মহানবী (সা.)-কে নিয়ে কটূক্তি, জাবি শিক্ষার্থী বহিষ্কার

মহানবী (সা.)-কে নিয়ে কটূক্তি, জাবি শিক্ষার্থী বহিষ্কার
জাবি প্রতিনিধি

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-কে নিয়ে কটূক্তি ও অবমাননাকর মন্তব্যের মাধ্যমে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানার অভিযোগে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) এক শিক্ষার্থীকে সাময়িক বহিষ্কার করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। একই ঘটনায় অভিযোগের সত্যতা যাচাই ও প্রয়োজনীয় সুপারিশসহ প্রতিবেদন দিতে চার সদস্যের একটি তদন্ত কমিটিও গঠন করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার ড. এ বি এম আজিজুর রহমান স্বাক্ষরিত পৃথক দুটি অফিস আদেশে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।
সাময়িক বহিষ্কৃত শিক্ষার্থীর নাম সৈকত হালদার। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের (৫১তম ব্যাচ) শিক্ষার্থী। তিনি শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ হলের আবাসিক ছাত্র। তার ক্লাস রোল ১১৮৬ এবং নিবন্ধন নম্বর ২০২২২৫৫৭৯২।
অফিস আদেশে বলা হয়েছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-কে নিয়ে কটূক্তি ও ধর্ম অবমাননার অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে শিক্ষার্থীকে ‘জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের শৃঙ্খলা সংক্রান্ত অধ্যাদেশ-২০১৮’-এর ৪(১)(খ) ধারা অনুযায়ী সাময়িকভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। এ ছাড়া দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ২৯৫(ক) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধের অভিযোগ থাকায় তার বিরুদ্ধে ‘অসদাচরণ’-এর অভিযোগ আনা হয়েছে।
এদিকে, ঘটনার প্রকৃত কারণ অনুসন্ধান এবং প্রয়োজনীয় সুপারিশসহ পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন তৈরির জন্য শৃঙ্খলা সংক্রান্ত অধ্যাদেশ-২০১৮-এর ৪(১)(ক) ধারা অনুযায়ী চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
কমিটিতে দর্শন বিভাগের অধ্যাপক ড. মোস্তফা নাজমুল মনছুরকে সভাপতি এবং ডেপুটি রেজিস্ট্রার (সাধারণ প্রশাসন) মো. মাহতাব-উজ-জাহিদকে সদস্যসচিব করা হয়েছে। কমিটির অন্য দুই সদস্য হলেন ইনস্টিটিউট অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের (আইবিএ-জেইউ) অধ্যাপক ড. কে এম জাহিদুল ইসলাম এবং শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ হলের ওয়ার্ডেন ড. মো. আলমগীর কবির।
অফিস আদেশে তদন্ত কমিটিকে আগামী ১০ কর্মদিবসের মধ্যে তদন্তকাজ শেষ করে প্রয়োজনীয় সুপারিশসহ পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-কে নিয়ে কটূক্তি ও অবমাননাকর মন্তব্যের মাধ্যমে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানার অভিযোগে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) এক শিক্ষার্থীকে সাময়িক বহিষ্কার করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। একই ঘটনায় অভিযোগের সত্যতা যাচাই ও প্রয়োজনীয় সুপারিশসহ প্রতিবেদন দিতে চার সদস্যের একটি তদন্ত কমিটিও গঠন করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার ড. এ বি এম আজিজুর রহমান স্বাক্ষরিত পৃথক দুটি অফিস আদেশে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।
সাময়িক বহিষ্কৃত শিক্ষার্থীর নাম সৈকত হালদার। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের (৫১তম ব্যাচ) শিক্ষার্থী। তিনি শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ হলের আবাসিক ছাত্র। তার ক্লাস রোল ১১৮৬ এবং নিবন্ধন নম্বর ২০২২২৫৫৭৯২।
অফিস আদেশে বলা হয়েছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-কে নিয়ে কটূক্তি ও ধর্ম অবমাননার অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে শিক্ষার্থীকে ‘জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের শৃঙ্খলা সংক্রান্ত অধ্যাদেশ-২০১৮’-এর ৪(১)(খ) ধারা অনুযায়ী সাময়িকভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। এ ছাড়া দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ২৯৫(ক) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধের অভিযোগ থাকায় তার বিরুদ্ধে ‘অসদাচরণ’-এর অভিযোগ আনা হয়েছে।
এদিকে, ঘটনার প্রকৃত কারণ অনুসন্ধান এবং প্রয়োজনীয় সুপারিশসহ পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন তৈরির জন্য শৃঙ্খলা সংক্রান্ত অধ্যাদেশ-২০১৮-এর ৪(১)(ক) ধারা অনুযায়ী চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
কমিটিতে দর্শন বিভাগের অধ্যাপক ড. মোস্তফা নাজমুল মনছুরকে সভাপতি এবং ডেপুটি রেজিস্ট্রার (সাধারণ প্রশাসন) মো. মাহতাব-উজ-জাহিদকে সদস্যসচিব করা হয়েছে। কমিটির অন্য দুই সদস্য হলেন ইনস্টিটিউট অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের (আইবিএ-জেইউ) অধ্যাপক ড. কে এম জাহিদুল ইসলাম এবং শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ হলের ওয়ার্ডেন ড. মো. আলমগীর কবির।
অফিস আদেশে তদন্ত কমিটিকে আগামী ১০ কর্মদিবসের মধ্যে তদন্তকাজ শেষ করে প্রয়োজনীয় সুপারিশসহ পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

