বাংলাদেশি যুবকদের ইউক্রেন যুদ্ধে ঠেলে দেওয়ার অভিযোগে গ্রেপ্তার ২

বাংলাদেশি যুবকদের ইউক্রেন যুদ্ধে ঠেলে দেওয়ার অভিযোগে গ্রেপ্তার ২
নিজস্ব প্রতিবেদক

স্বপ্ন ছিল বিদেশে গিয়ে কাজ করবেন, পরিবারের অভাব ঘোচাবেন। সেই স্বপ্ন পূরণের আশায় ৮ লাখ ২৫ হাজার টাকা খরচ করে রাশিয়ায় পাড়ি জমিয়েছিলেন ২১ বছর বয়সী রাজন হোসেন। কথা ছিল, কনস্ট্রাকশনের কাজ করবেন, উপার্জন করে পরিবারের মুখে হাসি ফোটাবেন। কিন্তু বিদেশের মাটিতে পা রাখার পরই বদলে যায় সব হিসাব। চাকরির প্রতিশ্রুতি দিয়ে তাকে নিয়ে যাওয়া হয় যুদ্ধের ময়দানে। শেষ পর্যন্ত ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধে ড্রোন হামলায় গুরুতর আহত হয়ে কোমরের হাড় ভাঙে তার, হারিয়ে ফেলেন দুই পায়ের শক্তি।
জীবন বাজি রেখে হাসপাতাল পর্যন্ত পৌঁছানো, আহত অবস্থায় পালিয়ে বেড়ানো সবশেষে দূতাবাসের সহায়তায় গত ২৩ আগষ্ট দেশে ফেরেন রাজন। তবে দেশে ফিরেও স্বস্তি মেলেনি তার পরিবারের। ক্ষতিপূরণ চাইতে গিয়ে উল্টো গালিগালাজ, মারধরের চেষ্টা ও প্রাণনাশের হুমকির মুখে পড়ার অভিযোগ উঠেছে মানব পাচার চক্রের সদস্যদের বিরুদ্ধে।
এ ঘটনায় দায়ের করা মামলায় অভিযুক্ত চক্রের দুই সদস্য মিজানুর রহমান (৫৫) ও মো. আবু তাহের লেন্টুকে (৫০) গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)।
স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)-১০ এর অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান জানিয়েছেন, প্রাথমিক অনুসন্ধানে উচ্চ বেতনের চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে প্রায় ৩০ বাংলাদেশিকে রাশিয়ায় নিয়ে গিয়ে যুদ্ধে অংশ নিতে বাধ্য করার অভিযোগের সত্যতা মিলেছে। তাদের মধ্যে প্রায় ২০ জনের মৃত্যুর তথ্য পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র। আর কোনোমতে পালিয়ে দেশে ফিরেছেন দুজন।
নির্মাণশ্রমিক হওয়ার স্বপ্ন, শেষ পর্যন্ত যুদ্ধের সম্মুখসারিতে
মামলার তথ্য অনুযায়ী, অভিযুক্ত মিজানুর রহমান ও আবু তাহের লেন্টুসহ অন্যরা পারস্পরিক যোগসাজশে রাজন হোসেনকে রাশিয়ায় কনস্ট্রাকশন খাতে কাজ দেওয়ার কথা বলেন। এই আশ্বাসে তাদের হাতে ৮ লাখ ২৫ হাজার টাকা তুলে দিয়ে গত ৭ মে রাশিয়ায় যান রাজন। কিন্তু সেখানে পৌঁছানোর পরই ভয়াবহ পরিস্থিতির মুখে পড়েন তিনি। অভিযোগ রয়েছে, রাজনসহ প্রায় ৩০ জন বাংলাদেশিকে জোর করে রুশ সেনাবাহিনীতে যোগ দিতে বাধ্য করা হয়। এরপর দেওয়া হয় সামরিক প্রশিক্ষণ। প্রশিক্ষণ শেষে তাদের পাঠানো হয় ইউক্রেনের বিরুদ্ধে যুদ্ধের সম্মুখসারিতে।
