বিটিআরসির সেই ৪ উপ-পরিচালককে কারণ দর্শানোর নোটিশ

বিটিআরসির সেই ৪ উপ-পরিচালককে কারণ দর্শানোর নোটিশ
নিজস্ব প্রতিবেদক

‘কমিশনের স্বার্থের পরিপন্থী কর্মকাণ্ডে সহকর্মী ও বহিরাগত ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পৃক্ত’ থাকার অভিযোগে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) ৪ উপ-পরিচালককে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। রবিবার (১১ অক্টোবর) পৃথক ৪টি চিঠিতে এই নোটিশ দেয় কমিশন।
তবে অভিযুক্ত কর্মকর্তাদের দাবি, কমিশনের অনিয়মের বিরুদ্ধে আদালতে রিট করার কারণে তাদের বিরুদ্ধে এই হয়রানিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
নোটিশে ৭ কার্যদিবসের মধ্যে উপ-পরিচালকদেরকে লিখিত বক্তব্য দাখিল করতে বলা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বক্তব্য পাওয়া না গেলে এ বিষয়ে তাদের কোনো বক্তব্য নেই বলে গণ্য করে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়েছে।
চলতি বছরের শুরুতে অডিট আপত্তি রয়েছে, এমন কয়েকজন কর্মকর্তাকে পদোন্নতি দেওয়ার উদ্যোগ নেয় বিটিআরসি। এর বিরুদ্ধে মার্চ মাসে কমিশনের ছয় উপ-পরিচালক উচ্চ আদালতে রিট করেন। এরপর রিটকারীর মধ্যে দুজন উপ-পরিচালক সনজিব কুমার সিংহ ও এস এম আফজাল রেজাকে ঢাকার বাইরে বদলি করা হয়। বাকি ৪ জনকে বর্তমান দায়িত্ব থেকে সরিয়ে বিটিআরসির বিভিন্ন দপ্তরে বদলি করা হয়।
পরে ঢাকার বাইরে বদলি আদেশের বিরুদ্ধে সনজিব কুমার সিংহ ও এস এম আফজাল রেজা পুনরায় উচ্চ আদালতে রিট আবেদন করেন। এই রিটের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত গত ২৩ এপ্রিল প্রথমে দুই মাসের জন্য এবং পরে ৯ জুন ছয় মাসের জন্য তাদের বদলি আদেশের ওপর স্থগিতাদেশ দেন।
বিটিআরসি কর্মকর্তারা জানান, গত ২৮ সেপ্টেম্বর দুপুরে কমিশন কার্যালয়ে উপ-পরিচালক সনজিব কুমার সিংহের কক্ষে যান বিটিআরসি চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) এমদাদ উল বারী। এ সময় তার সঙ্গে কমিশনের ভাইস চেয়ারম্যান ও কমিশন সচিব উপস্থিত ছিলেন। কক্ষে আগে থেকেই বিটিআরসির উপ-পরিচালক এস এম আফজাল রেজা, জাকির হোসেন খান ও আহসানুল হাবীব উপস্থিত ছিলেন।
উপস্থিত কর্মকর্তাদের একজন নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, লাঞ্চে যাওয়ার জন্য তারা একসঙ্গে হয়েছিলেন। বিটিআরসি চেয়ারম্যান হঠাৎ রুমে প্রবেশ করেন। কী নিয়ে কথাবার্তা হচ্ছে, তা তিনি জানতে চান। এরপর বলেন যে তারা ষড়যন্ত্র করছেন। তাৎক্ষণিক রুম সিলগালা করারও আদেশ দিয়ে যান।
সূত্র বলছে, ওই দিন বিকালেই সনজিব কুমার সিংহকে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) করা হয়। পরদিন তার কক্ষ সিলগালা করা হয় এবং অন্য তিন কর্মকর্তাকে বিভিন্ন দপ্তরে বদলি করা হয়।
সর্বশেষ রবিবার এই চার কর্মকর্তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হলো। নোটিশে বলা হয়েছে, তারা অফিস চলাকালে এবং অফিস সময়ের পর কমিশনের স্বাভাবিক কার্যক্রম ও শৃঙ্খলাপরিপন্থী এবং কমিশনের স্বার্থের পরিপন্থী কর্মকাণ্ডে অফিসের সহকর্মী ও বহিরাগত ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়েছেন বলে বিভিন্ন সূত্র থেকে তথ্য পাওয়া গেছে। এ ধরনের কর্মকাণ্ড বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (কর্মচারী) চাকরি প্রবিধানমালা, ২০২২ এবং সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮-এর সংশ্লিষ্ট বিধানের আওতাভুক্ত।
সনজিব কুমার সিংহ দাবি করেন, নোটিশে যেসব কর্মকাণ্ডের কথা বলা হয়েছে, সেগুলোর কোনো কিছুর সঙ্গেই তিনি যুক্ত নন। তার অভিযোগ, পদোন্নতি নিয়ে অনিয়মের বিরুদ্ধে রিট করার পর থেকেই তাদের সঙ্গে অন্যায্য আচরণ করা হচ্ছে।

