‘কোম্পানি ভিসার মেয়াদ না বাড়ালে বিদেশ যাইতে পারবো না’

‘কোম্পানি ভিসার মেয়াদ না বাড়ালে বিদেশ যাইতে পারবো না’
মো. ইমরান হোসেন

‘আমার ভিসার মেয়াদ আছে এই মাসের ১৬ তারিখ পর্যন্ত। কোম্পানি যদি আমার ভিসার মেয়াদ না বাড়ায়, তাহলে বিদেশ যাইতে পারবো না।’ ‘আমাদের ফ্লাইট ছিল বিকেল ৪টা ৪৫ মিনিটে। এখনো জানায়নি নতুন ফ্লাইট কবে হবে। আমি এলাকায় ব্যবসা করি। সময়মতো ওমরাহতে যেতে না পারলে ব্যবসায় ক্ষতি হয়ে যাবে।’
বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) তথ্যমতে, সৌদি আরবের বিভিন্ন বিমানবন্দরে সাময়িক বিধিনিষেধ ও ফ্লাইট চলাচলে বিঘ্নের কারণে ঢাকা থেকে সৌদিগামী ৮৬টি সরাসরি ও ট্রানজিট ফ্লাইট বাতিল বা স্থগিত হয়েছে। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন ১৩ হাজার ৪৯০ জন প্রবাসী ও সাধারণ যাত্রী।
সরেজমিনে বুধবার (১৪ অক্টোবর) ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বাংলাদেশ থেকে সৌদিগামী ওমরাহযাত্রী ও প্রবাসী বাংলাদেশি শ্রমিকদের সঙ্গে কথা হলে তারা ভোগান্তির কথা জানান।

মো. রিপন টাঙ্গাইল থেকে এসেছেন সৌদি আরবের জেদ্দায় যাওয়ার জন্য। ফ্লাই এমিরেটস এয়ারলাইনসে সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় তার ফ্লাইট ছিল। কিন্তু বিমানবন্দরে আসার পর টিকিট কাউন্টারে যোগাযোগ করলে জানতে পারেন, তার ফ্লাইট পরিবর্তন হয়ে এ মাসের ২৮ তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। সৌদিগামী এই যাত্রী সিজেডএন টোয়েন্টিফোরকে বলেন, ‘ফ্লাইট তো বাতিল হয়ে গেছে। আমার ভিসার মেয়াদ আছে আর দুই দিন, অর্থাৎ ১৬ তারিখ পর্যন্ত। এখন যদি আমি যাইতে না পারি, আমার ফ্যামিলি আছে। আমার বাবা-মা আছে, বউ আছে, পোলাপান আছে। তারা তো সমস্যায় পড়ে যাবে। কোম্পানি যদি আমার ভিসার মেয়াদ না বাড়ায়, তাহলে আমি আর যাইতে পারবো না। এখন আর কী করার আছে? যেতে না পারলে বেকার হয়ে যাব। দেনা তো অবশ্যই হবে। এখন পর্যন্ত ঋণ শোধ করতে পারি নাই। সৌদি আরব গেছি দুই বছর ধরে। এখনো তিন লাখ টাকা ঋণ আছি। যেতে না পারলে সত্যি আমি অনেক সমস্যায় পড়ে যাবো।’

কুষ্টিয়ার বাসিন্দা সুজা উদ্দিন বলেন, ‘এয়ার অ্যারাবিয়া বিমানে ওমরাহর উদ্দেশ্যে রিয়াদ যাবো। কিন্তু ফ্লাইট বন্ধ হওয়ায় আজকে যেতে পারছি না। ফ্লাইট পরিবর্তন হয়েছে। আমাদের ফ্লাইট ছিল বিকেল ৪টা ৪৫ মিনিটে। এখনো জানায়নি নতুন ফ্লাইট কবে হবে। আমি এলাকায় ব্যবসা করি। সময়মতো ওমরাহতে যেতে না পারলে ব্যবসায় ক্ষতি হয়ে যাবে। আমাদের এই কাফেলায় ৪০ জন ওমরাহযাত্রী আছেন। একজনও যেতে পারবেন না।’
আব্দুস ছালাম খান বরিশাল থেকে এসেছেন সৌদি আরবের জেদ্দা শহরে যাওয়ার জন্য। সিজেডএন টোয়েন্টিফোরকে তিনি বলেন, ‘আমার ফ্লাইট ছিল দুপুর ১টা ২০ মিনিটে, দুবাই এয়ারলাইনসে। কাউন্টার থেকে বলছে, ফ্লাইট পরিবর্তন হয়েছে। কিন্তু আবার নতুন করে রাত ২টা ৩৫ মিনিটে ফ্লাইট দিয়েছে। এসেছি সকাল ১০টায়। এখনো কিছু খাইনি। খুবই দুশ্চিন্তায় আছি। রাত আড়াইটা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।’