যে হাতে পরিবারের জন্য উপার্জনের স্বপ্ন ছিল, সেই জীবনই হয়ে ওঠে যুদ্ধের লক্ষ্যবস্তু। ড্রোন হামলায় গুরুতর আহত হন রাজন। ভেঙে যায় তার কোমরের হাড়, দুই পায়ের শক্তিও হারিয়ে ফেলেন তিনি। আহত অবস্থায় টানা চার দিন চরম কষ্টের মধ্যে থাকার পর হাসপাতালে পৌঁছে চিকিৎসা নেন।
ফরিদপুর ও ঝিনাইদহে অভিযান, গ্রেপ্তার ২
এসআরবি-১০, সিপিসি-৩, ফরিদপুর ক্যাম্পের একটি দল ফরিদপুরের নগরকান্দা থানার আটাইল এলাকায় অভিযান চালিয়ে মিজানুর রহমানকে গ্রেপ্তার করে। একই দিনে এসআরবি-৬-এর সদস্যরা ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ এলাকা থেকে মামলার এজাহারভুক্ত আসামি মো. আবু তাহের লেন্টুকে গ্রেপ্তার করেন।
গ্রেপ্তার মিজানুর রহমান ফরিদপুরের চরভদ্রাসন থানার চর হরিরামপুর এলাকার ওমর আলী সরদারের ছেলে। অপর আসামি আবু তাহের লেন্টু ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ থানার একতারপুর এলাকার মৃত আমজাদ আলী বিশ্বাসের ছেলে।

স্বপ্ন ছিল বিদেশে গিয়ে কাজ করবেন, পরিবারের অভাব ঘোচাবেন। সেই স্বপ্ন পূরণের আশায় ৮ লাখ ২৫ হাজার টাকা খরচ করে রাশিয়ায় পাড়ি জমিয়েছিলেন ২১ বছর বয়সী রাজন হোসেন। কথা ছিল, কনস্ট্রাকশনের কাজ করবেন, উপার্জন করে পরিবারের মুখে হাসি ফোটাবেন। কিন্তু বিদেশের মাটিতে পা রাখার পরই বদলে যায় সব হিসাব। চাকরির প্রতিশ্রুতি দিয়ে তাকে নিয়ে যাওয়া হয় যুদ্ধের ময়দানে। শেষ পর্যন্ত ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধে ড্রোন হামলায় গুরুতর আহত হয়ে কোমরের হাড় ভাঙে তার, হারিয়ে ফেলেন দুই পায়ের শক্তি।
জীবন বাজি রেখে হাসপাতাল পর্যন্ত পৌঁছানো, আহত অবস্থায় পালিয়ে বেড়ানো সবশেষে দূতাবাসের সহায়তায় গত ২৩ আগষ্ট দেশে ফেরেন রাজন। তবে দেশে ফিরেও স্বস্তি মেলেনি তার পরিবারের। ক্ষতিপূরণ চাইতে গিয়ে উল্টো গালিগালাজ, মারধরের চেষ্টা ও প্রাণনাশের হুমকির মুখে পড়ার অভিযোগ উঠেছে মানব পাচার চক্রের সদস্যদের বিরুদ্ধে।
এ ঘটনায় দায়ের করা মামলায় অভিযুক্ত চক্রের দুই সদস্য মিজানুর রহমান (৫৫) ও মো. আবু তাহের লেন্টুকে (৫০) গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)।
স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)-১০ এর অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান জানিয়েছেন, প্রাথমিক অনুসন্ধানে উচ্চ বেতনের চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে প্রায় ৩০ বাংলাদেশিকে রাশিয়ায় নিয়ে গিয়ে যুদ্ধে অংশ নিতে বাধ্য করার অভিযোগের সত্যতা মিলেছে। তাদের মধ্যে প্রায় ২০ জনের মৃত্যুর তথ্য পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র। আর কোনোমতে পালিয়ে দেশে ফিরেছেন দুজন।
