ডেঙ্গু-হামে শিশুর পাশাপাশি চিকিৎসকরাও হুমকিতে: ড্যাব সভাপতি

ডেঙ্গু-হামে শিশুর পাশাপাশি চিকিৎসকরাও হুমকিতে: ড্যাব সভাপতি
নিজস্ব প্রতিবেদক

ডেঙ্গু ও হামের মতো রোগে শিশুরা যেমন ঝুঁকিতে রয়েছে, তেমনি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন চিকিৎসকরাও। প্রতিনিয়ত চিকিৎসকদের হুমকির মুখে পড়তে হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) সভাপতি অধ্যাপক ডা. হারুন আল রশীদ।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের তোফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে এবি পার্টি ডক্টরস আয়োজিত ‘ডেঙ্গু ও হাম প্রতিরোধে করণীয়’ শীর্ষক আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ডা. হারুন আল রশীদ বলেন, দেশের চিকিৎসা খাতে প্রায় ৫০ শতাংশ চিকিৎসক নারী। নার্সদের বড় একটি অংশও নারী। তাদের বিকেল ও রাতে দায়িত্ব পালন করতে হয়। ফলে তারা নিরাপত্তাহীনতায় ভোগেন।
তিনি বলেন, ডেঙ্গু ও হামের চিকিৎসা দিতে গিয়ে কোনো চিকিৎসক বা নার্স রোগীর সঙ্গে খারাপ আচরণ করলে কেউ যেন আইন নিজের হাতে তুলে না নেন। এ ধরনের অভিযোগ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানালে অপরাধে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ডেঙ্গু প্রতিরোধে ব্যক্তিগত সচেতনতার ওপর গুরুত্ব দিয়ে ড্যাব সভাপতি বলেন, আমরা কতজন নিজের বাসায় নিয়মিত মশারি ব্যবহার করি? হয়তো সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ মানুষ তা করেন। বাড়ির আঙিনা ও আশপাশের পানি পরিষ্কার রাখলে মশার প্রজনন কমানো সম্ভব। তাই সবার আগে নিজেদের সচেতন হতে হবে।
তিনি আরও বলেন, ব্যক্তিগত, পারিবারিক ও সামাজিক পর্যায়ে সচেতনতা বাড়াতে হবে। ডেঙ্গু প্রতিরোধ করা সম্ভব হলেও এ রোগে কারও সন্তান বা স্বজন মারা গেলে তা অত্যন্ত দুঃখজনক। নিজের বাসায় ডেঙ্গুর বিস্তার ঘটলে তার দায় এড়ানোর সুযোগ নেই। সরকার বা ব্যবস্থাকে দোষারোপ করার আগে নিজেদের দায়িত্ব পালন করতে হবে।
সরকারের হামের টিকাদান কার্যক্রম প্রসঙ্গে ড্যাব সভাপতি বলেন, সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই হাম প্রতিরোধে কাজ করছে। শিশুদের টিকার আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে এখনো দেশের ৩০ লাখ শিশু টিকা পায়নি। তাদের দ্রুত টিকার আওতায় আনতে হবে।
ডেঙ্গু প্রতিরোধে আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার রাখার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, বাড়ির পাশের ড্রেন পরিষ্কার রাখা সবার দায়িত্ব। কিন্তু আমরা অনেকেই সেই দায়িত্ব পালন করি না। এসব বিষয়ে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া গেলে ডেঙ্গু মোকাবিলা কঠিন হবে না।
জাতীয় পর্যায়ে মশা মারার ওষুধ ছিটানোর কাজে অনিয়ম বা দুর্নীতি হলে সংশ্লিষ্টদের আইনের আওতায় আনার আহ্বান জানান ড্যাব সভাপতি। একই সঙ্গে তিনি বলেন, বর্তমান সরকার এ বছর স্বাস্থ্য খাতে জিডিপির ১ শতাংশ বরাদ্দ দিয়েছে। দেশের ভঙ্গুর স্বাস্থ্যব্যবস্থার উন্নয়নে এই উদ্যোগকে ইতিবাচকভাবে নিয়ে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সাবেক উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. মোজাহেরুল হক বলেন, ডেঙ্গুর ক্ষেত্রে পেটব্যথা, বমি, নাক দিয়ে রক্ত পড়া, বমির সঙ্গে রক্ত যাওয়া এবং কথা বলতে না পারার মতো উপসর্গ দেখা দিতে পারে।
হাম প্রতিরোধে শিশুদের টিকার আওতায় আনার ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, বিশ্বের অনেক দেশেই হাম নির্মূল হয়েছে। বাংলাদেশেও রোগটি প্রতিরোধে জনসংখ্যার ৯৫ শতাংশের মধ্যে রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা নিশ্চিত করতে হবে।
পৃথিবীর অনেক দেশে হাম নেই– মন্তব্য করে তিনি বলেন, শিশুদের হামের টিকার আওতায় আনতে হবে।
আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য রাখেন এবি পার্টির সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট আব্দুল ওহাব মিলন, মহাসচিব ব্যারিস্টার মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান ফুয়াদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক শওকত আরমান, ডা. আরিফ মোরশেদ খান, ডা. মারুফ শাহরিয়ার প্রমুখ।

