‘ডাকাত-ডাকাত’ চিৎকারে এসআরবি-পুলিশের ওপর হামলা, অভিযোগ বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে

‘ডাকাত-ডাকাত’ চিৎকারে এসআরবি-পুলিশের ওপর হামলা, অভিযোগ বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর খিলক্ষেতে চোরাই সোনার চেইন উদ্ধারে যাওয়া র্যাব ও পুলিশের যৌথ আভিযানিক দলের ওপর হামলার ঘটনায় মো. মিজানুর রহমান রেনু নামে এক বিএনপি নেতার নাম উঠে এসেছে। হামলায় এসআরবি ও পুলিশের ৩ সদস্য আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় রেনুসহ একাধিক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। তাদের মধ্যে কয়েকজন গুরুতর জখম হয়েছেন বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
ঘটনার পর মো. সাজু (২৯) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। খিলক্ষেত থানা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মিজানুর রহমান রেনু, বাবলুসহ মামলার এজাহারভুক্ত অন্য অভিযুক্তরা পলাতক রয়েছেন।
পুলিশের এজাহার সূত্রে জানা যায়, রাজশাহীর বোয়ালিয়া মডেল থানায় করা একটি মামলার পলাতক আসামি মো. রিয়াজুল ইসলামকে (৪৫) রাজধানীর খিলক্ষেতের টানপাড়া এলাকা থেকে আটক করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে রিয়াজুল দাবি করেন, তার কাছে থাকা একটি চোরাই সোনার চেইন খিলক্ষেতের নিকুঞ্জ-২ আবাসিক এলাকার টানপাড়া রোডের অনন্যা জুয়েলার্সে রবীন্দ্রনাথ সরকার নামের এক ব্যক্তির কাছে বন্ধক রাখা হয়েছে। এ তথ্যের ভিত্তিতে চেইনটি উদ্ধারে গত মঙ্গলবার দুপুরে এসআরবি ও পুলিশের ৯ সদস্যের একটি যৌথ দল ওই দোকানে যায়। দোকানে আইনি কার্যক্রম শুরুর পর খিলক্ষেত থানা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মিজানুর রহমান রেনুর নেতৃত্বে সাজু, বাবলুসহ ৭ থেকে ৮ জন সেখানে জড়ো হন। একপর্যায়ে তারা আভিযানিক দলের সদস্যদের ঘিরে ফেলেন। এ সময় রেনু উপস্থিত লোকজনকে চেইন ফেরত না দেওয়ার জন্য উস্কানি দেন এবং ‘ডাকাত, ডাকাত’ বলে চিৎকার করেন।
এজাহারে বলা হয়, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা নিজেদের পরিচয় দেওয়ার পরও তাদের ওপর হামলা চালানো হয়। হামলাকারীরা লোহার রড, লাঠিসোঁটা ও দেশীয় অস্ত্র ব্যবহার করেন।
এজাহারের তথ্য অনুযায়ী, রেনু ভারী লোহার রড দিয়ে কনস্টেবল মাহবুবুল হোসেন তপনের মাথায় আঘাত করেন। তিনি হাত দিয়ে আঘাত ঠেকানোর চেষ্টা করলে ডান হাতের কনুইয়ের নিচে গুরুতর জখম হন। পরে তার হাঁটুতেও আঘাত লাগে। অন্যদিকে, সাজু এসআরবির ল্যান্স করপোরাল মো. ইসরাইল হোসেনের শার্টের কলার ধরে কিল-ঘুষি ও লাথি মারার পাশাপাশি ধারালো ছুরি দিয়ে মুখ ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করেন। আর বাবলু কনস্টেবল গোলাম মোর্শেদকে লাঠি দিয়ে পিটিয়ে আহত করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
পরিস্থিতির অবনতি হলে অতিরিক্ত আভিযানিক দল ঘটনাস্থলে পৌঁছালে রেনু, বাবলুসহ অন্য অভিযুক্তরা পালিয়ে যান। পরে ঘটনাস্থল থেকে সাজুকে গ্রেপ্তার করা হয়। আহত তিন সদস্যকে উদ্ধার করে উত্তরা কুয়েত-বাংলাদেশ মৈত্রী সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নেওয়া হয়।
এ ঘটনায় পুলিশ পরিদর্শক এ কে এম জামাল উদ্দিন খান বাদী হয়ে খিলক্ষেত থানায় মামলা করেছেন। মামলায় বেআইনি জনসমাবেশ, সরকারি কাজে বাধা, সরকারি কর্মচারীদের ওপর হামলা এবং হত্যাচেষ্টার অভিযোগ করা হয়েছে।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা খিলক্ষেত থানার পরিদর্শক (অপারেশনস) মো. হাফিজুর রহমান বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর হামলা ও সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার ঘটনা গুরুতর অপরাধ। এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ ও পারিপার্শ্বিক তথ্যপ্রমাণ পর্যালোচনা করা হচ্ছে। রেনু, বাবলুসহ পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক দল কাজ করছে বলেও জানান তিনি।

