রাউজানে চাঁদাবাজদের সঙ্গে গোলাগুলিতে ১২ পুলিশ সদস্য আহত, অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার ১

রাউজানে চাঁদাবাজদের সঙ্গে গোলাগুলিতে ১২ পুলিশ সদস্য আহত, অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার ১
চট্টগ্রাম সংবাদদাতা

চট্টগ্রামের রাউজানে পুলিশের সঙ্গে চাঁদাবাজদের গোলাগুলির ঘটনায় ১২ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। এ সময় গুলিবিদ্ধ অবস্থায় দিলদার হোসেন (৩৭) নামে এক সন্ত্রাসীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরে বিপুল পরিমাণ আগ্নেয়াস্ত্র, গুলি ও দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করেছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বেশ কিছুদিন ধরে রাউজানের বিভিন্ন এলাকায় সাধারণ মানুষের কাছে চাঁদা দাবি ও আদায় করে আসছিল একটি সশস্ত্র চক্র। স্থানীয় জানে আলম ওরফে ডাকাত আলম, মোহাম্মদ আজিজ এবং তাদের অনুসারীরা এ অপরাধের সঙ্গে জড়িত।
২৫ সেপ্টেম্বর চক্রটি আবু বক্কর চৌধুরী নামের এক ব্যক্তির বাড়িতে গিয়ে চাঁদার জন্য চাপ সৃষ্টি করে। অভিযোগ পাওয়ার পর বুধবার রাতে দক্ষিণ কদলপুর জয়নগর বড়ুয়া পাড়ায় জানে আলমের বাড়িতে অভিযানে যায় পুলিশের একটি দল।
এ বিষয়ে জেলা পুলিশ সুপার মাসুদ আলম বলেন, ‘বুধবার রাতে দক্ষিণ কদলপুর জয়নগর বড়ুয়া পাড়ায় জানে আলমের বাড়িতে পুলিশ অভিযানে যায়। সন্ত্রাসীরা টের পেয়ে পুলিশকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি ছোড়ে। এসময় পুলিশও পাল্টা গুলি চালিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।’
এ ঘটনায় এসআই মো. জান্নাতুন নাঈম রাজন, মো. খোরশেদ আলম, মো. বায়েজিদ মৃধা, মো. জাহাঙ্গীর আলম, এএসআই মো. জুয়েল চন্দ্র বিশ্বাস এবং মো. রবিউল হোসেনসহ পুলিশের ১২ জন সদস্য আহত হন।
পরবর্তীতে পুলিশ গুলিবিদ্ধ অবস্থায় দিলদারকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়। কিন্তু মূল অভিযুক্ত জানে আলম, আজিজ এবং তাদের সহযোগী রুবেল, মামুনসহ অন্যরা পালিয়ে যায়।
পরে আটক দিলদারের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ও বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে একটি দোনলা বন্দুক, একটি একনলা কাটা বন্দুক, চায়না রাইফেলের ১১৯ রাউন্ড গুলি, ছয় রাউন্ড সীসা কার্তুজ, চারটি রামদা, দুটি কটি ও দুটি গুলি রাখার বেল্ট উদ্ধার করা হয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃত দিলদারের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

