ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের এমডি দিলীপ কুমার আগরওয়ালা রিমান্ডে

ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের এমডি দিলীপ কুমার আগরওয়ালা রিমান্ডে
নিজস্ব প্রতিবেদক

মানিলন্ডারিং আইনের মামলায় ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) দিলীপ কুমার আগরওয়ালার এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলামের আদালত এ আদেশ দেন।
এদিন দিলীপ কুমার আগরওয়ালাকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে পুলিশ। এরপর মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তাকে তিন দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) এসআই আশরাফুল হাসান। শুনানি শেষে আদালত তার রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
এর আগে, গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় বনানী থেকে দিলীপ কুমার আগরওয়ালাকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মেট্রোপলিটন গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ।
মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, ২০০৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৪ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ঋণপত্রের (এলসি) মাধ্যমে বিদেশ থেকে মাত্র ৩৮ কোটি ৪৭ লাখ টাকার স্বর্ণের বার, অলংকার ও লুজ ডায়মন্ড বৈধভাবে আমদানি করা হয়। অথচ একই সময়ে স্থানীয় বাজার থেকে ক্রয়, বিনিময় ও পরিবর্তন পদ্ধতিতে প্রায় ৬৭৮ কোটি ১৯ লাখ টাকার স্বর্ণ ও হীরা সংগ্রহ করা হয়েছে। বিপুল পরিমাণ স্বর্ণ ও হীরা সংগ্রহের ক্ষেত্রে এর উৎস ও সরবরাহকারীদের বিষয়ে কোনো বৈধ কাগজপত্র তদন্ত কর্মকর্তার কাছে উপস্থাপন করতে পারেনি প্রতিষ্ঠানটি। প্রয়োজনীয় নথিপত্র না থাকায় এসব স্বর্ণ ও হীরা অবৈধভাবে চোরাচালানের মাধ্যমে দেশে আনা হয়ে থাকতে পারে বলে প্রাথমিক তদন্তে প্রতীয়মান হয়েছে।
এ ঘটনায় ২০২৫ সালের ১৭ নভেম্বর সিআইডির ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম ও অর্গানাইজড ক্রাইম ইউনিটের পুলিশ পরিদর্শক মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান শেখ বাদী হয়ে গুলশান থানায় মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে মামলাটি করেন।

মানিলন্ডারিং আইনের মামলায় ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) দিলীপ কুমার আগরওয়ালার এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলামের আদালত এ আদেশ দেন।
এদিন দিলীপ কুমার আগরওয়ালাকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে পুলিশ। এরপর মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তাকে তিন দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) এসআই আশরাফুল হাসান। শুনানি শেষে আদালত তার রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
এর আগে, গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় বনানী থেকে দিলীপ কুমার আগরওয়ালাকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মেট্রোপলিটন গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ।
মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, ২০০৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৪ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ঋণপত্রের (এলসি) মাধ্যমে বিদেশ থেকে মাত্র ৩৮ কোটি ৪৭ লাখ টাকার স্বর্ণের বার, অলংকার ও লুজ ডায়মন্ড বৈধভাবে আমদানি করা হয়। অথচ একই সময়ে স্থানীয় বাজার থেকে ক্রয়, বিনিময় ও পরিবর্তন পদ্ধতিতে প্রায় ৬৭৮ কোটি ১৯ লাখ টাকার স্বর্ণ ও হীরা সংগ্রহ করা হয়েছে। বিপুল পরিমাণ স্বর্ণ ও হীরা সংগ্রহের ক্ষেত্রে এর উৎস ও সরবরাহকারীদের বিষয়ে কোনো বৈধ কাগজপত্র তদন্ত কর্মকর্তার কাছে উপস্থাপন করতে পারেনি প্রতিষ্ঠানটি। প্রয়োজনীয় নথিপত্র না থাকায় এসব স্বর্ণ ও হীরা অবৈধভাবে চোরাচালানের মাধ্যমে দেশে আনা হয়ে থাকতে পারে বলে প্রাথমিক তদন্তে প্রতীয়মান হয়েছে।
এ ঘটনায় ২০২৫ সালের ১৭ নভেম্বর সিআইডির ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম ও অর্গানাইজড ক্রাইম ইউনিটের পুলিশ পরিদর্শক মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান শেখ বাদী হয়ে গুলশান থানায় মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে মামলাটি করেন।

ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের এমডি দিলীপ কুমার আগরওয়ালা রিমান্ডে
নিজস্ব প্রতিবেদক

মানিলন্ডারিং আইনের মামলায় ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) দিলীপ কুমার আগরওয়ালার এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলামের আদালত এ আদেশ দেন।
এদিন দিলীপ কুমার আগরওয়ালাকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে পুলিশ। এরপর মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তাকে তিন দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) এসআই আশরাফুল হাসান। শুনানি শেষে আদালত তার রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
এর আগে, গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় বনানী থেকে দিলীপ কুমার আগরওয়ালাকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মেট্রোপলিটন গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ।
মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, ২০০৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৪ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ঋণপত্রের (এলসি) মাধ্যমে বিদেশ থেকে মাত্র ৩৮ কোটি ৪৭ লাখ টাকার স্বর্ণের বার, অলংকার ও লুজ ডায়মন্ড বৈধভাবে আমদানি করা হয়। অথচ একই সময়ে স্থানীয় বাজার থেকে ক্রয়, বিনিময় ও পরিবর্তন পদ্ধতিতে প্রায় ৬৭৮ কোটি ১৯ লাখ টাকার স্বর্ণ ও হীরা সংগ্রহ করা হয়েছে। বিপুল পরিমাণ স্বর্ণ ও হীরা সংগ্রহের ক্ষেত্রে এর উৎস ও সরবরাহকারীদের বিষয়ে কোনো বৈধ কাগজপত্র তদন্ত কর্মকর্তার কাছে উপস্থাপন করতে পারেনি প্রতিষ্ঠানটি। প্রয়োজনীয় নথিপত্র না থাকায় এসব স্বর্ণ ও হীরা অবৈধভাবে চোরাচালানের মাধ্যমে দেশে আনা হয়ে থাকতে পারে বলে প্রাথমিক তদন্তে প্রতীয়মান হয়েছে।
এ ঘটনায় ২০২৫ সালের ১৭ নভেম্বর সিআইডির ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম ও অর্গানাইজড ক্রাইম ইউনিটের পুলিশ পরিদর্শক মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান শেখ বাদী হয়ে গুলশান থানায় মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে মামলাটি করেন।









