৬৯ শতাংশ শিশুশ্রমিকের পরিবার দারিদ্র্যসীমার নিচে

৬৯ শতাংশ শিশুশ্রমিকের পরিবার দারিদ্র্যসীমার নিচে
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

দেশে শিশুশ্রমে যুক্ত শিশুদের ৬৯ শতাংশ পরিবারের বসবাস দারিদ্র্যসীমার নিচে। বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত ‘নগর প্রেক্ষাপটে শিশুশ্রম: বাংলাদেশে সামাজিক–অর্থনৈতিক কারণ ও টেকসই কৌশলগত সমাধান বিশ্লেষণ’ শীর্ষক গবেষণার ফলাফল উপস্থাপন অনুষ্ঠানে এসব তথ্য তুলে ধরা হয়। এডুকো বাংলাদেশ ও চাইল্ড লেবার ইলিমিনেশন প্ল্যাটফর্ম (ক্ল্যাপ) যৌথভাবে অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, দারিদ্র্য, দুর্বল আইন বাস্তবায়ন ও সামাজিক সচেতনতার অভাবে ঢাকাসহ দেশের শহরগুলোতে শিশুশ্রম এখনো একটি স্থায়ী ও ক্রমবর্ধমান বাস্তবতা হিসেবে রয়ে গেছে। এই পরিস্থিতি পরিবর্তনে সরকারি সংস্থা, স্থানীয় কর্তৃপক্ষ, বেসরকারি খাত, সুশীল সমাজ ও কমিউনিটির মধ্যে শক্তিশালী সমন্বয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।
এডুকো বাংলাদেশের ব্যবস্থাপক আফজাল কবির খান সভাপতিত্বে আলোচনায় অংশ নেন শ্রম মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক, উপসচিব মো. আব্দুল ওয়াদুদ, জাতীয় মহিলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট সীমা জহুর, শিশু অধিকার ফোরামের খন্দকার রিয়াজ হোসেন, এএসডির ইউ কে এম ফারহানা সুলতানা প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক বলেন, শিশুশ্রম নিরসন সরকারের একক দায়িত্ব নয়; এটি একটি সামষ্টিক উদ্যোগ। করপোরেট খাতের সিএসআর তহবিল থেকে নির্দিষ্ট অংশ এই খাতে বরাদ্দ করা হলে বাস্তব পরিবর্তন সম্ভব।
তিনি বলেন, ঋণের ফাঁদ, পরিবারের উপার্জনক্ষম ব্যক্তির অসুস্থতা বা মৃত্যু শিশুকে কাজে পাঠাতে বাধ্য করে। বাস্তবমুখী কারিগরি ও ভোকেশনাল শিক্ষা নিশ্চিত করা গেলে শিশুরা দক্ষ ও স্বাবলম্বী নাগরিকে পরিণত হতে পারবে।
উপসচিব আব্দুল ওয়াদুদ বলেন, দেশে আইন ও নীতি থাকলেও বাস্তবায়নের ঘাটতি বড় চ্যালেঞ্জ। শ্রম, নারী ও শিশু, শিক্ষা, স্বরাষ্ট্রসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর সমন্বিত উদ্যোগ ছাড়া শিশুশ্রম নির্মূল সম্ভব নয়। পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ পরিবারগুলোকে সামাজিক সুরক্ষার আওতায় আনা জরুরি।
অনুষ্ঠানে আফজাল কবির খান বলেন, নগর এলাকায় শিশুশ্রম নির্মূলে সমন্বিত উদ্যোগ ও প্রমাণভিত্তিক নীতিনির্ধারণ অপরিহার্য। গবেষণার সুপারিশ বাস্তবায়ন করলে বাংলাদেশে একটি নিরাপদ ও শিশুবান্ধব নগর পরিবেশ গড়ে তোলা সম্ভব।
গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়, বিশ্বে যেখানে ৫ থেকে ১৭ বছর বয়সী শিশুদের ৭ দশমিক ৮ শতাংশ শ্রমে নিয়োজিত, বাংলাদেশে সেই হার ৯ দশমিক ২ শতাংশ। এসব শিশুর মধ্যে প্রায় ৪৭ দশমিক ৬৮ শতাংশ সপ্তাহে সাত দিন এবং ৪৬ দশমিক ৩৬ শতাংশ ছয় দিন কাজ করে। সবচেয়ে বেশি শিশু শ্রমিক (২৮ দশমিক ৪৮ শতাংশ) নিয়োজিত রয়েছে পোশাক খাত ও অন্যান্য শিল্প–উৎপাদন কাজে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, দারিদ্র্য, গ্রাম থেকে শহরে অভিবাসন, মানসম্মত শিক্ষার সীমিত সুযোগ, অনানুষ্ঠানিক কর্মসংস্থান ও দুর্বল সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থাই নগর শিশুশ্রম বৃদ্ধির প্রধান কারণ। শিশুশ্রম টেকসইভাবে মোকাবিলায় সমন্বিত নগর উন্নয়ন পরিকল্পনা, টেকসই অর্থায়ন ও দীর্ঘমেয়াদি কর্মসূচি বাস্তবায়নের ওপর জোর দেওয়া হয়।

