নাগরিক সেবায় এআই ব্যবহারে ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব

নাগরিক সেবায় এআই ব্যবহারে ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব
সিটিজেন ডেস্ক

দেশের নাগরিক সেবাকে আরও আধুনিক ও জনবান্ধব করতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির ব্যবহারে ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট পেশ করার সময় অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এ কথা জানান।
বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী উল্লেখ করেন, জাতীয় উন্নয়ন ও আধুনিকায়নের মূল চালিকাশক্তি হিসেবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ইলেকট্রনিক্স শিল্প এবং তরুণদের উদ্ভাবনী ক্ষমতাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। সরকার এআই প্রযুক্তিকে দেশের সামগ্রিক অগ্রগতির একটি বড় সুযোগ হিসেবে দেখছে। এ মহাপরিকল্পনার অংশ হিসেবে স্মার্ট সিটি বিনির্মাণ, নাগরিক সেবার সহজীকরণ এবং শিক্ষা ব্যবস্থায় এআই অন্তর্ভুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা ভবিষ্যৎ কর্মক্ষেত্রের জন্য তরুণ প্রজন্মকে দক্ষ ও যোগ্য করে তুলবে।
অর্থমন্ত্রী জানান, তরুণদের মেধা ও সৃজনশীলতাকে কাজে লাগিয়ে দেশে স্টার্টআপ, ফ্রিল্যান্সিং, কনটেন্ট ক্রিয়েশন এবং এআই-নির্ভর উদ্যোক্তা তৈরি করাই সরকারের মূল লক্ষ্য। এছাড়া, সরকারি সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়াকে আরও কার্যকর ও গতিশীল করতে এআই-চালিত ডাটা সেন্টার ব্যবহার করা হবে। এর ফলে প্রশাসনিক কার্যক্রমে দক্ষতা বাড়ার পাশাপাশি স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতাও নিশ্চিত হবে।
একই সঙ্গে, তথ্যপ্রযুক্তি খাতে নতুন উদ্যোক্তাদের উৎসাহিত করতে আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে আরও ৫০০ কোটি টাকা স্টার্ট-আপ তহবিল হিসেবে প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী, যা মূলত তরুণ ও নারী উদ্যোক্তাদের বিকাশ এবং নারী উন্নয়নে ব্যয় করা হবে। এই যুগান্তকারী উদ্যোগগুলো বাংলাদেশকে একটি উদ্ভাবন-নির্ভর, প্রযুক্তি-সমৃদ্ধ ও আত্মনির্ভরশীল রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

দেশের নাগরিক সেবাকে আরও আধুনিক ও জনবান্ধব করতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির ব্যবহারে ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট পেশ করার সময় অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এ কথা জানান।
বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী উল্লেখ করেন, জাতীয় উন্নয়ন ও আধুনিকায়নের মূল চালিকাশক্তি হিসেবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ইলেকট্রনিক্স শিল্প এবং তরুণদের উদ্ভাবনী ক্ষমতাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। সরকার এআই প্রযুক্তিকে দেশের সামগ্রিক অগ্রগতির একটি বড় সুযোগ হিসেবে দেখছে। এ মহাপরিকল্পনার অংশ হিসেবে স্মার্ট সিটি বিনির্মাণ, নাগরিক সেবার সহজীকরণ এবং শিক্ষা ব্যবস্থায় এআই অন্তর্ভুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা ভবিষ্যৎ কর্মক্ষেত্রের জন্য তরুণ প্রজন্মকে দক্ষ ও যোগ্য করে তুলবে।
অর্থমন্ত্রী জানান, তরুণদের মেধা ও সৃজনশীলতাকে কাজে লাগিয়ে দেশে স্টার্টআপ, ফ্রিল্যান্সিং, কনটেন্ট ক্রিয়েশন এবং এআই-নির্ভর উদ্যোক্তা তৈরি করাই সরকারের মূল লক্ষ্য। এছাড়া, সরকারি সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়াকে আরও কার্যকর ও গতিশীল করতে এআই-চালিত ডাটা সেন্টার ব্যবহার করা হবে। এর ফলে প্রশাসনিক কার্যক্রমে দক্ষতা বাড়ার পাশাপাশি স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতাও নিশ্চিত হবে।
একই সঙ্গে, তথ্যপ্রযুক্তি খাতে নতুন উদ্যোক্তাদের উৎসাহিত করতে আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে আরও ৫০০ কোটি টাকা স্টার্ট-আপ তহবিল হিসেবে প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী, যা মূলত তরুণ ও নারী উদ্যোক্তাদের বিকাশ এবং নারী উন্নয়নে ব্যয় করা হবে। এই যুগান্তকারী উদ্যোগগুলো বাংলাদেশকে একটি উদ্ভাবন-নির্ভর, প্রযুক্তি-সমৃদ্ধ ও আত্মনির্ভরশীল রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

নাগরিক সেবায় এআই ব্যবহারে ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব
সিটিজেন ডেস্ক

দেশের নাগরিক সেবাকে আরও আধুনিক ও জনবান্ধব করতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির ব্যবহারে ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট পেশ করার সময় অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এ কথা জানান।
বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী উল্লেখ করেন, জাতীয় উন্নয়ন ও আধুনিকায়নের মূল চালিকাশক্তি হিসেবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ইলেকট্রনিক্স শিল্প এবং তরুণদের উদ্ভাবনী ক্ষমতাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। সরকার এআই প্রযুক্তিকে দেশের সামগ্রিক অগ্রগতির একটি বড় সুযোগ হিসেবে দেখছে। এ মহাপরিকল্পনার অংশ হিসেবে স্মার্ট সিটি বিনির্মাণ, নাগরিক সেবার সহজীকরণ এবং শিক্ষা ব্যবস্থায় এআই অন্তর্ভুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা ভবিষ্যৎ কর্মক্ষেত্রের জন্য তরুণ প্রজন্মকে দক্ষ ও যোগ্য করে তুলবে।
অর্থমন্ত্রী জানান, তরুণদের মেধা ও সৃজনশীলতাকে কাজে লাগিয়ে দেশে স্টার্টআপ, ফ্রিল্যান্সিং, কনটেন্ট ক্রিয়েশন এবং এআই-নির্ভর উদ্যোক্তা তৈরি করাই সরকারের মূল লক্ষ্য। এছাড়া, সরকারি সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়াকে আরও কার্যকর ও গতিশীল করতে এআই-চালিত ডাটা সেন্টার ব্যবহার করা হবে। এর ফলে প্রশাসনিক কার্যক্রমে দক্ষতা বাড়ার পাশাপাশি স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতাও নিশ্চিত হবে।
একই সঙ্গে, তথ্যপ্রযুক্তি খাতে নতুন উদ্যোক্তাদের উৎসাহিত করতে আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে আরও ৫০০ কোটি টাকা স্টার্ট-আপ তহবিল হিসেবে প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী, যা মূলত তরুণ ও নারী উদ্যোক্তাদের বিকাশ এবং নারী উন্নয়নে ব্যয় করা হবে। এই যুগান্তকারী উদ্যোগগুলো বাংলাদেশকে একটি উদ্ভাবন-নির্ভর, প্রযুক্তি-সমৃদ্ধ ও আত্মনির্ভরশীল রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

বাজেট পেশ: সংসদ অধিবেশন শুরু


