নিদাল হাসানের মৃত্যুদণ্ড সরাসরি সম্প্রচার করবে না যুক্তরাষ্ট্র

নিদাল হাসানের মৃত্যুদণ্ড সরাসরি সম্প্রচার করবে না যুক্তরাষ্ট্র
সিজেডএন ডেস্ক

২০০৯ সালে টেক্সাসের ফোর্ট হুড সামরিক ঘাঁটিতে হামলা চালানো মার্কিন সেনাবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা মেজর নিদাল হাসানের মৃত্যুদণ্ড সরাসরি সম্প্রচার করা হচ্ছে না। আগের অবস্থান থেকে সরে এসে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজেই এ পরিকল্পনা বাতিলের কথা নিশ্চিত করেছেন। বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) ট্রাম্প জানান, হাসানকে ফায়ারিং স্কোয়াডের মাধ্যমে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার যে সিদ্ধান্ত হয়েছে, তা নির্ধারিত সময়েই কার্যকর হবে। তবে পুরো প্রক্রিয়াটি সরাসরি দেখানো হবে না। তিনি বলেন, ‘আমেরিকা কীভাবে সন্ত্রাসীদের এবং হাসানের মতো জঘন্য ব্যক্তিদের মোকাবিলা করে, এ মৃত্যুদণ্ড সবার দেখার জন্য সরাসরি সম্প্রচার করা হলে তা বিশ্বের কাছে একটি শক্তিশালী বার্তা হতে পারত।’ তিনি যোগ করেন, অনেক ভালো ও সৎ মানুষই হয়তো তাকে মরতে দেখতে চাইবেন না।
এর আগে ফোর্ট হুড ট্র্যাজেডির জন্য দায়ী এ কর্মকর্তার মৃত্যুদণ্ড প্রকাশ্যে সরাসরি সম্প্রচারের পক্ষে শক্ত অবস্থান নিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। এমনকি শুক্রবার (৯ অক্টোবর) নিদাল হাসানকে সম্পূর্ণ উন্মাদ উল্লেখ করে তিনি বলেছিলেন, ‘সে কীভাবে মারা গেল, তা নিয়ে আমার মাথাব্যথা নেই। মূল কথা হলো তার মৃত্যু হওয়া উচিত।’ আমার মতে, মৃত্যুদণ্ডই তার জন্য উপযুক্ত শাস্তি। পাশাপাশি পুরো প্রক্রিয়াটি সরাসরি সম্প্রচারের বিষয়টিতে তার পূর্ণ সমর্থন রয়েছে বলেও জানিয়েছিলেন।
তবে ট্রাম্পের সিদ্ধান্তের বিপরীত মেরুতে ছিলেন দেশটির ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্স। তিনি শুরু থেকেই বিষয়টি নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেন এবং জানান, এমন মৃত্যুদণ্ডের সরাসরি সম্প্রচার তিনি নিজে দেখবেন না।
সাধারণ মানুষ সরাসরি দেখার সুযোগ না পেলেও ওই হামলায় প্রাণ হারানো ও ক্ষতিগ্রস্তদের স্বজনরা চাইলে সেখানে উপস্থিত থাকতে পারবেন। ট্রাম্প জানিয়েছেন, ‘তাদের ন্যায়বিচার দেখার অধিকার রয়েছে!’
পেন্টাগনের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ৩ ডিসেম্বর ফায়ারিং স্কোয়াডের মুখোমুখি করা হবে নিদাল হাসানকে। আর এর মাধ্যমেই গত ৬০ বছরেরও বেশি সময় পর মার্কিন সামরিক বাহিনীতে প্রথম কোনো মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হতে যাচ্ছে। এর আগে পেন্টাগন প্রধান হেগসেথও ঘোষণা দিয়েছিলেন, নিদাল হাসানের এ দণ্ড কার্যকর করার দৃশ্য সবাই সরাসরি দেখতে পাবেন, যা নিয়ে পরবর্তীতে বিশ্বজুড়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম হয়।
উল্লেখ্য, ২০০৯ সালে টেক্সাসের সামরিক ঘাঁটিতে অন্ধের মতো গুলি চালিয়ে নিরস্ত্র ১৩ মার্কিন সেনাকে হত্যা করেন নিদাল হাসান। সেই হামলায় মারাত্মক আহত হন আরও ৩২ জন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ার পর অবশেষে ন্যায়বিচার সম্পন্ন হতে যাচ্ছে।
সূত্র: বিবিসি