চট্টগ্রামের রাউজানে পুলিশের সঙ্গে চাঁদাবাজদের গোলাগুলির ঘটনায় ১২ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। এ সময় গুলিবিদ্ধ অবস্থায় দিলদার হোসেন (৩৭) নামে এক সন্ত্রাসীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরে বিপুল পরিমাণ আগ্নেয়াস্ত্র, গুলি ও দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করেছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বেশ কিছুদিন ধরে রাউজানের বিভিন্ন এলাকায় সাধারণ মানুষের কাছে চাঁদা দাবি ও আদায় করে আসছিল একটি সশস্ত্র চক্র। স্থানীয় জানে আলম ওরফে ডাকাত আলম, মোহাম্মদ আজিজ এবং তাদের অনুসারীরা এ অপরাধের সঙ্গে জড়িত।
২৫ সেপ্টেম্বর চক্রটি আবু বক্কর চৌধুরী নামের এক ব্যক্তির বাড়িতে গিয়ে চাঁদার জন্য চাপ সৃষ্টি করে। অভিযোগ পাওয়ার পর বুধবার রাতে দক্ষিণ কদলপুর জয়নগর বড়ুয়া পাড়ায় জানে আলমের বাড়িতে অভিযানে যায় পুলিশের একটি দল।
এ বিষয়ে জেলা পুলিশ সুপার মাসুদ আলম বলেন, ‘বুধবার রাতে দক্ষিণ কদলপুর জয়নগর বড়ুয়া পাড়ায় জানে আলমের বাড়িতে পুলিশ অভিযানে যায়। সন্ত্রাসীরা টের পেয়ে পুলিশকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি ছোড়ে। এসময় পুলিশও পাল্টা গুলি চালিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।’
এ ঘটনায় এসআই মো. জান্নাতুন নাঈম রাজন, মো. খোরশেদ আলম, মো. বায়েজিদ মৃধা, মো. জাহাঙ্গীর আলম, এএসআই মো. জুয়েল চন্দ্র বিশ্বাস এবং মো. রবিউল হোসেনসহ পুলিশের ১২ জন সদস্য আহত হন।
পরবর্তীতে পুলিশ গুলিবিদ্ধ অবস্থায় দিলদারকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়। কিন্তু মূল অভিযুক্ত জানে আলম, আজিজ এবং তাদের সহযোগী রুবেল, মামুনসহ অন্যরা পালিয়ে যায়।
পরে আটক দিলদারের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ও বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে একটি দোনলা বন্দুক, একটি একনলা কাটা বন্দুক, চায়না রাইফেলের ১১৯ রাউন্ড গুলি, ছয় রাউন্ড সীসা কার্তুজ, চারটি রামদা, দুটি কটি ও দুটি গুলি রাখার বেল্ট উদ্ধার করা হয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃত দিলদারের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

রাউজানে চাঁদাবাজদের সঙ্গে গোলাগুলিতে ১২ পুলিশ সদস্য আহত, অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার ১
চট্টগ্রাম সংবাদদাতা

চট্টগ্রামের রাউজানে পুলিশের সঙ্গে চাঁদাবাজদের গোলাগুলির ঘটনায় ১২ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। এ সময় গুলিবিদ্ধ অবস্থায় দিলদার হোসেন (৩৭) নামে এক সন্ত্রাসীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরে বিপুল পরিমাণ আগ্নেয়াস্ত্র, গুলি ও দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করেছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বেশ কিছুদিন ধরে রাউজানের বিভিন্ন এলাকায় সাধারণ মানুষের কাছে চাঁদা দাবি ও আদায় করে আসছিল একটি সশস্ত্র চক্র। স্থানীয় জানে আলম ওরফে ডাকাত আলম, মোহাম্মদ আজিজ এবং তাদের অনুসারীরা এ অপরাধের সঙ্গে জড়িত।
২৫ সেপ্টেম্বর চক্রটি আবু বক্কর চৌধুরী নামের এক ব্যক্তির বাড়িতে গিয়ে চাঁদার জন্য চাপ সৃষ্টি করে। অভিযোগ পাওয়ার পর বুধবার রাতে দক্ষিণ কদলপুর জয়নগর বড়ুয়া পাড়ায় জানে আলমের বাড়িতে অভিযানে যায় পুলিশের একটি দল।
এ বিষয়ে জেলা পুলিশ সুপার মাসুদ আলম বলেন, ‘বুধবার রাতে দক্ষিণ কদলপুর জয়নগর বড়ুয়া পাড়ায় জানে আলমের বাড়িতে পুলিশ অভিযানে যায়। সন্ত্রাসীরা টের পেয়ে পুলিশকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি ছোড়ে। এসময় পুলিশও পাল্টা গুলি চালিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।’
এ ঘটনায় এসআই মো. জান্নাতুন নাঈম রাজন, মো. খোরশেদ আলম, মো. বায়েজিদ মৃধা, মো. জাহাঙ্গীর আলম, এএসআই মো. জুয়েল চন্দ্র বিশ্বাস এবং মো. রবিউল হোসেনসহ পুলিশের ১২ জন সদস্য আহত হন।
পরবর্তীতে পুলিশ গুলিবিদ্ধ অবস্থায় দিলদারকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়। কিন্তু মূল অভিযুক্ত জানে আলম, আজিজ এবং তাদের সহযোগী রুবেল, মামুনসহ অন্যরা পালিয়ে যায়।
পরে আটক দিলদারের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ও বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে একটি দোনলা বন্দুক, একটি একনলা কাটা বন্দুক, চায়না রাইফেলের ১১৯ রাউন্ড গুলি, ছয় রাউন্ড সীসা কার্তুজ, চারটি রামদা, দুটি কটি ও দুটি গুলি রাখার বেল্ট উদ্ধার করা হয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃত দিলদারের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন বলে জানিয়েছে পুলিশ।