ডেঙ্গু ও হামের মতো রোগে শিশুরা যেমন ঝুঁকিতে রয়েছে, তেমনি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন চিকিৎসকরাও। প্রতিনিয়ত চিকিৎসকদের হুমকির মুখে পড়তে হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) সভাপতি অধ্যাপক ডা. হারুন আল রশীদ।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের তোফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে এবি পার্টি ডক্টরস আয়োজিত ‘ডেঙ্গু ও হাম প্রতিরোধে করণীয়’ শীর্ষক আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ডা. হারুন আল রশীদ বলেন, দেশের চিকিৎসা খাতে প্রায় ৫০ শতাংশ চিকিৎসক নারী। নার্সদের বড় একটি অংশও নারী। তাদের বিকেল ও রাতে দায়িত্ব পালন করতে হয়। ফলে তারা নিরাপত্তাহীনতায় ভোগেন।
তিনি বলেন, ডেঙ্গু ও হামের চিকিৎসা দিতে গিয়ে কোনো চিকিৎসক বা নার্স রোগীর সঙ্গে খারাপ আচরণ করলে কেউ যেন আইন নিজের হাতে তুলে না নেন। এ ধরনের অভিযোগ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানালে অপরাধে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ডেঙ্গু প্রতিরোধে ব্যক্তিগত সচেতনতার ওপর গুরুত্ব দিয়ে ড্যাব সভাপতি বলেন, আমরা কতজন নিজের বাসায় নিয়মিত মশারি ব্যবহার করি? হয়তো সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ মানুষ তা করেন। বাড়ির আঙিনা ও আশপাশের পানি পরিষ্কার রাখলে মশার প্রজনন কমানো সম্ভব। তাই সবার আগে নিজেদের সচেতন হতে হবে।
তিনি আরও বলেন, ব্যক্তিগত, পারিবারিক ও সামাজিক পর্যায়ে সচেতনতা বাড়াতে হবে। ডেঙ্গু প্রতিরোধ করা সম্ভব হলেও এ রোগে কারও সন্তান বা স্বজন মারা গেলে তা অত্যন্ত দুঃখজনক। নিজের বাসায় ডেঙ্গুর বিস্তার ঘটলে তার দায় এড়ানোর সুযোগ নেই। সরকার বা ব্যবস্থাকে দোষারোপ করার আগে নিজেদের দায়িত্ব পালন করতে হবে।
সরকারের হামের টিকাদান কার্যক্রম প্রসঙ্গে ড্যাব সভাপতি বলেন, সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই হাম প্রতিরোধে কাজ করছে। শিশুদের টিকার আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে এখনো দেশের ৩০ লাখ শিশু টিকা পায়নি। তাদের দ্রুত টিকার আওতায় আনতে হবে।
ডেঙ্গু প্রতিরোধে আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার রাখার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, বাড়ির পাশের ড্রেন পরিষ্কার রাখা সবার দায়িত্ব। কিন্তু আমরা অনেকেই সেই দায়িত্ব পালন করি না। এসব বিষয়ে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া গেলে ডেঙ্গু মোকাবিলা কঠিন হবে না।
জাতীয় পর্যায়ে মশা মারার ওষুধ ছিটানোর কাজে অনিয়ম বা দুর্নীতি হলে সংশ্লিষ্টদের আইনের আওতায় আনার আহ্বান জানান ড্যাব সভাপতি। একই সঙ্গে তিনি বলেন, বর্তমান সরকার এ বছর স্বাস্থ্য খাতে জিডিপির ১ শতাংশ বরাদ্দ দিয়েছে। দেশের ভঙ্গুর স্বাস্থ্যব্যবস্থার উন্নয়নে এই উদ্যোগকে ইতিবাচকভাবে নিয়ে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সাবেক উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. মোজাহেরুল হক বলেন, ডেঙ্গুর ক্ষেত্রে পেটব্যথা, বমি, নাক দিয়ে রক্ত পড়া, বমির সঙ্গে রক্ত যাওয়া এবং কথা বলতে না পারার মতো উপসর্গ দেখা দিতে পারে।
হাম প্রতিরোধে শিশুদের টিকার আওতায় আনার ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, বিশ্বের অনেক দেশেই হাম নির্মূল হয়েছে। বাংলাদেশেও রোগটি প্রতিরোধে জনসংখ্যার ৯৫ শতাংশের মধ্যে রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা নিশ্চিত করতে হবে।
পৃথিবীর অনেক দেশে হাম নেই– মন্তব্য করে তিনি বলেন, শিশুদের হামের টিকার আওতায় আনতে হবে।
আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য রাখেন এবি পার্টির সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট আব্দুল ওহাব মিলন, মহাসচিব ব্যারিস্টার মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান ফুয়াদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক শওকত আরমান, ডা. আরিফ মোরশেদ খান, ডা. মারুফ শাহরিয়ার প্রমুখ।