২০০৯ সালে টেক্সাসের ফোর্ট হুড সামরিক ঘাঁটিতে হামলা চালানো মার্কিন সেনাবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা মেজর নিদাল হাসানের মৃত্যুদণ্ড সরাসরি সম্প্রচার করা হচ্ছে না। আগের অবস্থান থেকে সরে এসে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজেই এ পরিকল্পনা বাতিলের কথা নিশ্চিত করেছেন। বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) ট্রাম্প জানান, হাসানকে ফায়ারিং স্কোয়াডের মাধ্যমে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার যে সিদ্ধান্ত হয়েছে, তা নির্ধারিত সময়েই কার্যকর হবে। তবে পুরো প্রক্রিয়াটি সরাসরি দেখানো হবে না। তিনি বলেন, ‘আমেরিকা কীভাবে সন্ত্রাসীদের এবং হাসানের মতো জঘন্য ব্যক্তিদের মোকাবিলা করে, এ মৃত্যুদণ্ড সবার দেখার জন্য সরাসরি সম্প্রচার করা হলে তা বিশ্বের কাছে একটি শক্তিশালী বার্তা হতে পারত।’ তিনি যোগ করেন, অনেক ভালো ও সৎ মানুষই হয়তো তাকে মরতে দেখতে চাইবেন না।
এর আগে ফোর্ট হুড ট্র্যাজেডির জন্য দায়ী এ কর্মকর্তার মৃত্যুদণ্ড প্রকাশ্যে সরাসরি সম্প্রচারের পক্ষে শক্ত অবস্থান নিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। এমনকি শুক্রবার (৯ অক্টোবর) নিদাল হাসানকে সম্পূর্ণ উন্মাদ উল্লেখ করে তিনি বলেছিলেন, ‘সে কীভাবে মারা গেল, তা নিয়ে আমার মাথাব্যথা নেই। মূল কথা হলো তার মৃত্যু হওয়া উচিত।’ আমার মতে, মৃত্যুদণ্ডই তার জন্য উপযুক্ত শাস্তি। পাশাপাশি পুরো প্রক্রিয়াটি সরাসরি সম্প্রচারের বিষয়টিতে তার পূর্ণ সমর্থন রয়েছে বলেও জানিয়েছিলেন।
তবে ট্রাম্পের সিদ্ধান্তের বিপরীত মেরুতে ছিলেন দেশটির ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্স। তিনি শুরু থেকেই বিষয়টি নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেন এবং জানান, এমন মৃত্যুদণ্ডের সরাসরি সম্প্রচার তিনি নিজে দেখবেন না।
সাধারণ মানুষ সরাসরি দেখার সুযোগ না পেলেও ওই হামলায় প্রাণ হারানো ও ক্ষতিগ্রস্তদের স্বজনরা চাইলে সেখানে উপস্থিত থাকতে পারবেন। ট্রাম্প জানিয়েছেন, ‘তাদের ন্যায়বিচার দেখার অধিকার রয়েছে!’
পেন্টাগনের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ৩ ডিসেম্বর ফায়ারিং স্কোয়াডের মুখোমুখি করা হবে নিদাল হাসানকে। আর এর মাধ্যমেই গত ৬০ বছরেরও বেশি সময় পর মার্কিন সামরিক বাহিনীতে প্রথম কোনো মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হতে যাচ্ছে। এর আগে পেন্টাগন প্রধান হেগসেথও ঘোষণা দিয়েছিলেন, নিদাল হাসানের এ দণ্ড কার্যকর করার দৃশ্য সবাই সরাসরি দেখতে পাবেন, যা নিয়ে পরবর্তীতে বিশ্বজুড়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম হয়।
উল্লেখ্য, ২০০৯ সালে টেক্সাসের সামরিক ঘাঁটিতে অন্ধের মতো গুলি চালিয়ে নিরস্ত্র ১৩ মার্কিন সেনাকে হত্যা করেন নিদাল হাসান। সেই হামলায় মারাত্মক আহত হন আরও ৩২ জন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ার পর অবশেষে ন্যায়বিচার সম্পন্ন হতে যাচ্ছে।
সূত্র: বিবিসি

