গ্রিন সিটির আদলে হবে পরিকল্পিত আবাসন: গণপূর্ত সচিব

গ্রিন সিটির আদলে হবে পরিকল্পিত আবাসন: গণপূর্ত সচিব
বিশেষ প্রতিনিধি

জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষ (জাগৃক), রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) ও গণপূর্ত অধিদপ্তরের মাধ্যমে গ্রিন সিটি প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে মানুষের আবাসন সংকট দূর করা হবে। গ্রিন সিটির আদলে হবে পরিকল্পিত আবাসন।
সোমবার (৫ অক্টোবর) বিশ্ব বসতি দিবস। দিবসটি উপলক্ষে আবাসন সংকট মোকাবিলায় এই সরকারি পরিকল্পনা সিজেডএন টোয়েন্টিফোরের কাছে তুলে ধরেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত সচিব মো. ওবায়দুর রহমান।
গণপূর্ত সচিব বলেন, প্রতিবছর অক্টোবর মাসের প্রথম সোমবার বিশ্ব বসতি দিবস পালন করা হয়। এবার ৫ অক্টোবর বিশ্ব বসতি দিবস পালিত হবে। এ উপলক্ষে বাংলাদেশ- চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে তিনদিনব্যাপী মেলার আয়োজন করা হয়েছে। মেলায় আলোচনা সভাও অনুষ্ঠিত হবে।
সচিব জানালেন, আলোচনা অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আর বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু। এছাড়া ওই অনুষ্ঠানে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের ও প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মনজুর বক্তব্য রাখবেন। আলোচনা সভার আগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করা হবে। প্রধানমন্ত্রী বৃক্ষরোপণ করবেন। সেখানে একটি প্রামান্যচিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে।
এ বছর বিশ্ব বসতি দিবসের মূল প্রতিপাদ্য, ‘অ্যাডিকুয়েট হাউজিং ফর অল।’ এটির বাংলা ভাবার্থ করা হয়েছে, ‘সার্বজনীন বাসস্থান, টেকসই নগরায়ন।’ বিশ্ব বসতি দিবসের আলোচনায় সবার বাসস্থান কীভাবে নিশ্চিত করা যায় তা নিয়ে সরকারের কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরা হবে।
গণপূর্ত সচিব মো. ওবায়দুর রহমান বলেন, ‘আমাদের সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে সবার জন্য বসতি নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি ছিল। এটির সঙ্গে মিল রেখে এবারের প্রতিপাদ্য ঠিক করা হয়েছে। গ্রিন সিটি নির্মাণের মাধ্যমে বিভিন্ন প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। বিশ্ব বসতি দিবসে নতুন করে আবার উজ্জীবিত হয়ে আমরা জনগণের জন্য বসতি কীভাবে নিশ্চিত করা যায়-সেই চেষ্টাই করবো। একইসঙ্গে আবাসন সংকট কীভাবে দূর করা যায়-তা নিয়ে পরিকল্পনা নেওয়া হবে ।’

জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষ (জাগৃক), রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) ও গণপূর্ত অধিদপ্তরের মাধ্যমে গ্রিন সিটি প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে মানুষের আবাসন সংকট দূর করা হবে। গ্রিন সিটির আদলে হবে পরিকল্পিত আবাসন।
সোমবার (৫ অক্টোবর) বিশ্ব বসতি দিবস। দিবসটি উপলক্ষে আবাসন সংকট মোকাবিলায় এই সরকারি পরিকল্পনা সিজেডএন টোয়েন্টিফোরের কাছে তুলে ধরেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত সচিব মো. ওবায়দুর রহমান।
গণপূর্ত সচিব বলেন, প্রতিবছর অক্টোবর মাসের প্রথম সোমবার বিশ্ব বসতি দিবস পালন করা হয়। এবার ৫ অক্টোবর বিশ্ব বসতি দিবস পালিত হবে। এ উপলক্ষে বাংলাদেশ- চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে তিনদিনব্যাপী মেলার আয়োজন করা হয়েছে। মেলায় আলোচনা সভাও অনুষ্ঠিত হবে।
সচিব জানালেন, আলোচনা অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আর বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু। এছাড়া ওই অনুষ্ঠানে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের ও প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মনজুর বক্তব্য রাখবেন। আলোচনা সভার আগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করা হবে। প্রধানমন্ত্রী বৃক্ষরোপণ করবেন। সেখানে একটি প্রামান্যচিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে।
এ বছর বিশ্ব বসতি দিবসের মূল প্রতিপাদ্য, ‘অ্যাডিকুয়েট হাউজিং ফর অল।’ এটির বাংলা ভাবার্থ করা হয়েছে, ‘সার্বজনীন বাসস্থান, টেকসই নগরায়ন।’ বিশ্ব বসতি দিবসের আলোচনায় সবার বাসস্থান কীভাবে নিশ্চিত করা যায় তা নিয়ে সরকারের কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরা হবে।
গণপূর্ত সচিব মো. ওবায়দুর রহমান বলেন, ‘আমাদের সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে সবার জন্য বসতি নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি ছিল। এটির সঙ্গে মিল রেখে এবারের প্রতিপাদ্য ঠিক করা হয়েছে। গ্রিন সিটি নির্মাণের মাধ্যমে বিভিন্ন প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। বিশ্ব বসতি দিবসে নতুন করে আবার উজ্জীবিত হয়ে আমরা জনগণের জন্য বসতি কীভাবে নিশ্চিত করা যায়-সেই চেষ্টাই করবো। একইসঙ্গে আবাসন সংকট কীভাবে দূর করা যায়-তা নিয়ে পরিকল্পনা নেওয়া হবে ।’

গ্রিন সিটির আদলে হবে পরিকল্পিত আবাসন: গণপূর্ত সচিব
বিশেষ প্রতিনিধি

জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষ (জাগৃক), রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) ও গণপূর্ত অধিদপ্তরের মাধ্যমে গ্রিন সিটি প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে মানুষের আবাসন সংকট দূর করা হবে। গ্রিন সিটির আদলে হবে পরিকল্পিত আবাসন।
সোমবার (৫ অক্টোবর) বিশ্ব বসতি দিবস। দিবসটি উপলক্ষে আবাসন সংকট মোকাবিলায় এই সরকারি পরিকল্পনা সিজেডএন টোয়েন্টিফোরের কাছে তুলে ধরেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত সচিব মো. ওবায়দুর রহমান।
গণপূর্ত সচিব বলেন, প্রতিবছর অক্টোবর মাসের প্রথম সোমবার বিশ্ব বসতি দিবস পালন করা হয়। এবার ৫ অক্টোবর বিশ্ব বসতি দিবস পালিত হবে। এ উপলক্ষে বাংলাদেশ- চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে তিনদিনব্যাপী মেলার আয়োজন করা হয়েছে। মেলায় আলোচনা সভাও অনুষ্ঠিত হবে।
সচিব জানালেন, আলোচনা অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আর বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু। এছাড়া ওই অনুষ্ঠানে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের ও প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মনজুর বক্তব্য রাখবেন। আলোচনা সভার আগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করা হবে। প্রধানমন্ত্রী বৃক্ষরোপণ করবেন। সেখানে একটি প্রামান্যচিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে।
এ বছর বিশ্ব বসতি দিবসের মূল প্রতিপাদ্য, ‘অ্যাডিকুয়েট হাউজিং ফর অল।’ এটির বাংলা ভাবার্থ করা হয়েছে, ‘সার্বজনীন বাসস্থান, টেকসই নগরায়ন।’ বিশ্ব বসতি দিবসের আলোচনায় সবার বাসস্থান কীভাবে নিশ্চিত করা যায় তা নিয়ে সরকারের কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরা হবে।
গণপূর্ত সচিব মো. ওবায়দুর রহমান বলেন, ‘আমাদের সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে সবার জন্য বসতি নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি ছিল। এটির সঙ্গে মিল রেখে এবারের প্রতিপাদ্য ঠিক করা হয়েছে। গ্রিন সিটি নির্মাণের মাধ্যমে বিভিন্ন প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। বিশ্ব বসতি দিবসে নতুন করে আবার উজ্জীবিত হয়ে আমরা জনগণের জন্য বসতি কীভাবে নিশ্চিত করা যায়-সেই চেষ্টাই করবো। একইসঙ্গে আবাসন সংকট কীভাবে দূর করা যায়-তা নিয়ে পরিকল্পনা নেওয়া হবে ।’