‘কমিশনের স্বার্থের পরিপন্থী কর্মকাণ্ডে সহকর্মী ও বহিরাগত ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পৃক্ত’ থাকার অভিযোগে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) ৪ উপ-পরিচালককে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। রবিবার (১১ অক্টোবর) পৃথক ৪টি চিঠিতে এই নোটিশ দেয় কমিশন।
তবে অভিযুক্ত কর্মকর্তাদের দাবি, কমিশনের অনিয়মের বিরুদ্ধে আদালতে রিট করার কারণে তাদের বিরুদ্ধে এই হয়রানিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
নোটিশে ৭ কার্যদিবসের মধ্যে উপ-পরিচালকদেরকে লিখিত বক্তব্য দাখিল করতে বলা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বক্তব্য পাওয়া না গেলে এ বিষয়ে তাদের কোনো বক্তব্য নেই বলে গণ্য করে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়েছে।
চলতি বছরের শুরুতে অডিট আপত্তি রয়েছে, এমন কয়েকজন কর্মকর্তাকে পদোন্নতি দেওয়ার উদ্যোগ নেয় বিটিআরসি। এর বিরুদ্ধে মার্চ মাসে কমিশনের ছয় উপ-পরিচালক উচ্চ আদালতে রিট করেন। এরপর রিটকারীর মধ্যে দুজন উপ-পরিচালক সনজিব কুমার সিংহ ও এস এম আফজাল রেজাকে ঢাকার বাইরে বদলি করা হয়। বাকি ৪ জনকে বর্তমান দায়িত্ব থেকে সরিয়ে বিটিআরসির বিভিন্ন দপ্তরে বদলি করা হয়।
পরে ঢাকার বাইরে বদলি আদেশের বিরুদ্ধে সনজিব কুমার সিংহ ও এস এম আফজাল রেজা পুনরায় উচ্চ আদালতে রিট আবেদন করেন। এই রিটের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত গত ২৩ এপ্রিল প্রথমে দুই মাসের জন্য এবং পরে ৯ জুন ছয় মাসের জন্য তাদের বদলি আদেশের ওপর স্থগিতাদেশ দেন।
বিটিআরসি কর্মকর্তারা জানান, গত ২৮ সেপ্টেম্বর দুপুরে কমিশন কার্যালয়ে উপ-পরিচালক সনজিব কুমার সিংহের কক্ষে যান বিটিআরসি চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) এমদাদ উল বারী। এ সময় তার সঙ্গে কমিশনের ভাইস চেয়ারম্যান ও কমিশন সচিব উপস্থিত ছিলেন। কক্ষে আগে থেকেই বিটিআরসির উপ-পরিচালক এস এম আফজাল রেজা, জাকির হোসেন খান ও আহসানুল হাবীব উপস্থিত ছিলেন।
উপস্থিত কর্মকর্তাদের একজন নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, লাঞ্চে যাওয়ার জন্য তারা একসঙ্গে হয়েছিলেন। বিটিআরসি চেয়ারম্যান হঠাৎ রুমে প্রবেশ করেন। কী নিয়ে কথাবার্তা হচ্ছে, তা তিনি জানতে চান। এরপর বলেন যে তারা ষড়যন্ত্র করছেন। তাৎক্ষণিক রুম সিলগালা করারও আদেশ দিয়ে যান।
সূত্র বলছে, ওই দিন বিকালেই সনজিব কুমার সিংহকে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) করা হয়। পরদিন তার কক্ষ সিলগালা করা হয় এবং অন্য তিন কর্মকর্তাকে বিভিন্ন দপ্তরে বদলি করা হয়।
সর্বশেষ রবিবার এই চার কর্মকর্তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হলো। নোটিশে বলা হয়েছে, তারা অফিস চলাকালে এবং অফিস সময়ের পর কমিশনের স্বাভাবিক কার্যক্রম ও শৃঙ্খলাপরিপন্থী এবং কমিশনের স্বার্থের পরিপন্থী কর্মকাণ্ডে অফিসের সহকর্মী ও বহিরাগত ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়েছেন বলে বিভিন্ন সূত্র থেকে তথ্য পাওয়া গেছে। এ ধরনের কর্মকাণ্ড বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (কর্মচারী) চাকরি প্রবিধানমালা, ২০২২ এবং সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮-এর সংশ্লিষ্ট বিধানের আওতাভুক্ত।
সনজিব কুমার সিংহ দাবি করেন, নোটিশে যেসব কর্মকাণ্ডের কথা বলা হয়েছে, সেগুলোর কোনো কিছুর সঙ্গেই তিনি যুক্ত নন। তার অভিযোগ, পদোন্নতি নিয়ে অনিয়মের বিরুদ্ধে রিট করার পর থেকেই তাদের সঙ্গে অন্যায্য আচরণ করা হচ্ছে।

