বেড়েছে চালের দাম, টমেটোর কেজি ১২০ টাকা

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
বেড়েছে চালের দাম, টমেটোর কেজি ১২০ টাকা
কোলাজ: সিজেডএন টোয়েন্টিফোর

সকালের বাজারে হাতে ব্যাগ নিয়ে এক দোকান থেকে আরেক দোকানে ঘুরছেন ক্রেতারা। কেউ চালের দাম যাচাই করছেন, কেউ সবজির দোকানে দরদাম করছেন। তালিকায় প্রয়োজনীয় পণ্যের সংখ্যা কমানো গেলেও কমছে না খরচ। রাজধানীর সেগুনবাগিচা বাজারে গত সপ্তাহের তুলনায় বেড়েছে কয়েক ধরনের চালের দাম। পাশাপাশি টমেটো ও কাঁচা মরিচের মতো কিছু সবজিও বিক্রি হচ্ছে চড়া দামে।

বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) রাতে সরেজমিন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, আটাশ চাল কেজি প্রতি বিক্রি হচ্ছে ৬৫ টাকায়, যা গত সপ্তাহে ছিল ৬০ থেকে ৬২ টাকা। মিনিকেট চালের দাম ৫ টাকা বেড়ে হয়েছে ৭৫ টাকা। অন্যদিকে পাইজাম চালের দাম ৫৮ টাকা থেকে বেড়ে ৬০ টাকা কেজি হয়েছে। তবে বাড়েনি মোটা চালের দাম।

চালের দাম বাড়ার কারণ জানতে চাইলে বাজারের চাল ব্যবসায়ী সুজন বলেন, ‘জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় ট্রাকভাড়া বেড়েছে। পরিবহন খরচ বেশি হওয়ায় চালের দামেও এর প্রভাব পড়ছে।’

বাজারে সবজি কিনছেন এক ক্রেতা। ছবি: সিজেডএন টোয়েন্টিফোর
বাজারে সবজি কিনছেন এক ক্রেতা। ছবি: সিজেডএন টোয়েন্টিফোর

সবজির বাজারে আলু বিক্রি হচ্ছে ২৫ টাকা, পেঁয়াজ ৬০ টাকা, বেগুন ৭০ টাকা, শিম ১০০ টাকা, পেঁপে ২০ টাকা, টমেটো ১২০ টাকা, ঢ্যাঁড়স ৫০ টাকা ও। কাঁচা মরিচের দাম কেজি প্রতি ১২০ টাকা। বাজারে সোনালি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ৩৩০ টাকা কেজি দরে। ব্রয়লার মুরগির কেজি ১৯০ টাকা। ‌আর গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে কেজিতে ৮৫০ টাকা।

সবজি বিক্রেতা তৌকি বলেন, দুই-একটা পণ্য ছাড়া বেশির ভাগ সবজির দাম তেমন বাড়েনি। কিছু পণ্যের দাম আগের মতোই রয়েছে। সামনে শীতে নতুন সবজি উঠবে। তখন বাজারে পণ্য সরবরাহ ও কেনা দামের ওপর নির্ভর করে বিক্রয়মূল্য কিছুটা কমবেশি হতে পারে।

সেগুনবাগিচা বাজারে মাছের দোকান। ছবি: সিজেডএন টোয়েন্টিফোর
সেগুনবাগিচা বাজারে মাছের দোকান। ছবি: সিজেডএন টোয়েন্টিফোর

মাছের বাজারে রুই মাছের দাম ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা কেজি। কই মাছ বিক্রি হচ্ছে ২৪০ টাকা, পাঙ্গাস ২৩০ টাকা, পাবদা ৩৫০ টাকা ও শোল মাছ ৫০০ টাকা কেজি দরে।

ক্রেতা লাবনী বেগম বলেন, বাজারে সবকিছুর দাম মিলিয়ে কিনতে হয়। প্রতি মাসেই কোনো না কোনো জিনিসের দাম বাড়ছেই। টমেটো ও কাঁচা মরিচের দামও বেশি। একসঙ্গে চাল, মাছ, মুরগি ও সবজি কিনতে গেলে অনেক টাকা চলে যায়। সংসারের খরচ সামলাতে এখন হিসাব করে চলতে হচ্ছে।

আরেক ক্রেতা আব্দুল আলিম বলেন, চালসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়লে আমাদের মতো সাধারণ মানুষের সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়ে। আয় তো আর প্রতিদিন বাড়ে না। তাই বাজার করতে এসে প্রয়োজনীয় অনেক পণ্য হিসাব করে কিনতে হচ্ছে।

/এমএকে/