শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে সরকারের কড়া বার্তা

শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে সরকারের কড়া বার্তা
নিজস্ব প্রতিবেদক

শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে নতুন বিধিমালা কঠোরভাবে বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। বিধিমালা লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ, নজরদারি এবং সচেতনতামূলক কার্যক্রম জোরদারের সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৬ জুলাই) এক গণবিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে পরিবেশ অধিদপ্তর।
গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে,শব্দদূষণ মানুষের স্বাস্থ্য ও জীববৈচিত্র্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। এ কারণে সরকার ‘শব্দদূষণ (নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা, ২০২৫’ জারি করেছে এবং সবাইকে তা কঠোরভাবে অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে। কোনো উচ্চ শব্দ উৎপন্নকারী যন্ত্র বা কর্মকাণ্ডে বিধিমালায় নির্ধারিত শব্দমাত্রা অতিক্রম করা যাবে না। পারিবারিক অনুষ্ঠান বা জনসমাবেশে কর্তৃপক্ষের লিখিত অনুমতি ছাড়া উচ্চ শব্দের যন্ত্র ব্যবহার নিষিদ্ধ। অনুমতি থাকলেও শব্দের মাত্রা ৯০ ডেসিবেলের বেশি এবং ব্যবহারকাল পাঁচ ঘণ্টার বেশি হতে পারবে না।
এতে বলা হয়েছে, বিধিমালায় নির্ধারিত মাত্রার বেশি শব্দ সৃষ্টি করে-এমন হর্নের উৎপাদন, আমদানি, মজুত, বিক্রি, বিতরণ, বাজারজাতকরণ, পরিবহন ও ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়েছে। নীরব এলাকায় হর্ন বাজানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। পাশাপাশি পটকা, আতশবাজি ও শব্দদূষণ সৃষ্টি করে এমন অন্যান্য কার্যক্রমও নিষিদ্ধ থাকবে। এ ছাড়া আবাসিক এলাকায় রাত ৯টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত হর্ন বাজানো যাবে না। প্রাকৃতিক বনাঞ্চল ও বন্যপ্রাণীর আবাসস্থলে বেলুন ফোটানো এবং উচ্চ শব্দ সৃষ্টি করে এমন যন্ত্র ব্যবহারও নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
বিধিমালা অনুযায়ী, আবাসিক এলাকার শেষ সীমানা থেকে ৫০০ মিটারের মধ্যে সন্ধ্যা ৭টা থেকে সকাল ৭টা পর্যন্ত নির্মাণকাজে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি পরিচালনা করা যাবে না।
পরিবেশ অধিদপ্তর জানিয়েছে, ট্রাফিক সার্জেন্ট বা দায়িত্বপ্রাপ্ত ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার সামনে শব্দদূষণের ঘটনা ঘটলে তারা ঘটনাস্থলেই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে পারবেন।
গণবিজ্ঞপ্তিতে জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশ সুরক্ষায় সবাইকে নতুন বিধিমালা মেনে চলার আহ্বান জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে দেশজুড়ে সচেতনতামূলক কার্যক্রম এবং ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান আরও জোরদার করা হচ্ছে।

শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে নতুন বিধিমালা কঠোরভাবে বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। বিধিমালা লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ, নজরদারি এবং সচেতনতামূলক কার্যক্রম জোরদারের সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৬ জুলাই) এক গণবিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে পরিবেশ অধিদপ্তর।
গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে,শব্দদূষণ মানুষের স্বাস্থ্য ও জীববৈচিত্র্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। এ কারণে সরকার ‘শব্দদূষণ (নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা, ২০২৫’ জারি করেছে এবং সবাইকে তা কঠোরভাবে অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে। কোনো উচ্চ শব্দ উৎপন্নকারী যন্ত্র বা কর্মকাণ্ডে বিধিমালায় নির্ধারিত শব্দমাত্রা অতিক্রম করা যাবে না। পারিবারিক অনুষ্ঠান বা জনসমাবেশে কর্তৃপক্ষের লিখিত অনুমতি ছাড়া উচ্চ শব্দের যন্ত্র ব্যবহার নিষিদ্ধ। অনুমতি থাকলেও শব্দের মাত্রা ৯০ ডেসিবেলের বেশি এবং ব্যবহারকাল পাঁচ ঘণ্টার বেশি হতে পারবে না।
এতে বলা হয়েছে, বিধিমালায় নির্ধারিত মাত্রার বেশি শব্দ সৃষ্টি করে-এমন হর্নের উৎপাদন, আমদানি, মজুত, বিক্রি, বিতরণ, বাজারজাতকরণ, পরিবহন ও ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়েছে। নীরব এলাকায় হর্ন বাজানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। পাশাপাশি পটকা, আতশবাজি ও শব্দদূষণ সৃষ্টি করে এমন অন্যান্য কার্যক্রমও নিষিদ্ধ থাকবে। এ ছাড়া আবাসিক এলাকায় রাত ৯টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত হর্ন বাজানো যাবে না। প্রাকৃতিক বনাঞ্চল ও বন্যপ্রাণীর আবাসস্থলে বেলুন ফোটানো এবং উচ্চ শব্দ সৃষ্টি করে এমন যন্ত্র ব্যবহারও নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
বিধিমালা অনুযায়ী, আবাসিক এলাকার শেষ সীমানা থেকে ৫০০ মিটারের মধ্যে সন্ধ্যা ৭টা থেকে সকাল ৭টা পর্যন্ত নির্মাণকাজে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি পরিচালনা করা যাবে না।
পরিবেশ অধিদপ্তর জানিয়েছে, ট্রাফিক সার্জেন্ট বা দায়িত্বপ্রাপ্ত ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার সামনে শব্দদূষণের ঘটনা ঘটলে তারা ঘটনাস্থলেই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে পারবেন।
গণবিজ্ঞপ্তিতে জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশ সুরক্ষায় সবাইকে নতুন বিধিমালা মেনে চলার আহ্বান জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে দেশজুড়ে সচেতনতামূলক কার্যক্রম এবং ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান আরও জোরদার করা হচ্ছে।

শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে সরকারের কড়া বার্তা
নিজস্ব প্রতিবেদক

শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে নতুন বিধিমালা কঠোরভাবে বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। বিধিমালা লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ, নজরদারি এবং সচেতনতামূলক কার্যক্রম জোরদারের সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৬ জুলাই) এক গণবিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে পরিবেশ অধিদপ্তর।
গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে,শব্দদূষণ মানুষের স্বাস্থ্য ও জীববৈচিত্র্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। এ কারণে সরকার ‘শব্দদূষণ (নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা, ২০২৫’ জারি করেছে এবং সবাইকে তা কঠোরভাবে অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে। কোনো উচ্চ শব্দ উৎপন্নকারী যন্ত্র বা কর্মকাণ্ডে বিধিমালায় নির্ধারিত শব্দমাত্রা অতিক্রম করা যাবে না। পারিবারিক অনুষ্ঠান বা জনসমাবেশে কর্তৃপক্ষের লিখিত অনুমতি ছাড়া উচ্চ শব্দের যন্ত্র ব্যবহার নিষিদ্ধ। অনুমতি থাকলেও শব্দের মাত্রা ৯০ ডেসিবেলের বেশি এবং ব্যবহারকাল পাঁচ ঘণ্টার বেশি হতে পারবে না।
এতে বলা হয়েছে, বিধিমালায় নির্ধারিত মাত্রার বেশি শব্দ সৃষ্টি করে-এমন হর্নের উৎপাদন, আমদানি, মজুত, বিক্রি, বিতরণ, বাজারজাতকরণ, পরিবহন ও ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়েছে। নীরব এলাকায় হর্ন বাজানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। পাশাপাশি পটকা, আতশবাজি ও শব্দদূষণ সৃষ্টি করে এমন অন্যান্য কার্যক্রমও নিষিদ্ধ থাকবে। এ ছাড়া আবাসিক এলাকায় রাত ৯টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত হর্ন বাজানো যাবে না। প্রাকৃতিক বনাঞ্চল ও বন্যপ্রাণীর আবাসস্থলে বেলুন ফোটানো এবং উচ্চ শব্দ সৃষ্টি করে এমন যন্ত্র ব্যবহারও নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
বিধিমালা অনুযায়ী, আবাসিক এলাকার শেষ সীমানা থেকে ৫০০ মিটারের মধ্যে সন্ধ্যা ৭টা থেকে সকাল ৭টা পর্যন্ত নির্মাণকাজে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি পরিচালনা করা যাবে না।
পরিবেশ অধিদপ্তর জানিয়েছে, ট্রাফিক সার্জেন্ট বা দায়িত্বপ্রাপ্ত ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার সামনে শব্দদূষণের ঘটনা ঘটলে তারা ঘটনাস্থলেই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে পারবেন।
গণবিজ্ঞপ্তিতে জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশ সুরক্ষায় সবাইকে নতুন বিধিমালা মেনে চলার আহ্বান জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে দেশজুড়ে সচেতনতামূলক কার্যক্রম এবং ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান আরও জোরদার করা হচ্ছে।

জুলাইয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৪১৬






