জনপ্রশাসন উপদেষ্টার সঙ্গে পাকিস্তানি হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ

বিশেষ প্রতিনিধি
বিশেষ প্রতিনিধি
জনপ্রশাসন উপদেষ্টার সঙ্গে পাকিস্তানি হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ
প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার

প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার। সাক্ষাৎকালে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদার, বাণিজ্য সম্প্রসারণ, ক্রীড়াসামগ্রী উৎপাদন, চিকিৎসা সেবা এবং সরকারি কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ সহজীকরণের বিষয়ে আলোচনা হয়।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) বাংলাদেশ সচিবালয়ে উপদেষ্টার কার্যালয়ে হাইকমিশনারের নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল এই সাক্ষাৎ করে।

বৈঠকে যৌথ উদ্যোগে বাংলাদেশে ক্রীড়াসামগ্রী তৈরির কারখানা প্রতিষ্ঠা, প্রযুক্তি হস্তান্তর এবং টেনিস বলসহ বিভিন্ন ক্রীড়া উপকরণ স্থানীয়ভাবে উৎপাদনের বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করে দুই পক্ষ। এ ছাড়া দুই দেশের ক্রীড়াবিদ ও কর্মকর্তাদের অভিজ্ঞতা বিনিময়ের ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়।

সরকারি কর্মকর্তাদের পেশাগত দক্ষতা বাড়াতে পাকিস্তানের লোক-প্রশাসন সংক্রান্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের বিপিএটিসি ও বিসিএস প্রশাসন একাডেমির সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরের আগ্রহ জানান পাকিস্তানি হাইকমিশনার।

তিনি জানান, ইতোমধ্যে বাংলাদেশের ১২ জন সরকারি কর্মকর্তা পাকিস্তানে প্রশিক্ষণ শেষ করেছেন এবং আরও ৩৫ জন কর্মকর্তার প্রশিক্ষণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

বাণিজ্য বাড়ানোর ক্ষেত্রে হাইকমিশনার জানান, পাকিস্তান বাংলাদেশ থেকে প্রতিবছর ১০ হাজার মেট্রিক টন চা শুল্কমুক্ত আমদানির সুযোগ রেখেছে।

চায়ের পাশাপাশি বাংলাদেশ থেকে আনারস ও চিংড়ি আমদানির সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে উভয় পক্ষ বাণিজ্য ঘাটতি কমানোর ওপর জোর দেন।

স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতার অংশ হিসেবে পাকিস্তানের ‘পাকিস্তান কিডনি অ্যান্ড লিভার ইনস্টিটিউট অ্যান্ড রিসার্চ সেন্টার’-এ প্রতিবছর ১০ জন বাংলাদেশি রোগীর বিনামূল্যে লিভার প্রতিস্থাপনের সুযোগ দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছেন হাইকমিশনার। পাশাপাশি বাংলাদেশি চিকিৎসক ও নার্সদের লিভার প্রতিস্থাপনের ওপর বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়ার আগ্রহও প্রকাশ করা হয়।

হাইকমিশনার ইমরান হায়দার উল্লেখ করেন, ১৪ বছর পর ঢাকা-করাচি সরাসরি ফ্লাইট চালু হওয়ায় দুই দেশের মানুষের যোগাযোগ সহজ হবে এবং অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও গতিশীল হবে।

/এসবি/