রাজধানীর খিলক্ষেতে চোরাই সোনার চেইন উদ্ধারে যাওয়া র্যাব ও পুলিশের যৌথ আভিযানিক দলের ওপর হামলার ঘটনায় মো. মিজানুর রহমান রেনু নামে এক বিএনপি নেতার নাম উঠে এসেছে। হামলায় এসআরবি ও পুলিশের ৩ সদস্য আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় রেনুসহ একাধিক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। তাদের মধ্যে কয়েকজন গুরুতর জখম হয়েছেন বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
ঘটনার পর মো. সাজু (২৯) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। খিলক্ষেত থানা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মিজানুর রহমান রেনু, বাবলুসহ মামলার এজাহারভুক্ত অন্য অভিযুক্তরা পলাতক রয়েছেন।
পুলিশের এজাহার সূত্রে জানা যায়, রাজশাহীর বোয়ালিয়া মডেল থানায় করা একটি মামলার পলাতক আসামি মো. রিয়াজুল ইসলামকে (৪৫) রাজধানীর খিলক্ষেতের টানপাড়া এলাকা থেকে আটক করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে রিয়াজুল দাবি করেন, তার কাছে থাকা একটি চোরাই সোনার চেইন খিলক্ষেতের নিকুঞ্জ-২ আবাসিক এলাকার টানপাড়া রোডের অনন্যা জুয়েলার্সে রবীন্দ্রনাথ সরকার নামের এক ব্যক্তির কাছে বন্ধক রাখা হয়েছে। এ তথ্যের ভিত্তিতে চেইনটি উদ্ধারে গত মঙ্গলবার দুপুরে এসআরবি ও পুলিশের ৯ সদস্যের একটি যৌথ দল ওই দোকানে যায়। দোকানে আইনি কার্যক্রম শুরুর পর খিলক্ষেত থানা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মিজানুর রহমান রেনুর নেতৃত্বে সাজু, বাবলুসহ ৭ থেকে ৮ জন সেখানে জড়ো হন। একপর্যায়ে তারা আভিযানিক দলের সদস্যদের ঘিরে ফেলেন। এ সময় রেনু উপস্থিত লোকজনকে চেইন ফেরত না দেওয়ার জন্য উস্কানি দেন এবং ‘ডাকাত, ডাকাত’ বলে চিৎকার করেন।
এজাহারে বলা হয়, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা নিজেদের পরিচয় দেওয়ার পরও তাদের ওপর হামলা চালানো হয়। হামলাকারীরা লোহার রড, লাঠিসোঁটা ও দেশীয় অস্ত্র ব্যবহার করেন।
এজাহারের তথ্য অনুযায়ী, রেনু ভারী লোহার রড দিয়ে কনস্টেবল মাহবুবুল হোসেন তপনের মাথায় আঘাত করেন। তিনি হাত দিয়ে আঘাত ঠেকানোর চেষ্টা করলে ডান হাতের কনুইয়ের নিচে গুরুতর জখম হন। পরে তার হাঁটুতেও আঘাত লাগে। অন্যদিকে, সাজু এসআরবির ল্যান্স করপোরাল মো. ইসরাইল হোসেনের শার্টের কলার ধরে কিল-ঘুষি ও লাথি মারার পাশাপাশি ধারালো ছুরি দিয়ে মুখ ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করেন। আর বাবলু কনস্টেবল গোলাম মোর্শেদকে লাঠি দিয়ে পিটিয়ে আহত করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
পরিস্থিতির অবনতি হলে অতিরিক্ত আভিযানিক দল ঘটনাস্থলে পৌঁছালে রেনু, বাবলুসহ অন্য অভিযুক্তরা পালিয়ে যান। পরে ঘটনাস্থল থেকে সাজুকে গ্রেপ্তার করা হয়। আহত তিন সদস্যকে উদ্ধার করে উত্তরা কুয়েত-বাংলাদেশ মৈত্রী সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নেওয়া হয়।
এ ঘটনায় পুলিশ পরিদর্শক এ কে এম জামাল উদ্দিন খান বাদী হয়ে খিলক্ষেত থানায় মামলা করেছেন। মামলায় বেআইনি জনসমাবেশ, সরকারি কাজে বাধা, সরকারি কর্মচারীদের ওপর হামলা এবং হত্যাচেষ্টার অভিযোগ করা হয়েছে।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা খিলক্ষেত থানার পরিদর্শক (অপারেশনস) মো. হাফিজুর রহমান বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর হামলা ও সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার ঘটনা গুরুতর অপরাধ। এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ ও পারিপার্শ্বিক তথ্যপ্রমাণ পর্যালোচনা করা হচ্ছে। রেনু, বাবলুসহ পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক দল কাজ করছে বলেও জানান তিনি।