নির্মাণশ্রমিক হওয়ার স্বপ্ন, শেষ পর্যন্ত যুদ্ধের সম্মুখসারিতে
মামলার তথ্য অনুযায়ী, অভিযুক্ত মিজানুর রহমান ও আবু তাহের লেন্টুসহ অন্যরা পারস্পরিক যোগসাজশে রাজন হোসেনকে রাশিয়ায় কনস্ট্রাকশন খাতে কাজ দেওয়ার কথা বলেন। এই আশ্বাসে তাদের হাতে ৮ লাখ ২৫ হাজার টাকা তুলে দিয়ে গত ৭ মে রাশিয়ায় যান রাজন। কিন্তু সেখানে পৌঁছানোর পরই ভয়াবহ পরিস্থিতির মুখে পড়েন তিনি। অভিযোগ রয়েছে, রাজনসহ প্রায় ৩০ জন বাংলাদেশিকে জোর করে রুশ সেনাবাহিনীতে যোগ দিতে বাধ্য করা হয়। এরপর দেওয়া হয় সামরিক প্রশিক্ষণ। প্রশিক্ষণ শেষে তাদের পাঠানো হয় ইউক্রেনের বিরুদ্ধে যুদ্ধের সম্মুখসারিতে।
যে হাতে পরিবারের জন্য উপার্জনের স্বপ্ন ছিল, সেই জীবনই হয়ে ওঠে যুদ্ধের লক্ষ্যবস্তু। ড্রোন হামলায় গুরুতর আহত হন রাজন। ভেঙে যায় তার কোমরের হাড়, দুই পায়ের শক্তিও হারিয়ে ফেলেন তিনি। আহত অবস্থায় টানা চার দিন চরম কষ্টের মধ্যে থাকার পর হাসপাতালে পৌঁছে চিকিৎসা নেন।
ফরিদপুর ও ঝিনাইদহে অভিযান, গ্রেপ্তার ২
এসআরবি-১০, সিপিসি-৩, ফরিদপুর ক্যাম্পের একটি দল ফরিদপুরের নগরকান্দা থানার আটাইল এলাকায় অভিযান চালিয়ে মিজানুর রহমানকে গ্রেপ্তার করে। একই দিনে এসআরবি-৬-এর সদস্যরা ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ এলাকা থেকে মামলার এজাহারভুক্ত আসামি মো. আবু তাহের লেন্টুকে গ্রেপ্তার করেন।
গ্রেপ্তার মিজানুর রহমান ফরিদপুরের চরভদ্রাসন থানার চর হরিরামপুর এলাকার ওমর আলী সরদারের ছেলে। অপর আসামি আবু তাহের লেন্টু ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ থানার একতারপুর এলাকার মৃত আমজাদ আলী বিশ্বাসের ছেলে।

বাংলাদেশি যুবকদের ইউক্রেন যুদ্ধে ঠেলে দেওয়ার অভিযোগে গ্রেপ্তার ২
নিজস্ব প্রতিবেদক

স্বপ্ন ছিল বিদেশে গিয়ে কাজ করবেন, পরিবারের অভাব ঘোচাবেন। সেই স্বপ্ন পূরণের আশায় ৮ লাখ ২৫ হাজার টাকা খরচ করে রাশিয়ায় পাড়ি জমিয়েছিলেন ২১ বছর বয়সী রাজন হোসেন। কথা ছিল, কনস্ট্রাকশনের কাজ করবেন, উপার্জন করে পরিবারের মুখে হাসি ফোটাবেন। কিন্তু বিদেশের মাটিতে পা রাখার পরই বদলে যায় সব হিসাব। চাকরির প্রতিশ্রুতি দিয়ে তাকে নিয়ে যাওয়া হয় যুদ্ধের ময়দানে। শেষ পর্যন্ত ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধে ড্রোন হামলায় গুরুতর আহত হয়ে কোমরের হাড় ভাঙে তার, হারিয়ে ফেলেন দুই পায়ের শক্তি।
জীবন বাজি রেখে হাসপাতাল পর্যন্ত পৌঁছানো, আহত অবস্থায় পালিয়ে বেড়ানো সবশেষে দূতাবাসের সহায়তায় গত ২৩ আগষ্ট দেশে ফেরেন রাজন। তবে দেশে ফিরেও স্বস্তি মেলেনি তার পরিবারের। ক্ষতিপূরণ চাইতে গিয়ে উল্টো গালিগালাজ, মারধরের চেষ্টা ও প্রাণনাশের হুমকির মুখে পড়ার অভিযোগ উঠেছে মানব পাচার চক্রের সদস্যদের বিরুদ্ধে।