দেশে শিশুশ্রমে যুক্ত শিশুদের ৬৯ শতাংশ পরিবারের বসবাস দারিদ্র্যসীমার নিচে। বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত ‘নগর প্রেক্ষাপটে শিশুশ্রম: বাংলাদেশে সামাজিক–অর্থনৈতিক কারণ ও টেকসই কৌশলগত সমাধান বিশ্লেষণ’ শীর্ষক গবেষণার ফলাফল উপস্থাপন অনুষ্ঠানে এসব তথ্য তুলে ধরা হয়। এডুকো বাংলাদেশ ও চাইল্ড লেবার ইলিমিনেশন প্ল্যাটফর্ম (ক্ল্যাপ) যৌথভাবে অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, দারিদ্র্য, দুর্বল আইন বাস্তবায়ন ও সামাজিক সচেতনতার অভাবে ঢাকাসহ দেশের শহরগুলোতে শিশুশ্রম এখনো একটি স্থায়ী ও ক্রমবর্ধমান বাস্তবতা হিসেবে রয়ে গেছে। এই পরিস্থিতি পরিবর্তনে সরকারি সংস্থা, স্থানীয় কর্তৃপক্ষ, বেসরকারি খাত, সুশীল সমাজ ও কমিউনিটির মধ্যে শক্তিশালী সমন্বয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।
এডুকো বাংলাদেশের ব্যবস্থাপক আফজাল কবির খান সভাপতিত্বে আলোচনায় অংশ নেন শ্রম মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক, উপসচিব মো. আব্দুল ওয়াদুদ, জাতীয় মহিলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট সীমা জহুর, শিশু অধিকার ফোরামের খন্দকার রিয়াজ হোসেন, এএসডির ইউ কে এম ফারহানা সুলতানা প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক বলেন, শিশুশ্রম নিরসন সরকারের একক দায়িত্ব নয়; এটি একটি সামষ্টিক উদ্যোগ। করপোরেট খাতের সিএসআর তহবিল থেকে নির্দিষ্ট অংশ এই খাতে বরাদ্দ করা হলে বাস্তব পরিবর্তন সম্ভব।
তিনি বলেন, ঋণের ফাঁদ, পরিবারের উপার্জনক্ষম ব্যক্তির অসুস্থতা বা মৃত্যু শিশুকে কাজে পাঠাতে বাধ্য করে। বাস্তবমুখী কারিগরি ও ভোকেশনাল শিক্ষা নিশ্চিত করা গেলে শিশুরা দক্ষ ও স্বাবলম্বী নাগরিকে পরিণত হতে পারবে।
উপসচিব আব্দুল ওয়াদুদ বলেন, দেশে আইন ও নীতি থাকলেও বাস্তবায়নের ঘাটতি বড় চ্যালেঞ্জ। শ্রম, নারী ও শিশু, শিক্ষা, স্বরাষ্ট্রসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর সমন্বিত উদ্যোগ ছাড়া শিশুশ্রম নির্মূল সম্ভব নয়। পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ পরিবারগুলোকে সামাজিক সুরক্ষার আওতায় আনা জরুরি।
অনুষ্ঠানে আফজাল কবির খান বলেন, নগর এলাকায় শিশুশ্রম নির্মূলে সমন্বিত উদ্যোগ ও প্রমাণভিত্তিক নীতিনির্ধারণ অপরিহার্য। গবেষণার সুপারিশ বাস্তবায়ন করলে বাংলাদেশে একটি নিরাপদ ও শিশুবান্ধব নগর পরিবেশ গড়ে তোলা সম্ভব।
গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়, বিশ্বে যেখানে ৫ থেকে ১৭ বছর বয়সী শিশুদের ৭ দশমিক ৮ শতাংশ শ্রমে নিয়োজিত, বাংলাদেশে সেই হার ৯ দশমিক ২ শতাংশ। এসব শিশুর মধ্যে প্রায় ৪৭ দশমিক ৬৮ শতাংশ সপ্তাহে সাত দিন এবং ৪৬ দশমিক ৩৬ শতাংশ ছয় দিন কাজ করে। সবচেয়ে বেশি শিশু শ্রমিক (২৮ দশমিক ৪৮ শতাংশ) নিয়োজিত রয়েছে পোশাক খাত ও অন্যান্য শিল্প–উৎপাদন কাজে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, দারিদ্র্য, গ্রাম থেকে শহরে অভিবাসন, মানসম্মত শিক্ষার সীমিত সুযোগ, অনানুষ্ঠানিক কর্মসংস্থান ও দুর্বল সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থাই নগর শিশুশ্রম বৃদ্ধির প্রধান কারণ। শিশুশ্রম টেকসইভাবে মোকাবিলায় সমন্বিত নগর উন্নয়ন পরিকল্পনা, টেকসই অর্থায়ন ও দীর্ঘমেয়াদি কর্মসূচি বাস্তবায়নের ওপর জোর দেওয়া হয়।