নিদাল হাসানের মৃত্যুদণ্ড সরাসরি সম্প্রচার করবে না যুক্তরাষ্ট্র
সিজেডএন ডেস্ক

২০০৯ সালে টেক্সাসের ফোর্ট হুড সামরিক ঘাঁটিতে হামলা চালানো মার্কিন সেনাবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা মেজর নিদাল হাসানের মৃত্যুদণ্ড সরাসরি সম্প্রচার করা হচ্ছে না। আগের অবস্থান থেকে সরে এসে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজেই এ পরিকল্পনা বাতিলের কথা নিশ্চিত করেছেন। বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) ট্রাম্প জানান, হাসানকে ফায়ারিং স্কোয়াডের মাধ্যমে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার যে সিদ্ধান্ত হয়েছে, তা নির্ধারিত সময়েই কার্যকর হবে। তবে পুরো প্রক্রিয়াটি সরাসরি দেখানো হবে না। তিনি বলেন, ‘আমেরিকা কীভাবে সন্ত্রাসীদের এবং হাসানের মতো জঘন্য ব্যক্তিদের মোকাবিলা করে, এ মৃত্যুদণ্ড সবার দেখার জন্য সরাসরি সম্প্রচার করা হলে তা বিশ্বের কাছে একটি শক্তিশালী বার্তা হতে পারত।’ তিনি যোগ করেন, অনেক ভালো ও সৎ মানুষই হয়তো তাকে মরতে দেখতে চাইবেন না।
এর আগে ফোর্ট হুড ট্র্যাজেডির জন্য দায়ী এ কর্মকর্তার মৃত্যুদণ্ড প্রকাশ্যে সরাসরি সম্প্রচারের পক্ষে শক্ত অবস্থান নিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। এমনকি শুক্রবার (৯ অক্টোবর) নিদাল হাসানকে সম্পূর্ণ উন্মাদ উল্লেখ করে তিনি বলেছিলেন, ‘সে কীভাবে মারা গেল, তা নিয়ে আমার মাথাব্যথা নেই। মূল কথা হলো তার মৃত্যু হওয়া উচিত।’ আমার মতে, মৃত্যুদণ্ডই তার জন্য উপযুক্ত শাস্তি। পাশাপাশি পুরো প্রক্রিয়াটি সরাসরি সম্প্রচারের বিষয়টিতে তার পূর্ণ সমর্থন রয়েছে বলেও জানিয়েছিলেন।
তবে ট্রাম্পের সিদ্ধান্তের বিপরীত মেরুতে ছিলেন দেশটির ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্স। তিনি শুরু থেকেই বিষয়টি নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেন এবং জানান, এমন মৃত্যুদণ্ডের সরাসরি সম্প্রচার তিনি নিজে দেখবেন না।
সাধারণ মানুষ সরাসরি দেখার সুযোগ না পেলেও ওই হামলায় প্রাণ হারানো ও ক্ষতিগ্রস্তদের স্বজনরা চাইলে সেখানে উপস্থিত থাকতে পারবেন। ট্রাম্প জানিয়েছেন, ‘তাদের ন্যায়বিচার দেখার অধিকার রয়েছে!’
পেন্টাগনের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ৩ ডিসেম্বর ফায়ারিং স্কোয়াডের মুখোমুখি করা হবে নিদাল হাসানকে। আর এর মাধ্যমেই গত ৬০ বছরেরও বেশি সময় পর মার্কিন সামরিক বাহিনীতে প্রথম কোনো মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হতে যাচ্ছে। এর আগে পেন্টাগন প্রধান হেগসেথও ঘোষণা দিয়েছিলেন, নিদাল হাসানের এ দণ্ড কার্যকর করার দৃশ্য সবাই সরাসরি দেখতে পাবেন, যা নিয়ে পরবর্তীতে বিশ্বজুড়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম হয়।
উল্লেখ্য, ২০০৯ সালে টেক্সাসের সামরিক ঘাঁটিতে অন্ধের মতো গুলি চালিয়ে নিরস্ত্র ১৩ মার্কিন সেনাকে হত্যা করেন নিদাল হাসান। সেই হামলায় মারাত্মক আহত হন আরও ৩২ জন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ার পর অবশেষে ন্যায়বিচার সম্পন্ন হতে যাচ্ছে।
সূত্র: বিবিসি