‘ডাকাত-ডাকাত’ চিৎকারে এসআরবি-পুলিশের ওপর হামলা, অভিযোগ বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর খিলক্ষেতে চোরাই সোনার চেইন উদ্ধারে যাওয়া র্যাব ও পুলিশের যৌথ আভিযানিক দলের ওপর হামলার ঘটনায় মো. মিজানুর রহমান রেনু নামে এক বিএনপি নেতার নাম উঠে এসেছে। হামলায় এসআরবি ও পুলিশের ৩ সদস্য আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় রেনুসহ একাধিক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। তাদের মধ্যে কয়েকজন গুরুতর জখম হয়েছেন বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
ঘটনার পর মো. সাজু (২৯) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। খিলক্ষেত থানা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মিজানুর রহমান রেনু, বাবলুসহ মামলার এজাহারভুক্ত অন্য অভিযুক্তরা পলাতক রয়েছেন।
পুলিশের এজাহার সূত্রে জানা যায়, রাজশাহীর বোয়ালিয়া মডেল থানায় করা একটি মামলার পলাতক আসামি মো. রিয়াজুল ইসলামকে (৪৫) রাজধানীর খিলক্ষেতের টানপাড়া এলাকা থেকে আটক করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে রিয়াজুল দাবি করেন, তার কাছে থাকা একটি চোরাই সোনার চেইন খিলক্ষেতের নিকুঞ্জ-২ আবাসিক এলাকার টানপাড়া রোডের অনন্যা জুয়েলার্সে রবীন্দ্রনাথ সরকার নামের এক ব্যক্তির কাছে বন্ধক রাখা হয়েছে। এ তথ্যের ভিত্তিতে চেইনটি উদ্ধারে গত মঙ্গলবার দুপুরে এসআরবি ও পুলিশের ৯ সদস্যের একটি যৌথ দল ওই দোকানে যায়। দোকানে আইনি কার্যক্রম শুরুর পর খিলক্ষেত থানা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মিজানুর রহমান রেনুর নেতৃত্বে সাজু, বাবলুসহ ৭ থেকে ৮ জন সেখানে জড়ো হন। একপর্যায়ে তারা আভিযানিক দলের সদস্যদের ঘিরে ফেলেন। এ সময় রেনু উপস্থিত লোকজনকে চেইন ফেরত না দেওয়ার জন্য উস্কানি দেন এবং ‘ডাকাত, ডাকাত’ বলে চিৎকার করেন।
এজাহারে বলা হয়, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা নিজেদের পরিচয় দেওয়ার পরও তাদের ওপর হামলা চালানো হয়। হামলাকারীরা লোহার রড, লাঠিসোঁটা ও দেশীয় অস্ত্র ব্যবহার করেন।
এজাহারের তথ্য অনুযায়ী, রেনু ভারী লোহার রড দিয়ে কনস্টেবল মাহবুবুল হোসেন তপনের মাথায় আঘাত করেন। তিনি হাত দিয়ে আঘাত ঠেকানোর চেষ্টা করলে ডান হাতের কনুইয়ের নিচে গুরুতর জখম হন। পরে তার হাঁটুতেও আঘাত লাগে। অন্যদিকে, সাজু এসআরবির ল্যান্স করপোরাল মো. ইসরাইল হোসেনের শার্টের কলার ধরে কিল-ঘুষি ও লাথি মারার পাশাপাশি ধারালো ছুরি দিয়ে মুখ ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করেন। আর বাবলু কনস্টেবল গোলাম মোর্শেদকে লাঠি দিয়ে পিটিয়ে আহত করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
পরিস্থিতির অবনতি হলে অতিরিক্ত আভিযানিক দল ঘটনাস্থলে পৌঁছালে রেনু, বাবলুসহ অন্য অভিযুক্তরা পালিয়ে যান। পরে ঘটনাস্থল থেকে সাজুকে গ্রেপ্তার করা হয়। আহত তিন সদস্যকে উদ্ধার করে উত্তরা কুয়েত-বাংলাদেশ মৈত্রী সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নেওয়া হয়।
এ ঘটনায় পুলিশ পরিদর্শক এ কে এম জামাল উদ্দিন খান বাদী হয়ে খিলক্ষেত থানায় মামলা করেছেন। মামলায় বেআইনি জনসমাবেশ, সরকারি কাজে বাধা, সরকারি কর্মচারীদের ওপর হামলা এবং হত্যাচেষ্টার অভিযোগ করা হয়েছে।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা খিলক্ষেত থানার পরিদর্শক (অপারেশনস) মো. হাফিজুর রহমান বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর হামলা ও সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার ঘটনা গুরুতর অপরাধ। এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ ও পারিপার্শ্বিক তথ্যপ্রমাণ পর্যালোচনা করা হচ্ছে। রেনু, বাবলুসহ পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক দল কাজ করছে বলেও জানান তিনি।

সুজানগরে মাইকে ঘোষণা দিয়ে পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগ







