মিথ্যা মামলা করায় বাদীর দুই বছরের কারাদণ্ড

মিথ্যা মামলা করায় বাদীর দুই বছরের কারাদণ্ড
সিজেডএন ডেস্ক

নেত্রকোনার কলমাকান্দায় এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মেয়েকে অপহরণ ও গুমের অভিযোগে মামলা করেছিলেন মজিবুর রহমান। ওই মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে প্রায় ৯ মাস কারাগারে ছিলেন খোকন মিয়া। পরে মজিবুর রহমানের মেয়ে নিজেই বাড়িতে ফিরে এসে জানান, তাকে কেউ অপহরণ করেনি। এরপর ওই মামলায় খোকন মিয়া আদালত থেকে খালাস পান। মিথ্যা মামলা করার অভিযোগে মজিবুরের বিরুদ্ধে মামলা করেন ভুক্তভোগী খোকন মিয়া। মামলায় এবার সেই মজিবুর রহমানকে দুই বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
দণ্ডপ্রাপ্ত মজিবুর রহমান কলমাকান্দা উপজেলার গনিয়াগাঁও এলাকার বাসিন্দা।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) নেত্রকোনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ কে এম এমদাদুল হক এ রায় দেন। একই সঙ্গে মজিবুর রহমানকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। অনাদায়ে তাকে আরও তিন মাসের কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। রায় ঘোষণার সময় তিনি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাষ্ট্রপক্ষের সরকারি কৌঁসুলি নুরুল কবীর রুবেল।
মামলার নথি ও আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০২১ সালের ২১ জানুয়ারি মজিবুর রহমান একই গ্রামের খোকন মিয়ার বিরুদ্ধে মেয়েকে অপহরণ করে গুম করার অভিযোগে কলমাকান্দা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন। মামলার পর পুলিশ খোকন মিয়াকে গ্রেপ্তার করে রিমান্ডে নেয়। পরে তিনি প্রায় ৯ মাস কারাগারে ছিলেন। এরপর মজিবুর রহমানের মেয়ে নিজেই বাড়িতে ফিরে আসেন। তিনি জানান, সৎ মায়ের সঙ্গে রাগ করে তিনি ঢাকায় চলে গিয়েছিলেন। সেখানে তিনি কাজ করছিলেন। তাকে কেউ অপহরণ করেনি। পরে ওই মামলায় ২০২৩ সালের ৬ মে খোকন মিয়া আদালত থেকে খালাস পান। এরপর মিথ্যা মামলা করার অভিযোগে মজিবুর রহমানের বিরুদ্ধে ২০২৫ সালের ৭ জানুয়ারি আদালতে মামলা করেন খোকন মিয়া। ছয় জন সাক্ষীর সাক্ষ্য শেষে গতকাল বুধবার বিকালে মজিবুর রহমানকে দুই বছরের কারাদণ্ড দেন আদালত।