মহানবী (সা.)-কে নিয়ে কটূক্তি, জাবি শিক্ষার্থী বহিষ্কার
জাবি প্রতিনিধি

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-কে নিয়ে কটূক্তি ও অবমাননাকর মন্তব্যের মাধ্যমে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানার অভিযোগে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) এক শিক্ষার্থীকে সাময়িক বহিষ্কার করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। একই ঘটনায় অভিযোগের সত্যতা যাচাই ও প্রয়োজনীয় সুপারিশসহ প্রতিবেদন দিতে চার সদস্যের একটি তদন্ত কমিটিও গঠন করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার ড. এ বি এম আজিজুর রহমান স্বাক্ষরিত পৃথক দুটি অফিস আদেশে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।
সাময়িক বহিষ্কৃত শিক্ষার্থীর নাম সৈকত হালদার। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের (৫১তম ব্যাচ) শিক্ষার্থী। তিনি শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ হলের আবাসিক ছাত্র। তার ক্লাস রোল ১১৮৬ এবং নিবন্ধন নম্বর ২০২২২৫৫৭৯২।
অফিস আদেশে বলা হয়েছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-কে নিয়ে কটূক্তি ও ধর্ম অবমাননার অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে শিক্ষার্থীকে ‘জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের শৃঙ্খলা সংক্রান্ত অধ্যাদেশ-২০১৮’-এর ৪(১)(খ) ধারা অনুযায়ী সাময়িকভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। এ ছাড়া দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ২৯৫(ক) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধের অভিযোগ থাকায় তার বিরুদ্ধে ‘অসদাচরণ’-এর অভিযোগ আনা হয়েছে।
এদিকে, ঘটনার প্রকৃত কারণ অনুসন্ধান এবং প্রয়োজনীয় সুপারিশসহ পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন তৈরির জন্য শৃঙ্খলা সংক্রান্ত অধ্যাদেশ-২০১৮-এর ৪(১)(ক) ধারা অনুযায়ী চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
কমিটিতে দর্শন বিভাগের অধ্যাপক ড. মোস্তফা নাজমুল মনছুরকে সভাপতি এবং ডেপুটি রেজিস্ট্রার (সাধারণ প্রশাসন) মো. মাহতাব-উজ-জাহিদকে সদস্যসচিব করা হয়েছে। কমিটির অন্য দুই সদস্য হলেন ইনস্টিটিউট অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের (আইবিএ-জেইউ) অধ্যাপক ড. কে এম জাহিদুল ইসলাম এবং শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ হলের ওয়ার্ডেন ড. মো. আলমগীর কবির।
অফিস আদেশে তদন্ত কমিটিকে আগামী ১০ কর্মদিবসের মধ্যে তদন্তকাজ শেষ করে প্রয়োজনীয় সুপারিশসহ পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে।









