‘নতুন করে টিকিট কাটতে অতিরিক্ত ৬৫ হাজার টাকা খরচ হয়েছে’

‘নতুন করে টিকিট কাটতে অতিরিক্ত ৬৫ হাজার টাকা খরচ হয়েছে’
নিজস্ব প্রতিবেদক

হুথিদের হামলায় সৌদি আরবের বিভিন্ন বিমানবন্দরের স্বাভাবিক কার্যক্রম বন্ধ ও ব্যাহত হয়েছে । বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) তথ্যমতে, বাংলাদেশের সঙ্গে সরাসরি ও ট্রানজিট রুটে চলাচলকারী ১০৩টি ফ্লাইটে বিপর্যয় ঘটেছে। এর মধ্যে কিছু ফ্লাইট বাতিল ও কিছু স্থগিত হয়েছে। ফলে ভোগান্তিতে পড়েছেন ফ্লাইটগুলোর ১৫ হাজার ৭৭৯ জন যাত্রী।
সরেজমিন বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বাংলাদেশ থেকে সৌদিগামী প্রবাসী বাংলাদেশি শ্রমিকদের সঙ্গে কথা বললে তারা ভোগান্তির কথা জানান।
সৌদিগামী যাত্রী মো. শাওন হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বাবাকে সঙ্গে নিয়ে বসে আছেন। তিনি টাঙ্গাইল থেকে এসেছেন। সৌদিপ্রবাসী শাওন সিজেডএন টোয়েন্টিফোরকে বলেন, মঙ্গলবার (অক্টোবর ১৩) আমার রিয়াদের ফ্লাইট ছিল ইউএস বাংলা বিমানে। তখন টিকিট কাটা ছিল কোম্পানির টাকায়। ১৩ তারিখে ফ্লাইট পরিবর্তন হলে ১৫ তারিখ আবার টিকিট কাটলাম। সেটিও পরিবর্তন হয়। এরপর গতকাল বিমানবন্দরের বলাকা ভবনে গিয়ে জেদ্দাগামী বিমানে টিকিট কাটি। নতুন করে টিকিট কাটতে অতিরিক্ত পয়ষট্টি হাজার টাকা খরচ হয়েছে।
সৌদিগামী আরেক যাত্রী মো. শাকিল এসেছেন চাঁদপুর থেকে। তিনি বলেন, আমি রিয়াদের ফ্লাইট মিস করে দাম্মামের ফ্লাইটে টিকিট করি। পরে সেটিও আবার মিস হলে মদিনার ফ্লাইটে টিকিট করি। টিকিট বাবদ সব মিলিয়ে অতিরিক্ত আরও ১৬ হাজার টাকা গুনতে হয়েছে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে আসা সৌদিগামী যাত্রী মো. রাকিব বলেন, সোমবার (১২ অক্টোবর) প্রথম টিকিট কাটছিলাম রিয়াদের উদ্দেশ্যে। কিন্তু ফ্লাইট বন্ধ থাকায় যেতে পারি নি। নতুন করে বলাকা থেকে ১৩ তারিখে টিকিট কাটছি। আজকে রাত সাড়ে ৭ টায় কাতার হয়ে জেদ্দা যাবো। নতুন করে টিকিট কাটতে আমাকে অতিরিক্ত ১২ হাজার টাকা দিতে হয়েছে।