নেত্রকোনার কলমাকান্দায় এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মেয়েকে অপহরণ ও গুমের অভিযোগে মামলা করেছিলেন মজিবুর রহমান। ওই মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে প্রায় ৯ মাস কারাগারে ছিলেন খোকন মিয়া। পরে মজিবুর রহমানের মেয়ে নিজেই বাড়িতে ফিরে এসে জানান, তাকে কেউ অপহরণ করেনি। এরপর ওই মামলায় খোকন মিয়া আদালত থেকে খালাস পান। মিথ্যা মামলা করার অভিযোগে মজিবুরের বিরুদ্ধে মামলা করেন ভুক্তভোগী খোকন মিয়া। মামলায় এবার সেই মজিবুর রহমানকে দুই বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
দণ্ডপ্রাপ্ত মজিবুর রহমান কলমাকান্দা উপজেলার গনিয়াগাঁও এলাকার বাসিন্দা।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) নেত্রকোনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ কে এম এমদাদুল হক এ রায় দেন। একই সঙ্গে মজিবুর রহমানকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। অনাদায়ে তাকে আরও তিন মাসের কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। রায় ঘোষণার সময় তিনি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাষ্ট্রপক্ষের সরকারি কৌঁসুলি নুরুল কবীর রুবেল।
মামলার নথি ও আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০২১ সালের ২১ জানুয়ারি মজিবুর রহমান একই গ্রামের খোকন মিয়ার বিরুদ্ধে মেয়েকে অপহরণ করে গুম করার অভিযোগে কলমাকান্দা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন। মামলার পর পুলিশ খোকন মিয়াকে গ্রেপ্তার করে রিমান্ডে নেয়। পরে তিনি প্রায় ৯ মাস কারাগারে ছিলেন। এরপর মজিবুর রহমানের মেয়ে নিজেই বাড়িতে ফিরে আসেন। তিনি জানান, সৎ মায়ের সঙ্গে রাগ করে তিনি ঢাকায় চলে গিয়েছিলেন। সেখানে তিনি কাজ করছিলেন। তাকে কেউ অপহরণ করেনি। পরে ওই মামলায় ২০২৩ সালের ৬ মে খোকন মিয়া আদালত থেকে খালাস পান। এরপর মিথ্যা মামলা করার অভিযোগে মজিবুর রহমানের বিরুদ্ধে ২০২৫ সালের ৭ জানুয়ারি আদালতে মামলা করেন খোকন মিয়া। ছয় জন সাক্ষীর সাক্ষ্য শেষে গতকাল বুধবার বিকালে মজিবুর রহমানকে দুই বছরের কারাদণ্ড দেন আদালত।

মিথ্যা মামলা করায় বাদীর দুই বছরের কারাদণ্ড
সিজেডএন ডেস্ক

নেত্রকোনার কলমাকান্দায় এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মেয়েকে অপহরণ ও গুমের অভিযোগে মামলা করেছিলেন মজিবুর রহমান। ওই মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে প্রায় ৯ মাস কারাগারে ছিলেন খোকন মিয়া। পরে মজিবুর রহমানের মেয়ে নিজেই বাড়িতে ফিরে এসে জানান, তাকে কেউ অপহরণ করেনি। এরপর ওই মামলায় খোকন মিয়া আদালত থেকে খালাস পান। মিথ্যা মামলা করার অভিযোগে মজিবুরের বিরুদ্ধে মামলা করেন ভুক্তভোগী খোকন মিয়া। মামলায় এবার সেই মজিবুর রহমানকে দুই বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
দণ্ডপ্রাপ্ত মজিবুর রহমান কলমাকান্দা উপজেলার গনিয়াগাঁও এলাকার বাসিন্দা।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) নেত্রকোনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ কে এম এমদাদুল হক এ রায় দেন। একই সঙ্গে মজিবুর রহমানকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। অনাদায়ে তাকে আরও তিন মাসের কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। রায় ঘোষণার সময় তিনি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাষ্ট্রপক্ষের সরকারি কৌঁসুলি নুরুল কবীর রুবেল।
মামলার নথি ও আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০২১ সালের ২১ জানুয়ারি মজিবুর রহমান একই গ্রামের খোকন মিয়ার বিরুদ্ধে মেয়েকে অপহরণ করে গুম করার অভিযোগে কলমাকান্দা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন। মামলার পর পুলিশ খোকন মিয়াকে গ্রেপ্তার করে রিমান্ডে নেয়। পরে তিনি প্রায় ৯ মাস কারাগারে ছিলেন। এরপর মজিবুর রহমানের মেয়ে নিজেই বাড়িতে ফিরে আসেন। তিনি জানান, সৎ মায়ের সঙ্গে রাগ করে তিনি ঢাকায় চলে গিয়েছিলেন। সেখানে তিনি কাজ করছিলেন। তাকে কেউ অপহরণ করেনি। পরে ওই মামলায় ২০২৩ সালের ৬ মে খোকন মিয়া আদালত থেকে খালাস পান। এরপর মিথ্যা মামলা করার অভিযোগে মজিবুর রহমানের বিরুদ্ধে ২০২৫ সালের ৭ জানুয়ারি আদালতে মামলা করেন খোকন মিয়া। ছয় জন সাক্ষীর সাক্ষ্য শেষে গতকাল বুধবার বিকালে মজিবুর রহমানকে দুই বছরের কারাদণ্ড দেন আদালত।