‘আমার ভিসার মেয়াদ আছে এই মাসের ১৬ তারিখ পর্যন্ত। কোম্পানি যদি আমার ভিসার মেয়াদ না বাড়ায়, তাহলে বিদেশ যাইতে পারবো না।’ ‘আমাদের ফ্লাইট ছিল বিকেল ৪টা ৪৫ মিনিটে। এখনো জানায়নি নতুন ফ্লাইট কবে হবে। আমি এলাকায় ব্যবসা করি। সময়মতো ওমরাহতে যেতে না পারলে ব্যবসায় ক্ষতি হয়ে যাবে।’
বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) তথ্যমতে, সৌদি আরবের বিভিন্ন বিমানবন্দরে সাময়িক বিধিনিষেধ ও ফ্লাইট চলাচলে বিঘ্নের কারণে ঢাকা থেকে সৌদিগামী ৮৬টি সরাসরি ও ট্রানজিট ফ্লাইট বাতিল বা স্থগিত হয়েছে। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন ১৩ হাজার ৪৯০ জন প্রবাসী ও সাধারণ যাত্রী।
সরেজমিনে বুধবার (১৪ অক্টোবর) ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বাংলাদেশ থেকে সৌদিগামী ওমরাহযাত্রী ও প্রবাসী বাংলাদেশি শ্রমিকদের সঙ্গে কথা হলে তারা ভোগান্তির কথা জানান।

মো. রিপন টাঙ্গাইল থেকে এসেছেন সৌদি আরবের জেদ্দায় যাওয়ার জন্য। ফ্লাই এমিরেটস এয়ারলাইনসে সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় তার ফ্লাইট ছিল। কিন্তু বিমানবন্দরে আসার পর টিকিট কাউন্টারে যোগাযোগ করলে জানতে পারেন, তার ফ্লাইট পরিবর্তন হয়ে এ মাসের ২৮ তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। সৌদিগামী এই যাত্রী সিজেডএন টোয়েন্টিফোরকে বলেন, ‘ফ্লাইট তো বাতিল হয়ে গেছে। আমার ভিসার মেয়াদ আছে আর দুই দিন, অর্থাৎ ১৬ তারিখ পর্যন্ত। এখন যদি আমি যাইতে না পারি, আমার ফ্যামিলি আছে। আমার বাবা-মা আছে, বউ আছে, পোলাপান আছে। তারা তো সমস্যায় পড়ে যাবে। কোম্পানি যদি আমার ভিসার মেয়াদ না বাড়ায়, তাহলে আমি আর যাইতে পারবো না। এখন আর কী করার আছে? যেতে না পারলে বেকার হয়ে যাব। দেনা তো অবশ্যই হবে। এখন পর্যন্ত ঋণ শোধ করতে পারি নাই। সৌদি আরব গেছি দুই বছর ধরে। এখনো তিন লাখ টাকা ঋণ আছি। যেতে না পারলে সত্যি আমি অনেক সমস্যায় পড়ে যাবো।’

কুষ্টিয়ার বাসিন্দা সুজা উদ্দিন বলেন, ‘এয়ার অ্যারাবিয়া বিমানে ওমরাহর উদ্দেশ্যে রিয়াদ যাবো। কিন্তু ফ্লাইট বন্ধ হওয়ায় আজকে যেতে পারছি না। ফ্লাইট পরিবর্তন হয়েছে। আমাদের ফ্লাইট ছিল বিকেল ৪টা ৪৫ মিনিটে। এখনো জানায়নি নতুন ফ্লাইট কবে হবে। আমি এলাকায় ব্যবসা করি। সময়মতো ওমরাহতে যেতে না পারলে ব্যবসায় ক্ষতি হয়ে যাবে। আমাদের এই কাফেলায় ৪০ জন ওমরাহযাত্রী আছেন। একজনও যেতে পারবেন না।’
আব্দুস ছালাম খান বরিশাল থেকে এসেছেন সৌদি আরবের জেদ্দা শহরে যাওয়ার জন্য। সিজেডএন টোয়েন্টিফোরকে তিনি বলেন, ‘আমার ফ্লাইট ছিল দুপুর ১টা ২০ মিনিটে, দুবাই এয়ারলাইনসে। কাউন্টার থেকে বলছে, ফ্লাইট পরিবর্তন হয়েছে। কিন্তু আবার নতুন করে রাত ২টা ৩৫ মিনিটে ফ্লাইট দিয়েছে। এসেছি সকাল ১০টায়। এখনো কিছু খাইনি। খুবই দুশ্চিন্তায় আছি। রাত আড়াইটা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।’

