সচিবালয় আগারগাঁওয়ে স্থানান্তরে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি: গণপূর্তমন্ত্রী

সচিবালয় আগারগাঁওয়ে স্থানান্তরে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি: গণপূর্তমন্ত্রী
বিশেষ প্রতিনিধি

বাংলাদেশ সচিবালয়কে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে স্থানান্তরের বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি বলে জানিয়েছেন গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের। তিনি বলেন, আগামী মন্ত্রিসভার বৈঠকে বিষয়টি উঠতে পারে। সেখানে নতুন সচিবালয় নির্মাণের সিদ্ধান্ত হলে দ্রুত কাজ শুরু করার প্রস্তুতি রয়েছে।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সচিবালয়ে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে গণপূর্ত অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলীদের লটারির মাধ্যমে বদলি-পদায়ন কার্যক্রমে অংশ নিয়ে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
সচিবালয় পুরাতন বাণিজ্য মেলার মাঠে স্থানান্তরের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পরবর্তী পদক্ষেপ জানতে চাইলে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী বলেন, সচিবালয় নিয়ে এই কার্যক্রম প্রায় চার মাস আগে শুরু হয়েছিল। আমাদের এখানে এক নম্বর ভবনটি ভেঙে নতুন ভবন নির্মাণের কথা ছিল। বিষয়টি মন্ত্রিসভায় আলোচনার সময় সংসদ ভবন ও আগারগাঁও এলাকাকে দ্বিতীয় রাজধানী হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনার প্রসঙ্গ সামনে আসে। তখন নীতিগতভাবে সিদ্ধান্ত হয়, বিষয়টি নিয়ে একটি সমীক্ষা করা হবে। আমরা এখন সে অনুযায়ী কাজ করছি।
তিনি আরও বলেন, আগামী মন্ত্রিসভার বৈঠকে বিষয়টি উঠতে পারে। মন্ত্রিসভা যদি সেখানে নতুন সচিবালয় নির্মাণের সিদ্ধান্ত দেয়, তাহলে দ্রুত কাজ শুরু করার জন্য প্রাথমিক কার্যক্রম আমরা প্রস্তুত করে রেখেছি। তবে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। এই সরকারের মেয়াদেই আমরা কাজটি পুরোপুরি শেষ করার চেষ্টা করবো। আগামী মন্ত্রিসভায় যদি সিদ্ধান্ত হয় যে সেখানে সচিবালয় নির্মাণ করা হবে, তাহলে প্রধানমন্ত্রীর ইচ্ছা অনুযায়ী এই মেয়াদের মধ্যেই কাজটি সম্পন্ন করার চেষ্টা করবো।
সচিবালয়ের বর্তমান অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা তুলে ধরে তিনি বলেন, এখানে যে পরিমাণ জায়গা রয়েছে, তা যথেষ্ট নয়। কয়েকটি মন্ত্রণালয় সচিবালয়ের বাইরে রয়েছে। পার্কিংয়ের যথেষ্ট জায়গা নেই। ভবনগুলোর অবস্থাও খুব ভালো নয়। অধিকাংশ ভবন ১৯৬০-এর দশকে তৈরি। আমাদের ভবনগুলো অনেক পুরনো হয়ে গেছে। এখানে থাকলেও প্রতিটি ভবন নতুন করে নির্মাণ করতে হবে। সবকিছু বিবেচনায় নিয়েই নতুন সচিবালয়ের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রয়োজন দেখা দিয়েছে।
নতুন সচিবালয়ের আয়তন সম্পর্কে জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, আমরা এখনো ধারণাগত পরিকল্পনা তৈরি করছি। মন্ত্রিসভা অনুমোদন দিলে বিস্তারিত পরিকল্পনায় যাব। আমাদের ধারণাগত পরিকল্পনায় প্রায় ৩০ লাখ থেকে ৩২ লাখ বর্গফুট জায়গার কথা রয়েছে।
নির্বাহী প্রকৌশলীদের লটারির মাধ্যমে বদলি-পদায়ন নিয়ে তিনি বলেন, ‘গত ৩০ জুলাই ৭৬৭ জন উপসহকারী প্রকৌশলীকে, আগস্টে ২৫৪ জন উপসহকারী প্রকৌশলীকে এবং গত ১৬ আগস্ট ২১৯ জন সহকারী প্রকৌশলী ও ১৯০ জন উপবিভাগীয় প্রকৌশলীকে লটারির মাধ্যমে বদলি ও পদায়ন করা হয়েছে। এ পর্যন্ত মোট ১ হাজার ৪৩০ জনকে লটারির মাধ্যমে বদলি-পদায়ন করা হয়েছে।’