হুথিদের হামলায় সৌদি আরবের বিভিন্ন বিমানবন্দরের স্বাভাবিক কার্যক্রম বন্ধ ও ব্যাহত হয়েছে । বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) তথ্যমতে, বাংলাদেশের সঙ্গে সরাসরি ও ট্রানজিট রুটে চলাচলকারী ১০৩টি ফ্লাইটে বিপর্যয় ঘটেছে। এর মধ্যে কিছু ফ্লাইট বাতিল ও কিছু স্থগিত হয়েছে। ফলে ভোগান্তিতে পড়েছেন ফ্লাইটগুলোর ১৫ হাজার ৭৭৯ জন যাত্রী।
সরেজমিন বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বাংলাদেশ থেকে সৌদিগামী প্রবাসী বাংলাদেশি শ্রমিকদের সঙ্গে কথা বললে তারা ভোগান্তির কথা জানান।
সৌদিগামী যাত্রী মো. শাওন হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বাবাকে সঙ্গে নিয়ে বসে আছেন। তিনি টাঙ্গাইল থেকে এসেছেন। সৌদিপ্রবাসী শাওন সিজেডএন টোয়েন্টিফোরকে বলেন, মঙ্গলবার (অক্টোবর ১৩) আমার রিয়াদের ফ্লাইট ছিল ইউএস বাংলা বিমানে। তখন টিকিট কাটা ছিল কোম্পানির টাকায়। ১৩ তারিখে ফ্লাইট পরিবর্তন হলে ১৫ তারিখ আবার টিকিট কাটলাম। সেটিও পরিবর্তন হয়। এরপর গতকাল বিমানবন্দরের বলাকা ভবনে গিয়ে জেদ্দাগামী বিমানে টিকিট কাটি। নতুন করে টিকিট কাটতে অতিরিক্ত পয়ষট্টি হাজার টাকা খরচ হয়েছে।
সৌদিগামী আরেক যাত্রী মো. শাকিল এসেছেন চাঁদপুর থেকে। তিনি বলেন, আমি রিয়াদের ফ্লাইট মিস করে দাম্মামের ফ্লাইটে টিকিট করি। পরে সেটিও আবার মিস হলে মদিনার ফ্লাইটে টিকিট করি। টিকিট বাবদ সব মিলিয়ে অতিরিক্ত আরও ১৬ হাজার টাকা গুনতে হয়েছে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে আসা সৌদিগামী যাত্রী মো. রাকিব বলেন, সোমবার (১২ অক্টোবর) প্রথম টিকিট কাটছিলাম রিয়াদের উদ্দেশ্যে। কিন্তু ফ্লাইট বন্ধ থাকায় যেতে পারি নি। নতুন করে বলাকা থেকে ১৩ তারিখে টিকিট কাটছি। আজকে রাত সাড়ে ৭ টায় কাতার হয়ে জেদ্দা যাবো। নতুন করে টিকিট কাটতে আমাকে অতিরিক্ত ১২ হাজার টাকা দিতে হয়েছে।

‘নতুন করে টিকিট কাটতে অতিরিক্ত ৬৫ হাজার টাকা খরচ হয়েছে’
নিজস্ব প্রতিবেদক

হুথিদের হামলায় সৌদি আরবের বিভিন্ন বিমানবন্দরের স্বাভাবিক কার্যক্রম বন্ধ ও ব্যাহত হয়েছে । বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) তথ্যমতে, বাংলাদেশের সঙ্গে সরাসরি ও ট্রানজিট রুটে চলাচলকারী ১০৩টি ফ্লাইটে বিপর্যয় ঘটেছে। এর মধ্যে কিছু ফ্লাইট বাতিল ও কিছু স্থগিত হয়েছে। ফলে ভোগান্তিতে পড়েছেন ফ্লাইটগুলোর ১৫ হাজার ৭৭৯ জন যাত্রী।
সরেজমিন বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বাংলাদেশ থেকে সৌদিগামী প্রবাসী বাংলাদেশি শ্রমিকদের সঙ্গে কথা বললে তারা ভোগান্তির কথা জানান।
সৌদিগামী যাত্রী মো. শাওন হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বাবাকে সঙ্গে নিয়ে বসে আছেন। তিনি টাঙ্গাইল থেকে এসেছেন। সৌদিপ্রবাসী শাওন সিজেডএন টোয়েন্টিফোরকে বলেন, মঙ্গলবার (অক্টোবর ১৩) আমার রিয়াদের ফ্লাইট ছিল ইউএস বাংলা বিমানে। তখন টিকিট কাটা ছিল কোম্পানির টাকায়। ১৩ তারিখে ফ্লাইট পরিবর্তন হলে ১৫ তারিখ আবার টিকিট কাটলাম। সেটিও পরিবর্তন হয়। এরপর গতকাল বিমানবন্দরের বলাকা ভবনে গিয়ে জেদ্দাগামী বিমানে টিকিট কাটি। নতুন করে টিকিট কাটতে অতিরিক্ত পয়ষট্টি হাজার টাকা খরচ হয়েছে।
সৌদিগামী আরেক যাত্রী মো. শাকিল এসেছেন চাঁদপুর থেকে। তিনি বলেন, আমি রিয়াদের ফ্লাইট মিস করে দাম্মামের ফ্লাইটে টিকিট করি। পরে সেটিও আবার মিস হলে মদিনার ফ্লাইটে টিকিট করি। টিকিট বাবদ সব মিলিয়ে অতিরিক্ত আরও ১৬ হাজার টাকা গুনতে হয়েছে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে আসা সৌদিগামী যাত্রী মো. রাকিব বলেন, সোমবার (১২ অক্টোবর) প্রথম টিকিট কাটছিলাম রিয়াদের উদ্দেশ্যে। কিন্তু ফ্লাইট বন্ধ থাকায় যেতে পারি নি। নতুন করে বলাকা থেকে ১৩ তারিখে টিকিট কাটছি। আজকে রাত সাড়ে ৭ টায় কাতার হয়ে জেদ্দা যাবো। নতুন করে টিকিট কাটতে আমাকে অতিরিক্ত ১২ হাজার টাকা দিতে হয়েছে।

স্থানীয় সরকার বিভাগের সব দরপত্র ও ক্রয়প্রক্রিয়া স্থগিত