এ ঘটনায় দায়ের করা মামলায় অভিযুক্ত চক্রের দুই সদস্য মিজানুর রহমান (৫৫) ও মো. আবু তাহের লেন্টুকে (৫০) গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)।
স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)-১০ এর অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান জানিয়েছেন, প্রাথমিক অনুসন্ধানে উচ্চ বেতনের চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে প্রায় ৩০ বাংলাদেশিকে রাশিয়ায় নিয়ে গিয়ে যুদ্ধে অংশ নিতে বাধ্য করার অভিযোগের সত্যতা মিলেছে। তাদের মধ্যে প্রায় ২০ জনের মৃত্যুর তথ্য পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র। আর কোনোমতে পালিয়ে দেশে ফিরেছেন দুজন।
নির্মাণশ্রমিক হওয়ার স্বপ্ন, শেষ পর্যন্ত যুদ্ধের সম্মুখসারিতে
মামলার তথ্য অনুযায়ী, অভিযুক্ত মিজানুর রহমান ও আবু তাহের লেন্টুসহ অন্যরা পারস্পরিক যোগসাজশে রাজন হোসেনকে রাশিয়ায় কনস্ট্রাকশন খাতে কাজ দেওয়ার কথা বলেন। এই আশ্বাসে তাদের হাতে ৮ লাখ ২৫ হাজার টাকা তুলে দিয়ে গত ৭ মে রাশিয়ায় যান রাজন। কিন্তু সেখানে পৌঁছানোর পরই ভয়াবহ পরিস্থিতির মুখে পড়েন তিনি। অভিযোগ রয়েছে, রাজনসহ প্রায় ৩০ জন বাংলাদেশিকে জোর করে রুশ সেনাবাহিনীতে যোগ দিতে বাধ্য করা হয়। এরপর দেওয়া হয় সামরিক প্রশিক্ষণ। প্রশিক্ষণ শেষে তাদের পাঠানো হয় ইউক্রেনের বিরুদ্ধে যুদ্ধের সম্মুখসারিতে।
যে হাতে পরিবারের জন্য উপার্জনের স্বপ্ন ছিল, সেই জীবনই হয়ে ওঠে যুদ্ধের লক্ষ্যবস্তু। ড্রোন হামলায় গুরুতর আহত হন রাজন। ভেঙে যায় তার কোমরের হাড়, দুই পায়ের শক্তিও হারিয়ে ফেলেন তিনি। আহত অবস্থায় টানা চার দিন চরম কষ্টের মধ্যে থাকার পর হাসপাতালে পৌঁছে চিকিৎসা নেন।
ফরিদপুর ও ঝিনাইদহে অভিযান, গ্রেপ্তার ২
এসআরবি-১০, সিপিসি-৩, ফরিদপুর ক্যাম্পের একটি দল ফরিদপুরের নগরকান্দা থানার আটাইল এলাকায় অভিযান চালিয়ে মিজানুর রহমানকে গ্রেপ্তার করে। একই দিনে এসআরবি-৬-এর সদস্যরা ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ এলাকা থেকে মামলার এজাহারভুক্ত আসামি মো. আবু তাহের লেন্টুকে গ্রেপ্তার করেন।
গ্রেপ্তার মিজানুর রহমান ফরিদপুরের চরভদ্রাসন থানার চর হরিরামপুর এলাকার ওমর আলী সরদারের ছেলে। অপর আসামি আবু তাহের লেন্টু ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ থানার একতারপুর এলাকার মৃত আমজাদ আলী বিশ্বাসের ছেলে।

রাশিয়ায় মানবপাচারকারীর মূল হোতা গ্রেপ্তার