বাংলাদেশ সচিবালয়কে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে স্থানান্তরের বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি বলে জানিয়েছেন গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের। তিনি বলেন, আগামী মন্ত্রিসভার বৈঠকে বিষয়টি উঠতে পারে। সেখানে নতুন সচিবালয় নির্মাণের সিদ্ধান্ত হলে দ্রুত কাজ শুরু করার প্রস্তুতি রয়েছে।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সচিবালয়ে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে গণপূর্ত অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলীদের লটারির মাধ্যমে বদলি-পদায়ন কার্যক্রমে অংশ নিয়ে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
সচিবালয় পুরাতন বাণিজ্য মেলার মাঠে স্থানান্তরের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পরবর্তী পদক্ষেপ জানতে চাইলে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী বলেন, সচিবালয় নিয়ে এই কার্যক্রম প্রায় চার মাস আগে শুরু হয়েছিল। আমাদের এখানে এক নম্বর ভবনটি ভেঙে নতুন ভবন নির্মাণের কথা ছিল। বিষয়টি মন্ত্রিসভায় আলোচনার সময় সংসদ ভবন ও আগারগাঁও এলাকাকে দ্বিতীয় রাজধানী হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনার প্রসঙ্গ সামনে আসে। তখন নীতিগতভাবে সিদ্ধান্ত হয়, বিষয়টি নিয়ে একটি সমীক্ষা করা হবে। আমরা এখন সে অনুযায়ী কাজ করছি।
তিনি আরও বলেন, আগামী মন্ত্রিসভার বৈঠকে বিষয়টি উঠতে পারে। মন্ত্রিসভা যদি সেখানে নতুন সচিবালয় নির্মাণের সিদ্ধান্ত দেয়, তাহলে দ্রুত কাজ শুরু করার জন্য প্রাথমিক কার্যক্রম আমরা প্রস্তুত করে রেখেছি। তবে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। এই সরকারের মেয়াদেই আমরা কাজটি পুরোপুরি শেষ করার চেষ্টা করবো। আগামী মন্ত্রিসভায় যদি সিদ্ধান্ত হয় যে সেখানে সচিবালয় নির্মাণ করা হবে, তাহলে প্রধানমন্ত্রীর ইচ্ছা অনুযায়ী এই মেয়াদের মধ্যেই কাজটি সম্পন্ন করার চেষ্টা করবো।
সচিবালয়ের বর্তমান অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা তুলে ধরে তিনি বলেন, এখানে যে পরিমাণ জায়গা রয়েছে, তা যথেষ্ট নয়। কয়েকটি মন্ত্রণালয় সচিবালয়ের বাইরে রয়েছে। পার্কিংয়ের যথেষ্ট জায়গা নেই। ভবনগুলোর অবস্থাও খুব ভালো নয়। অধিকাংশ ভবন ১৯৬০-এর দশকে তৈরি। আমাদের ভবনগুলো অনেক পুরনো হয়ে গেছে। এখানে থাকলেও প্রতিটি ভবন নতুন করে নির্মাণ করতে হবে। সবকিছু বিবেচনায় নিয়েই নতুন সচিবালয়ের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রয়োজন দেখা দিয়েছে।
নতুন সচিবালয়ের আয়তন সম্পর্কে জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, আমরা এখনো ধারণাগত পরিকল্পনা তৈরি করছি। মন্ত্রিসভা অনুমোদন দিলে বিস্তারিত পরিকল্পনায় যাব। আমাদের ধারণাগত পরিকল্পনায় প্রায় ৩০ লাখ থেকে ৩২ লাখ বর্গফুট জায়গার কথা রয়েছে।
নির্বাহী প্রকৌশলীদের লটারির মাধ্যমে বদলি-পদায়ন নিয়ে তিনি বলেন, ‘গত ৩০ জুলাই ৭৬৭ জন উপসহকারী প্রকৌশলীকে, আগস্টে ২৫৪ জন উপসহকারী প্রকৌশলীকে এবং গত ১৬ আগস্ট ২১৯ জন সহকারী প্রকৌশলী ও ১৯০ জন উপবিভাগীয় প্রকৌশলীকে লটারির মাধ্যমে বদলি ও পদায়ন করা হয়েছে। এ পর্যন্ত মোট ১ হাজার ৪৩০ জনকে লটারির মাধ্যমে বদলি-পদায়ন করা হয়েছে।’

সচিবালয় আগারগাঁওয়ে স্থানান্তরে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি: গণপূর্তমন্ত্রী
বিশেষ প্রতিনিধি

বাংলাদেশ সচিবালয়কে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে স্থানান্তরের বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি বলে জানিয়েছেন গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের। তিনি বলেন, আগামী মন্ত্রিসভার বৈঠকে বিষয়টি উঠতে পারে। সেখানে নতুন সচিবালয় নির্মাণের সিদ্ধান্ত হলে দ্রুত কাজ শুরু করার প্রস্তুতি রয়েছে।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সচিবালয়ে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে গণপূর্ত অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলীদের লটারির মাধ্যমে বদলি-পদায়ন কার্যক্রমে অংশ নিয়ে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
সচিবালয় পুরাতন বাণিজ্য মেলার মাঠে স্থানান্তরের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পরবর্তী পদক্ষেপ জানতে চাইলে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী বলেন, সচিবালয় নিয়ে এই কার্যক্রম প্রায় চার মাস আগে শুরু হয়েছিল। আমাদের এখানে এক নম্বর ভবনটি ভেঙে নতুন ভবন নির্মাণের কথা ছিল। বিষয়টি মন্ত্রিসভায় আলোচনার সময় সংসদ ভবন ও আগারগাঁও এলাকাকে দ্বিতীয় রাজধানী হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনার প্রসঙ্গ সামনে আসে। তখন নীতিগতভাবে সিদ্ধান্ত হয়, বিষয়টি নিয়ে একটি সমীক্ষা করা হবে। আমরা এখন সে অনুযায়ী কাজ করছি।
তিনি আরও বলেন, আগামী মন্ত্রিসভার বৈঠকে বিষয়টি উঠতে পারে। মন্ত্রিসভা যদি সেখানে নতুন সচিবালয় নির্মাণের সিদ্ধান্ত দেয়, তাহলে দ্রুত কাজ শুরু করার জন্য প্রাথমিক কার্যক্রম আমরা প্রস্তুত করে রেখেছি। তবে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। এই সরকারের মেয়াদেই আমরা কাজটি পুরোপুরি শেষ করার চেষ্টা করবো। আগামী মন্ত্রিসভায় যদি সিদ্ধান্ত হয় যে সেখানে সচিবালয় নির্মাণ করা হবে, তাহলে প্রধানমন্ত্রীর ইচ্ছা অনুযায়ী এই মেয়াদের মধ্যেই কাজটি সম্পন্ন করার চেষ্টা করবো।
সচিবালয়ের বর্তমান অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা তুলে ধরে তিনি বলেন, এখানে যে পরিমাণ জায়গা রয়েছে, তা যথেষ্ট নয়। কয়েকটি মন্ত্রণালয় সচিবালয়ের বাইরে রয়েছে। পার্কিংয়ের যথেষ্ট জায়গা নেই। ভবনগুলোর অবস্থাও খুব ভালো নয়। অধিকাংশ ভবন ১৯৬০-এর দশকে তৈরি। আমাদের ভবনগুলো অনেক পুরনো হয়ে গেছে। এখানে থাকলেও প্রতিটি ভবন নতুন করে নির্মাণ করতে হবে। সবকিছু বিবেচনায় নিয়েই নতুন সচিবালয়ের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রয়োজন দেখা দিয়েছে।
নতুন সচিবালয়ের আয়তন সম্পর্কে জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, আমরা এখনো ধারণাগত পরিকল্পনা তৈরি করছি। মন্ত্রিসভা অনুমোদন দিলে বিস্তারিত পরিকল্পনায় যাব। আমাদের ধারণাগত পরিকল্পনায় প্রায় ৩০ লাখ থেকে ৩২ লাখ বর্গফুট জায়গার কথা রয়েছে।
নির্বাহী প্রকৌশলীদের লটারির মাধ্যমে বদলি-পদায়ন নিয়ে তিনি বলেন, ‘গত ৩০ জুলাই ৭৬৭ জন উপসহকারী প্রকৌশলীকে, আগস্টে ২৫৪ জন উপসহকারী প্রকৌশলীকে এবং গত ১৬ আগস্ট ২১৯ জন সহকারী প্রকৌশলী ও ১৯০ জন উপবিভাগীয় প্রকৌশলীকে লটারির মাধ্যমে বদলি ও পদায়ন করা হয়েছে। এ পর্যন্ত মোট ১ হাজার ৪৩০ জনকে লটারির মাধ্যমে বদলি-পদায়ন করা হয়েছে।’

১৫৫ নির্বাহী প্রকৌশলীকে লটারির মাধ্যমে বদলি






