মুসলিম প্রধান দেশ। হিজরি প্রথম শতাব্দীতে এখানে ইসলামের আগমন ঘটে এবং মসজিদ-মাদ্রাসা ও খানকা স্থাপিত হয়েছে। এগুলো ওয়াকফ সম্পত্তির উপর প্রতিষ্ঠিত ছিল। মুসলমানদের দেওয়া অনেক ওয়াকফ সম্পত্তি বেহাত হয়েছে এবং এখনো হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, ওয়াকফ সম্পত্তিগুলো সংরক্ষণ ও শরীয়ত মোতাবেক পরিচালিত করা অপরিহার্য। তা না হলে এই সম্পত্তিগুলো বেহাত হয়ে যাবে এবং ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ও ইসলামের প্রচার ও প্রসার হুমকির মুখে পড়তে পারে।
সমাবেশ থেকে আরও কিছু দাবি জানানো হয়েছে। সেগুলো হলো:
- বেহাত ওয়াকফ সম্পত্তি পুনরুদ্ধার করে শরীয়ত মোতাবেক পরিচালনা করতে হবে
- ওয়াকফ সম্পত্তি দাতার উদ্দেশ্য মোতাবেক ব্যবহার করতে হবে
- মুসলমানদের দাবিদারবিহীন ব্যাংকে গচ্ছিত টাকা ও ভূসম্পত্তিকে নওমুসলিম ও মুজাহিদদের কল্যাণে ব্যয় করতে হবে
- ঈদুল আজহা উপলক্ষে আদায়কৃত হাসিল, ওয়াকফ প্রশাসনের মাধ্যমে মাদ্রাসা-এতিমখানায় বরাদ্দ দিতে হবে
- ওয়াকফ সম্পত্তি সম্পর্কিত পরিচালনা কমিটি পরহেজগার লোক দিয়ে গঠন করতে হবে
- প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের অধীনে ধর্মীয় স্থাপনাগুলোকে ওয়াকফ সম্পত্তি হিসেবে ব্যবহার করতে হবে
- পৌরসভা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে ওয়াকফ কমিটি গঠন করতে হবে
- ওয়াকফ সম্পত্তি সাব রেজিস্ট্রি অফিসে রেজিস্ট্রেশন করার ক্ষেত্রে সব ধরনের ফি প্রত্যাহার করতে হবে
- ওয়াকফ সম্পত্তির আয়-ব্যয়কে সুদের সংমিশ্রণ থেকে মুক্ত রাখতে হবে।
বিক্ষোভ সমাবেশে সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য তারেক রহমান শাওনসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

কোরআন ও সুন্নাহর আলোকে ওয়াকফ আইন প্রণয়নের দাবি
নিজস্ব প্রতিবেদক

উলামায়ে কেরামের সমন্বয়ে কোরআন ও সুন্নাহর আলোকে ওয়াকফ আইন প্রণয়নের দাবি জানিয়েছে প্যান ইসলামিক মুভমেন্ট বাংলাদেশ।
শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) জুমার নামাজের পর বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেইটে আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশ থেকে এই দাবি জানানো হয়েছে।
বিক্ষোভ সমাবেশে সংগঠনটির চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট মো. মোস্তফা জামাল ভূঁইয়া বলেন, বাংলাদেশ একটি মুসলিম প্রধান দেশ। হিজরি প্রথম শতাব্দীতে এখানে ইসলামের আগমন ঘটে এবং মসজিদ-মাদ্রাসা ও খানকা স্থাপিত হয়েছে। এগুলো ওয়াকফ সম্পত্তির উপর প্রতিষ্ঠিত ছিল। মুসলমানদের দেওয়া অনেক ওয়াকফ সম্পত্তি বেহাত হয়েছে এবং এখনো হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, ওয়াকফ সম্পত্তিগুলো সংরক্ষণ ও শরীয়ত মোতাবেক পরিচালিত করা অপরিহার্য। তা না হলে এই সম্পত্তিগুলো বেহাত হয়ে যাবে এবং ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ও ইসলামের প্রচার ও প্রসার হুমকির মুখে পড়তে পারে।
সমাবেশ থেকে আরও কিছু দাবি জানানো হয়েছে। সেগুলো হলো:
- বেহাত ওয়াকফ সম্পত্তি পুনরুদ্ধার করে শরীয়ত মোতাবেক পরিচালনা করতে হবে
- ওয়াকফ সম্পত্তি দাতার উদ্দেশ্য মোতাবেক ব্যবহার করতে হবে
- মুসলমানদের দাবিদারবিহীন ব্যাংকে গচ্ছিত টাকা ও ভূসম্পত্তিকে নওমুসলিম ও মুজাহিদদের কল্যাণে ব্যয় করতে হবে
- ঈদুল আজহা উপলক্ষে আদায়কৃত হাসিল, ওয়াকফ প্রশাসনের মাধ্যমে মাদ্রাসা-এতিমখানায় বরাদ্দ দিতে হবে
- ওয়াকফ সম্পত্তি সম্পর্কিত পরিচালনা কমিটি পরহেজগার লোক দিয়ে গঠন করতে হবে
- প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের অধীনে ধর্মীয় স্থাপনাগুলোকে ওয়াকফ সম্পত্তি হিসেবে ব্যবহার করতে হবে
- পৌরসভা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে ওয়াকফ কমিটি গঠন করতে হবে
- ওয়াকফ সম্পত্তি সাব রেজিস্ট্রি অফিসে রেজিস্ট্রেশন করার ক্ষেত্রে সব ধরনের ফি প্রত্যাহার করতে হবে
- ওয়াকফ সম্পত্তির আয়-ব্যয়কে সুদের সংমিশ্রণ থেকে মুক্ত রাখতে হবে।
বিক্ষোভ সমাবেশে সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য তারেক রহমান শাওনসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ওয়াকফ প্রশাসকের সৌজন্য সাক্ষাৎ