বিটিআরসির সেই ৪ উপ-পরিচালককে কারণ দর্শানোর নোটিশ
নিজস্ব প্রতিবেদক

‘কমিশনের স্বার্থের পরিপন্থী কর্মকাণ্ডে সহকর্মী ও বহিরাগত ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পৃক্ত’ থাকার অভিযোগে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) ৪ উপ-পরিচালককে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। রবিবার (১১ অক্টোবর) পৃথক ৪টি চিঠিতে এই নোটিশ দেয় কমিশন।
তবে অভিযুক্ত কর্মকর্তাদের দাবি, কমিশনের অনিয়মের বিরুদ্ধে আদালতে রিট করার কারণে তাদের বিরুদ্ধে এই হয়রানিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
নোটিশে ৭ কার্যদিবসের মধ্যে উপ-পরিচালকদেরকে লিখিত বক্তব্য দাখিল করতে বলা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বক্তব্য পাওয়া না গেলে এ বিষয়ে তাদের কোনো বক্তব্য নেই বলে গণ্য করে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়েছে।
চলতি বছরের শুরুতে অডিট আপত্তি রয়েছে, এমন কয়েকজন কর্মকর্তাকে পদোন্নতি দেওয়ার উদ্যোগ নেয় বিটিআরসি। এর বিরুদ্ধে মার্চ মাসে কমিশনের ছয় উপ-পরিচালক উচ্চ আদালতে রিট করেন। এরপর রিটকারীর মধ্যে দুজন উপ-পরিচালক সনজিব কুমার সিংহ ও এস এম আফজাল রেজাকে ঢাকার বাইরে বদলি করা হয়। বাকি ৪ জনকে বর্তমান দায়িত্ব থেকে সরিয়ে বিটিআরসির বিভিন্ন দপ্তরে বদলি করা হয়।
পরে ঢাকার বাইরে বদলি আদেশের বিরুদ্ধে সনজিব কুমার সিংহ ও এস এম আফজাল রেজা পুনরায় উচ্চ আদালতে রিট আবেদন করেন। এই রিটের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত গত ২৩ এপ্রিল প্রথমে দুই মাসের জন্য এবং পরে ৯ জুন ছয় মাসের জন্য তাদের বদলি আদেশের ওপর স্থগিতাদেশ দেন।
বিটিআরসি কর্মকর্তারা জানান, গত ২৮ সেপ্টেম্বর দুপুরে কমিশন কার্যালয়ে উপ-পরিচালক সনজিব কুমার সিংহের কক্ষে যান বিটিআরসি চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) এমদাদ উল বারী। এ সময় তার সঙ্গে কমিশনের ভাইস চেয়ারম্যান ও কমিশন সচিব উপস্থিত ছিলেন। কক্ষে আগে থেকেই বিটিআরসির উপ-পরিচালক এস এম আফজাল রেজা, জাকির হোসেন খান ও আহসানুল হাবীব উপস্থিত ছিলেন।
উপস্থিত কর্মকর্তাদের একজন নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, লাঞ্চে যাওয়ার জন্য তারা একসঙ্গে হয়েছিলেন। বিটিআরসি চেয়ারম্যান হঠাৎ রুমে প্রবেশ করেন। কী নিয়ে কথাবার্তা হচ্ছে, তা তিনি জানতে চান। এরপর বলেন যে তারা ষড়যন্ত্র করছেন। তাৎক্ষণিক রুম সিলগালা করারও আদেশ দিয়ে যান।
সূত্র বলছে, ওই দিন বিকালেই সনজিব কুমার সিংহকে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) করা হয়। পরদিন তার কক্ষ সিলগালা করা হয় এবং অন্য তিন কর্মকর্তাকে বিভিন্ন দপ্তরে বদলি করা হয়।
সর্বশেষ রবিবার এই চার কর্মকর্তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হলো। নোটিশে বলা হয়েছে, তারা অফিস চলাকালে এবং অফিস সময়ের পর কমিশনের স্বাভাবিক কার্যক্রম ও শৃঙ্খলাপরিপন্থী এবং কমিশনের স্বার্থের পরিপন্থী কর্মকাণ্ডে অফিসের সহকর্মী ও বহিরাগত ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়েছেন বলে বিভিন্ন সূত্র থেকে তথ্য পাওয়া গেছে। এ ধরনের কর্মকাণ্ড বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (কর্মচারী) চাকরি প্রবিধানমালা, ২০২২ এবং সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮-এর সংশ্লিষ্ট বিধানের আওতাভুক্ত।
সনজিব কুমার সিংহ দাবি করেন, নোটিশে যেসব কর্মকাণ্ডের কথা বলা হয়েছে, সেগুলোর কোনো কিছুর সঙ্গেই তিনি যুক্ত নন। তার অভিযোগ, পদোন্নতি নিয়ে অনিয়মের বিরুদ্ধে রিট করার পর থেকেই তাদের সঙ্গে অন্যায্য আচরণ করা হচ্ছে।

বিটিআরসির নীতিমালা নিয়ে বিএনপির উদ্বেগ