৬৯ শতাংশ শিশুশ্রমিকের পরিবার দারিদ্র্যসীমার নিচে
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

দেশে শিশুশ্রমে যুক্ত শিশুদের ৬৯ শতাংশ পরিবারের বসবাস দারিদ্র্যসীমার নিচে। বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত ‘নগর প্রেক্ষাপটে শিশুশ্রম: বাংলাদেশে সামাজিক–অর্থনৈতিক কারণ ও টেকসই কৌশলগত সমাধান বিশ্লেষণ’ শীর্ষক গবেষণার ফলাফল উপস্থাপন অনুষ্ঠানে এসব তথ্য তুলে ধরা হয়। এডুকো বাংলাদেশ ও চাইল্ড লেবার ইলিমিনেশন প্ল্যাটফর্ম (ক্ল্যাপ) যৌথভাবে অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, দারিদ্র্য, দুর্বল আইন বাস্তবায়ন ও সামাজিক সচেতনতার অভাবে ঢাকাসহ দেশের শহরগুলোতে শিশুশ্রম এখনো একটি স্থায়ী ও ক্রমবর্ধমান বাস্তবতা হিসেবে রয়ে গেছে। এই পরিস্থিতি পরিবর্তনে সরকারি সংস্থা, স্থানীয় কর্তৃপক্ষ, বেসরকারি খাত, সুশীল সমাজ ও কমিউনিটির মধ্যে শক্তিশালী সমন্বয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।
এডুকো বাংলাদেশের ব্যবস্থাপক আফজাল কবির খান সভাপতিত্বে আলোচনায় অংশ নেন শ্রম মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক, উপসচিব মো. আব্দুল ওয়াদুদ, জাতীয় মহিলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট সীমা জহুর, শিশু অধিকার ফোরামের খন্দকার রিয়াজ হোসেন, এএসডির ইউ কে এম ফারহানা সুলতানা প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক বলেন, শিশুশ্রম নিরসন সরকারের একক দায়িত্ব নয়; এটি একটি সামষ্টিক উদ্যোগ। করপোরেট খাতের সিএসআর তহবিল থেকে নির্দিষ্ট অংশ এই খাতে বরাদ্দ করা হলে বাস্তব পরিবর্তন সম্ভব।
তিনি বলেন, ঋণের ফাঁদ, পরিবারের উপার্জনক্ষম ব্যক্তির অসুস্থতা বা মৃত্যু শিশুকে কাজে পাঠাতে বাধ্য করে। বাস্তবমুখী কারিগরি ও ভোকেশনাল শিক্ষা নিশ্চিত করা গেলে শিশুরা দক্ষ ও স্বাবলম্বী নাগরিকে পরিণত হতে পারবে।
উপসচিব আব্দুল ওয়াদুদ বলেন, দেশে আইন ও নীতি থাকলেও বাস্তবায়নের ঘাটতি বড় চ্যালেঞ্জ। শ্রম, নারী ও শিশু, শিক্ষা, স্বরাষ্ট্রসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর সমন্বিত উদ্যোগ ছাড়া শিশুশ্রম নির্মূল সম্ভব নয়। পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ পরিবারগুলোকে সামাজিক সুরক্ষার আওতায় আনা জরুরি।
অনুষ্ঠানে আফজাল কবির খান বলেন, নগর এলাকায় শিশুশ্রম নির্মূলে সমন্বিত উদ্যোগ ও প্রমাণভিত্তিক নীতিনির্ধারণ অপরিহার্য। গবেষণার সুপারিশ বাস্তবায়ন করলে বাংলাদেশে একটি নিরাপদ ও শিশুবান্ধব নগর পরিবেশ গড়ে তোলা সম্ভব।
গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়, বিশ্বে যেখানে ৫ থেকে ১৭ বছর বয়সী শিশুদের ৭ দশমিক ৮ শতাংশ শ্রমে নিয়োজিত, বাংলাদেশে সেই হার ৯ দশমিক ২ শতাংশ। এসব শিশুর মধ্যে প্রায় ৪৭ দশমিক ৬৮ শতাংশ সপ্তাহে সাত দিন এবং ৪৬ দশমিক ৩৬ শতাংশ ছয় দিন কাজ করে। সবচেয়ে বেশি শিশু শ্রমিক (২৮ দশমিক ৪৮ শতাংশ) নিয়োজিত রয়েছে পোশাক খাত ও অন্যান্য শিল্প–উৎপাদন কাজে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, দারিদ্র্য, গ্রাম থেকে শহরে অভিবাসন, মানসম্মত শিক্ষার সীমিত সুযোগ, অনানুষ্ঠানিক কর্মসংস্থান ও দুর্বল সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থাই নগর শিশুশ্রম বৃদ্ধির প্রধান কারণ। শিশুশ্রম টেকসইভাবে মোকাবিলায় সমন্বিত নগর উন্নয়ন পরিকল্পনা, টেকসই অর্থায়ন ও দীর্ঘমেয়াদি কর্মসূচি বাস্তবায়নের ওপর জোর দেওয়া হয়।









