ইশরাকের অভিযানের সেই মাদক স্পটে পুলিশের অভিযান, আটক ৩

ইশরাকের অভিযানের সেই মাদক স্পটে পুলিশের অভিযান, আটক ৩
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর দয়াগঞ্জ রেলক্রসিং-সংলগ্ন ঘুন্টিঘর এলাকার মাদক স্পটে অভিযান চালিয়ে তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ। গত শনিবার এই স্থানেই আগ্নেয়াস্ত্র উঁচিয়ে মাদকবিরোধী অভিযানে অংশ নিয়েছিলেন সদ্য পদত্যাগ করা মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) সকালে গেন্ডারিয়া থানা-পুলিশ এ অভিযান চালায় বলে জানিয়েছেন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সোমবার যৌথ অভিযান চালানোর পরও ঘুন্টিঘর এলাকায় প্রকাশ্যে মাদক বিক্রি ও সেবন চলছিল। এ খবর পেয়ে মঙ্গলবার সকালে সেখানে অভিযান চালানো হয়। এ সময় তিনজনকে আটক করে থানায় নেওয়া হয়। তারা সবাই মাদকসেবী বলে জানিয়েছে পুলিশ। তাদের কাছ থেকে গাঁজা ও মাদক সেবনের বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে।
অভিযান চলাকালে ঘটনাস্থলে থাকা ব্যক্তিরা পালানোর চেষ্টা করেন। তাদের অনেকে দেয়াল টপকে সরে যান। পরে সেখান থেকে তিনজনকে আটক করে পুলিশ। দুপুর একটা পর্যন্ত এলাকায় মাদক বিক্রেতা ও সেবীদের আর দেখা যায়নি।
গেন্ডারিয়া থানার ওসি মনিরুজ্জামান বলেন, ঘুন্টিঘর এলাকায় নিয়মিত অভিযান চালানো হয়। সেখানে মূলত ভাসমান মাদক বিক্রেতা ও সেবীদের আনাগোনা বেশি থাকায় মাদক নির্মূল করা কঠিন হচ্ছে। স্থায়ী সমাধানের চেষ্টা চলছে। পূজার পর বিশেষ অভিযান চালানো হবে। প্রয়োজনে সেখানে সার্বক্ষণিক পুলিশ মোতায়েন করা হতে পারে।
এর আগে সোমবার বিকালে ঘুন্টিঘর এলাকায় স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি) যৌথ অভিযান চালায়। এ সময় ১৫ জনকে আটক করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাদের সাজা দেওয়া হয়। অভিযানে মাদক সেবনের জন্য তৈরি অস্থায়ী কাগজের ছাউনি ও ঝুপড়িগুলোও ভেঙে ফেলা হয়।
গত শনিবার ঘুন্টিঘরের ওই মাদক স্পটে ব্যক্তিগত উদ্যোগে সহযোগীদের নিয়ে অভিযানে অংশ নেন তৎকালীন প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন। এ সময় তার আগ্নেয়াস্ত্র উঁচিয়ে উপস্থিত ব্যক্তিদের দিকে তেড়ে যাওয়ার দৃশ্য তার ফেসবুক পেজে প্রকাশিত একটি ভিডিওতে দেখা যায়। ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে একজন প্রতিমন্ত্রীর এভাবে অস্ত্র প্রদর্শন করে অভিযানে অংশ নেওয়া নিয়ে সমালোচনা শুরু হয়।
এ ঘটনা সরকার ও ইশরাকের দল বিএনপির মধ্যেও অস্বস্তি তৈরি করে। ব্যাপক সমালোচনার পর গত রোববার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তাকে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগের নির্দেশ দেন। পরদিন সোমবার জাতীয় প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে পদত্যাগের ঘোষণা দেন ইশরাক হোসেন।