ডেঙ্গু-হামে শিশুর পাশাপাশি চিকিৎসকরাও হুমকিতে: ড্যাব সভাপতি
নিজস্ব প্রতিবেদক

ডেঙ্গু ও হামের মতো রোগে শিশুরা যেমন ঝুঁকিতে রয়েছে, তেমনি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন চিকিৎসকরাও। প্রতিনিয়ত চিকিৎসকদের হুমকির মুখে পড়তে হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) সভাপতি অধ্যাপক ডা. হারুন আল রশীদ।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের তোফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে এবি পার্টি ডক্টরস আয়োজিত ‘ডেঙ্গু ও হাম প্রতিরোধে করণীয়’ শীর্ষক আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ডা. হারুন আল রশীদ বলেন, দেশের চিকিৎসা খাতে প্রায় ৫০ শতাংশ চিকিৎসক নারী। নার্সদের বড় একটি অংশও নারী। তাদের বিকেল ও রাতে দায়িত্ব পালন করতে হয়। ফলে তারা নিরাপত্তাহীনতায় ভোগেন।
তিনি বলেন, ডেঙ্গু ও হামের চিকিৎসা দিতে গিয়ে কোনো চিকিৎসক বা নার্স রোগীর সঙ্গে খারাপ আচরণ করলে কেউ যেন আইন নিজের হাতে তুলে না নেন। এ ধরনের অভিযোগ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানালে অপরাধে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ডেঙ্গু প্রতিরোধে ব্যক্তিগত সচেতনতার ওপর গুরুত্ব দিয়ে ড্যাব সভাপতি বলেন, আমরা কতজন নিজের বাসায় নিয়মিত মশারি ব্যবহার করি? হয়তো সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ মানুষ তা করেন। বাড়ির আঙিনা ও আশপাশের পানি পরিষ্কার রাখলে মশার প্রজনন কমানো সম্ভব। তাই সবার আগে নিজেদের সচেতন হতে হবে।
তিনি আরও বলেন, ব্যক্তিগত, পারিবারিক ও সামাজিক পর্যায়ে সচেতনতা বাড়াতে হবে। ডেঙ্গু প্রতিরোধ করা সম্ভব হলেও এ রোগে কারও সন্তান বা স্বজন মারা গেলে তা অত্যন্ত দুঃখজনক। নিজের বাসায় ডেঙ্গুর বিস্তার ঘটলে তার দায় এড়ানোর সুযোগ নেই। সরকার বা ব্যবস্থাকে দোষারোপ করার আগে নিজেদের দায়িত্ব পালন করতে হবে।
সরকারের হামের টিকাদান কার্যক্রম প্রসঙ্গে ড্যাব সভাপতি বলেন, সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই হাম প্রতিরোধে কাজ করছে। শিশুদের টিকার আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে এখনো দেশের ৩০ লাখ শিশু টিকা পায়নি। তাদের দ্রুত টিকার আওতায় আনতে হবে।
ডেঙ্গু প্রতিরোধে আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার রাখার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, বাড়ির পাশের ড্রেন পরিষ্কার রাখা সবার দায়িত্ব। কিন্তু আমরা অনেকেই সেই দায়িত্ব পালন করি না। এসব বিষয়ে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া গেলে ডেঙ্গু মোকাবিলা কঠিন হবে না।
জাতীয় পর্যায়ে মশা মারার ওষুধ ছিটানোর কাজে অনিয়ম বা দুর্নীতি হলে সংশ্লিষ্টদের আইনের আওতায় আনার আহ্বান জানান ড্যাব সভাপতি। একই সঙ্গে তিনি বলেন, বর্তমান সরকার এ বছর স্বাস্থ্য খাতে জিডিপির ১ শতাংশ বরাদ্দ দিয়েছে। দেশের ভঙ্গুর স্বাস্থ্যব্যবস্থার উন্নয়নে এই উদ্যোগকে ইতিবাচকভাবে নিয়ে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সাবেক উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. মোজাহেরুল হক বলেন, ডেঙ্গুর ক্ষেত্রে পেটব্যথা, বমি, নাক দিয়ে রক্ত পড়া, বমির সঙ্গে রক্ত যাওয়া এবং কথা বলতে না পারার মতো উপসর্গ দেখা দিতে পারে।
হাম প্রতিরোধে শিশুদের টিকার আওতায় আনার ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, বিশ্বের অনেক দেশেই হাম নির্মূল হয়েছে। বাংলাদেশেও রোগটি প্রতিরোধে জনসংখ্যার ৯৫ শতাংশের মধ্যে রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা নিশ্চিত করতে হবে।
পৃথিবীর অনেক দেশে হাম নেই– মন্তব্য করে তিনি বলেন, শিশুদের হামের টিকার আওতায় আনতে হবে।
আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য রাখেন এবি পার্টির সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট আব্দুল ওহাব মিলন, মহাসচিব ব্যারিস্টার মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান ফুয়াদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক শওকত আরমান, ডা. আরিফ মোরশেদ খান, ডা. মারুফ শাহরিয়ার প্রমুখ।

ডেঙ্গুতে আরও ৯ জনের মৃত্যু
হামের প্রাদুর্ভাবে শিশুমৃত্যু বেড়ে ১১৭০