‘কোম্পানি ভিসার মেয়াদ না বাড়ালে বিদেশ যাইতে পারবো না’
মো. ইমরান হোসেন

‘আমার ভিসার মেয়াদ আছে এই মাসের ১৬ তারিখ পর্যন্ত। কোম্পানি যদি আমার ভিসার মেয়াদ না বাড়ায়, তাহলে বিদেশ যাইতে পারবো না।’ ‘আমাদের ফ্লাইট ছিল বিকেল ৪টা ৪৫ মিনিটে। এখনো জানায়নি নতুন ফ্লাইট কবে হবে। আমি এলাকায় ব্যবসা করি। সময়মতো ওমরাহতে যেতে না পারলে ব্যবসায় ক্ষতি হয়ে যাবে।’
বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) তথ্যমতে, সৌদি আরবের বিভিন্ন বিমানবন্দরে সাময়িক বিধিনিষেধ ও ফ্লাইট চলাচলে বিঘ্নের কারণে ঢাকা থেকে সৌদিগামী ৮৬টি সরাসরি ও ট্রানজিট ফ্লাইট বাতিল বা স্থগিত হয়েছে। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন ১৩ হাজার ৪৯০ জন প্রবাসী ও সাধারণ যাত্রী।
সরেজমিনে বুধবার (১৪ অক্টোবর) ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বাংলাদেশ থেকে সৌদিগামী ওমরাহযাত্রী ও প্রবাসী বাংলাদেশি শ্রমিকদের সঙ্গে কথা হলে তারা ভোগান্তির কথা জানান।

মো. রিপন টাঙ্গাইল থেকে এসেছেন সৌদি আরবের জেদ্দায় যাওয়ার জন্য। ফ্লাই এমিরেটস এয়ারলাইনসে সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় তার ফ্লাইট ছিল। কিন্তু বিমানবন্দরে আসার পর টিকিট কাউন্টারে যোগাযোগ করলে জানতে পারেন, তার ফ্লাইট পরিবর্তন হয়ে এ মাসের ২৮ তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। সৌদিগামী এই যাত্রী সিজেডএন টোয়েন্টিফোরকে বলেন, ‘ফ্লাইট তো বাতিল হয়ে গেছে। আমার ভিসার মেয়াদ আছে আর দুই দিন, অর্থাৎ ১৬ তারিখ পর্যন্ত। এখন যদি আমি যাইতে না পারি, আমার ফ্যামিলি আছে। আমার বাবা-মা আছে, বউ আছে, পোলাপান আছে। তারা তো সমস্যায় পড়ে যাবে। কোম্পানি যদি আমার ভিসার মেয়াদ না বাড়ায়, তাহলে আমি আর যাইতে পারবো না। এখন আর কী করার আছে? যেতে না পারলে বেকার হয়ে যাব। দেনা তো অবশ্যই হবে। এখন পর্যন্ত ঋণ শোধ করতে পারি নাই। সৌদি আরব গেছি দুই বছর ধরে। এখনো তিন লাখ টাকা ঋণ আছি। যেতে না পারলে সত্যি আমি অনেক সমস্যায় পড়ে যাবো।’

কুষ্টিয়ার বাসিন্দা সুজা উদ্দিন বলেন, ‘এয়ার অ্যারাবিয়া বিমানে ওমরাহর উদ্দেশ্যে রিয়াদ যাবো। কিন্তু ফ্লাইট বন্ধ হওয়ায় আজকে যেতে পারছি না। ফ্লাইট পরিবর্তন হয়েছে। আমাদের ফ্লাইট ছিল বিকেল ৪টা ৪৫ মিনিটে। এখনো জানায়নি নতুন ফ্লাইট কবে হবে। আমি এলাকায় ব্যবসা করি। সময়মতো ওমরাহতে যেতে না পারলে ব্যবসায় ক্ষতি হয়ে যাবে। আমাদের এই কাফেলায় ৪০ জন ওমরাহযাত্রী আছেন। একজনও যেতে পারবেন না।’
আব্দুস ছালাম খান বরিশাল থেকে এসেছেন সৌদি আরবের জেদ্দা শহরে যাওয়ার জন্য। সিজেডএন টোয়েন্টিফোরকে তিনি বলেন, ‘আমার ফ্লাইট ছিল দুপুর ১টা ২০ মিনিটে, দুবাই এয়ারলাইনসে। কাউন্টার থেকে বলছে, ফ্লাইট পরিবর্তন হয়েছে। কিন্তু আবার নতুন করে রাত ২টা ৩৫ মিনিটে ফ্লাইট দিয়েছে। এসেছি সকাল ১০টায়। এখনো কিছু খাইনি। খুবই দুশ্চিন্তায় আছি। রাত আড়াইটা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।’

রিয়াদ-দাম্মামের ১০০ ফ্লাইট বাতিল, ভোগান্তিতে ১৫ হাজার যাত্রী







