এসএসসি-এইচএসসির ফলকে অগ্রাধিকার: জবির শিক্ষক নিয়োগ কার্যক্রম স্থগিত

এসএসসি-এইচএসসির ফলকে অগ্রাধিকার: জবির শিক্ষক নিয়োগ কার্যক্রম স্থগিত
নিজস্ব প্রতিবেদক

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ১৩টি শিক্ষক পদে নিয়োগ কার্যক্রম স্থগিত করেছেন হাইকোর্ট। স্নাতক ও স্নাতকোত্তরের ফলাফলের তুলনায় এসএসসি ও এইচএসসির ফলাফলকে অগ্রাধিকার দিয়ে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের অভিযোগে বিজ্ঞপ্তির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট করা হয়। রিটের প্রাথমিক শুনানি শেষে মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি শেখ তাহসিন আলীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ রুলসহ এ আদেশ দেন।
গত ২৫ আগস্ট জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগে সহকারী অধ্যাপকের দুটি ও প্রভাষকের ১১টি পদে নিয়োগের জন্য আবেদন চেয়ে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। বিজ্ঞপ্তিতে এসএসসি ও এইচএসসির ফলাফলকে স্নাতক (সম্মান) ও স্নাতকোত্তরের ফলাফলের তুলনায় অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে, এমন অভিযোগ তুলে এর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করেন ঢাকার আদালতের আইনজীবী বিজয়া রানী টিকাদার।
আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী আবেদা গুলরুখ। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল জসীম সরকার, মোহাম্মদ ইমাম হোসেন তারেক ও শিহাব উদ্দিন খান।
আইনজীবী আবেদা গুলরুখ আদালতকে বলেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিটি বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) নীতিমালার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগ ও পদোন্নয়নের জন্য ২০২১ সালের ৫ এপ্রিল ‘পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়সমূহে শিক্ষক নিয়োগ ও পদোন্নয়নে যুগোপযোগী নীতিমালা প্রণয়নের ন্যূনতম নির্দেশিকা’ প্রণয়ন করা হয়, যা শিক্ষা মন্ত্রণালয় অনুমোদন করেছে।
রিটকারীর আইনজীবীর দাবি, ইউজিসির ওই নির্দেশিকায় শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে এসএসসি ও এইচএসসির ফলাফলকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কোনো বিধান নেই। কিন্তু জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে স্নাতক ও স্নাতকোত্তরের ফলাফলের তুলনায় এসএসসি ও এইচএসসির ফলাফলকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এতে অনেক যোগ্য প্রার্থী অনলাইনে আবেদন করার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়েছেন।
শুনানি শেষে আদালত রুল জারি করে ২৫ আগস্ট প্রকাশিত নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি এবং এর পরবর্তী কার্যক্রম কেন আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়েছেন। একইসঙ্গে বিজ্ঞপ্তির ভিত্তিতে নিয়োগ কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে।
এদিকে হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে যাওয়ার কথা জানিয়েছে রাষ্ট্রপক্ষ। ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ ইমাম হোসেন তারেক বলেন, হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে তারা আপিল বিভাগে আবেদন করবেন।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ১৩টি শিক্ষক পদে নিয়োগ কার্যক্রম স্থগিত করেছেন হাইকোর্ট। স্নাতক ও স্নাতকোত্তরের ফলাফলের তুলনায় এসএসসি ও এইচএসসির ফলাফলকে অগ্রাধিকার দিয়ে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের অভিযোগে বিজ্ঞপ্তির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট করা হয়। রিটের প্রাথমিক শুনানি শেষে মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি শেখ তাহসিন আলীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ রুলসহ এ আদেশ দেন।
গত ২৫ আগস্ট জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগে সহকারী অধ্যাপকের দুটি ও প্রভাষকের ১১টি পদে নিয়োগের জন্য আবেদন চেয়ে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। বিজ্ঞপ্তিতে এসএসসি ও এইচএসসির ফলাফলকে স্নাতক (সম্মান) ও স্নাতকোত্তরের ফলাফলের তুলনায় অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে, এমন অভিযোগ তুলে এর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করেন ঢাকার আদালতের আইনজীবী বিজয়া রানী টিকাদার।
আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী আবেদা গুলরুখ। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল জসীম সরকার, মোহাম্মদ ইমাম হোসেন তারেক ও শিহাব উদ্দিন খান।
আইনজীবী আবেদা গুলরুখ আদালতকে বলেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিটি বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) নীতিমালার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগ ও পদোন্নয়নের জন্য ২০২১ সালের ৫ এপ্রিল ‘পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়সমূহে শিক্ষক নিয়োগ ও পদোন্নয়নে যুগোপযোগী নীতিমালা প্রণয়নের ন্যূনতম নির্দেশিকা’ প্রণয়ন করা হয়, যা শিক্ষা মন্ত্রণালয় অনুমোদন করেছে।
রিটকারীর আইনজীবীর দাবি, ইউজিসির ওই নির্দেশিকায় শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে এসএসসি ও এইচএসসির ফলাফলকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কোনো বিধান নেই। কিন্তু জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে স্নাতক ও স্নাতকোত্তরের ফলাফলের তুলনায় এসএসসি ও এইচএসসির ফলাফলকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এতে অনেক যোগ্য প্রার্থী অনলাইনে আবেদন করার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়েছেন।
শুনানি শেষে আদালত রুল জারি করে ২৫ আগস্ট প্রকাশিত নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি এবং এর পরবর্তী কার্যক্রম কেন আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়েছেন। একইসঙ্গে বিজ্ঞপ্তির ভিত্তিতে নিয়োগ কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে।
এদিকে হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে যাওয়ার কথা জানিয়েছে রাষ্ট্রপক্ষ। ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ ইমাম হোসেন তারেক বলেন, হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে তারা আপিল বিভাগে আবেদন করবেন।