রাজধানীর দয়াগঞ্জ রেলক্রসিং-সংলগ্ন ঘুন্টিঘর এলাকার মাদক স্পটে অভিযান চালিয়ে তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ। গত শনিবার এই স্থানেই আগ্নেয়াস্ত্র উঁচিয়ে মাদকবিরোধী অভিযানে অংশ নিয়েছিলেন সদ্য পদত্যাগ করা মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) সকালে গেন্ডারিয়া থানা-পুলিশ এ অভিযান চালায় বলে জানিয়েছেন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সোমবার যৌথ অভিযান চালানোর পরও ঘুন্টিঘর এলাকায় প্রকাশ্যে মাদক বিক্রি ও সেবন চলছিল। এ খবর পেয়ে মঙ্গলবার সকালে সেখানে অভিযান চালানো হয়। এ সময় তিনজনকে আটক করে থানায় নেওয়া হয়। তারা সবাই মাদকসেবী বলে জানিয়েছে পুলিশ। তাদের কাছ থেকে গাঁজা ও মাদক সেবনের বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে।
অভিযান চলাকালে ঘটনাস্থলে থাকা ব্যক্তিরা পালানোর চেষ্টা করেন। তাদের অনেকে দেয়াল টপকে সরে যান। পরে সেখান থেকে তিনজনকে আটক করে পুলিশ। দুপুর একটা পর্যন্ত এলাকায় মাদক বিক্রেতা ও সেবীদের আর দেখা যায়নি।
গেন্ডারিয়া থানার ওসি মনিরুজ্জামান বলেন, ঘুন্টিঘর এলাকায় নিয়মিত অভিযান চালানো হয়। সেখানে মূলত ভাসমান মাদক বিক্রেতা ও সেবীদের আনাগোনা বেশি থাকায় মাদক নির্মূল করা কঠিন হচ্ছে। স্থায়ী সমাধানের চেষ্টা চলছে। পূজার পর বিশেষ অভিযান চালানো হবে। প্রয়োজনে সেখানে সার্বক্ষণিক পুলিশ মোতায়েন করা হতে পারে।
এর আগে সোমবার বিকালে ঘুন্টিঘর এলাকায় স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি) যৌথ অভিযান চালায়। এ সময় ১৫ জনকে আটক করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাদের সাজা দেওয়া হয়। অভিযানে মাদক সেবনের জন্য তৈরি অস্থায়ী কাগজের ছাউনি ও ঝুপড়িগুলোও ভেঙে ফেলা হয়।
গত শনিবার ঘুন্টিঘরের ওই মাদক স্পটে ব্যক্তিগত উদ্যোগে সহযোগীদের নিয়ে অভিযানে অংশ নেন তৎকালীন প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন। এ সময় তার আগ্নেয়াস্ত্র উঁচিয়ে উপস্থিত ব্যক্তিদের দিকে তেড়ে যাওয়ার দৃশ্য তার ফেসবুক পেজে প্রকাশিত একটি ভিডিওতে দেখা যায়। ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে একজন প্রতিমন্ত্রীর এভাবে অস্ত্র প্রদর্শন করে অভিযানে অংশ নেওয়া নিয়ে সমালোচনা শুরু হয়।
এ ঘটনা সরকার ও ইশরাকের দল বিএনপির মধ্যেও অস্বস্তি তৈরি করে। ব্যাপক সমালোচনার পর গত রোববার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তাকে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগের নির্দেশ দেন। পরদিন সোমবার জাতীয় প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে পদত্যাগের ঘোষণা দেন ইশরাক হোসেন।

ইশরাকের অভিযানের সেই মাদক স্পটে পুলিশের অভিযান, আটক ৩
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর দয়াগঞ্জ রেলক্রসিং-সংলগ্ন ঘুন্টিঘর এলাকার মাদক স্পটে অভিযান চালিয়ে তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ। গত শনিবার এই স্থানেই আগ্নেয়াস্ত্র উঁচিয়ে মাদকবিরোধী অভিযানে অংশ নিয়েছিলেন সদ্য পদত্যাগ করা মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) সকালে গেন্ডারিয়া থানা-পুলিশ এ অভিযান চালায় বলে জানিয়েছেন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সোমবার যৌথ অভিযান চালানোর পরও ঘুন্টিঘর এলাকায় প্রকাশ্যে মাদক বিক্রি ও সেবন চলছিল। এ খবর পেয়ে মঙ্গলবার সকালে সেখানে অভিযান চালানো হয়। এ সময় তিনজনকে আটক করে থানায় নেওয়া হয়। তারা সবাই মাদকসেবী বলে জানিয়েছে পুলিশ। তাদের কাছ থেকে গাঁজা ও মাদক সেবনের বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে।
অভিযান চলাকালে ঘটনাস্থলে থাকা ব্যক্তিরা পালানোর চেষ্টা করেন। তাদের অনেকে দেয়াল টপকে সরে যান। পরে সেখান থেকে তিনজনকে আটক করে পুলিশ। দুপুর একটা পর্যন্ত এলাকায় মাদক বিক্রেতা ও সেবীদের আর দেখা যায়নি।
গেন্ডারিয়া থানার ওসি মনিরুজ্জামান বলেন, ঘুন্টিঘর এলাকায় নিয়মিত অভিযান চালানো হয়। সেখানে মূলত ভাসমান মাদক বিক্রেতা ও সেবীদের আনাগোনা বেশি থাকায় মাদক নির্মূল করা কঠিন হচ্ছে। স্থায়ী সমাধানের চেষ্টা চলছে। পূজার পর বিশেষ অভিযান চালানো হবে। প্রয়োজনে সেখানে সার্বক্ষণিক পুলিশ মোতায়েন করা হতে পারে।
এর আগে সোমবার বিকালে ঘুন্টিঘর এলাকায় স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি) যৌথ অভিযান চালায়। এ সময় ১৫ জনকে আটক করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাদের সাজা দেওয়া হয়। অভিযানে মাদক সেবনের জন্য তৈরি অস্থায়ী কাগজের ছাউনি ও ঝুপড়িগুলোও ভেঙে ফেলা হয়।
গত শনিবার ঘুন্টিঘরের ওই মাদক স্পটে ব্যক্তিগত উদ্যোগে সহযোগীদের নিয়ে অভিযানে অংশ নেন তৎকালীন প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন। এ সময় তার আগ্নেয়াস্ত্র উঁচিয়ে উপস্থিত ব্যক্তিদের দিকে তেড়ে যাওয়ার দৃশ্য তার ফেসবুক পেজে প্রকাশিত একটি ভিডিওতে দেখা যায়। ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে একজন প্রতিমন্ত্রীর এভাবে অস্ত্র প্রদর্শন করে অভিযানে অংশ নেওয়া নিয়ে সমালোচনা শুরু হয়।
এ ঘটনা সরকার ও ইশরাকের দল বিএনপির মধ্যেও অস্বস্তি তৈরি করে। ব্যাপক সমালোচনার পর গত রোববার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তাকে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগের নির্দেশ দেন। পরদিন সোমবার জাতীয় প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে পদত্যাগের ঘোষণা দেন ইশরাক হোসেন।