এসএসসি-এইচএসসির ফলকে অগ্রাধিকার: জবির শিক্ষক নিয়োগ কার্যক্রম স্থগিত
নিজস্ব প্রতিবেদক

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ১৩টি শিক্ষক পদে নিয়োগ কার্যক্রম স্থগিত করেছেন হাইকোর্ট। স্নাতক ও স্নাতকোত্তরের ফলাফলের তুলনায় এসএসসি ও এইচএসসির ফলাফলকে অগ্রাধিকার দিয়ে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের অভিযোগে বিজ্ঞপ্তির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট করা হয়। রিটের প্রাথমিক শুনানি শেষে মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি শেখ তাহসিন আলীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ রুলসহ এ আদেশ দেন।
গত ২৫ আগস্ট জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগে সহকারী অধ্যাপকের দুটি ও প্রভাষকের ১১টি পদে নিয়োগের জন্য আবেদন চেয়ে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। বিজ্ঞপ্তিতে এসএসসি ও এইচএসসির ফলাফলকে স্নাতক (সম্মান) ও স্নাতকোত্তরের ফলাফলের তুলনায় অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে, এমন অভিযোগ তুলে এর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করেন ঢাকার আদালতের আইনজীবী বিজয়া রানী টিকাদার।
আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী আবেদা গুলরুখ। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল জসীম সরকার, মোহাম্মদ ইমাম হোসেন তারেক ও শিহাব উদ্দিন খান।
আইনজীবী আবেদা গুলরুখ আদালতকে বলেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিটি বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) নীতিমালার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগ ও পদোন্নয়নের জন্য ২০২১ সালের ৫ এপ্রিল ‘পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়সমূহে শিক্ষক নিয়োগ ও পদোন্নয়নে যুগোপযোগী নীতিমালা প্রণয়নের ন্যূনতম নির্দেশিকা’ প্রণয়ন করা হয়, যা শিক্ষা মন্ত্রণালয় অনুমোদন করেছে।
রিটকারীর আইনজীবীর দাবি, ইউজিসির ওই নির্দেশিকায় শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে এসএসসি ও এইচএসসির ফলাফলকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কোনো বিধান নেই। কিন্তু জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে স্নাতক ও স্নাতকোত্তরের ফলাফলের তুলনায় এসএসসি ও এইচএসসির ফলাফলকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এতে অনেক যোগ্য প্রার্থী অনলাইনে আবেদন করার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়েছেন।
শুনানি শেষে আদালত রুল জারি করে ২৫ আগস্ট প্রকাশিত নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি এবং এর পরবর্তী কার্যক্রম কেন আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়েছেন। একইসঙ্গে বিজ্ঞপ্তির ভিত্তিতে নিয়োগ কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে।
এদিকে হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে যাওয়ার কথা জানিয়েছে রাষ্ট্রপক্ষ। ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ ইমাম হোসেন তারেক বলেন, হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে তারা আপিল বিভাগে আবেদন করবেন।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে দ্বিতীয় সমাবর্তন আগামী ৩০ জানুয়ারি 






